Generated by Rank Math SEO, this is an llms.txt file designed to help LLMs better understand and index this website. # Sufi Faruq Ibne Abubakar: দক্ষতা উদ্যোক্তা, আইসিটি পরামর্শক, লেখক, শিক্ষক, রাজনৈতিক কর্মী ও সঙ্গীতের শিক্ষানবিশ শ্রোতা ## Sitemaps [XML Sitemap](https://sufifaruq.com/sitemap_index.xml): Includes all crawlable and indexable pages. ## প্রকাশনাসমূহ - [কমিউনিটি সেলাই কেন্দ্র [ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর কর্মসূচি]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0/): নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর 'পেশা পরামর্শ সভা'-র অধীনে পরিচালিত একটি অনন্য উদ্যোগ হলো 'ফ্রি দর্জী প্রশিক্ষণ'। এই প্রশিক্ষণের পরবর্তী ধাপ হিসেবে প্রশিক্ষিত মা-বোনদের কাজের সুযোগ ও নিরবচ্ছিন্ন অনুশীলনের সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে 'কমিউনিটি সেলাই কেন্দ্র'। কুমারখালী-খোকসা উপজেলার প্রান্তিক গ্রামগুলোতে এই কেন্দ্রগুলো গড়ে তোলা হয়েছে যেন গ্রামীণ নারীরা কারিগরি দক্ষতাকে সরাসরি উপার্জনে রূপান্তর করতে পারেন। - [পড় মুজিব [ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর কর্মসূচি]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%aa%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%ac/): ‘পড় মুজিব কর্মসূচি’ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকরের বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি অনন্য কর্মসূচি। কাজটি শুরু হয়েছিলো মফস্বলের শিশু-কিশোরদের বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে। পরবর্তীতে এর কার্যক্রম আরও বিস্তৃতি লাভ করে। শুরুতে ‘টিম সুফি ফারুক’ -এর উদ্যোগে কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় ‘পড় মুজিব’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠান করা হতো। সেই অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অবলম্বনে তৈরি মুজিব গ্রাফিক নভেল এর সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হতো। - [তথ্য প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ [ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর কর্মসূচি]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%a4%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3/): এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য হলো কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও খোকসা উপজেলার প্রতিটি তরুণ-তরুণীকে আধুনিক বিশ্বের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলা। বর্তমান যুগে তথ্যপ্রযুক্তি কেবল একটি অতিরিক্ত যোগ্যতা নয়, বরং এটি একটি অপরিহার্য দক্ষতা। আমাদের উদ্দেশ্য, প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তাদের স্বাবলম্বী ও কর্মক্ষম করে তোলা। - [আমাদের ধর্মনিরপেক্ষতা, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, সেক্যুলারিজম – কী, কেন, কীভাবে?](https://sufifaruq.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a4%e0%a6%be/): আমাদের ধর্মনিরপেক্ষতা, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ এবং সেক্যুলারিজম নিয়ে ইদানীং আবার নতুন করে বিতর্ক উসকে দেওয়া হয়েছে। আমি খুব হতাশার সাথে লক্ষ্য করছি যে, আমাদের অনেক সহযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ ডানপন্থি গোষ্ঠীগুলোর সুপরিকল্পিত অপপ্রচারে আক্রান্ত হচ্ছেন। যথাযথ তাত্ত্বিক জ্ঞানের অভাবে অনেকে তাদের যুক্তির মোকাবিলা করতে পারছেন না এবং বিভ্রান্ত হচ্ছেন। - [হেলথ ক্যাম্প [ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর কর্মসূচি]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%a5-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa/): "আমার জননী মেহিরুন্নিসা মাঝে মধ্যেই গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্যগত নানা সমস্যার কথা আমাকে বলতেন। তাঁর অনেকদিনের দাবি ছিল গ্রামের সাধারণ মানুষের জন্য নিয়মিত হেলথ ক্যাম্প করার। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই আমাদের গ্রামের বাড়ি ‘অন্নপূর্ণা’ থেকে এই কাজটা শুরু করা হলো।" - [স্বাধীনতার চেতনা মানে কি? । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%bf/): আমরা বক্তৃতা-বিবৃতিতে স্বাধীনতার চেতনার কথা বলি। আমরা যেহেতু অর্থ না বুঝে দ্রুত মুখস্থ করার একটি জাতি, তাই বক্তৃতা করার জন্য এটাও খুব দ্রুত মুখস্থ করে নিই। কিন্তু আমরা যেহেতু বিষয়টি বুঝি না, তাই আমাদের পরিকল্পনা ও কর্মকাণ্ডে এই চেতনার সত্যিকারের প্রভাব কমই দেখা যায়। দুষ্কৃতকারীরা যেমন ধর্ম, দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধের মতো শক্তিশালী বিষয়ের মধ্যে ঢুকে এগুলোকে বর্ম হিসেবে ব্যবহার করে, স্বাধীনতার চেতনার চাদরও তেমন করে গায়ে জড়িয়ে নেয়। মনে মনে সাম্প্রদায়িক, প্রতিক্রিয়াশীল ও পাকিস্তানপন্থী অনেকেই মুখে মুখে 'জয় বাংলা' স্লোগান দিয়ে রাতারাতি হয়ে ওঠে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি। এই লোকগুলোর টাকা-পয়সা বা লোকবল যতই থাকুক, এরা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি নয়, বরং দুর্বলতা। এরা ভেতর থেকে ক্রমশ স্বাধীনতার চেতনার যে শাশ্বত শক্তি, সেটাকে কুরে কুরে নষ্ট করে ফেলে। এদের যদি বাড়বাড়ন্ত হয়, তবে এমন একটি সময় আসতে পারে যখন তারা "স্বাধীনতার চেতনা" শব্দটিকে আমাদের গর্বের বদলে গালিতে পরিণত করে ফেলতে পারে। - [বিশেষ পরামর্শ সভা [ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর কর্মসূচি]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6-%e0%a6%b8%e0%a6%ad%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%ab%e0%a6%bf-%e0%a6%ab%e0%a6%be/): তৃণমূলের সাধারণ মা-বোনদের সচেতনতা এবং পারিবারিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও খোকসা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে চলছে এক ব্যতিক্রমী আয়োজন—‘বিশেষ পরামর্শ সভা’। আইসিটি বিশেষজ্ঞ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকরের পরিকল্পনায় ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত এই কর্মসূচিটি আজ এই অঞ্চলের নারীদের আত্মবিশ্বাস ও সচেতনতার প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। - [আমার সংস্কৃতি সিরিজ সূচি | আমার সংস্কৃতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf/): 'আমার সংস্কৃতি কী?'—তরুণ বয়সে এই প্রশ্নটি আমাদের কাছে খুব একটা জরুরি মনে না হলেও, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি মানুষই এই মৌলিক জিজ্ঞাসার মুখোমুখি। দীর্ঘদিনের ধর্মভিত্তিক রাজনীতি, সুপরিকল্পিত ইতিহাস বিকৃতি এবং সংকীর্ণ স্বার্থে তৈরি করা কৃত্রিম বয়ান (Narrative) কেবল পরিস্থিতিকেই ঘোলাটে করেনি, বরং আমাদের অনেকের আত্মপরিচয়কেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ফলে এক ধরণের গভীর আত্মপরিচয়ের সংকটে ভুগছেন অনেকেই। - [উদ্যোক্তা উন্নয়ন [ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর কর্মসূচি]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8/): সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর 'উদ্যোক্তা উন্নয়ন' কর্মসূচিটি কেবল একটি প্রশিক্ষণ প্রকল্প নয়, বরং এটি একটি  'উদ্যোক্তা সংস্কৃতি' গড়ে তোলার আন্দোলন। সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর প্রবর্তিত 'উদ্যোক্তা উন্নয়ন' কর্মসূচিটি একটি পদ্ধতিগত ফ্রেমওয়ার্ক, যার লক্ষ্য বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে কর্মসংস্থানপ্রার্থী থেকে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারীতে রূপান্তর করা। এই উদ্যোগটি কেবল তাত্ত্বিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ব্যবহারিক দক্ষতা, মানসিক দৃঢ়তা এবং কৌশলগত সহায়তার একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। - [সংস্কার-আদব-এটিকেট সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%ac-%e0%a6%8f%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%9f/): তাই "সংস্কার-আদব-এটিকেট সিরিজ" এর বিসমিল্লাহ করলাম। - [CIO সিরিজ সূচি । CIO সিরিজ](https://sufifaruq.com/cio-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%b8%e0%a7%82%e0%a6%9a%e0%a6%bf/): দীর্ঘদিন তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ফুল-টাইম কাজ করার পর জীবনটাকে একটা নতুন মোড়ে নিয়ে এলাম। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির আইটি প্রধানের চাকরিটা ছেড়ে দিয়ে নিজের উদ্যোগে কাজ শুরু করলাম। চেনা গণ্ডি থেকে এই বের হয়ে আসাকে আমি বলি আমার জীবনের ‘প্রথম ইনিংস’ থেকে অবসর। - [ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং জনপ্রিয়করণ [ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর কর্মসূচি]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%86%e0%a6%89%e0%a6%9f%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%9c/): ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং জনপ্রিয়করণ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর একটি কর্মসূচি। ২০০৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ফিল্যান্সিং আউটসোর্সিং পরিচিত হয়ে উঠলেও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের অপ্রতুলতার কারণে জনপ্রিয় হওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। ২০০৮ সাল থেকে ইন্টারনেটের মুল্য কমতে থাকায় ইন্টারনেট সহজলভ্য হতে থাকে।  এই সময় সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং কে জনপ্রিয় করার জন্য এই কর্মসূচি গ্রহন করেন। পরবর্তিতে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক এর সহায়তায় ও তৎপরবর্তিতে নিজেদের সংগঠন প্রুক্তিতে বাংলাদেশের মাধ্যমে এই কর্মসূচি পরিচালনা করেন। - [অসুরের সুরলোকযাত্রা সিরিজ সূচি [ গান খেকো ]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be/): অসুরের সুরলোকযাত্রা (শুরুতে যার নাম ছিল ‘গানখেকো’) সিরিজে আপনাকে স্বাগত জানাই। এটি যেহেতু আমার ব্যক্তিগত সঙ্গীত-যাত্রার দিনলিপি, তাই নিজের কিছু কথা দিয়েই শুরু করি। - [ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ সূচি । ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c/): ইসলাম ও মুসলিম নিয়ে আমার লেখা অনেকেই পছন্দ করেন, অনেকেই করেন না। আমি এই দুটোর কোনোটিই করতে আপনাদের বলব না। আমি বলব শুধু পড়তে, মিলিয়ে দেখতে। আমাকে গালি দিন, অসুবিধা নেই। অনুরোধ একটাই—শুধু একটু মিলিয়ে দেখুন, চিন্তাভাবনা করুন। আবারও বলি—ইকরা, তাদাব্বুর ও তাফাক্কুর ছাড়া আমাদের মুক্তি নেই। সেই কাজটিতে আমার নিজেকে এবং সবাইকে সাহায্য করতে এই সিরিজ শুরু করলাম। - [পেশা পরামর্শ সভা [ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর কর্মসূচি]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6-%e0%a6%b8%e0%a6%ad%e0%a6%be/): আজকের তরুণ সমাজকে স্রেফ ডিগ্রির গণ্ডি থেকে বের করে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কঠিন চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য তৈরি করতে সম্পূর্ণ নিজস্ব ভাবনায় একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। তাঁর হাত ধরে যাত্রা শুরু করেছে — 'পেশা পরামর্শ সভা' নামের একটি ডাইনামিক প্ল্যাটফর্ম। - [ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ [ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর কর্মসূচি]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%93-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c/): এই বিশ্বাস থেকেই আমি শুরু করছি আমার “ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ”। এই সিরিজে আমি বাংলাদেশের জন্ম, রাজনৈতিক বিকাশ, সামাজিক পরিবর্তন এবং গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো বিভিন্ন দলিল, প্রামাণ্য সূত্র এবং ব্যক্তিগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে উপস্থাপন করার চেষ্টা করবো। এখানে তথ্য ও ব্যাখ্যা—দুটিকেই গুরুত্ব দেওয়া হবে, যাতে পাঠক একটি তুলনামূলক ও বিশ্লেষণমূলক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে পারেন। - [সরকারে দরকার সিরিজ সূচি । সরকারে দরকার সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c-%e0%a6%b8%e0%a7%82%e0%a6%9a%e0%a6%bf/): রাষ্ট্র কিংবা সরকার—এই শব্দগুলো শুনলেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে সুদূর রাজধানীর কোনো সচিবালয়, বড় বড় সব দাপ্তরিক ভবন, কিংবা দূরবর্তী কোনো নীতিনির্ধারকের মুখ। সাধারণ মানুষের কাছে সরকার মানেই এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব। কেমন যেন একটা 'ওরা' আর 'আমরা' ভাব। কিন্তু বাস্তবতা কি আসলেই তাই? - [ইসলামের নামে অপপ্রচার ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা রোধে একটি জাতীয় তদারকি কমিশন গঠনের প্রস্তাবনা । ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%b8/): বাংলাদেশের মতো ধর্মপ্রাণ মানুষের দেশে ইসলাম একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গভীর আস্থার জায়গা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই ধর্মীয় আস্থাকে পুঁজি করে একশ্রেণির বক্তা ও স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার, গুজব এবং বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর সঠিক ব্যাখ্যার পরিবর্তে মনগড়া, ভিত্তিহীন ও চরমপন্থী মতবাদকে ধর্মের মোড়কে সাধারণ মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এর ফলে সমাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। - [বামপন্থিদের নাস্তিকতা ও ধর্মবিদ্বেশের অপরাধবোধ থেকেই কী উগ্রবাদী প্রেম? । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%93/): সাধারণ ধারণায় বামপন্থাকে কেবল একটি প্রগতিশীল রাজনৈতিক ধারা হিসেবে দেখা হলেও, এর ক্লাসিক্যাল বা মূল ভিত্তিটি শুধ্রমাত্র নাস্তিকতা নয়, বরং একধরনের গভীর ধর্মবিদ্বেষের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তাদের দৃষ্টিতে ধর্ম হলো এমন এক আফিম, যা থেকে মানবজাতিকে মুক্ত না করলে প্রকৃত মুক্তি অসম্ভব। বামপন্থার তাত্ত্বিক গুরু কার্ল মার্ক্স লিখেছিলেন— - [নিউক্লিয়ার নয় আমাদের দরকার কিউবিট ক্যাপাসিটি । CIO সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/): ১৯৬৫ সালের সেপ্টেম্বর যুদ্ধের পর পাকিস্তানের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো একটি চরম ও আবেগসর্বস্ব মন্তব্য করেছিলেন: "ভারত যদি পারমাণবিক বোমা তৈরি করে, তবে আমরা প্রয়োজনে ঘাস কিংবা পাতা খেয়ে থাকব, তবুও আমরা আমাদের নিজস্ব পারমাণবিক বোমা তৈরি করব।" পাকিস্তানের সামরিক-আমলাতান্ত্রিক শাসকগোষ্ঠী তাদের রাষ্ট্রীয় দর্শনে এই আত্মঘাতী জেদটিকেই শেষ পর্যন্ত বেছে নিয়েছিল। পাকিস্থান নিউক্লিয়ার নেশন হয়েছে বটে, তবে ২০২৩-২০২৪ সালের বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর বাস্তব সূচকের দিকে তাকালে দেখা যায়, পাকিস্তান ঠিক তা-ই হয়েছে। তাদের দেশের মানুষ আজ আক্ষরিক অর্থেই আটার লাইনে দাঁড়িয়ে মারামারি করছে, অথচ তাদের অস্ত্রাগারে শোভা পাচ্ছে পারমাণবিক ওয়ারহেড। - [ওয়ার্ডপ্রেসে ল্যাঙ্গুয়েজ মাইগ্রেশনের পর ৪০৪ এরর দূর করে সার্চ ট্রাফিক ফিরিয়ে আনার উপায় । তথ্য প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%af/): অনলাইনে যারা একই সঙ্গে ইংরেজি এবং বাংলা কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করেন, তাদের জন্য টেকনিক্যাল এসইও (SEO)-র একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সাইটের গঠন সঠিকভাবে সাজানো। ইংরেজি এবং বাংলা কন্টেন্টের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার একটি সাধারণ এবং অত্যন্ত কার্যকরী উপায় হলো ভাষা দুটিকে কাঠামোগতভাবে আলাদা করে ফেলা। এর মানে সাধারণত মূল ইংরেজি সংস্করণটিকে মেইন ডোমেনে রাখা এবং বাংলা সংস্করণটির জন্য একটি নির্দিষ্ট সাব-ডোমেন তৈরি করা। কিন্তু কোনো কারণে যদি এই স্ট্রাকচার পরিবর্তন করেন এবং সেটা যদি নিখুঁতভাবে করা না হয়, তখন ট্রাফিক হারানোর পাশাপাশি সাইট ইনডেক্স না হওয়ার মতো বড় জটিলতায় পড়তে পারেন। - [শিমা কেরমানি গ্রেপ্তার: পাকিস্তানের এই দেউলিয়াত্ব ছাড়া আর কিইবা করার আছে!](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0/): গত ১৪ মে ২০২৪, মঙ্গলবার রাতের ঘটনা। পাকিস্তানের করাচি থেকে পুলিশ প্রখ্যাত ধ্রুপদী নৃত্যশিল্পী এবং মানবাধিকার কর্মী শিমা কেরমানিকে গ্রেপ্তার করেছে। খাতাকলমে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো অভাব নেই—'১৪৪ ধারা' অমান্য করা, বেআইনি জনসমাবেশ (ধারা ১৪৭) কিংবা রাস্তা অবরোধ (ধারা ৩৪১)। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ তাঁর নামে যে ‘অপরাধ’ নথিভুক্ত করেছে, তা আসলে এক শিল্পীর স্বাধীন ও অকুতোভয় সত্তারই বলিষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ। শিমা কেরমানি কেবল একজন বিশ্বখ্যাত ভরতনাট্যম শিল্পীই নন; তিনি দক্ষিণ এশিয়ার নারীবাদী আন্দোলনের অন্যতম মাইলফলক এবং পাকিস্তানে "অউরাত মার্চ"-এর প্রধান কারিগর। - [সংখ্যালঘু অধিকার হরণ ও নির্যাতনে আমাদের তুলনা । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%98%e0%a7%81-%e0%a6%85%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%bf/): সংখ্যালঘু ইস্যুতে ভারতের সাথে বাংলাদেশের তুলনা করা চরম অযৌক্তিক। দক্ষিণ এশীয় ভূ-রাজনীতিতে সংখ্যালঘু অধিকার হরণ ও নির্যাতনে আমাদের প্রতিযোগিতার প্রকৃত মানদণ্ড ভারত নয়, বরং পাকিস্তান। - [২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ড: ইউনুস সরকারের মধ্যে সম্পাদিত বানিজ্য চুক্তি](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82/): ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও হোয়াইট হাউসের এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে এই চুক্তির ঘোষণা আসে। পরবর্তীতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির (USTR) দপ্তরে প্রকাশিত এই চুক্তিতে শুল্ক হ্রাস, অশুল্ক বাধা অপসারণ, ডিজিটাল বাণিজ্য, শ্রম অধিকার, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত বিষয়গুলো স্থান পেয়েছে। - [দাস্তানগোই (Dastangoi): হাজার রাতের জাদুকরী কথকতার ইতিহাস | আমার সংস্কৃতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%87/): গল্প বলার এই অবিশ্বাস্য ঐতিহ্যেরই একটি ধ্রুপদী রূপ হলো ‘দাস্তানগোই’। মাত্র এক-দেড়শো বছর আগে হারিয়ে যাওয়া এক অনন্য ট্রাডিশন। একসময় যা আমাদের এই উপমহাদেশ থেকে প্রায় পুরোপুরিই মুছে গিয়েছিল—অবশ্যই সাম্প্রতিককালের সেই জাদুকরী পুনরুত্থানের আগে। - [সমস্যাটা উর্দু ভাষায় নয়, সমস্যাটা পাকিস্তান সিন্ড্রোমে | আমার সংস্কৃতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%af/): ভাষার মাসে এসে ইদানীং ‘আজাদি’, ‘ইনকিলাব’, ‘ইনসাফ’, ‘মজলুম’, ‘জালিম’ কিংবা ‘নয়া বন্দোবস্ত’-এর মতো ভারী ভারী শব্দগুলো নিয়ে রাজপথে আর সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে বেশ বিতর্ক দানা বেঁধেছে। গত দুটো বছর ধরে যারা খুব সুকৌশলে এই শব্দগুলোকে আমাদের রোজকার চেনা জনপরিসরে গেলানোর চেষ্টা করছিল, নির্বাচনের আগে এসে তাদের আসল রাজনৈতিক চেহারাটা আর মোটেও ধোঁয়াশায় ঢাকা নেই। পর্দাটা এখন পুরোপুরি পরিষ্কার—এরা আসলে একাত্তরের সেই পরাজিত শক্তি কিংবা তাদেরই বিভিন্ন ঘরানার ছদ্মবেশী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। - [কুমারখালী উপজেলায় শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন পরিক্রমা (২০০৯-২০২৪)](https://sufifaruq.com/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%b9/): কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলায় ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ অবকাঠামো এবং সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। - [আপনি আওয়ামী লীগের এসেট হতে পারলে ফেরত আসুন, আমাদের আর লায়াবিলিটি দরকার নেই](https://sufifaruq.com/%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80-%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%b9/): আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র হয়েছে—এটা নতুন নয়। বাংলাদেশের পক্ষের জাতীয়তাবাদী শক্তি হিসেবে, বাঙালি জাতীয়তাবাদের ধারক হিসেবে এবং ধর্মনিরপেক্ষতার রক্ষক হিসেবে—এটিই আওয়ামী লীগের নিয়তি। দেশবিরোধী ও পরাশক্তির দোসরেরা যেমন অতীতে ষড়যন্ত্র করেছে, আগামীতেও করবে। যতদিন না দেশ উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছাবে এবং পুরো রাজনৈতিক স্পেকট্রাম মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আসবে, ততদিন এই ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকবে। - [শেখ হাসিনা ভারতকে কী দিয়েছিলেন, যা ভারত চিরকাল মনে রাখবে?](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc/): বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি চর্চিত ও বিতর্কিত বাক্যগুলোর একটি—"ভারতকে যা দিয়েছি, ভারত তা চিরকাল মনে রাখবে।" তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই একটি মন্তব্যকে ঘিরে গত কয়েক বছরে নানা রকম সামাজিক উক্তি, রাজনৈতিক অপব্যাখ্যা ও গুজব ডালপালা মেলেছে। এক পক্ষের দাবি ছিল, তিনি নাকি দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত, গ্যাস কিংবা বন্দর ভারতের হাতে তুলে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ন্যারেটিভ এতটাই প্ররোচনামূলকভাবে ছড়ানো হয়েছিল যে সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশের কাছেও এটি বিশ্বাসযোগ্য মনে হতে শুরু করে। তবে আবেগের জায়গা সরিয়ে রেখে যদি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং ভূ-রাজনৈতিক তথ্যের দিকে তাকানো যায়, তবে দেখা যাবে শেখ হাসিনার এই বক্তব্যটি কোনো বস্তুগত সম্পদ বা ভূখণ্ড হস্তান্তরের বিষয় ছিল না। এর মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল এমন এক কৌশলগত নিরাপত্তা সহযোগিতা, যা ভারতের জন্য ছিল আক্ষরিক অর্থেই জীবন-মরণ সমস্যা। ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্য উত্তর-পূর্ব ভারতের জটিল ভৌগোলিক বাস্তবতা ও নিরাপত্তার সংকট ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আটটি রাজ্য—যাকে ঐতিহাসিকভাবে ‘সেভেন সিস্টার্স’ (আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মণিপুর, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশ) এবং পরবর্তীতে যুক্ত হওয়া সিকিম মিলে চিহ্নিত করা হয়—নিয়ন্ত্রণ করা নয়া দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য কয়েক দশক ধরে এক কঠিনতম সামরিক ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ ছিল। ভৌগোলিক অবকাঠামো, নৃগোষ্ঠীগত বৈচিত্র্য এবং আন্তর্জাতিক সীমানার বিন্যাস এই অঞ্চলটিকে ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে কেবল বিচ্ছিন্নই করেনি, বরং একে এক দীর্ঘস্থায়ী ভূ-রাজনৈতিক সংকটময় অঞ্চলে পরিণত করেছিল। সিলিগুড়ি করিডোর ও ‘চিকেনস নেক’-এর ভৌগোলিক দুর্বলতা ভারতের ভৌগোলিক মানচিত্রের দিকে তাকালে দেখা যায়, দেশের মূল ভূখণ্ডের সাথে এই পুরো উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত রয়েছে মাত্র ২০ থেকে ২২ কিলোমিটার প্রশস্ত একটি অত্যন্ত সংকীর্ণ ভূমিরেখা দিয়ে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সিলিগুড়িতে অবস্থিত এই সরু অংশটি আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও সামরিক পরিভাষায় ‘সিলিগুড়ি করিডোর’ বা ‘চিকেনস নেক’ (মুরগির ঘাড়) নামে পরিচিত। উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রায় সাড়ে চার কোটি মানুষের বসবাসরত এলাকা এবং বিশাল কৌশলগত সীমান্তকে নয়া দিল্লির সাথে যুক্ত রাখার একমাত্র স্থলপথ ছিল এটি। যদি কোনো কারণে এই সংকীর্ণ পথটিতে অচলাবস্থা তৈরি হতো, তবে পুরো উত্তর-পূর্ব ভারত মূল দেশ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকত। কোলকাতা থেকে উত্তর-পূর্ব ভারতের যেকোনো রাজ্যে পণ্য বা সেনা পাঠাতে হলে এই সিলিগুড়ি করিডোর দিয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হতো। উদাহরণস্বরূপ, কলকাতা থেকে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার দূরত্ব সিলিগুড়ি ঘুরলে দাঁড়ায় প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটারেরও বেশি, অথচ বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে সোজা পথ ধরলে তা কমে দাঁড়িয়েছিল মাত্র ৫০০ কিলোমিটারে। এই বিশাল ভৌগোলিক দূরত্ব ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত চলাচল ও রসদ সরবরাহের ক্ষেত্রে এক মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছিল। দীর্ঘ ও অরক্ষিত সীমা ন্ত: ভূপ্রকৃতির জটিলতা সিলিগুড়ি করিডোরের এই দুর্বলতার সাথে যুক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের সবচেয়ে জটিল উপাদান—দীর্ঘ ও দুর্গম সীমান্ত। দুই দেশের মধ্যে যে ৪,০৯৬.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে, তার প্রায় ১,৮৭৯ কিলোমিটারই সরাসরি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় চারটি রাজ্যের সাথে যুক্ত: ত্রিপুরা: ৮৫৬ কিলোমিটার (রাজ্যটির মোট সীমানার ৮৪ শতাংশই বাংলাদেশকে ঘিরে) মেঘালয়: ৪৪৩ কিলোমিটার মিজোরাম: ৩১৮ কিলোমিটার আসাম: ২৬২ কিলোমিটার এই সীমান্ত কোনো সমতল ভূখণ্ড ছিল না। গারো, খাসিয়া ও জৈন্তিয়া পাহাড়ের গভীর বনজঙ্গল, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল এবং ব্রহ্মপুত্র, সুরমা ও কুশিয়ারার মতো পরিবর্তনশীল নদীর অববাহিকাজুড়ে ছিল এই সীমানা। নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত এই দীর্ঘ সীমান্তের বিশাল অংশ ছিল কাঁটাতারহীন ও অরক্ষিত। নদীর জোয়ার-ভাটা, সীমান্ত নদীগুলোর গতিপথ পরিবর্তন এবং গভীর জঙ্গলের কারণে সীমান্তে নিখুঁত নজরদারি চালানো ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) জন্য প্রায় অসম্ভব এক কাজ ছিল। সশস্ত্র বিদ্রোহী নেটওয়ার্ক ও ‘হিট অ্যান্ড রান’ কৌশল উত্তর-পূর্ব ভারতের ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার এই অভূতপূর্ব দুর্বলতাকে পুরোপুরি কাজে লাগায় সেখানকার ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীভিত্তিক স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠনগুলো। আশির দশকের পর থেকে নয়া দিল্লির নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে এসব অঞ্চলে একাধিক শক্তিশালী বিদ্রোহ গড়ে ওঠে। প্রধান প্রধান সংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল: আসামের ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম (ULFA) এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট অব বোডোল্যান্ড (NDFB) ত্রিপুরার অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স (ATTF) এবং ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অব ত্রিপুরা (NLFT) মণিপুরের পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA) এবং ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (UNLF) নাগাল্যান্ডের ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অব নাগাল্যান্ড (NSCN) ১৯৯০ ও ১৯৯১ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনী আসামে ‘অপারেশন বাজরং’ এবং ‘অপারেশন রাইনো’-এর মতো বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনা করলে উলফাসহ অন্য বিদ্রোহীরা প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়ে। নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় তারা কৌশল পরিবর্তন করে এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আশ্রয় নিতে শুরু করে। এ সময় বিদ্রোহীরা যে কৌশলটি গ্রহণ করে, সামরিক ভাষায় তাকে বলা হয় ‘হিট অ্যান্ড রান’ (আঘাত হানো এবং পালিয়ে যাও)। সশস্ত্র বিদ্রোহীরা বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া ঘাঁটি থেকে গভীর রাতে ভারতের সীমান্তে প্রবেশ করত, ভারতীয় সেনা বহর, পুলিশ ফাঁড়ি বা সরকারি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে রক্তপাত ঘটাত এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আবার সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশের নিরাপদ ভূখণ্ডে ফিরে আসত। ভারতীয় সেনাবাহিনী পিছন পিছন তাড়া করলেও আন্তর্জাতিক সীমানা লঙ্ঘন করার আইনি সুযোগ না থাকায় তারা সীমান্তে এসে থমকে যেতে বাধ্য হতো। আসামের রাজধানী গৌহাটিতে ২০০২ সালে উলফার সাথে পুলিশের গুলি বিনিময়ের চিত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঘাঁটির বিস্তৃতি ও কৌশলগত সুফল পাহাড়ি ও বনাঞ্চল ঘেরা হওয়ায় বাংলাদেশের সীমান্ত জেলাগুলো বিদ্রোহীদের জন্য প্রাকৃতিক দুর্গে পরিণত হয়। শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার সীমান্ত এলাকা: মেঘালয়ের গারো পাহাড় সংলগ্ন এই অঞ্চলগুলোকে উলফা ও এনডিএফবি তাদের নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করত। সিলেট, মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গল অঞ্চল: আসামের কাছাড় জেলা এবং ত্রিপুরার সীমান্ত লাগোয়া এই এলাকাগুলোতে উলফা ও ত্রিপুরি বিদ্রোহীদের স্থায়ী নিরাপদ আস্তানা গড়ে ওঠে। পার্বত্য চট্টগ্রাম (খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান): মিজোরাম ও মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন এই দুর্গম পার্বত্য এলাকাকে এনএলএফটি, এটিটিএফ এবং মণিপুরি বিদ্রোহীরা মূল সামরিক প্রশিক্ষণ শিবির হিসেবে বেছে নেয়। এই নিরাপদ আশ্রয়গুলোর কারণে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী আসাম, ত্রিপুরা বা মণিপুরে কোটি কোটি রুপি ব্যয় করে এবং হাজার হাজার অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেও বিদ্রোহ দমন করতে পারছিল না। কোনো একটি রাজ্যে সেনা অভিযান জোরদার করা হলে বিদ্রোহীরা সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে আত্মগোপন করত এবং আবার নতুন শক্তিতে বলীয়ান হয়ে ফিরে আসত। প্রতি বছর শত শত ভারতীয় সেনা ও সাধারণ নাগরিকের প্রাণহানি হচ্ছিল, আর দিল্লির কেন্দ্রীয় বাজেটের বিশাল অংশ ব্যয় করতে হচ্ছিল সীমান্ত পাহারা ও বিদ্রোহ দমনে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে তৈরি হওয়া এই অচল অবস্থা উত্তর-পূর্ব ভারতে ভারতীয় সার্বভৌমত্বকে এক স্থায়ী হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছিল। ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্য বাংলাদেশে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ‘সেফ হ্যাভেন’ ও ১০ ট্রাক অস্ত্রের নেপথ্য ঘটনা নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে ২০০০-এর দশকের মধ্যভাগ পর্যন্ত বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক অবস্থান ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সুনির্দিষ্ট শিথিলতাকে কাজে লাগিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সশস্ত্র বিদ্রোহী গ্রুপগুলো এ দেশে তাদের এক বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। বিশেষ করে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের জোট সরকারের মেয়াদে এই পরিস্থিতি চরম ও উদ্বেগজনক আকার ধারণ করে। সে সময় ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর চোখ এড়িয়ে কেবল আড়াল থেকেই নয়, বরং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় ছদ্মবেশে মুক্তভাবে চলাফেরা করতেন উলফা (ULFA) সহ বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। ঢাকায় বসেই পরিচালিত হতো কোটি কোটি টাকার অবৈধ আর্থিক লেনদেন, অস্ত্র ক্রয়ের পরিকল্পনা এবং ভারতের ওপর হামলার সামরিক কৌশল। শুধু নিরাপদ আশ্রয় বা ‘সেফ হ্যাভেন’ হিসেবেই নয়, উলফা নেতারা এ দেশের অর্থনীতিতেও নিজেদের শিকড় বিস্তার করেছিলেন। ভুয়া পরিচয়ে কাস্টমস ও ট্রেড লাইসেন্স বাগিয়ে নিয়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় হোটেল ব্যবসা, গার্মেন্টস কারখানা, ট্রাভেল এজেন্সি এমনকি কোমল পানীয় তৈরির প্ল্যান্টেও তারা বিনিয়োগ করেছিলেন। অন্যদিকে সীমান্ত সংলগ্ন জেলা যেমন শেরপুর, জামালপুরের বকশীগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজারের সীমান্ত এলাকা এবং পার্বত্য খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের গহীন অরণ্যে গড়ে তোলা হয়েছিল তাদের গোপন প্রশিক্ষণ শিবির ও সরবরাহ কেন্দ্র। আন্তর্জাতিক অস্ত্র চোরাচালানের নজিরবিহীন ক্যানভাস বাংলাদেশকে ব্যবহার করে ভারতের নিরাপত্তায় আঘাত হানার সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর, বিপজ্জনক এবং প্রত্যক্ষ দলিলটি উন্মোচিত হয় ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল দিবাগত রাতে। চট্টগ্রামের কাপ্তাই রাস্তার মোড়সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় রাসায়নিক সার কারখানা—চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)-এর সংরক্ষিত জেলিঘাটে ঘটে যায় ইতিহাসের বৃহত্তম অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনা। বঙ্গোপসাগর হয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করে একটি বিশেষ জাহাজে করে এই অস্ত্রের বিশাল বহর আনা হয়েছিল। পরবর্তীতে ছোট ট্রলারে করে কর্ণফুলী নদী দিয়ে সেগুলোকে সিইউএফএল জেটিতে ভিড়ানো হয় এবং ট্রাকে তোলার কাজ শুরু হয়। পুলিশের একটি দল ও কোস্টগার্ডের আকস্মিক অভিযানে ১০টি ট্রাকে লোড করা অবস্থায় সেই অস্ত্র সম্ভার জব্দ করা হয়, যা পরবর্তীতে ‘১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা’ নামে পরিচিতি লাভ করে। অস্ত্র সম্ভারের পরিমান উদ্ধার করা অস্ত্রের পরিমাণ ও আধুনিকতা দেখে তৎকালীন বিশ্ব নিরাপত্তা বিশ্লেষকরাও স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন। এটি সাধারণ কোনো সীমান্ত চোরাচালান ছিল না; বরং একটি দেশের পুরো সেনাবাহিনীকে চ্যালেঞ্জ করার মতো আধুনিক ও পেশাদার সামরিক রসদ। জব্দকৃত অস্ত্রশস্ত্রের মধ্যে ছিল: স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র: চীনের নোডিনকো (NORINCO) কোম্পানিতে তৈরি প্রায় ৪,৯৩০টি সর্বাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, যার মধ্যে ছিল বিপুল পরিমাণ এ কে-৪৭ (AK-47), এ কে-৫৬ (AK-56) রাইফেল, সাব-মেশিনগান, টাইপ-৮১ অ্যাসল্ট রাইফেল, ইতালীয় ওজি (Uzi) সাব-মেশিনগান এবং অত্যন্ত নিখুঁত নিশানাভিত্তিক টমি গান। বিস্ফোরক ও ভারী অস্ত্র: প্রায় ২৭,০২০টি শক্তিশালী হ্যান্ড গ্রেনেড, ৮৪০টি রকেট লাঞ্চার, ৩০০টি রকেট-প্রোপেলড গ্রেনেড (RPG) এবং ২,০০০টি গ্রেনেড লাঞ্চিং টিউব। গোলাবারুদ ও ম্যাগাজিন: ১১ লাখ ৪০ হাজার ৫২০ রাউন্ড তাজা গুলি এবং ৬,৩৯২টি বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদের ম্যাগাজিন। তদন্তে উন্মোচিত হয়, এই বিশাল আন্তর্জাতিক অস্ত্র চালানের পেছনে অর্থায়ন ও ক্রয়ের মূল ভূমিকায় ছিলেন উলফার সামরিক প্রধান পরেশ বড়ুয়া (যিনি সে সময় কামরুজ্জামান ছদ্মনামে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন)। অস্ত্রগুলো চীনের তৈরি হলেও তা হংকং, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার জলসীমা অতিক্রম করে ছোট বড় ট্রলারের মাধ্যমে বাংলাদেশের বন্দরে পৌঁছেছিল। নয়া দিল্লির জন্য চরম সতর্কবার্তা ১০ ট্রাক অস্ত্র উদ্ধারের এই ঘটনা তৎকালীন ভারতীয় নীতিনির্ধারক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য একটি বিশাল ঝাঁকুনি ছিল। ঘটনাটির গভীরতা বিশ্লেষণ করে ভারতের নীতিনির্ধারকরা বুঝতে পারেন যে, সেভেন সিস্টার্সের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় হুমকি ভারতের নিজেদের সীমান্তে নয়, বরং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ভূখণ্ডে নিহিত। যদি এই ১০ ট্রাক আধুনিক মারণাস্ত্র আসামের গহীন জঙ্গল ও পাহাড়ে অবস্থানরত উলফা যোদ্ধাদের হাতে পৌঁছে যেত, তবে সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতে এক রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ ও অস্থিতিশীলতা তৈরি হতো, যা সামাল দিতে ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীকে অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়তে হতো। এই একটি ঘটনাই নয়া দিল্লিকে স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে যদি কোনো রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতবিরোধী সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদের করিডোর বা ‘লজিস্টিক হাব’ হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়, তবে তা ভারতের নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য অস্তিত্ব সংকট ডেকে আনবে। দশ ট্রাক অস্ত্র আটক ২০০৯ সালের কৌশলগত মোড় পরিবর্তন ও 'জিরো টলারেন্স' নীতি ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার পুনরায় রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সাথে সাথেই বাংলাদেশের আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিতে এক ঐতিহাসিক মোড় ঘোরে। ভারতের নীতিনির্ধারকদের সাথে পূর্ববর্তী বছরগুলোতে অনুষ্ঠিত স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক কিংবা বিডিআর-বিএসএফ শীর্ষ সম্মেলনে যে সীমান্ত নিরাপত্তা ও বিচ্ছিন্নতাবাদ নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হতো, তা নিরসনে সরকার সর্বোচ্চ রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রদর্শন করে। শেখ হাসিনা স্পষ্ট ও কঠোর ভাষায় ঘোষণা করেন—বাংলাদেশের স্বাধীন ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে প্রতিবেশী কোনো রাষ্ট্রের অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের উগ্রবাদী, সন্ত্রাসী বা সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। সরকারের এই বৈপ্লবিক দৃষ্টিভঙ্গি পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ (Zero Tolerance Policy) হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। গোয়েন্দা কাঠামোর পুনর্গঠন ও সীমান্ত নিরাপত্তা অভিযান এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্তটি কেবল কাগজে-কলমে বা রাষ্ট্রীয় বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের শীর্ষ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে পূর্ণ স্বাধীনতা ও সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হয়। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (NSI), প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (DGFI), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB) এবং বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (SB) মধ্যে এক নজিরবিহীন সমন্বিত গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়। সীমান্ত রক্ষী বাহিনী তৎকালীন বিডিআর-কে (পরবর্তীতে বিজিবি) সীমান্ত সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, অস্ত্র চোরাচালান এবং উলফাসহ অন্যান্য গোষ্ঠীর যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলোতে মোতায়েন করা গোয়েন্দা নজরদারি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। দুর্গম পাহাড়ি ও সীমান্ত এলাকা থেকে আস্তানা উচ্ছেদ গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সীমান্ত লাগোয়া এলাকাগুলোতে একের পর এক সুনির্দিষ্ট ও কঠোর সামরিক চেইন-অপারেশন পরিচালনা করা হয়। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া, শেরপুরের ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী, সিলেটের জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট এবং খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যেখানে উলফা, এনএলএফটি (NLFT) ও এটিটিএফ (ATTF)-এর মতো গ্রুপগুলো বছরের পর বছর ধরে গোপন প্রশিক্ষণ শিবির ও স্যাটেলাইট আস্তানা চালিয়ে আসছিল, সেগুলোতে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। কয়েক মাসের ব্যবধানে এসব এলাকার পাহাড় ও জঙ্গল থেকে ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ব্যবহৃত অত্যাধুনিক ওয়্যারলেস যোগাযোগ সরঞ্জাম, অস্ত্রের মজুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। তাদের স্থায়ী প্রশিক্ষণ ক্যাম্পগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়ে সেই এলাকাগুলোতে বাংলাদেশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্থায়ী টহল চৌকি স্থাপন করা হয়, যাতে পরবর্তীতে কোনো বিদ্রোহী গোষ্ঠী পুনরায় সেখানে ঘাঁটি গাড়তে না পারে। দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতা ও সিবিএমপি চুক্তি অভ্যন্তরীণ চিরুনি অভিযানের পাশাপাশি ভারতের সাথে প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা সহযোগিতাকে এক অভূতপূর্ব মাত্রায় নিয়ে যাওয়া হয়। উভয় দেশের মধ্যে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান (Real-time Intelligence Sharing) শুরু হয়, যা আগে কখনও ঘটেনি। এই যৌথ নিরাপত্তা প্রক্রিয়ারই ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় ঐতিহাসিক ‘কোর্ডিনেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান’ (CBMP)। এই চুক্তি ও কাঠামোগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সীমান্ত অপরাধ দমনের পাশাপাশি ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আনাগোনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হয়। শেখ হাসিনা সরকারের এই সাহসী ও সুদূরপ্রসারী ভূমিকার ফলেই আসাম ও উত্তর-পূর্ব ভারতের সশস্ত্র বিদ্রোহী গ্রুপগুলোর সবচেয়ে বড় দুর্গ ও সাপ্লাই লাইন চিরতরে ধ্বংস হয়ে যায়। ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ আসাম (উলফা)-এর চেয়ারম্যান অরবিন্দ রাজখোয়া শীর্ষ বিদ্রোহী নেতাদের পতন, নিখুঁত গ্রেপ্তার ও ভারতে হস্তান্তর বাংলাদেশের মাটিতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাঁড়াশি অভিযানের ফলে সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় বিদ্রোহী গ্রুপগুলোর প্রশিক্ষণ ক্যাম্প গুড়িয়ে দেওয়ার পর নজিরবিহীন চাপের মুখে পড়ে উলফা ও অন্যান্য সশস্ত্র সংগঠনের নীতি-নির্ধারক মহল। ভারতের মূল ভূখণ্ডে সেনাবাহিনী ও আসাম পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক বজায় রাখতে উলফার প্রায় পুরো শীর্ষ নেতৃত্বই ছদ্মবেশে অবস্থান করছিলেন বাংলাদেশে। ২০০৯ সালে সরকারের সরাসরি রাজনৈতিক সমর্থনে পরিচালিত সুনির্দিষ্ট ও গোপনীয় অপারেশনের মাধ্যমে এই শীর্ষ নেতৃত্বকে একের পর এক জালে বন্দি করা হয়। ২০০৯ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বর: উলফা নেতৃত্বের অবসান ২০০৯ সালের শেষ তিন মাসে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো উলফার নীতিনির্ধারণী রাজনৈতিক ও সামরিক কাঠামোর ওপর সবচেয়ে বড় আঘাতটি হানে। নভেম্বর ২০০৯: ঢাকার উত্তরা এবং ধানমন্ডির গোপন আস্তানা থেকে উলফার পররাষ্ট্র বিষয়ক সম্পাদক শশাধর চৌধুরী এবং অর্থ সম্পাদক চিত্রবান হাজারিকাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও বিএসএফ-এর কাছে তাঁদের হস্তান্তর করা হয়। ডিসেম্বর ২০০৯: ৪ ডিসেম্বরের অপারেশনটি ছিল আসামের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা। কক্সবাজার ও ঢাকার ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় উলফার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান অরবিন্দ রাজখোঁয়া, ডেপুটি কমান্ডার-ইন-চিফ রাজু বরুয়া, প্রেস অ্যান্ড পাবলিসিটি ইনচার্জ রবিন হ্যান্ডিক এবং উলফার কেন্দ্রীয় কমিটির নারী নেতৃত্ব ও রাজখোয়ার পরিবারকে। ভারতের মেঘালয়ের ডাউকি সীমান্ত দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে সোপর্দ করা হয়। এই গ্রেপ্তার ও হস্তান্তর প্রক্রিয়াটি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সামরিক ইতিহাসে 'উইদাউট ফায়ারিং এ সিঙ্গল শট'—অর্থাৎ একটি গুলিও না চালিয়ে পুরো এক বিদ্রোহী সংগঠনের মূল নেতৃত্বকে নিষ্ক্রিয় করার বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হয়। এনডিএফবি প্রধান রঞ্জন দৈমারি ও ত্রিপুরার বিদ্রোহী নেতাদের ধরাশায়ী করা কেবল উলফা নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যান্য মারাত্মক অস্ত্রধারী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বকেও বাংলাদেশ সরকারের গোয়েন্দা বলয় থেকে রেহাই দেওয়া হয়নি। ২০১০ সালের মে মাসে আসামে শত শত নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানির অন্যতম নায়ক, আসামের ভয়াবহ ২০০৮ সালের ধারাবাহিক বোমা হামলার মূল কারিগর এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট অব বোডোল্যান্ড (NDFB)-এর শীর্ষ প্রধান রঞ্জন দৈমারিকে (যাকে ডি আর নাবলা নামেও ডাকা হতো) বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে গ্রেপ্তার করে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরই পাশাপাশি ত্রিপুরার অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স (ATTF) এবং ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অব ত্রিপুরা (NLFT)-এর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডারকে চট্টগ্রাম ও ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে আগরতলা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে সোপর্দ করা হয়। দশ ট্রাক অস্ত্র অনুপ চেটিয়ার দীর্ঘ আইনি সফর ও ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক হস্তান্তর আসামের স্বাধীনতাকামী আন্দোলনের সবচেয়ে জ্যৈষ্ঠ ও প্রভাবশালী চরিত্র, উলফার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক অনুপ চেটিয়া (গোলাপ বরুয়া) ১৯৯৭ সালের ২১ ডিসেম্বর ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে জাল পাসপোর্ট, বিদেশি মুদ্রা ও স্যাটেলাইট ফোনসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরবর্তী ১৮ বছর তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন কারাগারে সাজাভোগ করেন এবং রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন জানিয়ে আইনি লড়াই চালান। ২০১৫ সালের নভেম্বরে শেখ হাসিনা সরকারের নির্দেশে দীর্ঘ আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অনুপ চেটিয়াকে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এটি নয়া দিল্লি ও ঢাকার মধ্যকার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক ট্রাস্ট-বিল্ডিংয়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। উলফার নেতা অরবিন্দ রাজখোয়া (ডানে) এবং ভারতের স্বরাষ্ট্র সচিবের মধ্যে বৈঠক হয় ২০১১ সালে উলফার ভাঙন ও 'সেফ রুট'-এর চিরস্থায়ী অবসান এই সর্বাত্মক ও সুপরিকল্পিত অভিযানের ফলে ভারতের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের ইতিহাস চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পতনের মুখোমুখি হয়। কেবল উলফার সামরিক প্রধান পরেশ বড়ুয়া বাংলাদেশ ছেড়ে মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চল এবং চীন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। কিন্তু রাজনৈতিক ও সামরিক মূল চালিকাশক্তি হারানোয় উলফা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। অরবিন্দ রাজখোয়া ও অনুপ চেটিয়ার নেতৃত্বাধীন উলফার প্রো-টকস (শান্তিকামী) অংশটি সশস্ত্র পথ পরিত্যাগ করে নয়া দিল্লির সাথে ২০১১ থেকে দীর্ঘ শান্তি আলোচনা শুরু করে, যা ২০২৩ সালে ঐতিহাসিক অস্ত্র সংবরণ চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্তি লাভ করে। বাংলাদেশের মাটি থেকে এই শীর্ষ নেতাদের সমূলে অপসারণ উত্তর-পূর্ব ভারতের সশস্ত্র রাজনীতিকে চিরতরে খোঁড়া করে দেয়। ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আর তাদের দেশের ভেতর বিদ্রোহী দমনে শত শত সেনার লাশ বইতে হয়নি। আর এ কারণেই, কোনো ভূখণ্ড না দিয়েও ভারত রাষ্ট্রকে একটি অক্ষত ও সুরক্ষিত নিরাপত্তা বলয় উপহার দেওয়ার এই অধ্যায়কে শেখ হাসিনা ভারতকে দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক অবদান বলে গণ্য করতেন। ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ আসাম (উলফা)-এর পররাষ্ট্র সচিব শশধর চৌধুরী বিদ্রোহী নেতাদের নিজস্ব বয়ান ও ২০২৩-এর ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি শেখ হাসিনার এই নিরাপত্তা নীতি কতটা প্রভাব ফেলেছিল, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ মেলে খোদ উলফা নেতাদের স্বীকারোক্তিতে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ভারত সরকার ও আসাম সরকারের সাথে ৪৪ বছরের সশস্ত্র সংগ্রামের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটিয়ে যখন উলফার প্রো-টকস (শান্তিকামী) দল ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে, তখন তার নেপথ্য কারণ নিয়ে মুখ খোলেন তাদের শীর্ষ নেতারা। উলফার পররাষ্ট্র সচিব শশাধর চৌধুরী এক সাক্ষাৎকারে খোলাখুলি স্বীকার করেছিলেন যে, ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি তাদের জন্য সম্পূর্ণ পাল্টে যায়। শেখ হাসিনা সরকার ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা স্মরণ রেখে ভারতের নিরাপত্তায় পূর্ণ সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাদেশে তাদের ওপর রেড কর্নার নোটিশ জারি করা হয়, বিমানবন্দরগুলোতে তাঁদের ছবি টাঙিয়ে দেওয়া হয় এবং সকল ক্যাম্প ধ্বংস করে দেওয়া হয়। অনুপ চেটিয়াও একইভাবে উল্লেখ করেছিলেন যে, বাংলাদেশ তাদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় বন্ধ করে দেওয়ার পর তাঁদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে যায়। ২০০৩ সালে ভুটান থেকে অভিযানের মাধ্যমে তাঁদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, আর ২০০৯ সালের পর বাংলাদেশেও তাঁদের পথ বন্ধ হয়ে যায়। দিকভ্রান্ত হয়ে এবং একের পর এক শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার হওয়ার পর আসামের শান্তিকামী রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যোগ দেওয়া ছাড়া তাঁদের সামনে দ্বিতীয় কোনো পথ খোলা ছিল না। এই কঠোর পদক্ষেপর ফলেই ২০১১ সাল থেকে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়ে ২০২৩ সালের শেষভাগে এসে আসামে চার দশকের রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের অবসান ঘটে। দশ ট্রাক অস্ত্র আটকের পর বিভিন্ন দলের প্রতিক্রিয়া ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য এবং নয়া দিল্লির সুদূরপ্রসারী লাভ আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণে ‘নিরাপত্তা সহযোগিতা’ কোনো সাধারণ লেনদেন নয়। উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দমন করার ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যে বিশাল ইতিবাচক পরিবর্তন আসে, তা নয়া দিল্লির জন্য হাজার হাজার কোটি টাকার অর্থনৈতিক সাশ্রয় এবং অজস্র সেনা সদস্যের জীবন বাঁচানোর পথ তৈরি করে দেয়। যে উত্তর-পূর্বাঞ্চল কয়েক দশক ধরে ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট ও প্রতিরক্ষা শক্তির এক বিশাল অংশ শুষে নিচ্ছিল এবং প্রতিনিয়ত অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা তৈরি করছিল, সেখানে স্থায়ী শান্তির পরিবেশ ফিরে আসে। এর ফলে ভারত তার মূল ভূখণ্ডের অর্থনীতি ও বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ পায়। শুধু বিচ্ছিন্নতাবাদ দমনই নয়, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি পরবর্তীতে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের সুবিধা, ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট এবং বিদ্যুৎ আমদানির মাধ্যমে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর সাথে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থা বহুলাংশে সহজ হয়ে যায়। ফলে আসাম, ত্রিপুরা বা মেঘালয়ের মতো রাজ্যগুলোর অর্থনৈতিক রূপান্তরে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়, যার প্রত্যক্ষ সুবিধা পায় ভারত সরকার। দশ ট্রাক অস্ত্র আটক শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রকৃত প্রেক্ষাপট ও মূল বার্তা ২০১৮ সালের ৩০ মে গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন উচ্চারণ করেছিলেন—"আমরা কোনো প্রতিদান চাই না। আমরা ভারতকে যা দিয়েছি সেটি তারা সারা জীবন মনে রাখবে," তখন সেই বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই ঐতিহাসিক শান্তি স্থাপন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরাসরি ব্যাখ্যা করে বলেছিলেন, প্রতিদিনের বোমাবাজি, রক্তপাত ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতা থেকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে শান্তিতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের মাটিকে কোনো ধরনের ভারতবিরোধী সন্ত্রাসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতার জন্য ব্যবহার করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তটিই ছিল নয়া দিল্লির জন্য সবচেয়ে বড় উপহার। তিনি যে শান্তি ও নিরাপত্তার কথা বলেছিলেন, তা কোনো সাধারণ বস্তুনিরপেক্ষ প্রতিশ্রুতি ছিল না। এটি ছিল দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যকার গভীর সামরিক ও কৌশলগত বিশ্বাসের মেলবন্ধন, যা নয়া দিল্লিকে তার পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত নিয়ে এক পরম নিশ্চিন্ততা এনে দিয়েছিল। দশ ট্রাক অস্ত্র আটক অপপ্রচার, গুজব বনাম প্রকৃত সত্য সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে পুঁজি করে এক শ্রেণীর রাজনৈতিক মহল যে প্রচার চালিয়েছিল—শেখ হাসিনা ভারতের কাছে দেশের জমি বিক্রি করেছেন, গ্যাস বা জ্বালানি সম্পদ তুলে দিয়েছেন কিংবা দেশের সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দিয়েছেন—তার সাথে বাস্তব তথ্যের কোনো মিল নেই। প্রকৃতপক্ষে, শেখ হাসিনা ভারতকে এমন এক অদৃশ্য কিন্তু সুদৃঢ় নিরাপত্তা বলয় দিয়েছিলেন, যা কোনো নগদ অর্থ বা ভৌগোলিক সম্পদ দিয়ে পরিমাপ করা সম্ভব নয়। একটি স্বাধীন দেশের মাটি থেকে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র বিদ্রোহ নির্মূল করতে সাহায্য করা আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে এক বিরল কৌশলগত উপহার। দশ ট্রাক অস্ত্র আটক পরিশেষ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাসে ভূখণ্ড বা বস্তুগত সম্পদের চেয়ে ‘নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ’ অনেক বেশি মূল্যবান হিসেবে গণ্য হয়। শেখ হাসিনার জিরো-টলারেন্স নীতি এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যে চার দশকের অশান্তির দাবানল নিভিয়ে দিয়েছিল, নয়া দিল্লি তা খুব ভালো করেই উপলব্ধি করে। সুতরাং, শেখ হাসিনার উক্ত বক্তব্যটি কোনো রাজনৈতিক অহংকার বা দেশ বিক্রির চুক্তি ছিল না; বরং তা ছিল আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত সম্পর্কের এক ঐতিহাসিক দলিল। বস্তুগত কোনো সম্পদ নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সীমান্ত সুরক্ষাই ছিল ভারতের প্রতি শেখ হাসিনার সেই অবদান, যা ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারত দীর্ঘকাল মনে রাখতে বাধ্য। - [প্রায় ৫ কোটি মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন করে শেখ হাসিনা আমাদের যে ক্ষতিটা করেছেন](https://sufifaruq.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a7%ab-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d/): আমি একজন আওয়ামী লীগ কর্মী হিসেবে এই কথাগুলো লিখছি—বিরোধী হিসেবে নয়, ভেতরের মানুষ হিসেবে। তাই কথাগুলো সরাসরি বলছি, ঘুরিয়ে বলছি না। এবং এই লেখাটি শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের কর্মীদের জন্য—অন্য কারও জন্য নয়। - [সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে মাঘী পূর্ণিমার আন্তরিক শুভেচ্ছা](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%ab%e0%a6%bf-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%95-%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%b0/): পবিত্র মাঘী পূর্ণিমা ২০২৫ উপলক্ষে বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের প্রতি জানাই আমাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রণাম। - [কোন আল মাহমুদের জন্য কাঁদেন?](https://sufifaruq.com/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a6/): কবি আল মাহমুদ জীবনের প্রতিটি বাঁকে যখনই আদর্শিক ভোল বদলে নতুন পরিচয় ধারণ করেছেন, তখনই সেই নতুন সত্তাকে পোক্ত করতে নিজের ফেলে আসা অতীত ও আদর্শকে নির্মমভাবে অস্বীকার করেছেন। - [কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও নেক্সট-জেনারেশন এআই: আগামী দশক ও বাংলাদেশ | CIO সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%93-%e0%a6%a8/): আমরা যদি 'স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১' রূপকল্পকে বাস্তবে রূপ দিতে চাই, তবে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও উন্নত এআই-এর এই যুগে একাডেমিয়া এবং ইন্ডাস্ট্রির মাঝখানের দেয়ালটি দ্রুত ভেঙে ফেলতে হবে। সরকারকে এখানে অনুঘটক বা ক্যাটালিস্টের ভূমিকা পালন করতে হবে, যেখানে বিশেষ তহবিল বা ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে দেশের নির্দিষ্ট কিছু বিশ্ববিদ্যালয়কে কোয়ান্টাম এআই রিসার্চ হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, প্রযুক্তির এই নতুন যুগে আমরা যদি নিজেদের অবকাঠামো এবং মানবসম্পদকে বৈশ্বিক ব্লুপ্রিন্টের সাথে এখনই ম্যাপ করতে না পারি, তবে আমরা কেবলই অন্য দেশের তৈরি প্রযুক্তির উপভোক্তা বা কনজিউমার হয়ে থেকে যাব, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের জন্য মোটেও শুভ নয়। - [কিরাআত প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ | ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%86%e0%a6%a4-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%aa/): সুফি ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের কিরাআত প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র মাহে রমজানে খোকসা উপজেলাতে মাস ব্যাপী কিরাআত প্রতিযোগিতার বাছাইপর্ব শেষে চুড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণ গতকাল ২০ জুন (বৃহস্পতিবার) কুমারখালীর আবুল হোসেন তরুণ অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত হয়। - [সমাজে ও রাজনীতিতে ধর্মকে আমি যেভাবে দেখি | আমার সংস্কৃতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%93-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86/): আমি আমার লেখায় সচরাচর কোনো মনীষীর উক্তি ব্যবহার করি না। নিজের যুক্তি দাঁড় করাতে বাইরের কোনো রেফারেন্সের প্রয়োজনও মনে করি না। কারণ, আমি যা নিয়ে লিখি বা তর্ক করি, তা আমার সরাসরি অভিজ্ঞতা থেকে আসা। এটি আমার দীর্ঘ চিন্তার ফসল। তবে এই লেখাটিতে কয়েকটি বড় নাম ব্যবহার করব। কারণ একদল মানুষ আছেন, যারা বড় বড় নাম না দেখলে কোনো মতামতকে পাত্তাই দিতে চান না। তাদের কাছে লেখাটার একটু ওজন বাড়ানোর আশাতেই এই ব্যতিক্রম। - [সিলিকন ভ্যালি থেকে এশিয়া: বিশ্ব আইটি খাতের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলের নতুন সমীকরণ । CIO সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%a8-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc/): হার্ডওয়্যারের পাশাপাশি ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের (DPI) ক্ষেত্রেও এশিয়া এক অনন্য স্বকীয়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতের তৈরি 'ইন্ডিয়া স্ট্যাক' এবং তাদের রিয়েল-টাইম পেমেন্ট ইকোসিস্টেম আজ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর জন্যও একটি বড় রোল মডেল। অন্যদিকে, চীন তাদের নিজস্ব শক্তিশালী জিপিইউ এবং এআই মডেল তৈরি করে পশ্চিমাদের সমকক্ষ তো বটেই, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো, যেমন ভিয়েতনাম বা ইন্দোনেশিয়া, এখন দ্রুত প্রথাগত আইটি সার্ভিস মডেল থেকে বের হয়ে ডিপ-টেক (Deep Tech) গবেষণার দিকে ধাবিত হচ্ছে। ফলে, সিলিকন ভ্যালি থেকে এশিয়ার দিকে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলের এক নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। - [প্রেস মেশিন হারাম, যুগের বিবর্তনে হালাল-হারাম বিতর্ক | ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae/): প্রেস মেশিন হারাম বলে যখন ফতোয়া দেওয়া হয়েছিল, সেই ফতোয়া কিন্তু তৎকালীন ইসলামের সর্বোচ্চ অথরিটি, শাইখ-উল-ইসলাম দিয়েছিলেন। রেডিও, ইংরেজি শিক্ষা, লাউডস্পিকার, অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা, ছবি তোলা, ভিডিও করা কিংবা অর্গান রিপ্লেসমেন্ট-এর (অঙ্গ প্রতিস্থাপন) বিপক্ষের ফতোয়াগুলোও ছিল একই পর্যায়ের। - [বৈশাখের বর্ষবরণ উৎসব: কাদের জন্য, আর কাদের জন্য নয়? | আমার সংস্কৃতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%89%e0%a7%8e%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a6/): পহেলা বৈশাখ বা বর্ষবরণ উৎসব মূলত এবং প্রধানত বাঙালির। এই উৎসবের মূল নিহিত রয়েছে বাঙালির হাজার বছরের কৃষি-সভ্যতা, ভূখণ্ড এবং ঐতিহ্যের গভীর শেকড়ে। তাই বৈশাখকে যাপন করার অধিকার প্রতিটি বাঙালির একান্ত নিজস্ব। এই উদযাপন কে কীভাবে করবেন, কতটুকু করবেন কিংবা আদৌ করবেন কি না—সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা ওই ব্যক্তির। তাঁর উদযাপনের ভঙ্গি সঠিক কি না, তা বিচার করার জন্য কারও হাতে কোনো তথাকথিত ধর্মীয় বা নৈতিকতার মানদণ্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। - [প্রভা আত্রেও চলে গেলেন | অসুরের সুরলোকযাত্রা সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8/): তিনি বিদায় নিলেন কিরানা ঘরানার অন্যতম সেরা প্রতিনিধি হিসেবে। কিংবদন্তি পণ্ডিত সুরেশবাবু মানে এবং বিদুষী হীরাবাঈ বাদেকরের কাছে সঙ্গীতের কঠিন দীক্ষা নিয়েছিলেন তিনি। সুরের শুদ্ধতা আর রাগের আবেগময় বিস্তারই ছিল তাঁর গানের মূল শক্তি। প্রভা আত্রের কণ্ঠে এই ঘরানার ঐতিহ্যবাহী রূপ যেমন ফুটত, তেমনি তিনি ঠুমরি, দাদরা আর ভজনের মতো ধারাতেও সমান পারদর্শী ছিলেন। - [পেট্রো ডলার কীভাবে বিশ্ব অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠলো? । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b-%e0%a6%a1%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%80%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac/): পেট্রো ডলার—শব্দটা শুনতে খুব সাধারণ লাগলেও বিশ্ব অর্থনীতিতে এর প্রভাব বিশাল। সহজ কথায়, তেল রপ্তানি করে দেশগুলো মার্কিন ডলারে যে টাকা আয় করে, সেটাই পেট্রো ডলার। ১৯৭০-এর দশকে শুরু হওয়া এই ব্যবস্থাটাই ধীরে ধীরে পুরো পৃথিবীর অর্থনৈতিক কাঠামোর মূল চাবিকাঠি হয়ে ওঠে। এই পেট্রো ডলারের জোরেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের ডলারকে বিশ্বের প্রধান ‘রিজার্ভ কারেন্সি’ বা প্রধান মুদ্রা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। আর এর ওপর ভর করেই টিকে আছে তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক দাপট। - [উন্নয়নে ব্রাহ্মণবাড়িয়া](https://sufifaruq.com/%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a3%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%af/): ডাউনেলোড করুন উন্নয়নে ব্রাহ্মণবাড়িয়া - [পার্বত্য চট্টগ্রাম হতে পারে সারা পৃথিবীর ফলের ঝুড়ি](https://sufifaruq.com/%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9d%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf/): পাহাড়ে মাইলের পর মাইল যে পরিমাণ জমি এখনো অনাবাদী পড়ে আছে কিংবা নামমাত্র চাষাবাদ হচ্ছে, সেগুলোকে যদি একটা মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় আনা যায়, তবে শুধু বাংলাদেশ নয়—পার্বত্য চট্টগ্রাম হয়ে উঠতে পারে গোটা পৃথিবীর ফলের ঝুড়ি (Fruit Basket of the World)। মাত্র ১০ বছরের একটা পরিকল্পিত উদ্যোগে ওই পুরো এলাকার অর্থনৈতিক চেহারা এবং মানুষের জীবনযাত্রা আমূল বদলে দেওয়া সম্ভব। - [এই বাজেটের পর কাদের নুন্যতম ২০০০ টাকা আয়কর দিতে হবে?](https://sufifaruq.com/%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a6%e0%a7%a6-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%95%e0%a6%b0/): নুন্যতম ২০০০ টাকা আয়কর সবাইকে দিতে হবে না। যারা বিশেষ কিছু সেবা গ্রহণ করতে চান তাদেরই আয়কর রিটার্ন দেবার সার্টিফিকেট দিতে হবে। আর আয়কর রিটার্ন সাটিফিকেট পেতে হলে নুন্যতম ২০০০ টাকা আয়কর দিতে হবে। - [ভারত-বাংলাদেশ ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট: অপপ্রচার বনাম বাস্তবতা । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f-%e0%a6%93/): দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি এবং অর্থনীতিতে যে কয়েকটি বিষয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা, বিতর্ক এবং রাজনৈতিক কাদা-ছোড়াছুড়ি হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম শীর্ষস্থানে রয়েছে—"ভারত-বাংলাদেশ ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট"। - [চিফ বিলিফ অফিসার – এরকম পরিচয়ও সম্ভব](https://sufifaruq.com/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%ab-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ab-%e0%a6%85%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0/): চিফ বিলিফ অফিসার ! - [বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের জাকাত](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c/): জাকাত নেবার বাজার টা খুব প্রতিযোগিতাপূর্ণ। সেখানে দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞ প্রতিযোগীরা রয়েছেন। এক ধরণের প্রতিষ্ঠিত পার্সেপশন এবং ব্রান্ডিং স্টাইলও রয়েছে। প্রতি বছর নতুন প্রতিযোগী যুক্ত হচ্ছেন। তারা গতানুগতিকের পাশাপাশি নিত্য নতুন চলমান ইসলামিক ট্রেন্ডের উপর ভিত্তি করে ব্রান্ডিং করে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে আগাচ্ছেন। - [তানসেনের দীপক রাগ | অসুরের সুরলোকযাত্রা সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%aa%e0%a6%95/): তানসেনের দীপক আজ আর সরাসরি শোনা সম্ভব নয়, কিন্তু তার কিংবদন্তি আমাদের কল্পনায় এখনো জ্বলে। বিভিন্ন ঘরানা, বিভিন্ন ঠাটে দীপকের বিচিত্র রূপ সঙ্গীতানুরাগীদের আলোড়িত করে চলেছে। আর আধুনিক সময়ে মান্না দে-র মতো শিল্পীরা সেই রসের একটি ঝলক আমাদের কাছে পৌঁছে দেন। - [অনলাইন দুষিত হয়ে গেছে – বলে চিৎকার করে কোন লাভ নেই, চিকিৎসা করান](https://sufifaruq.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b2/): অনলাইন দুষিত হয়ে গেছে - বলে চিৎকার করে কোন লাভ নেই। এই কথাটি বলছি শুধুমাত্র প্রাপ্তমনস্কদের জন্য। যারা বিষয়টি সামাজিক প্রেক্ষাপটে বুঝবেন না, বা সবকিছু শুধুমাত্র ধর্মদন্ড দিয়ে মাপবেন, তাদের এই লেখাটি পড়া দরকার নেই। - [ডানপন্থী-প্রতিক্রিয়াশীলরা কেন শিল্প-সংস্কৃতিকে কিছুই দিতে পারেন না? | আমার সংস্কৃতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a5/): আমি সবসময় বলি—ডানপন্থী-প্রতিক্রিয়াশীলরা কেন শিল্প-সংস্কৃতিকে কিছুই দিতে পারেন না। অনেক প্রগতিশীল বন্ধু এটিকে “আউরাইট রিজেক্ট” বা “বাদ দেওয়া”র সংস্কৃতি বলেন। তাদের ভাষায়, এরকম একেবারে বাদ দেওয়া বিষয়টি র‍্যাডিক্যাল এবং ঠিক নয়। আমি তাদের বলব—এই রায় দেওয়ার আগে একটু সময় নিয়ে ভালোভাবে ভাবুন, সব পাজলগুলো মেলান। আমার সঙ্গে দ্বিমত করতে পারবেন না। কেন পারবেন না, তার হিসেবগুলো চলুন আজ দেখি। - [উর্দু সিন্ড্রোম বনাম উর্দু ভাষার প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গি | আমার সংস্কৃতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%81-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9a/): সেটা পরিষ্কার করে দেই। - [বাঙালির বাতিঘর ও আমাদের দুঃসময়ের অবিচল অভিভাবক আবদুল গাফফার চৌধুরীর জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি](https://sufifaruq.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a7%8c%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d/): আজ ১২ ডিসেম্বর। বাঙালির ইতিহাসের এক ধ্রুবতারা, কিংবদন্তি সাংবাদিক, সাহিত্যিক এবং আমাদের চেতনার বাতিঘর আবদুল গাফফার চৌধুরীর জন্মদিন। একজন আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে আজ এই মহান মানুষটির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। - [মাকামাতে হারিরী (আল-হারিরির মাকামাত) পরিচিতি | ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%80/): সম্প্রতি আল-হারিরির মাকামাত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। আমার কিছু বন্ধু এই বিষয়ে আরও জানতে চেয়েছেন। তাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আমি নিজেও আবার অনেক ঘাঁটাঘাঁটি করলাম। অনেক আগে পড়ার কারণে অনেক কিছু নতুন লাগলো। আগের পড়ার নোট ছিল। এবার নানা প্রশ্নের উত্তরের জন্য কিছু নোট নিয়েছি। সব স্ক্র্যাপ নোটগুলো ডিডিটাইজ করে গোছাবার জন্য চ্যাটবটকে দিয়েছিলাম। জানিনা আউটপুটটা কেমন হল। তবে আপাতত আপলোড করে দিলাম। পরে সময় পেলে সম্পাদনা করবো। - [আদর্শের বাকি প্রকাশনাগুলো প্রদর্শন ও বিক্রির সুযোগ দেয়া হোক](https://sufifaruq.com/%e0%a6%86%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2/): আদর্শের বাকি প্রকাশনাগুলো প্রদর্শন ও বিক্রির সুযোগ দেয়া হোক - লিখেছি আমি। ফাহাম এর বই বিক্রির সুযোগ না দিতে লিখেছি। এটাকে যারা বাক স্বাধীনতার বিরোধী বলে বলতে চান, তাদের বলবো বিষয়টা এত সরল না। এত সরল হলে আমার কিছুই এসে যেত না। আপনি যেমন কোন ব্যক্তি ঘরে ঢুকে আপনার প্রতিষ্ঠিত পারিবারিক ভ্যালুজ কে মিথ্যে বলে, অপমান করে, ত্যাগ করতে বলবে, তাকে আপনি নিশ্চয় সেই প্রচার চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেবেন না। ফাহামের বইএর বিষয়টা ঠিক তাই। - [বাংলাদেশের তরুণদের উপর আসলে কোন সংস্কৃতিক হেজিমনি চলছে? | আমার সংস্কৃতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%86/): সংস্কৃতিক হেজিমনি বলতে সাধারণত বোঝানো হয় এমন একটি আধিপত্য, যা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং সম্মতির মাধ্যমে কাজ করে। ইতালীয় চিন্তাবিদ আন্তোনিও গ্রামশি এই ধারণাটি সামনে এনেছিলেন। তাঁর মতে, আধিপত্যশীল গোষ্ঠী সমাজের মানুষের চিন্তা, স্বপ্ন, রুচি ও স্বাভাবিকতার ধারণা এমনভাবে নির্মাণ করে যে মানুষ নিজের অজান্তেই সেই আধিপত্যকে গ্রহণ করে নেয়। এখানে কাউকে বাধ্য করা হয় না; বরং মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করে যে এটিই আধুনিক, এটিই স্বাভাবিক, এটিই কাঙ্ক্ষিত। - [রেখাবের রূপ, কবীর সুমনের গানে কোমল রেখাব উদযাপন | অসুরের সুরলোকযাত্রা সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a7%82%e0%a6%aa/): রেখাবের রূপ - গানটি ছিল কবীর সুমনের "বসে আঁকো" এলবামে। গানটা অনেকেই খুব ভালোবাসেন। কিন্তু কিছু শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের রূপক ব্যবহারের কারণে অর্থ গুছিয়ে উঠতে কষ্ট হয়। তাদের জন্য বিষয়টা সহজ করা যাক। - [বাংলাদেশে আর বড় শিল্পী, উন্নত গান-বাজনা হবে না ! | অসুরের সুরলোকযাত্রা সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%80-%e0%a6%89/): আমার কথাটির বিপরীতে কিছু বলার আগে উত্তর দিন তো—কোন বাংলাদেশে বড় শিল্পী হবে বা উন্নত গান-বাজনা হবে? - [শ্রী হনুমানের TA Bill](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-ta-bill/): শ্রী হনুমানের TA Bill নিয়ে মুল লেখাটা বিখ্যাত হিন্দি লেখক হরিশঙ্কর পারসাই'র । ভালো লাগায় একটা অনুবাদ করে দিলাম। আমলাতান্ত্র নিয়ে এমন গল্প খুব বেশি নেই। - [রাষ্ট্র যখন নতুন খোদা ও দেশপ্রেমের অভিনয় । ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a6%be/): আমরা কি কখনো ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখেছি - যে মাটির ওপর দাঁড়িয়ে আমরা বেঁচে আছি, যে দেশটা আমাদের পরিচয় দেয়, সেই দেশের প্রতি ভালোবাসা কি আসলেই আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিপন্থী হতে পারে? - [ভারত ছাড় ভাষন – মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী । বক্তৃতা সংগ্রহ । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%a8/): মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট "ভারত ছাড়ো" আন্দোলনের ডাক দেন, যা ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক নতুন অধ্যায়। এই আন্দোলন ছিল অহিংস প্রতিরোধের ভিত্তিতে গঠিত এবং গান্ধীর নেতৃত্বে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। গান্ধী ভারতীয় জনগণকে আহ্বান করেছিলেন ব্রিটিশ শাসককে দেশ থেকে তাড়ানোর জন্য, এবং তিনি বলেছিলেন, "করো বা মরো" — অর্থাৎ, এই সংগ্রামে জয় না পাওয়া পর্যন্ত ভারতীয়রা নীরবে বসে থাকবে না। এই ভাষণটি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত, যার ফলে ব্রিটিশ শাসকদের উপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয় এবং ভারতীয় জাতির স্বাধীনতার সংগ্রাম আরো তীব্র হয়ে ওঠে। ভাষণটি হিন্দি এবং ইংরেজিতে দেয়া হয়েছিল। বাংলায় পড়ার সুবিধার জন্য অনুবাদ করে দিলাম। - [সহিহ কিরাত ছাড়া কি কুরআন বুঝবেন না? | ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b9-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8/): কুরআন কি কেবল একটি বিশেষ গোষ্ঠীর জন্য, নাকি এটি সমগ্র মানবতার দিশারি? একজন সাধারণ মুসলিম যখনই পবিত্র কুরআনের অর্থ সরাসরি বুঝতে চান, তখনই তার সামনে এক বিশাল ‘শর্তের পাহাড়’ দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। তাকে বলা হয়—আপনার মাখরাজ ঠিক নেই, তাজবিদ জানা নেই, সহিহ কিরাত ছাড়া কুরআন পড়া তো দূরের কথা, এটি বোঝার অধিকারও আপনার নেই। তাত্ত্বিক মারপ্যাঁচে ফেলে সাধারণ মানুষকে কুরআন থেকে এতটাই দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, অধিকাংশ মুসলিম এখন একে কেবল ‘সাওয়াব পাওয়ার মন্ত্র’ হিসেবে পড়ে, ‘জীবন গড়ার বিধান’ হিসেবে নয়। - [স্বপ্নের উত্তরাধিকার: বঙ্গবন্ধুর দর্শন থেকে শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%99/): বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেননি, তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত এক সমৃদ্ধ সোনার বাংলার। তাঁর আদর্শ ও দৃষ্টিভঙ্গি শুধু মুক্তিযুদ্ধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্নত জীবনের পথ রচনা করার মধ্যেও প্রতিফলিত হয়েছিল। - [বিএনপি-জামাত যুগের স্মৃতিচারণ: যখন বিদ্যুৎ বিভ্রাটই ছিল স্বাভাবিক](https://sufifaruq.com/%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a7%8e-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%87-%e0%a6%9b%e0%a6%bf%e0%a6%b2/): আইআরআইসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার একাধিক জরিপে শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যায়। অথচ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সেই সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে জনসাধারণের ক্ষোভ দমন করতে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন: - [পেশা, ধর্ম ও লিঙ্গবৈষম্যমূলক গালি: বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও আমাদের রাজনৈতিক শিষ্টাচার । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%be-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%95%e0%a7%87/): রাজনীতিতে মতভেদ থাকবে, আদর্শিক লড়াই থাকবে, এমনকি তীব্র শত্রুতাও থাকতে পারে; কিন্তু তাই বলে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে কারও পেশা, দারিদ্র্য, ধর্ম কিংবা লিঙ্গকে খাটো করে গালি দেওয়া কি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথে যায়? এটি কি একজন প্রকৃত আত্মমর্যাদাশীল রাজনৈতিক কর্মীর কাজ হতে পারে? - [হাজার বছরের সংস্কৃতি মানে কী? | আমার সংস্কৃতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf/): হাজার বছরের সংস্কৃতি - টার্মটা নিয়ে কথা উঠলেই কিছু অযোক্তিক বিতর্ক করতে দেখা যায়। তাদের কথা হচ্ছে - হাজার বছর ধরেই আপনারা এমনে রান্না করতেন? এমনে খাইতেন? এমনে কুলি করতেন? এই কাপড় পরতেন? এভাবে গান গাইতেন? - [বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার তুলনা করা উচিত নয়](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%99%e0%a7%8d/): বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার তুলনা করা অনুচিত। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি বহু গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করেছে এবং ক্রমাগত অগ্রসর হচ্ছে। সরকার বেশ কয়েকটি বড় অবকাঠামোগত প্রকল্প হাতে নিয়েছে যা দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সম্ভাবনা রাখে। - [জল-পানি-নুন-লবণ টাইপ ভাষা বিতর্ক | আমার সংস্কৃতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%9c%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%a3-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%aa-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%ac/): জল-পানি-নুন-লবণ টাইপ ভাষা বিতর্ক অত্যন্ত মূর্খ, সাম্প্রদায়িক, নীচ বিতর্ক। ভাষা প্রেম, ধর্ম প্রেম দেখানের অত্যন্ত সস্তা উপায়। বাস্তবতা হচ্ছে এর ভাষা প্রেমীও না, ধর্ম প্রেমীও না। - [আইনের দৃষ্টিতে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ ও জিয়ার রাষ্ট্রদ্রোহিতা](https://sufifaruq.com/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf/): তাদের রিপোর্টেই প্রকাশ পায় যে, এই কুখ্যাত আইনটি বাতিলের জন্য সংবিধান সংশোধনের কোন প্রয়োজন নেই। যেহেতু আইনের দৃষ্টিতে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কখনই বৈধতা পায়নি। কারণ তা ছিল সম্পূর্ণরূপে অবৈধ। কমিটির এই রিপোর্ট আইন কমিশনের মতামতের জন্য পাঠানো হলে সাবেক প্রধান বিচারপতি এফ কে এম মুনীমের নেতৃত্বাধীন কমিশনও তা সমর্থন করে। - [মুসকান আমাদের বোন, আপনাদের না](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%a8/): মুসকান আমাদের বোন, আপনাদের না ! - [এ কেমন ইসলাম প্রেম? | ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%8f-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae/): আমরা প্রায়শই বুক ফুলিয়ে দাবি করি—আমরা এই দেশকে প্রচণ্ড ভালোবাসি। অথচ ট্র্যাজেডি হলো, এই দেশের প্রকৃত ইতিহাস ও শেকড় সম্পর্কে জানতে আমাদের চরম অনীহা। আমরা দেশের কোনো সংকটের গভীরে ঢুকতে চাই না, নির্মোহ বিশ্লেষণ করতে শিখিনি। কোনো জাতীয় দুর্যোগে ধৈর্য ধরে গঠনমূলক মতামত বা দূরদর্শী সমাধান দেওয়ার চেয়ে সস্তা কানকথা আর সোশ্যাল মিডিয়ার চটকদার হেডলাইনে গা ভাসাতেই আমরা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। - [অভিনন্দন কৃষ্ণা দেবনাথ !](https://sufifaruq.com/%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a5/): বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হলো। প্রথম কোনো সনাতন হিন্দু নারী হিসেবে সর্বোচ্চ আদালতের (আপিল বিভাগ) বিচারপতি নিযুক্ত হলেন কৃষ্ণা দেবনাথ। তিনি দীর্ঘদিন সুনামের সাথে উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট বিভাগ) দায়িত্ব পালন করেছেন, আর এবার তিনি অভিষিক্ত হলেন বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আসনে! - [১০ জানুয়ারির রেসকোর্স ময়দান : উচ্ছ্বাসে উল্লসি ওঠে আকুল আবেগ । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%ae%e0%a6%af/): ১০ জানুয়ারি (১৯৭২) বিকেল ৪.২৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকার মতো করে নির্মিত ১০০ ফুট দীর্ঘ মঞ্চে স্থাপিত মাইকের সামনে যখন ভাষণ দিতে ওঠেন, তখন তিনি শিশুর মতো কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন; তার দু'চোখ গড়িয়ে অশ্রু পড়ছিল বারবার। - [৭নং বানিয়াপাড়া সরকালী প্রাথমিক বিদ্যালয় – ১ নং কয়া ইউনিয়ন, কুমারখালী, কুষ্টিয়া](https://sufifaruq.com/%e0%a7%ad%e0%a6%a8%e0%a6%82-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80/): কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার ১নং কয়া ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো ‘৭নং বানিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’। গ্রামীণ মনোরম পরিবেশে অবস্থিত এই বিদ্যালয়টি স্থানীয় শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হওয়ায় এটি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সন্তানদের জন্য শিক্ষার সমান সুযোগ সৃষ্টি করে আসছে। - [৪ নং খলিসাদহ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় – ১ নং কয়া ইউনিয়ন, কুমারখালী, কুষ্টিয়া](https://sufifaruq.com/%e0%a7%aa-%e0%a6%a8%e0%a6%82-%e0%a6%96%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%b9-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a5/): কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার ১নং কয়া ইউনিয়নের খলিসাদহ গ্রামে অবস্থিত একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো ৪নং খলিসাদহ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থানীয় গ্রামীণ জনপদে নিরক্ষরতা দূরীকরণ এবং শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি দেওয়ার লক্ষ্যে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। '৪নং' ক্রমিক সংখ্যাটি ইঙ্গিত দেয় যে, এটি এই অঞ্চলের বা ক্লাস্টারের অত্যন্ত পুরনো এবং শুরুর দিকের একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। - [আলাউদ্দিন নগর গ্রাম (সাবেক চড়াইকোল গ্রাম), ৫ নং নন্দলালপুর ইউনিয়ন, কুমারখালী, কুষ্টিয়া](https://sufifaruq.com/%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae/): কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার ৫ নং নন্দলালপুর ইউনিয়নে অবস্থিত আলাউদ্দিন নগর (সাবেক চকরঘুয়া) গ্রামটি বর্তমানে বাংলাদেশের একটি আদর্শ ও আধুনিক শিক্ষানগরী হিসেবে পরিচিত। বিখ্যাত দানবীর ড. আলাউদ্দিন আহমেদের অসামান্য অবদানের ফলে গ্রামটি তার প্রাচীন রূপ বদলে একটি আধুনিক ও জ্ঞানভিত্তিক জনপদে পরিণত হয়েছে। নিচে গ্রামটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো: - [কী বার্তা দিল মঙ্গল শোভাযাত্রার স্বীকৃতি?](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%83/): কী বার্তা দিল মঙ্গল শোভাযাত্রার সাম্প্রতিক স্বীকৃতি? অতি সম্প্রতি সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর যুব প্লাটফর্ম ‘ইয়াং বাংলা’-এর পক্ষ থেকে সিআরআই-এর ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেনের হাতে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রাকে’ বাংলাদেশের ঐতিহ্য লালনের স্বীকৃতি দিয়ে ‘পাথফাইন্ডার অব ৫০’ পুরস্কার তুলে দিয়েছেন। ‘ইয়াং বাংলা’ প্ল্যাটফর্ম থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুবকদের পুরস্কার প্রদান করা হলেও তারা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ‘পাথফাইন্ডার অব ৫০’ পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এই শ্রেণিতে তিন সংগঠনকে দেশের উন্নয়নে অবদানের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, গত কয়েক বছর ধরে সিআরআই-এর যুব ফোরাম হিসেবে ‘ইয়াং বাংলা’ দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় যুবকদের উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন প্রচেষ্টার বাস্তবায়ন করছে। - [মানবাধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডেমক্রাট সরকারের অবস্থান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7/): যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট সরকারের মানবাধিকার বিষয়ক সাম্প্রতিক অবস্থান নিয়ে দক্ষিণ এশীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং তার ঠিক পরপরই প্রকাশিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদনে র‍্যাবের ভূমিকার প্রশংসা—এই দুইয়ের মধ্যে চরম বৈপরীত্য লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, মানবাধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এই দ্বিমুখী অবস্থান সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। - [যুব উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর ভাবনা । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%ac-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ad/): যুব উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর ভাবনা : বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশ যুব ও তরুণসমাজ। বর্তমান লোকসংখ্যার হিসাবে দেশে সাড়ে ৪ কোটির বেশি তরুণ ও তরুণী রয়েছে। যুবসমাজ নিয়ে বঙ্গবন্ধুর অনেক ভাবনা ও স্বপ্ন ছিল। তিনি ভাবতেন যুবসমাজের প্রতিটি সদস্যকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তারাই হয়ে ওঠবে এক আদর্শবান শক্তি। এই আদর্শ মানুষ বলতে তিনি এমন ব্যক্তিকে বুঝিয়েছেন, যে উন্নত মানবিক গুণাবলি ধারণ করবে ও অন্যের জন্য অনুসরণযোগ্য হবে। অর্থাৎ সামাজিকভাবে যা কিছু ভালো-শ্রেষ্ঠ, মহৎ ও কল্যাণকর সব কিছুই থাকবে যুবসমাজের প্রতিটি সদস্যের মধ্যে। - [জিয়াউর রহমানের আমলে অভ্যুত্থান ও সেনা হত্যা । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%af/): বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকার ও রক্তাক্ত অধ্যায় হলো সত্তরের দশকের শেষভাগ এবং আশির দশকের শুরু। বিশেষ করে সেনাশাসক জেনারেল জিয়াউর রহমানের শাসনকাল (১৯৭৫-১৯৮১) ছিল সামরিক বাহিনীর ভেতরে এক অবিরাম রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ইতিহাস। সাম্প্রতিক সময়ে এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক ধোঁয়াশার ওপর নতুন করে আলো ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এক সুদীর্ঘ পর্যালোচনায় তিনি দাবি করেছেন, জিয়ার আমলে সামরিক বাহিনীতে অন্তত ২৬টির মতো অভ্যুত্থান বা অভ্যুত্থানচেষ্টা ঘটেছিল, যার পরিণতিতে প্রায় আড়াই হাজার সেনা কর্মকর্তা ও জওয়ানকে জীবন দিতে হয়েছিল। - [বঙ্গবন্ধু পরিবারকে উদ্ধার করেছিলেন যিনি…](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be/): বঙ্গবন্ধু পরিবারকে উদ্ধার করেছিলেন যিনি : রাইফেলের ঠান্ডা নলটা মেজর অশোক তারার বুক ছুঁলো।ট্রিগারে রাখা হাতটা কাঁপছে।পাকিস্তানী সেনাসদস্যটি নিতান্তই অল্পবয়সী, গোফ ওঠা তরুণ, প্রচণ্ড নার্ভাস হয়ে বারবার ঠোট চাটছিলো সে। একটু ওল্টাপাল্টা হলেই তারা জানেন ছেলেটি ট্রিগারে চাপ দেবে। মুহূর্তেই রাইফেলের গুলি তার বুক ভেদ করে বেরিয়ে যাবে।দু’দুটো যুদ্ধে ঋদ্ধ সে বুক।মনের আয়নায় ভেসে উঠলো নয়াদিল্লিতে অপেক্ষায় থাকা স্ত্রী আর চার মাস বয়সী শিশুর মুখ। নো ফলস ম্যুভ। নিরস্ত্র তারার এসব ভাবার সময় নেই আর। ধানমন্ডি ১৮ নম্বরের এই বাড়িতেই বন্দী হয়ে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার। বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, শেখ রাসেল এবং শেখ হাসিনার ছেলে জয়। শেখ কামাল এবং শেখ জামাল যুদ্ধে গেছেন এখান থেকেই পালিয়ে। আর বঙ্গবন্ধু তখনও বন্দী পাকিস্তানের লারকানা কারাগারে। - [যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে বিশ্বের বিস্ময় শেখ হাসিনার বাংলাদেশ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97-%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8b-%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87/): যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে বিশ্বের বিস্ময় শেখ হাসিনার বাংলাদেশ : দীর্ঘ ৯ মাসের স্বাধীনতা সংগ্রামে ৩০ লাখ প্রাণের বিনিময় নয় শুধু, সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। সম্পূর্ণ দেশ পরিণত হয়েছিল এক ধ্বংসস্তুপে। রাষ্ট্র হিসেবে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর মত কিছুই ছিল না বাংলাদেশের। এমনকি জাতির সূর্যসন্তানদ বুদ্ধিজীবী, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, সাংবাদিক, প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পর্যায়ে বিশ্বসেরা ব্যক্তিবর্গকে পর্যন্ত বেছে বেছে হত্যা করে পরাজিত পাকিস্থান পিছিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে হাজার বছর। - [বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক – রক্ত দিয়ে লেখা এক অনন্য মৈত্রীর গল্প । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a7%81/): ১৯৭১ সাল। বাংলাদেশে যখন মহান মুক্তিযুদ্ধ চলছিল, তখন পড়শি দেশ হিসেবে অকৃত্রিম সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় ভারত। বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের প্রতি ভারতের সরকার ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতার ইতিহাস অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গভীর। সে সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত অত্যাচারে প্রাণের তাগিদে প্রায় এক কোটি মানুষ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়। ভারত কেবল আশ্রয়ই দেয়নি, বরং তারা আমাদের স্বাধীনতার রক্তাস্নাত যুদ্ধের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে পড়ে। - [ধর্ষণ, গণহত্যা ও লুটপাটের পর অন্তর্দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয় পাকিস্তানি হানাদাররা । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0/): ডিসেম্বর এলেই যেমন বাঙালি জাতি বিজয়ের উল্লাসে মেতে ওঠে, তেমনি বর্বর পাকিস্তানি সেনারা ডুবে যায় পরাজয়ের গ্লানিতে। তবে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে আমাদের কাছে পরাজিত হওয়ার পরও তাদের বর্বরতা থেমে যায়নি। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর কাছে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পরও এই জান্তারা সভ্য হতে পারেনি। - [১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১, কেমন ছিল ঢাকা ? । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a7%a7%e0%a7%ac-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%af%e0%a7%ad%e0%a7%a7/): ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: নয় মাস মুক্তিযুদ্ধের পর যেদিন বিজয়ের সূর্য হেসেছিল বাংলার আকাশে, সেদিন কেমন ছিল ঢাকা? নয় মাস অবরুদ্ধ থাকা মানুষগুলোর মুক্তির আনন্দের প্রকাশইবা ছিল কেমন? ৫০ বছর পর তার চাক্ষুস সাক্ষী অনেকে হারিয়ে গেছেন পৃথিবী ছেড়ে, কিন্তু যারা এখনও বেঁচে আছেন, তাদের মনে এখনও জ্বলজ্বল করে সেই স্মৃতি। - [ডিসেম্বর: বিজয়ের মাস । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8/): ডিসেম্বর বাঙালির বিজয়ের মাস। এ মাস আমাদের বীর সন্তান-কন্যাদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করার মাস, গৌরবের মাস, স্বাধীনতার মাস। পশ্চিম পাকিস্তানের দানবীয় সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে নিছক ইচ্ছাশক্তি, সাহস ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত এই বিজয় আজও আমাদের জাতীয় গৌরবের প্রতীক। - [১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১: আমেরিকার সপ্তম নৌবহরের পিছু হটা । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%a8%e0%a7%8c%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%b0/): যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় ভরসা ছিল আমেরিকার ‘সপ্তম নৌবহর’। ৯ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এবং হেনরি কিসিঞ্জারের নির্দেশে পরমাণু শক্তিচালিত বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ USS Enterprise-এর নেতৃত্বে ‘টাস্ক ফোর্স ৭৪’ (সপ্তম নৌবহর) বঙ্গোপসাগরের দিকে রওনা দেয়। মুখে তারা বলেছিল—"সেখানে আটকে পড়া মার্কিন নাগরিকদের উদ্ধার করতে" এই ফ্ল্যাশকার্ড মিশন, কিন্তু আসল উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন। ওয়াশিংটন চেয়েছিল পাকিস্তানকে সরাসরি সামরিক ও মনস্তাত্ত্বিক ব্যাকআপ দিতে এবং ভারতের ওপর চরম চাপ তৈরি করতে। - [বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের শাহাদতবার্ষিকী, ১৪ ডিসেম্বর](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%bf/): আজ ১৪ ডিসেম্বর, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭১ সালের এই দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দার তীরে রেহাইচর নামক স্থানে হানাদার বাহিনীর গুলিতে সম্মুখযুদ্ধে তিনি শহীদ হন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীর শ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাদের একজন। - [১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a6-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b8/): ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এটি বাঙালি জাতির জীবনে এক গভীর বেদনার দিন। বিজয়ের প্রাক্কালে এই দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় মুক্তিযুদ্ধের চরম মূল্য এবং পাকিস্তানি বর্বরতার নৃশংসতম অধ্যায়। - [ব্যাটেল অব ইছামতি, ১৩ ডিসেম্বর । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%85%e0%a6%ac-%e0%a6%87%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%bf/): ব্যাটেল অব ইছামতি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে প্রমাণ করে, সঠিক কৌশল, মনোবল ও দৃঢ় নেতৃত্ব থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই একটি সুসংগঠিত প্রতিরক্ষা ভেঙে দেওয়া সম্ভব। - [ছোটবেলায় খেলার মাঠের নেতা ছিলেন, স্বাধীনতার পর কর্মক্ষম জাতি গড়তে চেয়েছেন](https://sufifaruq.com/%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be/): ছোটবেলায় খেলার মাঠের নেতা ছিলেন, স্বাধীনতার পর কর্মক্ষম জাতি গড়তে চেয়েছেন : ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ, গোপালগঞ্জের অজপাড়াগাঁ টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছোট বেলা থেকেই তিনি ছিলেন ক্রীড়াপ্রেমী। দেশ স্বাধীনের পর তাই ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে নিয়েছিলেন যুগোপোযুগী পরিকল্পনা। তার সময়োচিত সিদ্ধান্তগুলোই আজ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সাফল্যের শিখরে। ক্রীড়ার প্রতি ঝোঁক থেকেই, দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেই বঙ্গবন্ধু নজর দিয়েছেন ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে। ১৯৭২ সালে গঠন করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড, যা বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নামে পরিচিত। - [দেশ স্বাধীনের ৫০ বছরের মধ্যে ১৫ বছরই বিএনপি নৈরাজ্য চালিয়েছে](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87/): প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ৫০ বছরের মধ্যে প্রায় ১৫ বছরই বিএনপি নৈরাজ্য চালিয়েছে। শনিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন। - [ইন্দিরা গান্ধী বিশ্ববাসীকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত তথ্য জানাতে বিশ্ব সফর করেন । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%80-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%81/): ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আধুনিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, স্যাটেলাইট টিভি বা ডিজিটাল সংবাদ প্রচারের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ফলে বাংলাদেশের রণাঙ্গনে আসলে কী ঘটছে—তা বহির্বিশ্বে পৌঁছানো ছিল অত্যন্ত কঠিন। কেবলমাত্র অল্প কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের মাধ্যমে আংশিক তথ্য ইউরোপ, আমেরিকা ও আফ্রিকার মানুষের কাছে পৌঁছাত। এই সীমাবদ্ধতাকে কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ও তাদের মিত্ররা অপপ্রচার চালাতে থাকে। তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে “গৃহযুদ্ধ” বলে প্রচার করে এবং দাবি করে যে, “বাংলার মাটিতে কোনো গণহত্যা বা ধর্ষণ হয়নি, পাকিস্তানি সেনারা কেবল কিছু দুষ্কৃতকারীকে দমন করছে।” এভাবে পাকিস্তানি প্রোপাগান্ডার কারণে বিশ্বের বহু রাষ্ট্রই প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অজ্ঞাত রয়ে যায়। - [নীলফামারীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এবং যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%b6%e0%a7%87/): ভারত ভাগ-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এ নির্বাচনে বাঙালিরা ক্ষমতায় এলেও পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের ষড়যন্ত্রের কারণে সরকার বেশিদিন টিকতে পারেনি। অল্প সময়ের ব্যবধানে যুক্তফ্রন্ট সরকারের পতন ঘটে। এই নির্বাচনে জাতীয় নেতাদের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সারাদেশে নির্বাচনী প্রচারণা চালান, প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেন এবং বিভিন্ন অঞ্চল সফর করেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি নীলফামারীতেও আসেন। - [বাংলাদেশের সংবিধান: বাঙালির মুক্তি-সংগ্রাম ও বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার রূপরেখা । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8/): ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর, গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান যখন বিল আকারে পেশ করা হচ্ছে, তখন দাঁড়িয়ে ঠিক এই কথাগুলোই বলেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিনের সেই আবেগ আর প্রত্যয়ের পর, মাত্র কয়েকদিনের মাথায়—৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয় এবং এটি কার্যকর হয় সেই ঐতিহাসিক ১৬ ডিসেম্বর থেকে। - [মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ১০টি বিশেষ উদ্যোগ । সরকারে দরকার সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a7%a7%e0%a7%a6%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b7-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97/): ২০১৪ সালে পুনরায় সরকার গঠনের পর দেশের সব মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্তি, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়গুলোকে তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন। একই সঙ্গে ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, নারীদের ক্ষমতায়ন, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছানো, পরিবেশ সুরক্ষা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০টি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, যা বর্তমানে দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। - [১ ডিসেম্বর ১৯৭১, ইয়াহিয়াকে বাংলাদেশ থেকে সৈন্য অপসারণ করতে বলেন ইন্দিরা গান্ধী](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a7%88%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3/): ‘বাংলাদেশ’ রাষ্ট্রের পরিচয়ে মাথা তুলে দাঁড়াবার চূড়ান্ত বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। সেই অনন্য অর্জন অন্যদিকে এই ডিসেম্বর স্বজন হারানোর মাস। ৩০ লাখ প্রাণ ও অসংখ্য নারীর সম্ভ্রম হারানোর বেদনা মিশে আছে এই বিজয়ের ক্ষণে। - [সম্পত্তিতে মেয়েদের সমান অধিকার চাই — মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে | ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8/): মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, - [বাংলাদেশে সুফিবাদ [ Sufism of Bangladesh ]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-sufis-of-bangladesh/): বাংলাদেশের সুফি (Sufi's of Bangladesh) : এই লেখাটিতে আমার নিজের মতামত দেবার বদলে বিভিন্ন লেখকেরা বাংলাদেশের সুফিবাদ কে কিভাবে দেখেছেন তার উল্লেখ করবো। এই বিষয়ে আমার মতামত অন্য কোন একটি লেখায় যুক্ত করবো। - [পণ্যের বিজ্ঞাপনে আমাদের সমাজের কদাকার মুখ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/): বিজ্ঞাপনকে বলা হয় সমাজের অনুভূতির প্রথম আয়না। একবার তাকালেই বোঝা যায় সমাজের আসল অবস্থা! এই সমাজ কেন বেঁচে আছে, আর কেন মরছে — তার উত্তরও মেলে সেখানে। - [পরশ্রীকাতরতা থেকে আমাদের নিজের শ্রেণীকে ঘৃণা !](https://sufifaruq.