Breaking News :

বিদ্রোহী কবি’র স্মৃতির প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা

‘গাহি সাম্যের গান—/ মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান্…’।
মানবতার জয়গানে তিনি ছিলেন উচ্চকণ্ঠ। ছিলেন নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর। অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলেন আপোষহীন। তার রচনায় ডাক দিয়ে গেছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের। তিনি তাঁর কবিতার পঙক্তিমালায় তুলে ধরেন নিপীড়িত মানুষের কথা। তাঁর ‘বিদ্রোহী’ কবিতা বাংলা ভাষা ছাড়িয়ে বিশ্বসাহিত্যের জন্য এক মাইল ফলক। ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে কুমিল্লা থেকে ফেরার পথে তিনি রচনা করেন তাঁর এই বৈপ্লবিক সাহিত্যকর্ম।
সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা, কুসংস্কারের বিরুদ্ধেও ছিলেন সোচ্চার। মুক্তবুদ্ধি ও চিন্তার পক্ষে কলম ধরেছেন সব সময়। তিনি দ্রোহে ও প্রেমে, কোমলে-কঠোরে বাংলা সাহিত্যকে দিয়েছেন নতুন মাত্রা। ছোটগল্প, উপন্যাস, গান, নাটক লিখলেও মূলত ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসাবেই সমাদৃত।
বাংলা গানের বুলবুল তিনি। গান রচনায় ছিল তাঁর অসাধারণ প্রতিভা। তিনি প্রায় তিন হাজার গান রচনা ও সুর করেছেন। তাঁর রচিত ‘চল্ চল্ চল্’ গানটি আমাদের রণসঙ্গীত।
কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ মে) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে। ১৯৭২ সালের ২৪ মে স্বাধীন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবিকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা।
আজ ১২ ভাদ্র, বিদ্রোহী কবি’র ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের এ দিনে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
বিদ্রোহী কবি’র স্মৃতির প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা।

Read Previous

এড়িয়ে চলি কপিরাইট লঙ্ঘন

Read Next

জয় হোক বাংলার ফুটবলের