Sufi Faruq (সুফি ফারুক)

আর্কাইভঃ গান খেকো

সোহিনী কালের ডায়েরি – ২৫.০১.২০১৮ নোট

গান খেকো - সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর | Gaan Kheko -by Sufi Faruq Ibne Abubakar

গ্রামে থাকার সময়, অনেক রাতে ঘুম ভেঙ্গে, কখনও শুনতাম দুর থেকে ভেসে আসছে কোন প্রিয় গান। লতা মঙ্গেশকর, সন্ধ্যা মুখার্জী, সাবিনা ইয়াসমিন… আর কার কার গান যেন। কোনো বাড়ির বিয়ে বা মোসলমানীর মাইক হয়ত। কান পাতলে কখনও পরিষ্কার শোনা যাচ্ছে, কখনও আবার হারিয়ে যাচ্ছে। বাতাস দিক বদলাবার কারণেও হতে পারে। দরজা খুলে বাইরে এসে কান

বিস্তারিত

কান পেতে রই … আর্টিকেল ওপিনিয়ন,গান খেকো

ভারতভূমির সঙ্গীতে দারুণ একটা বিষয় আছে। এখানে একই সাথে স্বতন্ত্র দুটি সম্পূর্ণ সঙ্গীরধারা পাশাপাশি প্রতিষ্ঠিত এবং বহমান। নেপাল থেকে শুরু করে বাংলাদেশ, পুরো উত্তর ভারত, পাকিস্তান হয়ে আফগানিস্তান পর্যন্ত উত্তর ভারতীয় ধারা, যাকে বলে হিন্দুস্থানি সঙ্গীত। আর বিন্ধ্য পর্বতের ওপারে দক্ষিণ ভারত। সেখানে চলে কর্নাটকি। বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের নভেম্বরের নিয়মিত আয়োজনে উত্তর-ভারতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি দক্ষিণ ভারতীয়

বিস্তারিত

রাগ কিরওয়ানি রাগের নোট

গান খেকো - সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর | Gaan Kheko -by Sufi Faruq Ibne Abubakar

 রাগ কিরওয়ানি- শ্রোতা সহায়িকা নোট (১) *** এই আর্টিকেলটির উন্নয়ন কাজ চলমান ……। আবারো আসার আমন্ত্রণ রইলো। কিরওয়ানি অপেক্ষাকৃত নতুন রাগ। আরোহ: অবরোহ: পাকাড়: আরোহ-আবরোহ এই লিঙ্ক গুলোতে গিয়ে শুনে নিতে পারেন । লিংক ১  ।   কাজী নজরুল ইসলামের গানে কিরওয়ানি: নজরুলের অনেক গান রাগাশ্রয়ী। নির্দিষ্ট রাগের আশ্রয়ে যে গানগুলোতে সুর করা হয়েছে, সেগুলোর পুরো

বিস্তারিত

কান দিয়ে শোনার বাইরে, বাড়তি শ্রম কেন দেব? গান খেকো

গান শুনতে, কান দিয়ে শোনার বাইরে, বাড়তি শ্রম কেন দেব? আমরা সুখ জানি ঝাল দেয়া কষা মাংসের, শর্ষে ইলিশের। শুনতেই কেমন মনটা আনচান করে। কারণ আমরা বাঙ্গালি হিসেবে ছোট বেলা থেকেই খেয়ে আসছি। একজন আমেরিকান কিন্তু আপনার এই প্রতিটা মেন্যু দেখলেই “Yak” বলে ঠোঁট উল্টাবে । কারণ এই মশলার স্বাদ ওর জানা নেই, সহ্য করার

বিস্তারিত

ধ্রুপদ গান খেকো

হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সবচেয়ে পুরাতন ধারা/শৈলী হলো ধ্রুপদ। সুর-তালের বিশুদ্ধতার দিক দিয়ে এখানে বাধা-নিষেধ বেশি। এর সাথে তালের জন্য ব্যবহার করা হয় পাখোয়াজ। এই গানের চরিত্র অপেক্ষাকৃত গম্ভীর। জেনে নেয়া যাক ধ্রুপ ও পরিবেশনের বিষয়ে প্রথমিক তথ্য: ধ্রুপদ  শুরু হয় আলাপ দিয়ে। সনাতন মন্ত্রের মতো – আ, রে, নি, না, রি, ই, নোম, তোম শব্দগুলো

বিস্তারিত

হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের পরিবেশনা গান খেকো

একটি রাগ শুধুমাত্র আকার (আ, ই, উ শব্দ করে) বা সারগম দিয়ে (সা-নি) গেয়ে বা বাজিয়ে পরিবেশন করা যায়। রাগের অবয়ব পুরো প্রতিষ্ঠা করা যায়। একসময় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মূল রীতিটা এরকমই ছিল। তবে যুগে যুগে পরিবেশন আরও আকর্ষণীয় করার জন্য সঙ্গীতকে বিভিন্ন প্রকারে অলঙ্কৃত করা হয়েছে। পণ্ডিত-ওস্তাদরা বিভিন্ন ধরনের গায়ন/বাদনরীতি (ধ্রুপদ, খেয়াল) উদ্ভাবন করেছেন। বিভিন্ন

বিস্তারিত

শোনার প্রস্ততি গান খেকো

কি শুনবো ? শুনবেন রাগ। তার বিভিন্ন রঙ্গে সাঁজানো রুপ। বিভিন্ন ধরনের পরিবেশন। কন্ঠ সহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের পরিবেশন। শুদ্ধ শাস্ত্রীয়, উপশাস্ত্রীয়, মিশ্র সব। শুনবেন যেটা কানে-মনে সহ্য হয়। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শোনা মানে, কোন একটি রাগ বা কম্পোজিশন শোনা। হতে পরে গলায় বা যন্ত্রে। সেই রাগের উপরে বিভিন্ন ধরনের জনরার (genre), বিভিন্ন ধরনের গায়কি/গাতকরিতে (style) এ

বিস্তারিত

হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত গান খেকো

হিন্দুস্থানি সিস্টেম বা হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে আলাদা আলাদা ভাবাবেগের প্রকাশ করা হয় স্বতন্ত্র রাগ দিয়ে। রাগগুলো যথারীতি ঋতু, সময় এবং মেজাজ ভিত্তিক। কণ্ঠের পাশাপাশি হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত যন্ত্র সঙ্গীতে সমান জনপ্রিয়। তানপুরা তে সুর ধরে রেখে, তবলা বা পাখোয়াজকে তালবাদ্য হিসেবে ব্যাবহার করে পরিবেশন করা হয়। এই রাগগুলোতে বিভিন্ন জনরার সঙ্গীতগুলো গাওয়া/বাজানো হয়। রাগের শুদ্ধতা

বিস্তারিত

ঋতুসংগীত-বসন্ত গান খেকো,সূচি

ঋতুসংগীত-বসন্ত (Seasonal Music: Spring)

১৯৩২ সালের দিকের কথা। সেবার ওস্তাদ এনায়েত খাঁ সাহেব লন্ডন সফরে, ছেলে বিলায়েত কে সাথে নিয়েছেন। বিলায়েত খাঁর বয়স তখন ৫ কি ৬। রয়েল আলবার্ট হলের কনসার্টে, অনেক বিস্তার করে বসন্ত রাগ বাজাচ্ছিলেন খাঁ সাহেব। শুনতে শুনতে একসময় ঘুমিয়ে যায় ছোট্ট বিলায়েত। শ্রোতার হাততালির শব্দে ঘুম ভেঙ্গে দেখে – চারদিকে শুধু হলুদ রঙের সমারোহ। বিলায়েতের

বিস্তারিত