Sufi Faruq (সুফি ফারুক)

প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ এর কর্মসূচি – ‌‘প্রযুক্তি উৎসব’ আয়োজন এর বিস্তারিত দিকনির্দেশনা (জেলা পর্যায়ের সংগঠকদের জন্য) – মতামতের জন্য খসড়া প্রযুক্তি উৎসব

Projuktite Bangladesh
নোট:
প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের সব গুলো প্রকল্পের জন্য Standard Operating Procedure (SOP) / আয়োজন এর বিস্তারিত দিকনির্দেশনা তৈরি করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে প্রথম ড্রাফট ভার্শন প্রকাশ করা হল। সংগঠকদের মতামতের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত করা হবে। এর মধ্যে এই ডকুমেন্ট অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়া যায়।
============================
প্রযুক্তি উৎসব কি?
প্রযুক্তি উৎসব – বক্তৃতা, সেমিনার, প্রদর্শনী, প্রতিযোগিতা, ইত্যাদি মিলিয়ে এক ধরনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সমাবেশ। প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের জেলা পর্যায়ের সংগঠনগুলোর আয়োজনে জেলা/উপজেলা পর্যায়ে বছরে ন্যূনতম ১ বার প্রযুক্তি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সচরাচর ২/৩ দিন ব্যাপী প্রযুক্তি উৎসবের আয়োজন করা হয়।
প্রযুক্তি উৎসবের উদ্দেশ্য:
১. ‘আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর জনশক্তি ও উদ্যোক্তা তৈরি’র উদ্দেশ্যে জনসচেতনতা তৈরি।
২. স্থানীয় প্রযুক্তি নির্ভর পণ্য/সেবা-দানকারী প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবীদের সাথে জাতিয় পর্যায়ের প্রযুক্তি নির্ভর পণ্য/সেবা-দানকারী প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবীদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন।
৩. নতুন প্রযুক্তি ও তার ব্যাবহার সম্পর্কে স্থানীয় জনসচেতনতা।
৪. শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ও প্রযুক্তি নির্ভর পেশা সম্পর্কে আগ্রহ তৈরি।
প্রযুক্তি উৎসবে সম্ভব্য অংশগ্রহণকারী:
১. প্রতিষ্ঠান:
১.১ স্থানীয় তথ্য প্রযুক্তি পণ্য ও সেবা-দানকারী প্রতিষ্ঠান ।
১.২ জাতিয় পর্যায়ের তথ্য প্রযুক্তি পণ্য ও সেবা-দানকারী প্রতিষ্ঠান ।
১.৩ পেশাজীবী ও উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়ক প্রতিষ্ঠান সমূহ (যেমন: ব্যাংক, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, অন্যান্য অর্থ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, এনজিও ইত্যাদি)
১.৪ প্রযুক্তি নির্ভর জনশক্তি তৈরিতে কাজ করে এ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
১.৫ সরকারের প্রযুক্তি নির্ভর উদ্যোক্তা ও পেশাজীবী তৈরিতে নিয়জিত স্থানীয় প্রতিষ্ঠান সমূহ ও স্থানীয় প্রশাসন (যুব উন্নয়ন, জেলা প্রশাসন ইত্যাদি)।
২. অতিথি:
২.১ অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের কর্মকর্তাবৃন্দের মধ্যে যাদের ব্যবসা বা সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রয়েছে।
২.২ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষক ও শিক্ষক ।
২.৩ সম্পৃক্ত ট্রেড এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি ।
২.৪ দেশি-বিদেশি পেশাদারী ও গবেষক ।
২.৫ সরকারের নীতি নির্ধারণই পর্যায়ের ব্যক্তি ।
২.৬ এধরনের বিষয়ে কাজ করা অন্যান্য সামাজিক/বাণিজ্যিক সংগঠন ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।
