জগন্নাথ হল ট্রাজেডির ৩০ বছর

১৯৮৫ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে বাংলাদেশ টেলিভিশনে জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক `শুকতারা` দেখছিলেন কয়েক শ` শিক্ষার্থী। পরের দিন ছাত্ররা দুর্গাপূজার ছুটিতে পরদিন বাড়ি যাবে। হলজুড়ে ছিল নির্মল ছুটির আমেজ। সাথে ছিল সেই জনপ্রিয় নাটকে নিজেদেরই এক সতীর্থ মনন অধিকারীর অভিনয় দেখার আনন্দ। অডিটোরিয়ামটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।

রাত পৌনে নয়টায় ভয়ংকর নারকীয় অবস্থা। মুহূর্তে টিভি রুমটি এক ধ্বংস স্তূপ। বৃষ্টির পানিতে পুরনো চুন-সুরকির ছাদ ভেঙ্গে ৩৯ জন ছাত্র, কর্মচারী ও অতিথি প্রাণ হারান।

১৯২১ সালে জগন্নাথ হলের ধসে পড়া ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ৬৪ বছর পরে ১৯৮৫ সালে এসে ভবনটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ হলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র সংখ্যালঘু ছাত্রদের হল। তাই এ হলে সব সময়ই শিক্ষার্থীদের বাড়তি চাপ ছিল। আর তা মোকাবেলার জন্য তড়িঘড়ি করে কারিগরি দিক পর্যালোচনা না করেই সেই ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এরই পরিণতি সেই দুর্ঘটনা।

সেদিনের সেই ট্রাজেডির পরে কেটে গেছে ৩০টা বছর। গত তিন দশকে কতগুলো দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। তারপরেও আমরা সতর্ক হয়নি ভবন নির্মাণে। ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে আজও আমরা উদাসীন।

Read Previous

ক্রিকেটার সালমার ইন্টার্ভিউ, উর্দু ও মাতৃভাষা?

Read Next

শুভ জন্মদিন শেখ রাসেল