Sufi Faruq (সুফি ফারুক)

লাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরি ও পরিচালনার জন্য আইন উদ্যোক্তা উন্নয়ন, উদ্যোক্তা গাইড

#UddogtaGuide #Entrepreneur #SufiFaruq #Program

মালিকানার ভিত্তিতে বিভিন্ন ধরনের লাভজনক প্রতিষ্ঠান গঠন ও পরিচালনার করার জন্য বিভিন্ন আইনের আওতায় বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স দিয়ে থাকেন।

একক মালিকানার প্রতিষ্ঠান:
একক মালিকানার প্রতিষ্ঠান হলে – সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে শুরু করা যায়। এই সকল লাইসেন্স স্থানীয় সরকারের ওই সকল প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য তৈরি আইনের আওতায় ইস্যু করা হয়। এর আগে একই ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য ভিন্ন আইন ছিল। ২০০৯ সালে স্থানীয় সরকারের সবগুলো সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের জন্য তিনটি আইন পাশ করা হয় যার আওতায় দেশের একই ধরনের সকল প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চলবে।

এই সকল আইনের আওতায় সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ কর সংগ্রহ কাজের অংশ হিসেবে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করেন। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান অফিস হতে এই কার্যক্রম পরিচালনা হয় তবে আওতা বড় হওয়ায় জোনাল অফিসের মাধ্যমে কার্যক্রম চালানো হয়।

পার্টনারশিপ প্রতিষ্ঠান:
পার্টনারশিপ প্রতিষ্ঠান থেকে আইনের আওতা বাড়তে শুরু করে। পার্টনারশিপ প্রতিষ্ঠান গঠন ও পরিচালনার জন্য ‘অংশীদারী কারবার আইন, ১৯৩২ আইন রয়েছে (১৯৪৯ এর একটি সংশোধন আইনের মাধ্যমে কিছু পরিবর্তন করা)। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিচালিত ‘রেজিস্টারর অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস’ বর্তমানে এই আইনের নির্বাহী বিভাগ (রেজিস্টারর) হিসেবে কাজ করে। এছাড়া ‘সাক্ষ্য আইন ১৮৭২’ এর আওতায় কিছু পার্টনারশিপ কার্যক্রম করা করা যায়। পার্টনারশিপ আইনের আওতায় প্রতিষ্ঠান তৈরির পরেও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা জন্য আওতা অনুযায়ী স্থানীয় সরকার আইনে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করার প্রয়োজন হয়।

সীমিত দায় বা লিমিটেড কোম্পানি:
সীমিত দায়ের কোম্পানি বা লিমিটেড কোম্পানি গঠন ও পরিচালনার জন্য “কোম্পানি আইন ১৯৯৪ ( ১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন)’ রয়েছে। ‘রেজিস্টারর অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস’ আইনের নির্বাহী বিভাগ (রেজিস্টারর) হিসেবে কাজ করে। এই আইনের আওতায় প্রতিষ্ঠান তৈরির পরেও একই ভাবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা জন্য ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করার প্রয়োজন হয়।

সমবায় আইন:
সমবায় সমিতির মাধ্যমে লাভজনক প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়। এধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য রয়েছে ‘সমবায় সমিতি আইন, ২০০১’। এই আইনের নির্বাহী বিভাগের দায়িত্ব পালন করে “সমবায় অধিদপ্তর” এর আওতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সমবায় অফিসগুলো।

 

এডিট-  এসএস