খেয়ালে ইন্দোর ঘরানা । অসুরের সুরলোকযাত্রা সিরিজ

ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ঘরানাগুলোর মধ্যে ইন্দোর ঘরানা তার বিশেষ স্বকীয়তা এবং ধীরস্থির গায়নরীর জন্য পরিচিত। যেখানে অনেক ঘরানা গতির চপলতা এবং অলঙ্করণের আতিশয্যকে প্রাধান্য দেয়, সেখানে ইন্দোর ঘরানা গুরুত্ব দেয় সুরের অন্তিম স্তব্ধতা এবং ধ্যানের ওপর। এই ঘরানাটি মূলত ওস্তাদ আমির খাঁ সাহেবের কণ্ঠের জাদুতে সারা বিশ্বে সমাদৃত হয়। এর মূল সুরটি হলো ‘আত্মিক প্রশান্তি’। খেয়াল গায়নে ইন্দোর ঘরানা কেবল সুরের খেলা নয়, বরং এটি সুরের মাধ্যমে পরমাত্মার সাথে মিলনের এক দার্শনিক প্রচেষ্টা। এর আলাপচারিতা, বিশেষ তানের বুনন এবং বন্দিশের গাম্ভীর্য একে অন্যান্য প্রথাগত ঘরানা (যেমন পাতিয়ালা বা গোয়ালিয়র) থেকে সম্পূর্ণ পৃথক এক উচ্চতায় আসীন করেছে।

ওস্তাদ আমির খান, ইন্দোর ঘরানা
ওস্তাদ আমির খান, ইন্দোর ঘরানা

খেয়ালে ইন্দোর ঘরানা

উৎপত্তি ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

ইন্দোর ঘরানার ইতিহাস অন্যান্য অনেক প্রাচীন ঘরানার মতো শত বছরের পুরনো না হলেও এর শিকড় অত্যন্ত গভীর। এই ঘরানার প্রকৃত স্থপতি হলেন ওস্তাদ আমির খাঁ (১৯১২-১৯৭৪)। যদিও এর নাম ‘ইন্দোর’, কারণ ওস্তাদ আমির খাঁ ইন্দোর রাজ্যের দরবারের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং সেখানেই তাঁর সংগীতের প্রাথমিক বিকাশ ঘটেছিল। ওস্তাদ আমির খাঁ সাহেবের পিতা শাহমীর খাঁ সাহেব ছিলেন ইন্দোর দরবারের একজন বিখ্যাত সারেঙ্গি ও বীণা বাদক। ফলে আমির খাঁ সাহেব ছোটবেলা থেকেই সারেঙ্গির সেই সুক্ষ্ম কাজ এবং বীণার গাম্ভীর্য শ্রবণ করে বড় হয়েছেন।

ঐতিহাসিকভাবে দেখতে গেলে, আমির খাঁ সাহেব কোনো একটি নির্দিষ্ট ঘরানায় আবদ্ধ থাকেননি। তিনি মূলত তিনটি ভিন্ন ভিন্ন শৈলীর নির্যাস গ্রহণ করেছিলেন। তিনি ওস্তাদ আমান আলী খাঁ সাহেবের (ভিন্ডি বাজার ঘরানা) কাছ থেকে ‘মেরুখণ্ড’ পদ্ধতির জটিল স্বরবিন্যাস শিখেছিলেন, ওস্তাদ ওয়াহিদ খাঁ সাহেবের (কিরানা ঘরানা) কাছ থেকে বিলম্বিত আলাপের মন্থরতা গ্রহণ করেছিলেন এবং ওস্তাদ রজ্জব আলী খাঁ সাহেবের কাছ থেকে তানের ক্ষিপ্রতা ও তেজস্বিতা আত্মস্থ করেছিলেন। এই তিনের সমন্বয়ে তিনি যে নতুন শৈলীটি তৈরি করেন, সেটিই ‘ইন্দোর ঘরানা’ নামে পরিচিতি লাভ করে। ইন্দোর ঘরানা মূলত খেয়ালের সেই আভিজাত্য ফিরিয়ে এনেছিল যা একসময় ধ্রুপদের একচেটিয়া অধিকার ছিল।

ওস্তাদ আমির খান ও পণ্ডিত অমরনাথ
ওস্তাদ আমির খান ও পণ্ডিত অমরনাথ

খেয়াল গায়নে ইন্দোর ঘরানার ভূমিকা

হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতে খেয়াল গায়নরীতি যখন গতির চপলতা এবং দ্রুত তানের জাদুকরী প্রদর্শনীতে মগ্ন ছিল, তখন ওস্তাদ আমির খাঁ সাহেবের ইন্দোর ঘরানা সেখানে এক গভীর প্রশান্তি ও গাম্ভীর্য ফিরিয়ে আনে। এই ঘরানার সবচেয়ে বড় অবদান হলো ‘অতি বিলম্বিত’ লয়ের প্রবর্তন। খেয়াল গায়নে ইন্দোর ঘরানা প্রমাণ করেছে যে, কেবল তানের গতি নয়, বরং স্বরের মধ্যকার নীরবতা এবং ধীরস্থির আলাপচারিতাই রাগের প্রকৃত রূপ উন্মোচন করতে পারে। আমির খাঁ সাহেবের প্রভাবে খেয়াল গায়নে আধ্যাত্মিকতা ও দর্শনের এক নতুন মাত্রা যুক্ত হয়, যা শ্রোতাকে কেবল মুগ্ধ করে না, বরং অন্তর্মুখী করে তোলে।

