Sufi Faruq (সুফি ফারুক)

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ওপর যতবার হামলা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ

বাংলাদেশের জন্মের বিরোধী শক্তি মূলত হত্যার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। তারা দেশ স্বাধীন করার প্রতিশোধ নিতে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে দিয়ে সেই অপশক্তি বাংলাদেশর ক্ষমতায় আরোহণ করে দেশকে স্বাধীনতার চেতনা ও আদর্শের উল্টো দিকে পরিচালনা করতে থাকে। বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকারী হিসেবে তার জ্যৈষ্ঠ কন্যা শেখা হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে যেদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাল ধরেন, সেদিন থেকেই সেই অপশক্তি গতানুগতিক ভাবে শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে দমন করার ষড়যন্ত্র করতে থাকে। শুধুমাত্র শেখ হাসিনাকেই নয়, বঙ্গবন্ধুর দু সন্তান ও তার সন্তানদের বিরুদ্ধে একই ভাবে আজও হত্যার ষড়যন্ত্র ও হত্যা চেষ্টা করে চলেছে সেই অপশক্তি ও তাদের উত্তরাধিকারীরা।

শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর থেকে ৮ বার গুলি সহ মোট ১৯ বার হামলার শিকার হন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট:
শেখ হাসিনা প্রথম মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পান ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে ছোট বোন শেখ রেহানা সহ জার্মানিতে অবস্থান করার কারণে সেবার প্রাণে বেঁচে যান।

১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে গাড়ি বহরে পুলিশের গুলি:
১৯৮৩ সালে শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে এক সমাবেশে অংশ নেন। ওই দিন তার গাড়ি বহরে পুলিশ গুলি চালায়। ওই দিনে আওয়ামী লীগের ১২ জন কর্মী প্রাণ দিয়ে শেখ হাসিনাকে রক্ষা করে।

১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে হামলা:

১৯৯১’র ১১ সেপ্টেম্বর গ্রিনরোডের ভোটকেন্দ্রে হত্যা চেষ্টা:
টুঙ্গিপাড়া থেকে ফিরে তিনি গ্রিনরোডে পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে ভোটের পরিস্থিতি দেখতে গেলে বিএনপি’র কর্মীরা গুলিবর্ষণ ও বোমা বিস্ফোরণ করে।

১৯৯৪ ঈশ্বরদী ও নাটোর রেল স্টেশনে প্রবেশের মুখে হামলা:
২৩.০৯.১৯৯৪ তারিখে ঈশ্বরদী ও নাটোর রেল স্টেশনে প্রবেশের মুখে শেখ হাসিনাকে বহনকারী রেলগাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করা হয়।

১৯৯৫ সালের ৭ ডিসেম্বর রাসেল স্কয়ারের কাছে গুলি:
রাসেল স্কয়ারের কাছে এক সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার তাকে উদ্দেশ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়।

১৯৯৬ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে গুলি বর্ষন:
আওয়ামী লীগের সমাবেশে ওই দিন তার বক্তৃতার পর হঠাৎ একটি মাইক্রোবাস থেকে সভামঞ্চ লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ ও বোমা নিক্ষেপ করা হয়।

২০০১ সালের ৩০ মে খুলনায় রূপসা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে হামলার চেস্টা:

২০০০ সালের ২০ জুলাই কোটালিপাড়ায় ৭৬ কেজি বোমা:
২০০০ সালের ২০ জুলাই টুঙ্গি পাড়ার কোটালিপাড়ায় শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে জঙ্গিরা তার সমাবেশ-স্থলে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রেখেছিল। বোমাটি বিস্ফারিত হওয়ার পূর্বেই বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় তিনি সে যাত্রা রক্ষা পান।

২০০১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের জনসভায় বোমা পেতে হত্যা চেষ্টা:
সিলেটে নির্বাচনী জনসভায় বোমা পেতে শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল বিএনপি-জামাতের পৃষ্ঠপোষকতায় বেড়ে ওঠার সংগঠন হুজি-বি। হামলা হবার আগেই জনসভাস্থলের অদূরে বোমা বিস্ফারণে দুই জঙ্গি নিহত হলে পরিকল্পনাটি ভেস্তে যায়। ওই ঘটনায় মামলা হয় তবে শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনার কথা পরে জানাজানি হয়।

২০০২ এর ৪ মার্চ গাড়ি বহরে হামলা:
২০০২ এর ৪ মার্চ বিএনপির যুবদল ক্যাডার খালিদ-বিন-হেদায়েত নওগাঁয় বিএমসি সরকারি মহিলা কলেজের সামনে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা চালায়।

২০০৪ সালের ২ এপ্রিল বরিশালে গাড়ি বহরে হামলা:
বরিশালের গৌরনদীতে শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে গুলিবর্ষণ করে জামায়াত-বিএনপি।

২০০২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিএনপি কার্যালয়ের সামনে গাড়ি বহরে হামলা:

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বোমা হামলা:
এই হামলাটি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে জঙ্গি ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় রাষ্ট্রীয় সহযোগীটায় তৎকালীন সরকারের মদত-পুষ্ট জঙ্গিরা শেখ হাসিনার ওপর অতর্কিত গ্রেনেড হামলা চালায়।

২০১১ সালে শ্রীলংকার একটি সন্ত্রাসবাদী গ্রুপের সাথে আইএসআইএর ষড়যন্ত্র ও হামলা করতে আসার পথে জঙ্গীদের মৃত্যু:

২০১৫ সালের ৭ মার্চ কারওয়ান বাজারে হামলা: