Breaking News :

লালন সাঁইজির গানের তালিকা

অখন্ড মন্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচর
অজান খবর না জানিলে কীসের ফকিরি
অধরাকে ধরতে পারি কই গো তারে তার
অনাদির আদি শ্রীকৃষ্ণনিধি
অনুরাগ নইলে কি সাধন হয়
অনুরাগের ঘরে মারগা চাবি
অনেক ভাগ্যের ফলে সে চাঁদ কেউ দেখিতে পায়
অন্তরে যার সদাই সহজরূপ জাগে
অন্তিমকালের কালে ও কি হয় না জানি
অন্ধকারে রাগের পরে ছিল যখন সাঁই
অন্ধকারের আগে ছিল সাঁই রাগে
অপারের কাণ্ডার নবিজী আমার
অবোধ মন তোরে আর কী বলি
অবোধ মন রে তোর হলো না দিশে।
অমাবস্যার দিনে চন্দ্র যেয়ে থাকে কোন শহরে
অমৃত মেঘের বারি
অমৃত সে-বারি অনুরাগ নইলে কি যাবে ধরা
অসার ভেবে সার দিন গেল আমার
আইন সত্য মানুষবর্ত করো এই বেলা
আইনমাফিক নিরিখ্ দিতে ভাব কি
আকার কি নিরাকার সাঁই রব্বানা
আকারে ভজন সাকারে সাধন, তায়
আগে কপাট মার কামের ঘরে
আগে কে জানে গো এমন হবে
আগে গুরুরতি কর সাধনা
আগে জান না রে মন
আগে জানো নারে মন
আগে পাত্র যোগ্য না করে যে জন সাধন করে
আগে মন সাজো প্রকৃতি
আগে শরিয়ত জান বুদ্ধি শান্ত করে
আছে আল্লা আলে রসুলকলে
আছে কোন মানুষের বাস কোন দলে
আছে দিন দুনিয়ার অচিন মানুষ একজনা
আছে ভাবের তালা যেই ঘরে
আছে মায়ের ওতে জগৎপিতা ভেবে দেখ না
আছে যার মনের মানুষ মনে তোলা
আছে যার মনের মানুষ মনে সেকি জপে মালা
আছেন কোথায় স্বর্গপুরে
আছেরে ভাবের গোরা আসমানে
আজ আমার অন্তরে কী হলো ও গো সই
আজ আমার কৌপিন দে গো ভারতী গোঁসাই
আজ কি দেখতে আলি গো তোরা বলনা তাই
আজ ব্রজপুরে কোন পথে যাই
আজ রোগ বাড়ালি শুধু কুপথ্যি করে
আজগবি বৈরাগ্য লীলা দেখতে পাই
আজব আয়নামহল মণি গভীরে
আজব এক রসিক-নাগর ভাসছে রসে
আজব রঙ ফকিরি
আজো করছে সাঁই ব্রহ্মাণ্ডের অপার লীলে
আঠার মোকামে একটি রূপের বাতি
আত্মতত্ত্ব সাধন করে জ্ঞানীজন বসে রয়
আদি মক্কা এই মানব দেহে, দেখনারে মন ভরে
আপন আপন চিনেছে যে জন
আপন খবর না যদি হয়
আপন ঘরের খবর নে না
আপন মনে যার গরল মাখা থাকে
আপন মনের গুণে সকলি হয়
আপন মনের বাঘে যারে খায়
আপন সুরতে আদম গঠলেন দয়াময়
আপনার আপনি ফানা হলে
আপনার আপনি মন না জান ঠিকানা
আপনারে আপনি চিনিনে
আপ্ততত্ত্ব না জানিলে ভজন হবে না
আপ্ততত্ত্ব সাধন করে জ্ঞানীজন বসে রয়
আবহায়াতের নদী কোনখানে ।
আমায় চরণ-ছাড়া কর না হে দয়াল হরি
আমার একি কবার কথা
আমার ঘর খানায় কে বিরাজ করে।
আমার ঘরের চাবি পরেরই হাতে
আমার চরকা ভাঙ্গা টেকো আড়ানে
আমার দিন কি যাবে এই হালে
আমার দেখেশুনে জ্ঞান হলো না
আমার মতো প্রাণ কাঁদিলে
আমার মন-বিবাগী ঘোড়া বাগ ফিরাতে পারি নে দিবারাতে
আমার মনের বাসনা
আমার হয় না রে সে মনের মত মন
আমারে কি রাখবেন গুরু চরণদাসী
আমি অপার হয়ে বসে আছি
আমি ঐ চরণে দাসের যোগ্য নই।
আমি কার ছায়ায় দাঁড়াই বলো
আমি কি দোষ দিব কারে রে
আমি কি সন্ধানে যাই সেখানে
আমি কী তাই জানলে সাধন সিদ্ধ হয়
আমি কোথায় ছিলাম আবার কোথায় এলাম ভাবি তাই ।
আমি কোন সাধনে তারে পাই
আমি তো নইরে আমার
আমি বলি তোরে মন গুরুর চরণ কর রে ভজন
আমি যার ভাবে আজ মুড়িয়েছি মাথা
আয় কে যাবি ওপারে
আয় হারালি আমাবতী না মেনে
আয় দেখে যা নতুন ভাব এনেছে গোরা
আর আমার বলিস না রে ছিদাম ব্রজের কথা ।
আর আমারে মারিসনে মা
আর কি আসবে সেই কেলে সোনা এই গোকুলে
আর কি আসবে সেই গৌরচাঁদ এই নদীয়ায়
আর কি গৌর আসবেন ফিরে ।
আর কি পাশা খেলবরে
আর কি বসবো এমন সাধুর সাধবাজারে ।
আর কি হবে এমন জনম বসবো সাধুর মেলে
আর কেনরে মন ঘুর বাহিরে
আর তো কালার সে ভাব নাই কো সই
আলিফ লাম মিমেতে কোরান
আল্লা কে বোঝে তোমার অপার নীলে
আল্লা সে আল্লা বলে ডাকছে সদাই কার ফিকিরি
আল্লার বান্দা কিসে হয় বলো গো আমায়
আল্লাহ কে বোঝে তোমার অপার লীলে
আল্লাহ নাম সার করে যে জন বসে রয়
আল্লাহ বলো মন রে পাখী
আশা পূর্ন হলো না
আশাসিন্ধু তীরে বসে আছি সদাই
আশেক বিনে ভেদের কথা কে আর বোঝে
আশেকে উম্মত্ত যারা
আহাদে আহাম্মদ এসে
এ গোকুলে শ্যামের প্রেমে
এ জনম গেল রে অসার ভেবে
এ ধন যৌবন চিরদিনের নয়
এ বড় আজব কুদরতি
এ ভব তরঙ্গ দেখে আমার
এই গোকুলে শ্যামের প্রেমে কেবা না মজেছে সখি
এই দেশেতে এই সুখ হল
এই দেশেতে এই সুখ হল আবার কোথায় যাই না জানি
এই বেলা তোর ঘরের খবর জেনে নে রে মন
এই বেলা তোর মনের মানুষ চিনে সাধন কর
এই মানুষে সেই মানুষ আছে
এক অজান মানুষ ফিরছে দেশে
এক আসমানি চোর ভবের শহর লুটছে সদাই
এক ফুলে চার রঙ ধরেছে
এক ফুলের মর্ম জানতে হয়
একদিন পারের কথা ভাবলি নারে
একবার চাঁদবদনে বল রে সাঁই
একবার জগন্নাথে দেখ না রে যেয়ে
একাকারে হুহুংকার মেরে আপনি সাঁই রাব্বানা
একি অনন্ত লীলা তার দেখ এবার
একি আজগুবি এক ফুল
এখন আর ভাবলে কি হবে
এখন কেনে কাঁদছ রাধে নির্জনে
এখনো সাধ আছে তোমার আ’ল ঠেল বলে
এনে মহাজনের ধন বিনাশ করলি ক্ষ্যাপা
এবার কে তোর মালেক চিনলে না তারে
এমন দিন কি হবে রে আর