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/): পরশ্রীকাতরতা থেকে আমাদের নিজের শ্রেণীকে ঘৃণা ! - [আজ ৩ নভেম্বর – জেল হত্যা দিবস [ Jail Killing Day ] । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a7%a9-%e0%a6%a8%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b8/): বাঙালি জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কিত দিনের একটি ৩ নভেম্বর, রক্তক্ষরা জেল হত্যা দিবস। - [শহীদুন নবী জুয়েল হত্যা দিবস আজ; মনে আছে ?](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/): তার বাড়ি ছিলো লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র মোহাম্মদ শহীদুন্নবী জুয়েল। - [শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর প্রয়াণ দিবসে জানাই শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা #Diary 31/10/2021](https://sufifaruq.com/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a3-%e0%a6%a6/): শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর প্রয়াণ দিবস আজ। - [আমার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান](https://sufifaruq.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%ac/): আমার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - এর সাথে জানাশোনা আর দশটা আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত মধ্যবিত্ত পরিবারের মতো করেই। বাড়িতে মুরুব্বীদের ছবির সাথে ছবি ছিল। জানতাম তিনি আব্বাদের নেতা, অনেক বড় নেতা। তাকে তার পরিবার সহ দেশের শত্রুরা মেরে ফেলেছে। ১৫ আগস্ট একটু গম্ভীর পরিবেশে একটা দিন উদযাপিত হতো জানতাম। একটা বয়স পর্যন্ত এটুকুই। - [৯০ ভাগ মুসলমানের দেশ নিয়ে আমাদের কিসের গর্ব ?? । ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a7%af%e0%a7%a6-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%97-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87/): ইসলামোসিটি গবেষণার যে ফলাফল বেরিয়েছে - সেটা দেখার পরে, আমরা নিজেদেরকে কি মুসলিম দাবী করতে পারি? দাবী করলেও কি তা নিয়ে গর্ব করতে পারি? - [প্রতিবন্ধী মোহাম্মদ মাসুম কিন্তু অদম্য !!! #Diary 1/11/2021](https://sufifaruq.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%80-%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%81/): প্রতিবন্ধী মোহাম্মদ মাসুম কিন্তু অদম্য !!! - [শাহ বানো মামলা ও পরবর্তী আইনি, সামাজিক ও রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%80-%e0%a6%98/): উপমহাদেশের সমাজ, ধর্ম ও রাজনীতি বুঝতে শাহ বানো মামলা সম্পর্কে জানাটা অত্যন্ত জরুরী।  মামলার ধারা, বিষয় বা আইনি গুরুত্ব বিচার করলে এটি ছিল সিআরপিসির ১২৫ ধারায় করা একটি সাধারণ খোরপোষ মামলা। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই মামলাটিই পরে ভারতের রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থার গতিপথ আমূল বদলে দেয়। - [আমাদের সরকারি সিস্টেম : এই “ঢিট” সিস্টেম নিয়ে আমরা কিভাবে আগাবো?](https://sufifaruq.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%8f%e0%a6%87/): গত ৩ বছর ধরে, একটি সরকারি সংস্থার প্রধান ব্যক্তিকে নিয়মিত অনুরোধ করছি, তারা যেন তাদের একটি নিজস্ব ফেসবুক পেজ তৈরি করে, অফিশিয়াল ঘোষণা করে, ভেরিফাই করিয়ে, সকল তথ্য সেটার মাধ্যমে নিয়মিত প্রকাশ করে। পেজ দেখভাল করার জন্য একজন সুনির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে যেন লিখিত ভাবে দায়িত্ব দেয়। কিন্তু কোন ভাবেই তাদের দিয়ে সেটা করাতে পারলাম না। অথচ তাদের নামে সামাজিক গণমাধ্যমে অসংখ্য পেজ ও গ্রুপ আছে। সেগুলো দিয়ে বিভিন্ন জন বিভিন্ন ইন্টারেস্টে কাজ করছে। যার মাধ্যমে মানুষ প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত এবং প্রতারিত হচ্ছে। সেই দপ্তরের সাথে বিভিন্ন ভাবে প্রায় ৪ কোটি মানুষ জড়িত। - [মুজিব – বঙ্গবন্ধু : টুঙ্গিপাড়ার ছোট্ট খোকা থেকে বিশ্ব মানবতার মহান নেতা । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be/): মুজিব - বঙ্গবন্ধু : টুঙ্গিপাড়ার ছোট্ট খোকা থেকে বিশ্ব মানবতার মহান নেতা : ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ। এই বাংলার মাটিতে জন্ম নিলো এক দেবশিশু। বাবা-মা আদর করে নাম দিলেন খোকা। টুঙ্গিপাড়ার ধুলো-মাটি মেখে বেড়ে ক্রমেই উঠলো সে। মধুমতি-বাইগার নদীর পানি ছুঁয়ে আসা বাতাসের পরতে পরতে সুজলা-সুফলা ঘ্রাণ, আর ভোরের কুসুমসূয্যের কিরণে ক্রমেই মহীরূহ হয়ে উঠলো ছোট্ট খোকা। তাল-তমাল-হিজলের সবুজ সমারোহে সেই হৃদয় প্রশস্ত হয়ে বেড়ে উঠতে থাকলো। - [সৌদি আরবে মেয়েদের মাহরাম ছাড়া হজ করার অনুমতি প্রসঙ্গে – আজকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আলোচনা | ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a6%be/): আজ সৌদি আরবে মেয়েদের মাহরাম ছাড়া হজ করার অনুমতি বিষয়ে খবরগুলো অনেকেই আমাকে ফরওয়ার্ড করেছেন মত চেয়েছেন। - [মুক্তিযুদ্ধে বরিশালের কাঠিরা গণহত্যা (৩০ মে ১৯৭১) । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/): বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের একটি ছোট্ট গ্রাম কাঠিরা। স্বাধীনতার পূর্বে পুরো আগৈলঝাড়ায় একটি সাধারণ হাটবাজার ছাড়া বিশেষ পরিচিতি ছিল না। কাঠিরা ছিল একেবারেই সাধারণ একটি গ্রাম, চারদিক থেকে বিল দিয়ে ঘেরা। তাই গ্রামটিকে বলা হতো প্রত্যন্ত বিলাঞ্চল। বর্ষাকালে নৌকা ছাড়া অন্য কোনো বাহনে চলাচল সম্ভব ছিল না। - [মুসলিম নামের সঙ্গে – ( রা. / হ. / হা / দা.বা. /মা.জি.আ. ) – ইত্যাদি শব্দ মানে কি? | ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87/): ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টে, ওয়াজের ব্যানারে কিংবা ইসলামি বইপত্র পড়ার সময় আমরা প্রায়ই একটা জিনিস খেয়াল করি। অনেকের নামের শেষে ব্র্যাকেটে ছোট করে লেখা থাকে— (রা.), (রহ.), (হা.), (দা.বা.) কিংবা (মা.জি.আ.)। ইদানীং তো নির্বাচনী বা সামাজিক পোস্টারেও নামের পাশে এগুলো জুড়ে দেওয়ার একটা ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। - [ইমাম আত্মহত্যা ও আমার চিন্তা | ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8/): এই রমজানে চাকরি হারিয়ে একজন ইমাম আত্মহত্যা করেছেন! - [বাসওদার মরিয়ম [ Maryam of Basoda – Bengali Translation ]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%93%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae/): তার পর আমি এখানে এসে পড়লাম। পনেরো বছর পার হয়ে গেলো। ’৬৫ সালে আব্বা-আম্মা হজ্ব করে এলেন। আম্মা হজ্ব করে এসে খুব খুশি। বললেন - মেজো, খোদার শুকুর, হজ্ব করার কপাল হলো। মদিনা শরীফে জেয়ারত করে এলাম, তোমার আন্না বুয়ার শেষ ইচ্ছাও পূর্ণ হলো। বুয়ার কপালে কী আছে জানি না, আমি তো নবীজীর রওজার দিকে মুখ ফিরিয়ে বলেই দিলাম - হে রসুলুল্লাহ, বাসওদার মরিয়ম মরে গেছে। মরার সময় বলছিলো- নবীজী হুজুর, আমি নিশ্চয়ই আসতাম; কিন্তু আমার মামদু এতো হারামি কে জানতো? আমার সব পয়সা খরচ করিয়ে দিলো। - [শুরু হলো ইসলামিয়া গুরুকুল | ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%95/): অনেকেই প্রায়শই একপেশে মন্তব্য করেন—আমি নাকি দুনিয়ার তাবৎ আধুনিক ও কারিগরি শিক্ষা নিয়ে এত মাথা ঘামাই, নানা রকম প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিই; কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য কিছুই করি না! এই অভিযোগের আড়ালে তাঁরা প্রচ্ছন্নভাবে প্রমাণ করতে চান যে, মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি হয়তো আমার কোনো আক্রোশ বা অনীহা রয়েছে। - [মুজাহিদদের গোপনীয়তার অধিকার: গণতন্ত্র বনাম হেফাজতি দর্শন | ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a7/): আল্লামা মামুনুল হকের এসব হরণ হয়েছে বলে যারা খুব চিন্তিত, দুঃখী, মরমে মরে যাচ্ছেন, তারা চলুন একটু সত্যের মুখোমুখি হই। আমি সচেতন ভাবে বলছি—আল্লামা মামুনুল হক নিজে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে নাক গলাতে আমাদের আমন্ত্রণ করেছেন। আমাদের মানে বাংলাদেশের সকল মুসলিমকে। এমনকি বিশ্বের সকল মুসলিমকেও। শুধু আমন্ত্রণ করেননি, বাধ্য করেছেন। - [বাংলাদেশের ভাড়াটে ধর্মজীবীদের আসল টার্গেট কি? | ইসলাম ও মুসলিম সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%9c/): মুসলিম নির্যাতন, হত্যা যদি তাদের বিন্দুমাত্র মাথাব্যথার কারণ হতো, তাহলে তো তাদের আরও অনেক ক্ষেত্রে, অনেক বেশি প্রতিবাদী হবার কথা ছিল। - [অটল বিহারী বাজপেয়ী বলেন “বঙ্গবন্ধু ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের চেয়েও বড় নেতা” । ইতিহাস ও রাজনীতি সিরিজ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%85%e0%a6%9f%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%80/): অটল বিহারী বাজপেয়ী, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন - ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতাদের চেয়েও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বড় নেতা । সশ্রদ্ধ চিত্তে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বাংলাদেশি সাংবাদিক মুসা সাদিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, 'ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে যারা প্রথম সারির নেতা ছিলেন এবং যাদের নেতৃত্বে ভারত স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, তাদের সবার চেয়ে শেখ মুজিব অনেক বড় নেতা ছিলেন। ভারতের নেতাজি সুভাষ বসু, যিনি বাংলাদেশের মতো মুক্তিযুদ্ধ করে ভারতের আজাদি ছিনিয়ে আনতে চেয়েছিলেন, একমাত্র তার সঙ্গে তোমাদের নেতার (বঙ্গবন্ধুর) তুলনা হতে পারে।' ## পাতাসমূহ - [গোপনীয়তার নীতি](https://sufifaruq.com/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a7%9f%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/): sufifaruq.com এর গোপনীয়তার নীতি - [লক্ষ্য](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%af/): সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর কেবল প্রথাগত কোনো পেশার গণ্ডিতে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তাঁর কাছে ক্যারিয়ার, শিক্ষকতা কিংবা রাজনীতি—এগুলো গন্তব্য নয়, বরং লক্ষ্য অর্জনের একেকটি শক্তিশালী মাধ্যম মাত্র। তাঁর সামগ্রিক কর্মকাণ্ড আবর্তিত হয় একটি সুদূরপ্রসারী ও মহৎ উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করে। - [যোগাযোগ](https://sufifaruq.com/%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97/): সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর সাথে যেকোনো দাপ্তরিক যোগাযোগ, সামাজিক উদ্যোগ, কিংবা মতামত আদান-প্রদানের জন্য নিচের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করতে পারেন। - [টিমে যোগদান ফরম](https://sufifaruq.com/joining-form/) - [টিমে যোগদান ফরম](https://sufifaruq.com/joining-form/) - [প্রশিক্ষণ আবেদন ফরম](https://sufifaruq.com/training-form/) - [প্রশিক্ষণ আবেদন ফরম](https://sufifaruq.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%b0%e0%a6%ae/) - [অভিযোগ ফরম](https://sufifaruq.com/complain-form/) - [অভিযোগ ফরম](https://sufifaruq.com/complain-form/) - [কী করতে চাই ও কীভাবে করতে চাই?](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%af/%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%93-%e0%a6%95%e0%a7%80%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9a/): আমি চাই একটি সচ্ছল, সুখী, বহুত্ববাদী, বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র। যে রাষ্ট্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে অনুপ্রাণিত, মহান স্বাধীনতার চেতনায় বলিয়ান। - [টিম](https://sufifaruq.com/team/) - [সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর [ পরিচিতি ]](https://sufifaruq.com/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%ab%e0%a6%bf-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%95-%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a6%b0/): সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর সম্পর্কে নানা জনের নানা রকম আগ্রহ রয়েছে। তার সক্রিয় রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে সময়ের পরিক্রমায় নানা অভিযোগ, সমালোচনা ও অপপ্রচারও সামনে এসেছে। এ প্রেক্ষাপটে তার জীবন, কর্মধারা ও সম্পৃক্ততার একটি সুসংগঠিত ও তথ্যভিত্তিক উপস্থাপন প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে।