কবি আল মাহমুদ জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে যখন আদর্শ বদলে নতুন পরিচয় নিয়েছেন, তখন নতুন পরিচয় পাকা করতে আগের আদর্শ-কর্মকে অস্বীকার করেছেন।
বিপ্লবী, আওয়ামী লীগ, জাসদ, আওয়ামী লীগ, জিয়া – পর্যন্ত আসতে আসতে বহুবার তিনি সেই কবি আল মাহমুদ কে হত্যা করে, নতুন আল মাহমুদের জন্ম দিয়েছেন। প্রতিবারই আত্মহত্যা করে পুনর্জন্ম নিয়েছেন তিনি স্বেচ্ছায়। প্রতিবার কবিত্ব হত্যা করেছেন সবচেয়ে বেশি, সে জায়গা পুরণ করেছেন সুবিধাবাদ দিয়ে, অসহায়ত্বের অজুহাতে। এরশাদ জন্ম পর্যন্ত আসতে আসতে তিনি আর কবিও ছিলেন না।
শারীরিক ভাবে মারা যাবার আগে তিনি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর বুদ্ধিজীবী। এটাই তার শেষ পরিচয়। নিজের বেছে নেয়া পরিচয়।
যে আল মাহমুদ নিয়ে আপনি কাতর, তার হত্যাকারী আল মাহমুদ স্বয়ং।
তাই কাঁদবেন কার জন্য?
মার্ডার্ড আল মাহমুদের জন্য, নাকি মার্ডারার আল মাহমুদের জন্য?