এমন মানব জনম আর কি হবে
এমন মানব সমাজ কবে গো সৃজন হবে
এমন সৌভাগ্য আমার কবে হবে
এলাহি আলমিন গো আল্লাহ বাদশাহ আলমপনা তুমি
এসো দয়াল আমায় পার কর ভবের ঘাটে
এসো হে অপারের কাণ্ডারি
ঐ কালার কথা কেন বলো আজ আমায়
ঐ গোরা কি শুধুই গোরা ওগো নাগরী
ও গো বিন্দে ললিতে
ও গো ব্রজ নীলে একি নীলে
ও গৌরের ভাব রাখিতে সামান্যে কি পারবি তোরা
ও তোর ঠিকের ঘরে ভুল পড়েছে মন
ও মন কর সাধনা মায়ায় ভুল না
ওগো তোমার নিগূঢ় লীলা সবাই জানে না
ওগো মানুষের তত্ত বল না
ওগো রাইসাগরে নামলো শ্যামরায়
ওমা যশোদে তায় আর বললে কী হবে
কই হল মোর মাছ ধরা।
করি কেমনে সহজ শুদ্ধ প্রেম সাধন
করি মানা কাম ছাড়েনা মদনে
কার ভাবে এ ভাব হারে জীবন কানাই
কারে সুধাই আজ সে কথা
কাল কাটালি কালের বশে
কি শোভা করেছেন সাঁই রঙমহলে
কি সন্ধানে যাই সেখানে
কি সাধনে পাই গো তারে, যার নাম অধর
কী আইন আনিলেন নবি সকলের শেষে।
কুলের বউ ছিলাম বাড়ি
কে তোমারে এ বেশ ভূষণ
কে তোর মালেক চিনলি না রে
কে বানাইলো এমন রঙমহল খানা
কে বোঝে মাওলার আলেকবাজি
কেন খুঁজিস মনের মানুষ বনে সদাই
কেন ডুবলি না মন গুরুর চরণে
কেন সময় বুঝে বাঁধাল বাঁধলে না
কোথায় আছেরে সেই দ্বীন দরদী সাঁই
কোথায় রইলে হে দয়াল কাণ্ডারি
কোন কলে নানাবিধ আওয়াজ উদয়
ক্ষম অপরাধ ওহে দীননাথ
ক্ষম ক্ষম অপরাধ
ক্ষ্যাপা না জেনে তোর আপন খবর যাবি কোথায়
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি
খালি ভাঁড় থাকবে রে পড়ে
খোদে খোদার প্রেমিক যে জনা
গরল ছাড়া মানুষ আছে কে রে
গুণে পড়ে সারলি দফা
গুরু বস্তু চিনে নে না
গুরু সুভাব দাও আমার মনে
গুরুর চরণ অমূল্য ধন
গুরুর দয়া যারে হয় সেই জানে
গেড়ে গাঙ্গেরে ক্ষ্যাপা
গোয়াল ভরা পুষনে ছেলে
গোষ্ঠে আর যাবোনা মাগো
ঘরে বাস করে সে ঘরের খবর নাই
ঘরের চাবি পরের হাতে
চরণ পাই যেন অন্তিমকালে
চলো যাই আনন্দের বাজারে
চল্ দেখি মন কোন দেশে যাবি
চাঁদ আছে চাঁদে ঘেরা
চাঁদ ধরা ফাঁদ জান না রে মন
চাঁদ-চকোরে রঙমহলে থেকে
চাঁদে চাঁদে চন্দ্রগ্রহন হয়
চাতক বাঁচে কেমনে
চিরদিন জল ছেঁচে মোর
চিরদিন দুঃখের অনলে প্রান জ্বলছে আমার
চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি
চেয়ে দেখনা রে মন দিব্যনজরে
ছার মানে মজে কৃষ্ণধনকে চেনো না
জগৎ আলো করেছে সই ও ফুলে প্রেমের কলি
জগৎ মুক্তিতে ভোলালেল সাঁই।
জগতের মূল কোথা হতে হয়
জমির জরিপ একদিনেতে সারা
জাত গেলো জাত গেলো বলে
জান গে সেই রাগের করণ
জানবো এই পাপী হতে
জানা উচিৎ বটে দুটি নূরের ভেদ-বিচার
জানা চাই অমাবস্যায় চাঁদ থাকে কোথায়
জানি মন প্রেমের প্রেমিক কাজে পেলে
জীব ম’লে যায় জীবান্তরে
জীব মলে জীব যায় কোনখানে
জ্যান্তে মরা প্রেম সাধন পারবি তোরা
ঠাহর নাই আমার মন-কাণ্ডারি
ডুবে দেখ দেখি নদীর জলে মীনরূপে সাই খেলে
ডুবে দেখ দেখি মন কীরূপ লীলাময়
ডুবে দেখ দেখি মন ভবকূপে
তরিকতে দাখিল হলে সকল জানা যায়
তা কি পারবি তোরা জ্যান্তে মরা সেই প্রেমসাধনে
তা কি মুখের কথায় হয়
তারে কি আর ভুলতে পারি আমার এই মনে
তারে চিনবে কেরে এই মানুষে
তিন দিনের তিন মর্ম জেনে
তিন পোড়াতে খাঁটি হলে না
তিল পরিমাণ জায়গাতে কী কুদরতিময়
তীরধারা বয় রে নদীর তীরধারা বয়
তুমি তো গুরু স্বরূপের অধীন
তুমি বা কার কে বা তোমার এই সংসারে
তোমরা আর আমায় কালার কথা বল না
তোমার ঠিকের ঘরে ভুল পড়েছে মন
তোমার মত দয়াল বন্ধু আর পাব না
তোর ছেলে যে গোপাল সে সামান্য নয় মা
তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে
দমের উপর আসন ছিল তার
দয়াল নিতাই কারো ফেলে যাবে না
দস্তখত নবুয়ত যাহার হবে
দাঁড়া কানাই একবার দেখি
দাঁড়া তোরে একবার দেখি ভাই
দিন থাকতে মুরশিদ রতন চিনে নে না
দিন দুনিয়ার অচিন মানুষ আছে একজনা।
দিনে দিনে হলো আমার দিন আখেরি।
দিনের দিন হল আমার দিন আখেরি
দিবানিশি থাক রে মন বাহুশারি।
দিব্যজ্ঞানে দেখ রে মনুরায়
দিল-দরিয়ার মাঝে দেখলাম আজব কারখানা
দীনের ভাব যেদিন উদয় হবে
দেখ না আপন দেল-মন ধুড়ে
দেখ না এবার আপনার ঘর ঠাউরিয়ে
দেখ না রে ভাবনগরে ভাবের ঘরে ভাবের কিস্তি
দেখ না রে মন পুনর্জনম কোথা হতে হয়
দেখ রে আমার রাসুল যার কাণ্ডারি এই ভবে
দেখ রে মন দিন-রজনী কোথা হতে হয়
দেখনা মন ঝাক মারি
দেখবি যদি সেই চাঁদেরে
দেখবি যদি সোনার মানুষ দেখে যারে মন পাগলা
দেখলাম এ সংসার ভোজবাজি প্রকার
দেখলাম কি কুদরতিময়
দেখলাম সেই অধরচাঁদের অন্ত নাই
দেখিলাম এ সংসার ভোজবাজি প্রকার
দেখে শুনে ঘোর গেল না
দেল-দরিয়ায় ডুবিলে কি সে ধড়ের খবর পায়।
দেল-দরিয়ায় ডুবে দেখ না
দেহের খবর বলি শোন রে মন
দ্বীনের ডঙ্কা বাজে এবার
ধন্য আশেকিজনা এ দীন দুনিয়ায়
ধন্য ধন্য বলি তারে
ধন্য ভাব গোপীর ভাব আ মরি মরি
ধন্য মায়ের নিমাই ছেলে
ধন্য রে রূপ সনাতন জগৎমাঝে
ধর গো ধর গৌরাঙ্গচাঁদেরে
ধর চোর হাওয়ার ঘরে ফাঁদ পেতে।
ধর রে অধর চাঁদেরে অধরে অধর দিয়ে
ধোঁড় আজাজিল সেজদা বাঁকি রেখেছে কোনখানে
ধ্যানে যারা পায় না মহামণি
নজর একদিক দিলে আর একদিক অন্ধকার হয়
নবি একি আইন করলেন জারি
নবি না চিনলে সে কি খোদার ভেদ পায়
নবির তরিকতে দাখিল হলে
না জেনে ঘরের খবর তাকাও আসমানে
না পড়িলে দায়েমি নামাজ সে কি রাজি হয়
না বুঝে মজো না পিরিতে
না হলে মন সরলা কি ধন মেলে কোথায় ঢুঁড়ে
নানারূপ শুনে শুনে প্রেমে শূন্য পলাম খাতায়
নাম পাড়ালাম রসিক ভেয়ে
নামটি আমার সহজ মানুষ সহজ দেশে বাস করি
নারীর এত মান ভাল নয় গো রাই কিশোরী
নিগূঢ় প্রেম কথাটি তাই আজ আমি
নিচে পদ্ম উদয় জগৎময়
নিচে পদ্ম চরকবাণে যুগল মিলন চাঁদ চকোরা
নীরে শুনি নিরঞ্জন হ’ল
নৈরাকারে দুইজন নূরি ভাসছে সদাই।
নৈরেকারে ভাসছে রে এক ফুল
পড় ইবনে আবদুল্লা
পড় গে নামাজ জেনে শুনে
পড় রে দায়েমি নামাজ এ দিন হল আখেরি
পড়ে ভূত আর হোস নে মনরায়।
পাখি কখন জানি উড়ে যায়
পাগল দেওয়ানের মন কী ধন দিয়ে পাই
পাপ পুন্যের কথা আমি কারে সুধাই
পাপধর্ম যদি পূর্বে লেখা যায়
পাপীর ভাগ্যে এমন দিন কি আর হবে রে
পাবি রে মন স্বরূপের দ্বারে
পাবে সামান্যে কি তার দেখা
পার করো দয়াল আমায় কেশে ধরে
পার করো হে দয়াল চাঁদ আমারে
পার নিহেতু সাধনা করিতে
পারে কে যাবি তোরা আয় না জুটে
পারে কে যাবি নবির নৌকাতে আয়
পূর্ণচন্দ্র উদয় কখন কর মন বিবেচনা
পেঁড়োর ভূত হয় যে জনা শোন রে মনা
প্যারী ক্ষম অপরাধ আমার
প্রাণ গৌররূপ দেখতে যামিনী
প্রেম করা কি কথার কথা
প্রেম কি সামান্যেতে রাখা যায়
প্রেম জানে না প্রেমের হাটের বুলবুলা
প্রেম পাথারে যে সাঁতারে
প্রেম প্রেম বলে করো কোর্ট কাচারি
প্রেম-ইন্দ্রবারি অনুরাগ নইলে কি যায় ধরা
প্রেম-নহরে ভেসেছে যারা
প্রেম-পিরীতের উপাসনা
প্রেমবাজারে কে যাবি তোরা আয় গো আয়
প্রেমের সন্ধি আছে তিন
ফকির হলি রে নিমাই কীসের দুঃখে
ফকিরি করবি ক্ষ্যাপা কোন্‍ রাগে
ফের প’লো তোর ফকিরিতে
ফেরেব ছেড়ে করো ফকিরি
বনে এসে হারালাম কানাই
বল রে স্বরূপ কোথায় আমার সাধের প্যারি
বলরে নিমাই বল আমারে।
বলি মা তোর চরন ধরে
বসত বাড়ির ঝগড়া কেজে
বাড়ির কাছে আরশীনগর
বিদেশীর সঙ্গে কেউ প্রেম করো না
বিনা কার্যে ধন উপার্জন কে করিতে পারে
বিনা পাগালে গড়িয়ে কাঁচি করছো নাচানাচি
বিনা মেঘে বর্ষে বারি
বিষম রাগের করণ করা
বিষয় বিষে চঞ্চলা মন দিবা রজনী
বিষামৃত আছে রে মাখাজোখা
বেদে কি তার মর্ম জানে
বোঝালে বোঝে না মনরায়
ব্রজলীলে একি লীলে
ব্রজের সেই প্রেমের মর্ম সবাই কি জানে
ভক্তের দ্বারে বাঁধা আছেন সাঁই।
ভজ মুরশিদের কদম এই বেলা
ভজ রে আনন্দের গৌরাঙ্গ
ভজ রে জেনে শুনে
ভজনের নিগূঢ় কথা যাতে আছে
ভজরে আনন্দের গৌরাঙ্গ
ভজরে জেনে শুনে
ভজা উচিৎ বটে ছড়ার হাঁড়ি
ভবপারে যাবি কিরে গুরুর চরণ স্মরণ কর আগে
ভবে কে তাহারে চিনতে পারে
ভবে নামাজি হও যে জনা
ভবে মানুষ গুরু নিষ্ঠা যার
ভবে মানুষ-গুরু নিষ্ঠা যার
ভবের গোলা আসমানে
ভাবের উদয় যেদিন হবে
ভাল জল-ছেঁচা কল পেয়েছ মনা
ভুলো না মন কারো ভোলে
মওলা বলে ডাক রসনা
মধুর দেল দরিয়ায় ডুবে করো ফকিরি
মন চোরারে কোথা পাই
মন তুই করলি একি ইতরপনা
মন তোর আপন বলতে আর কে আছে
মন রে আত্মতত্ত্ব না জানিলে
মন সহজে কি সই হবা
মনের কথা বলবো কারে
মনের নেংটি এঁটে করো রে ফকিরী।
মনের হলো মতিমন্দ।
মনেরে বুঝাবো কত
মহা ভাবের মানুষ হয় যে জনা
মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি
মানুষ মানুষ সবাই বলে
মানুষতত্ত্ব যার সত্য হয় মনে
মায়েরে ভজিলে হয় তার বাপের ঠিকানা
মিলন হবে কতো দিনে
মুখে পড় রে সদা লা-ইলাহা ইল্লাল্লা
মুখে পড় রে সদাই
মুখের কথায় কি চাঁদ ধরা যায় রসিক না হলে
মুরশিদ বিনে কী ধন আর আছে রে মন এ জগতে
মুরশিদের ঠাঁই নে না রে তার ভেদ বুঝে
মুর্শিদ জানায় যারে
মুর্শিদের ঠাঁই নে নারে তার ভেদ বুঝে
মূল হারালাম লাভ করতে এসে
মেরে সাইর আজব কুদরতি তা কে বুঝতে পারে
মোকামে একটি রূপের বাতি জ্বলছে সদায়
মোরা গৌর স্বয়ংকার শিক্ষায় বলি
যাও হে শ্যাম রাইকুঞ্জে আর এসো না
যার ভাবে আজ মুড়েছি মাথা
যেখানে সাঁইর বারামখানা
যেতে সাধ হয়রে কাশী
রসিক নাম ধরিয়ে মনা
রাখিলেন সাঁই কূপজল করে
রাত পোহালে পাখি বলে
লয়ে গোধন গোষ্ঠের কানন
শুদ্ধ প্রেম সাধলো যারা
সকলই কপালে করে
সত্য বল সুপথে চল
সদা মন থাকো বাহুঁশ
সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে?
সবে কি হবে ভবে ধর্মপরায়ণ
সময় গেলে সাধন হবে না
সহজ মানুষ
সহজ মানুষ ভজে দেখনা রে মন দিব্যজ্ঞানে
সাঁই আমার কখন খেলে কোন খেলা
সাধ মেটেনা লাঙ্গল চষে
সাধ্য কিরে আমার সেরূপ চিনিতে।
সে কি আমার কবার কথা
সেই কালাচাঁদ নদেয় এসেছে
সোনার মান গেল রে ভাই
সোনার মানুষ ভাসছে রসে
স্বরূপে রূপ আছে গিলটি করা
হতে চাও হুজুরের দাসী
হরি বলে হরি কাঁদে কেনে

Read Next

বেশ তো তাই হোক- পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়