২.৭ পেশাজীবী ও উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়ক প্রতিষ্ঠান সমূহের কর্মকর্তাবৃন্দ।
৩. পৃষ্ঠপোষক
৩.১ স্থানীয় প্রযুক্তি পণ্য ও সেবা-দানকারী প্রতিষ্ঠান
৩.২ জাতিয় পর্যায়ের প্রযুক্তি পণ্য ও সেবা-দানকারী প্রতিষ্ঠান
৩.৩ প্রযুক্তি নির্ভর জনশক্তি তৈরিতে কাজ করে এ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
৩.৪ জাতিয় পর্যায়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবসা করে এ ধরণের এসোসিয়েশন।
৩.৫ স্থানীয় সামাজিক নেতৃবৃন্দ।
৩.৬ স্থানীয় শিল্প মালিক বৃন্দ।
৪. সাধারণ অংশগ্রহণকারী:
৪.১ যেকোনো পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।
৪.২ সাধারণ জনগণ।
প্রযুক্তি উৎসবে যেভাবে আয়োজন করতে হবে:
=================================================
১. দিন তারিখ নির্দিষ্ট করা:
১.১ প্রযুক্তি উৎসব ২ দিন ব্যাপী এবং ছুটির দিনে হওয়া বাঞ্ছনীয় । প্রযুক্তি উৎসবের সময় উক্ত জেলায় বা জাতিয় পর্যায়ে জন-সম্পৃক্ত অন্য কোন বড় আয়োজন না থাকলে ভাল হয়। বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় পরিবর্তনযোগ্য।
১.২ আয়োজক কমিটি ন্যূনতম ৩০ দিন সময় হাতে রেখে অনুষ্ঠানের একটি প্রস্তাবিত তারিখ ঠিক করবেন।
১.৩ শহরের মধ্যে বিকেল বেলা জনসমাগম হয় এধরনের একটি খোলা যায়গায় অনুষ্ঠানের প্রস্তাবিত স্থান নির্ধারণ করবেন ও যায়গার মালিক/কর্তৃপক্ষের সাথে প্রাথমিক আলাপ করে করবেন।
১.৪ এরপর সম্ভব্য তারিখ ও স্থান জানিয়ে প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের ‘প্রযুক্তি উৎসব’ বিষয়ক সমন্বয়কারীকে সংযুক্ত করে একটি ইমেইল লুপ শুরু করবেন।
১.৫ সমন্বয়কারী ‘প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের ইভেন্ট ক্যালেন্ডার’ দেখে, জাতিয় পর্যায়ের অংশগ্রহণকারী, পৃষ্ঠপোষক ও অতিথিদের সাথে কথা বলে, তারিখ চূড়ান্ত করে, ‘প্রযুক্তি উৎসব আয়োজন’ ফরম সংযুক্ত করে ইমেইল এর উত্তর দেবেন। জাতিয় পর্যায়ে আগ্রহী – অংশগ্রহণকারী, পৃষ্ঠপোষক ও অতিথিদের তালিকা সংযুক্ত করবেন।
১.৬ চূড়ান্ত তারিখ পাবার পর যায়গার মালিক/কর্তৃপক্ষের সাথে চূড়ান্ত আলাপ শেষ করে লিখিতভাবে তাদের সম্মতি গ্রহণ করবেন।
১.৭ যায়গা ব্যবহারের সম্মতি পাবার পর আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে চিঠির মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
২. বাজেট ও অর্থ সংগ্রহ:
২.১ কমিটির সবাই একত্রে বসে ‘প্রযুক্তি উৎসব আয়োজন’ ফরম পূরণ করবেন ।
২.২ কমিটির সবাই একত্রে বসে বাজেট তৈরি করবেন ও সম্ভব্য অর্থ সংগ্রহের খাতগুলো নির্ধারণ করবেন।
৩. অংশগ্রহণ:
৩.১ কমিটির সকলে বসে স্থানীয় ও জাতিয় পর্যায়ের সম্ভব্য অংশগ্রহণকারী, পৃষ্ঠপোষক ও অতিথিদের তালিক, অনুষ্ঠান সূচি, প্রোফাইল ফটো ও আমন্ত্রণ পত্র তৈরি ও চূড়ান্ত করবেন।
৩.২ প্রয়োজন অনুযায়ী – কমিটির সদস্য, স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষি, প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের অফিসিয়াল বা নেতৃবৃন্দের ব্যক্তিগত রেফারেন্স সহ অংশগ্রহণকারী, পৃষ্ঠপোষক ও অতিথিদেরকে আমন্ত্রণ-পত্র ও অনুষ্ঠানসূচি প্রেরণ করবেন।
৩.৩ এছাড়াও সাধারণ অংশগ্রহণের জন্য প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমন্ত্রণ পত্র পাঠাতে হবে।
