Sufi Faruq Ibne Abubakar (সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর)

কুমারখালী-খোকশার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদান ১ নং কয়া ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ১ নং খোকসা ইউনিয়ন, খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ১০ নং পান্টি ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ১১ নং চরসাদিপুর ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ২ নং ওসমানপুর ইউনিয়ন, খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ২ নং শিলাইদহ ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৩ নং জগন্নাথপুর ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৩ নং বেতবাড়িয়া ইউনিয়ন, খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৪ নং জানিপুর ইউনিয়ন, খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৪ নং সদকি ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৫ নং নন্দলালপুর ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৫ নং শিমুলিয়া ইউনিয়ন, খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৬ নং চাপড়া ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৬ নং শোমসপুর ইউনিয়ন, খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৭ নং গোপগ্রাম ইউনিয়ন, খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৭ নং বাগুলাট ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৮ নং জয়ন্তী হাজরা ইউনিয়ন, খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৮ নং যদুবয়রা ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৯ নং আমবাড়িয়া ইউনিয়ন, খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ৯ নং চাঁদপুর ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, কুমারখালী উপজেলা, কুমারখালী পৌরসভা, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, কুমারখালী-খোকসা, খোকসা উপজেলা, খোকসা পৌরসভা, খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ, ভৈরবপাড়া গ্রাম, ১১ নং চরসাদিপুর ইউনিয়ন, কুমারখালী, কুষ্টিয়া, মহেন্দ্রপুর খানপাড়া গ্রাম, ৩ নং জগন্নাথপুর ইউনিয়ন, কুমারখালী, কুষ্টিয়া, শ্রীকোল গ্রাম, ১১ নং চরসাদিপুর ইউনিয়ন, কুমারখালী, কুষ্টিয়া

কুমারখালী-খোকশার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদান

কুষ্টিয়া কুমারখালী-খোকশার বিভিন্ন পূজা মন্ডম পরিদর্শন ও সনাতন হিন্দুধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে, জন সাধারনের সাথে মতবিনিময় ও আর্থিক অনুদান প্রদান করেন, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক, তথ্য প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত ৪ দিন তিনি, কুষ্টিয়া-৪ নির্বাচনী এলাকার খোকশা-কুমারখালীর ৫১ টি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন কালে তিনি সার্বজনীন পূজা মন্দির গুলোতে দুর্গা পূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই বোনদেরকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও বাংলাদেশের মুসলিমদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও সম্প্রীতির বার্তা পৌছে দেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে নগদ অর্থের শুভেচ্ছা টোকেন হস্তান্তর করেন। সব ধরনের বিশ্বাসীদের বাংলাদেশের মাটিতে শান্তির সাথে ও নির্ভয়ে তাদের আচার অনুষ্ঠান পালন করার স্বাধীনতা ও স্বস্তি নিশ্চিত কর দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

খোকশা-কুমারখালীর কৃতি সন্তান,  আওয়ামীলীগের এই নেতা আরো বলেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার একটি দেশ। এখানে সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থান রয়েছে। সব উৎসবেই সব জাতি-ধর্মের মানুষ অংশ নেন। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে, দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতী বিরাজ করছে। আপনারা যেন উৎসব মুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সেজন্য সব রকমের ব্যবস্থা তিনি ও তার সরকার করেছেন। সুন্দর পরিবেশে সব ধর্ম শ্রেনী পেশার মানুষ একসাথে যেন পূজার আনন্দ ভাগ করে নিতে পারে সে রকম পরিবেশ তৈরী করেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃষ্টি  উপেক্ষা করে সারা দেশে আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে এবারের দূর্গাপূজা। কুষ্টিয়া সহ দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলার পূজা মণ্ডপগুলোতে দেখা যায় নানা বয়সী মানুষের সমাগম। তাতে সব ধর্মের সর্বসাধারণের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন  সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। তিনি ৪ দিনধরে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরেছেন, সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন। মুসলমানদের বড় দুটি উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতো দুর্গাপূজার সময় তিনি প্রতি বছর কুশল বিনিময় করে থাকেন। 

এ সময় তিনি আরো বলেন, মুসলিমরা যেমন ঈদের সময় বেশির ভাগ মানুষই গ্রামে ফিরে যায়, তেমনি হিন্দু ধর্মালম্বীরাও দুর্গাপূর্জার সময় নাড়ির টানে বাড়ি ফিরেন। এ সময় পূজামণ্ডপে গেলে তাদের সঙ্গে দেখা হয়। এ ছাড়া এ উৎসবে শুধু হিন্দু নয়, সব ধর্মের মানুষই উপস্থিত থাকে।

শনিবার মহাদশমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হল সনাতন ধর্মালম্বীদের এ ধর্মীয় উৎসব।  এবার দেশে এবার মোট ৩০ হাজার ৭৭টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব উদযাপন হয়েছে। তার মধ্যে কুষ্টিয়ার কুমারখালী, খোকসা উপজেলায় আছে ৫১টি। গত বছর সারা দেশে ২৯ হাজার ৩০০টি মণ্ডপে হয় দুর্গাপূজা।