প্রকল্প ” পেশা পরামর্শ সভা” – কী, কেন, কিভাবে?

সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর পেশা পরামর্শ সভা’র প্রকল্পের বিস্তারিত।

সুফি ফারুক এর পেশা পরামর্শ সভা – কী?

পেশা পরামর্শ সভা মূলত তরুণদের পেশাদারী দিক নির্দেশনা দেবার প্ল্যাটফরম। এখান থেকে তরুণদের ভবিষ্যৎ পেশার জন্য প্রস্তুত করা হয়।প্রাথমিক অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সময়, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও পেশা সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়।

পেশা পরামর্শ সভার শুরু :

এই প্রকল্পটির কাজ শুরু করেন সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর নিজে চাকরিরত থাকা অবস্থায়। তিনি মনে করতেন, একজন শিক্ষার্থী তার লেখাপড়ার সময়, সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে প্রস্তুতি নিতে থাকলে, লেখাপড়া শেষ করে তাকে বেকার থাকতে হবে না। এই লক্ষ্য নিয়ে তিনি চাকুরী প্রার্থীদের জন্য ছুটির দিনে একটি নির্দিষ্ট সময়ে তরুণদের পরামর্শ দিতেন।

পরে তিনি এই প্রকল্পটি পূর্ণ ভাবে শুরু করেন কুমারখালী-খোকসার তরুণদের জন্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্মিত ডিজিটাল বাংলাদেশ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য পুত্র ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভবিষ্যৎ জ্ঞান ভিত্তিক অর্থনীতির বাংলাদেশ এর জন্য যুবসমাজকে প্রস্তুত করতে।

এসব সভায় তরুণরা জানতে পারে সরকার বর্তমানে উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের জন্য কি ধরনের সম্ভাবনা তৈরি করছে, ২০৪১ সাল পর্যন্ত কি রকম অবারিত সম্ভাবনার দরজা খুলে যাবে, সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে তারা তাদের দিন বদল করতে পারবে। এসব সভায় তরুণদের সফল পেশাজীবী ও উদ্যোক্তা হবার উপায়গুলো জানানো হয়।

পাশাপাশি চাকুরী পাবার জন্য সিভি তৈরি, ইন্টারভিউ দিতে লক্ষণীয় বিষয় সমূহে অবহিত করা হয়। এসব সভায় প্রাথমিক দক্ষতা নিরূপণের পরে পেশা পরামর্শ সভার ফ্রি কোর্সগুলোর কোনটিতে প্রাথমিক ভাবে যোগ দিলে ভালো হবে সেই বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হয়।

পেশা পরামর্শ সভার সুবিধাভোগীর সংখ্যা:

১৫০০০+

পেশা পরামর্শ সভা’র আর্থিক যোগান:

২০২১ সালের নভেম্বর পর্যন্ত নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত হয়েছে। কোন সরকারি সহযোগীতা নেয়া হয়নি।  অন্য কোন প্রাতিষ্টানিক সহযোগীতাও নেয়া হয়নি।

যেভাবে কাজ হয়:

এই প্রকল্প হতে বিভিন্ন লোকালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিধি প্রেরণ করে আগ্রহীদের মধ্যে ফরম বিতরণ করা হয়। এরপর উক্ত ফরম পূরণ করে সংগ্রহ করা হয়। এরপর তারিখ ঘোষণা করে “পেশা পরামর্শ সভা”র অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের উদ্যোগের মাধ্যমে পেশাজীবী ও উদ্যোক্তাদের জন্য তৈরি হওয়া বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের আগ্রহের উপরে ভিত্তি করে তাদের ক্যারিয়ার এসেসমেন্ট করা হয়। তারপর তাদের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে অনেক ছেলেমেয়ে দিক নির্দেশনা পেয়েছে। অনেক ছেলেমেয়ে ইতিমধ্যে চাকরিও পেয়েছে।