৩.৪ নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে আমন্ত্রিত সকলের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে তাগাদা করবেন ও ১০ দিন সময় হাতে রেখে তা চূড়ান্ত করবেন। চূড়ান্ত তালিকা কমিটির সকল সদস্য ও কেন্দ্রের সমন্বয়কে প্রেরণ করবেন।
৪. প্রচার:
৪.১ সংবাদ সম্মেলন – ‘আনুষ্ঠানিক ঘোষণা’:
৪.১.১ অনুষ্ঠানের ঘোষণা ও আয়োজনের বিস্তারিত (যেমন: মুল অনুষ্ঠান ও প্রেস কনফারেন্স এর দিন, তারিখ, অংশগ্রহণকারী, পৃষ্ঠপোষক ও অতিথিদের নাম ও পরিচয়, প্রেস কনফারেন্স এ যদি কোন বিশেষ ব্যক্তি উপস্থিত থাকেন তবে তার নাম পরিচয় ইত্যাদি) ও প্রেস কনফারেন্স এ অংশগ্রহণের আহবান জানিয়ে একটি আমন্ত্রণ-পত্র তৈরি করতে হবে। এধরণের আমন্ত্রণ-পত্র তৈরির জন্য প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের ‘প্রেস কনফারেন্স স্যাম্পল প্যাক’র সাহায্য নেয়া যেতে পারে।
৪.১.২ প্রেস কনফারেন্স এর আমন্ত্রণ-পত্র স্থানীয় গণমাধ্যম ও জাতিয় গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে হাতেহাতে ও ইমেইল এর মাধ্যমে পৌঁছে দিতে হবে । জাতিয় সংবাদপত্রে ইমেইল পাঠাবার ক্ষেত্রে ক্ষেত্রে প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ এর ‘গণমাধ্যম সমন্বয়ক’ কে কপি দিতে হবে। এছাড়াও আমন্ত্রণ-পত্রের একটি কপি প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের ‘গণমাধ্যম সমন্বয়ক’র কাছে পাঠাতে হবে।
৪.১.৩ সংবাদ সম্মেলনের জন্য একটি ফেসবুক ইভেন্ট তৈরি করবেন এবং সবাইকে সম্মেলনে আসার আমন্ত্রণ করবেন।
৪.১.৪ ইমেইলের মাধ্যমে সবাইকে সম্মেলনে আসার আমন্ত্রণ-পত্র পাঠাতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় অংশগ্রহণকারী, পৃষ্ঠপোষক ও অতিথিদের মধ্যে থেকে কেউ কেউ উপস্থিত থাকলে ভাল হয়।
৪.১.৫ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতির সামনে আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরতে হবে। সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে ইউটিউবে প্রকাশ করা যায়।
৪.১.৬ নতুন বিশেষ কেউ যদি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকেন তবে আগের প্রেস রিলিজটির সাথে তার নাম সংযুক্ত করে প্রেস রিলিজটি স্থানীয় ও জাতিয় সকল গণমাধ্যমে পৌঁছে দিতে হবে।
৪.১.৭ অনুষ্ঠানের একটি ফেসবুক ইভেন্ট তৈরি করতে হবে এবং ওই ইভেন্টে দিন, তারিখ, অংশগ্রহণকারী, পৃষ্ঠপোষক ও অতিথিদের নাম ও পরিচয় এর বিস্তারিত উল্লেখ করতে হবে। ইভেন্টটি সকল সদস্যর প্রোফাইলে শেয়ার করতে হবে।
৪.১.৮ প্রেস কনফারেন্স এর আগের দিন হতে অনুষ্ঠান শেষ হবার পর দিন পর্যন্ত সকল সদস্য তাদের প্রোফাইল ফটো উক্ত ইভেন্ট এর প্রোফাইল ফটো রাখবেন।
৪.১.৯ যতগুলো গণমাধ্যমে খবর আসবে তার লিংক সংগঠনের গ্রুপ ও ইভেন্ট পাতায় (সেই সাথে প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের গ্রুপ ও পাতায়) শেয়ার করতে হবে।
৪.১.৪ ইমেইলের মাধ্যমে সবাইকে অনুষ্ঠানে আসার আমন্ত্রণ-পত্র পাঠাতে হবে।
৪.২ অনুষ্ঠানের প্রচার:
৪.২.১ অনুষ্ঠানের দুদিন আগে থেকে দিনের জন্য মাইক দিয়ে প্রচার করতে হবে।
৪.২.২ অনুষ্ঠান চলা কলিন সময়ে ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে (সংগঠনের গ্রুপ ও ইভেন্ট পাতায়) পোস্ট কররে সম্পৃক্ত লোকজনকে ট্যাগ করতে হবে।
৪.২.৩ প্রতিদিন সকল অনুষ্ঠান শেষে একটি প্রেস রিলিজ তৈরি করে সন্ধ্যা ৫ টার মধ্যে সকল স্থানীয় ও জাতিয় গণমাধ্যমে পৌঁছে দিতে হবে।
