Breaking News :

তথ্য প্রযুক্তি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা -৩য় কিস্তি (ঝুঁকি প্রশমন)

তথ্য প্রযুক্তি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় – ঝুঁকি মূল্যায়নের পরে আসে “ঝুঁকি প্রশমন” পরিকল্পনা। “ঝুঁকি মূল্যায়ন” রিপোর্ট দেখে ব্যবস্থাপনা পরিষদ দিদ্ধান্ত নেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ১০০ ভাগ ঝুঁকি মোকাবেলা ব্যয়সাধ্য হয়না। তাই কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানের সামর্থ্যের উপর বিবেচনা করে ঠিক করেন – কোন ঝুঁকিগুলো মোকাবেলার ব্যবস্থা নেয়া জরুরী। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের লোকবল, অবকাঠামো লোকবল, স্থানীয় আইন, ইত্যাদির উপরে নির্ভরতা থাকে। যে ঝুঁকিগুলোর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বড়, সেগুলোকেই প্রথমে প্রশমনের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়। তাছাড়া ঝুঁকি বড় হলেও, যদি তা ঘটার পরিমাণ খুব কম থাকে, তবে সেটা বাস্তবায়ন তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে। কিছু ঝুঁকি থাকে যেগুলোর জন্য বিনিয়োগর প্রয়োজন হয়না, তবে প্রতিষ্ঠানিক নীতিমালায় পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে। এটা কোন কারিগরি সিদ্ধান্ত নয়, পুরোপুরি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত।

এখানে ব্যবস্থাপনা পরিষদকে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার। তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের সাথে অন্যান্য বিভাগের সমন্বয়ের অভাব থাকলে রিপোর্টে ঝুঁকির প্রকৃত চেহারা আসবে না। আবার তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের লোকজন অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ক্রয়ের আশায় তাদের পছন্দসই ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঝুঁকি দেখাতে পারে। সেক্ষেত্রে – রিপোর্ট উপস্থাপনের সময়ে সম্পৃক্ত সব বিভাগের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। বোর্ড মেম্বারদের মধ্যে এ বিষয়ে দক্ষ লোক থাকলে তাকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। এছাড়াও বাইরের কোন পরামর্শকের সাহায্য নেয়া যেতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কর্তৃপক্ষ আমলযোগ্য ঝুঁকির তালিকা অনুমোদন করেন।

আমলযোগ্য ঝুঁকির তালি অনুমোদনের পরে সেই তালিকা অনুযায়ী “ঝুঁকি প্রশমন” পরিকল্পনা তৈরি করা হবে। সে কাজটিতে কারিগরি লোকজনের পাশাপাশি অন্য বিভাগের লোকের সম্পৃক্ততা আগের মতই প্রয়োজন। প্রশমন পরিকল্পনায় – কারিগরি সামর্থ্য, আর্থিক সামর্থ্য, দেশের আইন, ব্যবসার পরিবেশ, প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক ও মালিক, নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, ইত্যাদি বিষয় বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। এগুলোর প্রতিটির সাথে কারিগরি সমন্বয় করতে হবে।

ঝুঁকি মোকাবেলার আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য কিছু উপায় আছে। তবে সেগুলোর চেয়ে জরুরী স্থানীয়ভাবে কোনটা এপ্লিকেবল। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রচলিত উপায়গুলো হল: ১) ঝুঁকি মেনে নেয়া: ঝুঁকি মেনে নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে থাকা। এই পদ্ধতি ছোটখাটো ঝুঁকির জন্য এপ্লিকেবল। ২)ঝুঁকি এভোয়েড করা।

#ictRiskManagement #ICT #IT #Management

 

 

এডিট- এসএস

Read Previous

তথ্য প্রযুক্তি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা- ২য় কিস্তি (ঝুঁকি মূল্যায়ন )

Read Next

সঙ্গীতের ঘরানা- সূচি