সরকারের তৈরি এসব সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ পেশাজীবী ও উদ্যোক্তাবৃন্দ কিভাবে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবেন সেসব বিষয়ে আলাপ করা হয়। আলাপ হয় বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তির প্রভাবে বদলে যাওয়া নতুন সময় নিয়ে এবং সেখানে আমরা বাংলাদেশের মানুষরা নিজেদেরকে পেশাগত ও ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে তুলে ধরবে।

সুফি ফারুক বলেন, শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পিত জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার উপযোগী করে আমাদের ছেলেমেয়েদের তৈরি করতেই এই উদ্যোগ।

আমাদের বেকার তারুণ্য সঠিক দিক নির্দেশনা পেলে ভালো কিছু করতে পারে তার নজির বহুবার প্রমাণ হয়েছে। আমরা তাই এই শিক্ষিত তরুণ সমাজ কে দক্ষ জনশক্তি ও দেশের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে একের পর এক ‘পেশা ও পরামর্শ সভা’ করে চলেছি।

এই প্রকল্পের আওতায় কুমারখালী-খোকসার তরুদের ডিজিটাল বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর পেশাগুলোর উপযুক্ত হয়ে তৈরি হাবার জন্য সচেতনতা ও দিকনির্দেশনা দেয়া হয়।

পাশাপাশি তাদেরকে এসব সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্মিত ডিজিটাল বাংলাদেশ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য পুত্র ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব জয়ের ভবিষ্যৎ জ্ঞান ভিত্তিক অর্থনীতির বাংলাদেশের অবারিত পেশাজীবীদের সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরা হয়। এছাড়া সেসব পেশা গ্রহণ করার উপযোগী হয়ে তৈরি হবার জন্য প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেয়া হয়।

বিভিন্ন খাতের সফল পেশাজীবী ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষকদের দিয়ে পরিচালিত হয় এসব কর্মশালা। সকল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যই মূলত এই আয়োজন। পাশাপাশি যারা বর্তমানে লেখাপড়া শেষ করে কর্মহীন রয়েছেন তারাও অংশগ্রহণ করে এসব কর্মশালাতে।

পেশা বাছাই, নিজেকে পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তোলা, সিভি বানানো, ইন্টার্ভিউ দেয়া সহ সফল হবার জন্য দরকারি বিভিন্ন বিষয়ে হাতে কলমে পেশাদারি প্রশিক্ষক গনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। স্কিল এসেসমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অধিকতর প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবিত হলে তাদের জন্য সে ধরনের প্রশিক্ষণের আয়োজন বা অন্য কোন যায়গা থেকে প্রশিক্ষণ নেবার জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করে দেয়া হয়।

এই পুরো বিষয়টি শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি। অর্থাৎ সুফি ফারুক এর পক্ষ থেকে উপহার।

সুফি ফারুক ঘোষণা করেছেন কুমারখালী-খোকসায় একটি শিক্ষিত, দক্ষ, কর্মক্ষম ও রুচিশীল প্রজন্ম তৈরিই আমার- ‘জয় বাংলা’। তার সেই স্বপ্ন পূরণের ধারাবাহিকতায় নেয়া সকল প্রকল্পের মধ্যে এটি অন্যতম।

প্রসঙ্গত: আগামী দিনের পেশা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে দিক নির্দেশনা দেয়া এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য।

পেশা পরামর্শ সভা”র আওতায় “ফ্রি দর্জি প্রশিক্ষণ”

পেশা পরামর্শ সভা”র আওতায় “বিউটিশিয়ান প্রশিক্ষণ”:

পেশা পরামর্শ সভার “পেশা পরিচিতি” বা “ক্যারিয়ার ক্যাটালগ”:

পেশা পরামর্শ সভা বিষয়ক আর্টিকেল:

পেশা পরামর্শ সভা’র ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং মিটিং:

প্রকল্প – পেশা পরামর্শ সভা’র সফলতা:

বিভিন্ন গণমাধ্যমে পেশা পরামর্শ সভার খবর :

আমাদের গুরুকুল মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা গুরুকুলের আর্টিকেলসমুহ দেখুন:

“প্রকল্প ” পেশা পরামর্শ সভা” – কী, কেন, কিভাবে?”-এ 2-টি মন্তব্য

মন্তব্য করা বন্ধ রয়েছে।