৪.২.৪ যতগুলো গণমাধ্যমে খবর আসবে তার লিংক সংগঠনের গ্রুপ ও ইভেন্ট পাতায় (সেই সাথে প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের গ্রুপ ও পাতায়) শেয়ার করতে হবে।
৫. আয়োজক কমিটি: স্থানীয় সংগঠক-গন প্রযুক্তি উৎসব আয়োজনের জন্য একটি কমিটি করবেন। কমিটির সদস্য ও তাদের কাজের ধরণ নিন্মরুপ হতে পারে। কাজের সুবিধার্থে উক্ত কমিটিতে সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির বাইরে হতেও সদস্য/কর্মকর্তা নেয়া যাবে।
১. আহবায়ক : সকল দপ্তরের সমন্বয়ক। প্রতিদিন সমন্বয় মিটিং এ সভাপতিত্ব করা।
২. সচিব, দপ্তর ও প্রচার ( সঙ্গে ২ জন  দপ্তর সহকারী দেয়া যায়) :
২.১ তারিখ ও স্থান নির্দিষ্ট করতে সকল ধরনের চিঠি-পত্র, ইমেইল যোগাযোগ করা (ভেন্যু মালিক, প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) ।
২.২ সম্ভব্য অংশগ্রহণকারী, পৃষ্ঠপোষক, অতিথি ও গণমাধ্যমের কর্মীদের তালিকা ও অনুষ্ঠান-সূচি চূড়ান্ত করে ও কমিটির সকলকে অবহিত করা।
২.৩ অংশগ্রহণকারী, পৃষ্ঠপোষক, অতিথি ও গণমাধ্যমের কর্মীদের তালিকা ও অনুষ্ঠান-সূচি অনুযায়ী আমন্ত্রণ-পত্র তৈরি ও প্রেরণ করা ।
২.৪ আমন্ত্রিত সকলের সাথে ফোন /ইমেইল এর মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাদের আমন্ত্রণ-পত্রের প্রাপ্তি ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
২.৫ অংশগ্রহণকারী ও পৃষ্ঠপোষকের চূড়ান্ত তালিকা “অর্থ সচিব” কে প্রদান।
২.৬ অতিথিদের মধ্যে যাদের থাকা / খাওয়া নিশ্চিত করতে হবে তাদের তালিকা “আপ্যায়ন সচিব” কে প্রদান।
২.৭ অতিথিদের সকলের ফোন নম্বর ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সময় “অনুষ্ঠান সচিব” কে অবহিত করা। যো-কোন কারণে অনুষ্ঠান-সূচি বা অতিথি পক্ষ হতে কোন পরিবর্তন আসলে তাও অবহিত করা।
২.৮ অর্থ সচিবের কাছ থেকে বাজেট, খাত বিষয়ে অবগত হয়ে সেই অনুযায়ী অর্থ ব্যবস্থাপনা।
২.৯ ফেসবুক ইভেন্ট তৈরি, ব্যবস্থাপনা ও ফেসবুক প্রচার।
২.১০ সকল প্রেস রিলিজ তৈরি ও প্রেরণ।
২.১১ মাইক নামিয়ে প্রচার।
৩. সচিব, অর্থ (২ জন সহকারী ও ৩ জন পরামর্শক প্রয়োজন)
৩.১ বাজেট তৈরী।
3.2 অর্থ সংগ্রহ।
৪. সচিব, আপ্যায়ন (প্রয়োজনীয় সহকারী: ৩ জন (আগত অতিথি অনুযায়ী সংখ্যা বাড়তে পারে))
৪.১ সকল অতিথির সাথে যোগাযোগ করে তাদের আসার সময়, পরিবহন, থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা, ভেন্যুতে পৌঁছানো ও ফিরে যাবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
৫. সচিব, ভেন্যু ও নিরাপত্তা (প্রয়োজনীয় সহকারী: ৩ জন (আয়োজন অনুযায়ী সংখ্যা বাড়তে পারে))
– ভেন্যুর স্টেজ ও স্টল তৈরি সহ সকল সুবিধা নিশ্চিতকরণ।
– সাউন্ড, ব্যানার, প্রজেক্টর ইত্যাদির ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও পরিচালনা।
– অনুষ্ঠান চলাকালীন তার দপ্তরে সংরক্ষিত মালামালের নিরাপত্তা।
৬. সচিব, অনুষ্ঠান
– সময়মত অনুষ্ঠান শুরু করার জন্য অতিথিবৃন্দ, সঞ্চালক ও সঞ্চালক সহকারীর সাথে যোগাযোগ ও তাগাদা দেয়া।
– অতিথিদের জন্য নির্ধারিত উপহার-সামগ্রী সময়মত মঞ্চে পৌঁছানো।
অন্যান্য কর্মসূচি সম্পৃক্ত করণ:
===========================================
প্রযুক্তি উৎসবের সাথে অন্য কিছু কর্মসুচি সম্পৃক্ত করা যায় যেমন ‘উদ্যোক্তা সমাবেশ’,  ‘উদ্যোক্তা সম্মাননা’ ইত্যাদি।
এডিট- এসএস


আপনার মন্তব্য দিন