Sufi Faruq (সুফি ফারুক)

আর্কাইভ

এবার কে তোর মালেক চিনলে না তারে- ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) অন্যান্য

এবার কে তোর মালেক চিনলে না তারে । মন কি এমন জনম হবে রে ।। দেবের দুলর্ভ এবার মানুষ জনম তোমার এমন জনমের আচার করলি কিরে ।। নিশ্বাসের নাই রে বিশ্বাস পলকে সব করবে নৈরাশ তখন মনে রবে মনের আশ বলবি কারে ।। এখনো শ্বাস আছে বজায় যা কর তাই সিদ্ধি হয় দরবেশ সিরাজ সাঁই

বিস্তারিত

এনে মহাজনের ধন বিনাশ করলি ক্ষ্যাপা- ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) অন্যান্য

এনে মহাজনের ধন বিনাশ করলি ক্ষ্যাপা । শুদ্ধ বাঁকির দায় যাবি যমালয় হবে রে কপালে দায়মাল ছাপা ।। কীতির্কমা সেহি ধনী অমূল্য মানিক মণি তোরে করিলেন কৃপা সে ধন এখন, হারালি রে মন এমনি তোর কপাল ব’দফা ।। আনন্দবাজারে এলে ব্যাপারে লাভ করব বলে এখন সারলে সে দফা; কুসঙ্গের সঙ্গে মজে কুরঙ্গে হাতের তীর হারায়ে

বিস্তারিত

এখনো সাধ আছে তোমার আ’ল ঠেল বলে- ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) অন্যান্য

এখনো সাধ আছে তোমার আ’ল ঠেল বলে । চুল পেকে হয়েছে হুড়ো চামড়া বুড়ো ঝুলমুলে ।। হেঁটে যেতে হাঁটু নড়বড়ায় তবু যেতে সাধ মন বার-পাড়ায় চেংড়ার সুমার বুদ্ধি তোমার ভুজ কুয়ারা জানালে ।। গায়ে ভস্ম মেখে লোকেরে দেখাও মনে মনে মন কলাটি কাও তোমার নাই সবুরি, চাম কুঠুরি ছাড়বি রে তুই কোনকালে ।। মন আমার

বিস্তারিত

এখন কেনে কাঁদছ রাধে নিজনে- ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) অন্যান্য

এখন কেনে কাঁদছ রাধে নিজনে । ও রাধে, সেইকালে মান করেছিলে সেই কথা তোর নাই মনে ।। ও রাধে কেনে কর মান ও কুঞ্জে আসে না যে শ্যাম জলে আগুন দিতে পারি বিন্দা আমার নাম ও রাধে হাত ধরে প্রাণ সঁপে ছিলে কেনে ।। চল আমরা সব সখি মিলে ও একটি বনফুল তুলে বিনে সুতায়

বিস্তারিত

একি অনন্ত লীলা তার দেখ এবার- ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) অন্যান্য

একি অনন্ত লীলা তার দেখ এবার । আলেক পুরুষ খাকে বারি ক্ষণেক ক্ষণেক হয় নিরাকার ।। আছে সাঁই নৈরাকারে ছিল কুদরতের জোরে সংসার সৃজনের তরে ধরিলে প্রকৃতি আকার ।। শুনি সাঁই করিম কয় তার কার অংশে তিন আকার কারে ভজে কারে পাব দিশে পাই নে তার ।। ভেবে পাই নে তার অন্বেষণ মনে কিবা পাবি

বিস্তারিত

একাকারে হুহুংকার মেরে আপনি সাঁই রাব্বানা- ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) অন্যান্য

একাকারে হুহুংকার মেরে আপনি সাঁই রাব্বানা । অন্ধকার, ধন্ধকার, কুত্তকার, নৈরেকার সব লিনা ।। কুন্ বলে এক শব্দ করে সেই শব্দে দূর ঝরে ছটি গুটি হল তাতে শোন গো তার বণর্না ।। সেই ছয় গুটি হতে ছয়টি জিনিস পয়দা তাতে আসমান জমিন সৃজিতে মনে তার বাসনা ।। ছয়েতে তসবি হল সেই তসবি জপ করিল কোরানেতে

বিস্তারিত

একবার জগন্নাথে দেখ না রে যেয়ে- ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) অন্যান্য

একবার জগন্নাথে দেখ না রে যেয়ে জাতকূল কেমনে রাখ বাঁচায়ে । চণ্ডালে রাঁধিলে অন্ন ব্রাহ্মণে তাই খায় চেয়ে ।। জোলা ছিল কুবীর দাস তার তুড়ানি বার মাস উঠিছে উথলিয়ে; সেই তুড়ানি খায় যে ধনি সেই আসে দশর্ন পেয়ে ।। ধন্য প্রভু জগন্নাথ চায় না রে সে জাত অজাত ভক্তের অধীন সে; জাতবিচারি, দুরাচারি যায় তারা

বিস্তারিত

একবার চাঁদ বদনে বল রে সাঁই- ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) অন্যান্য

একবার চাঁদ বদনে বল রে সাঁই । বান্দার এক দমের ভরসা নাই ।। কি হিন্দু কি যবনের বালা পথের পথিক চিনে ধর এই বেলা পিছে কাল-শমন আছে সবর্ক্ষণ কোনদিন বিপদ ঘটাবে ভাই ।। আমার বিষয় আমার বাড়িঘর সদাই এই রবে দিন গেল রে আমার বিষয় বিষ খাবা সে ধন হারাবা শেষে কাঁদলে কী আর শুনবে

বিস্তারিত

একদিন পারের কথা ভাবলি নারে- ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) অন্যান্য

একদিন পারের কথা ভাবলি নারে । পার হব হিরের সাঁকো কেমন করে ।। বিনে কড়ির সদাই কেনা মুখে আল্লার নাম জপ না তাইতে কি অলসপানা দেখি তোরে ।। এক দমের ভরসা নাই কখন কি করবেন গো সাঁই তখন কার দিবি দোহাই কারাগারে ।। ভাসাও অনুরাগের তরি বসাও মুশির্দ কাণ্ডারি লালন কয় সেই সে পড়ি যাবে

বিস্তারিত

এক ফুলে চার রঙ ধরেছে- ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪-১৮৯০) অন্যান্য

এক ফুলে চার রঙ ধরেছে । ও সে ভাবনগর ফুলে কি আজব শোভা করেছে ।। মূল ছাড়া সে ফুলের লতা ডাল ছাড়া তার আছে পাতা এ বড় অকৈতব কথা কে পেত্যাবে কই কার কাছে ।। কারণ-বারির মধ্যে সে ফুল ভেসে বেড়ায় একুল ওকুল শ্বেতবরণ এক ভ্রমর ব্যাকুল সেই ফুলের মধুর আসে ।। ডুবে দেখ মন

বিস্তারিত