ওস্তাদ আমির খান, ইন্দোর ঘরানা
ওস্তাদ আমির খান, ইন্দোর ঘরানা

গায়নশৈলীর প্রধান বৈশিষ্ট্য (কারিগরি বিশ্লেষণ)

ইন্দোর ঘরানার গায়নশৈলী অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং এটি মূলত একটি নির্দিষ্ট জ্যামিতিক নকশায় অগ্রসর হয়। এই ঘরানার প্রতিটি অঙ্গের টেকনিক্যাল ডিটেইলস নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. অতি বিলম্বিত আলাপ (ঝুমরা তালের প্রয়োগ)

এই ঘরানার গায়কী শুরু হয় অত্যন্ত মন্থর বা ‘অতি বিলম্বিত’ লয়ে। ইন্দোর ঘরানার আলাপে ঝুমরা তাল (১৪ মাত্রা) ব্যবহারের এক বিশেষ আভিজাত্য রয়েছে। আলাপের সময় এরা কোনো প্রথাগত শব্দ বা বাণী ব্যবহার না করে কেবল ‘আকার’ (Akar) অথবা কোমল স্বরের দীর্ঘ টানে রাগের বিস্তার ঘটায়। এই আলাপে কিরানা ঘরানার মতো স্বরের রঞ্জকতা থাকলেও, তার চলন হয় অনেক বেশি গম্ভীর এবং অনেকটা ধ্রুপদ অঙ্গের আলাপের মতো। প্রতিটি স্বরকে একটি বিন্দুর মতো স্থাপন করে তার চারপাশে সুরের বলয় তৈরি করা এই ঘরানার আলাপের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

২. মেরুখণ্ড (Merukhand) পদ্ধতির প্রয়োগ

ইন্দোর ঘরানার সবচেয়ে জটিল ও কারিগরি দিক হলো ‘মেরুখণ্ড’ পদ্ধতির ব্যবহার। এটি মূলত ভিন্ডি বাজার ঘরানা থেকে অনুপ্রাণিত। এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট ৩টি, ৪টি বা ৫টি স্বরকে গাণিতিক বিন্যাস ও সমাবেশের (Permutation and Combination) মাধ্যমে শত শত ভিন্ন ভিন্ন ক্রমে সাজানো হয়। যেমন: স রে গ, স গ রে, রে স গ, রে গ স, গ স রে, গ রে স—এভাবে স্বরের সকল সম্ভাব্য বিন্যাসকে আলাপের মধ্যে গেয়ে দেখানো হয়। এর ফলে রাগের বিস্তার হয় অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত এবং অভাবনীয়। একজন সাধারণ শ্রোতাও বুঝতে পারেন যে সুরের এই জাল অত্যন্ত নিপুণভাবে বোনা হচ্ছে।

৩. তানের বিশেষত্ব (ছুট ও বক্র তান)

ইন্দোর ঘরানার তান অন্য যেকোনো ঘরানা থেকে একদম আলাদা। এই ঘরানার তানের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ‘ছুট’ (Chhoot) এবং ‘বক্র তান’। এরা পাতিয়ালা বা রামপুর ঘরানার মতো সোজা ‘সপা ত তান’ খুব একটা ব্যবহার করে না। এদের তানগুলো হয় অনেকটা সাপের চলার মতো আঁকাবাঁকা এবং হঠাৎ এক সপ্তক থেকে অন্য সপ্তকে লাফিয়ে পড়ে (যাকে ‘ছুট’ বলা হয়)। তানের গতি অত্যন্ত তীব্র হওয়া সত্ত্বেও তার মধ্যে এক ধরণের ওজস্বিতা এবং গাম্ভীব্য থাকে। ওস্তাদ আমির খাঁ সাহেবের তানের দানাগুলো ছিল পাথরের মতো শক্ত এবং স্পষ্ট, যা ঝোড়ো হাওয়ার মতো শ্রোতার কানে আছড়ে পড়ত।

৪. বন্দিশ ও তার গাম্ভীর্য

ইন্দোর ঘরানার বন্দিশগুলো সাধারণত খুব ছোট এবং অর্থপূর্ণ হয়। এরা মূলত বন্দিশকে কেবল রাগের কাঠামো হিসেবে ব্যবহার করে, বাকিটা আলাপের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলে। এদের অনেক বন্দিশে ফারসি শব্দ বা সুফিবাদী দর্শনের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। বন্দিশ গাইবার সময় এরা তালের প্রথম মাত্রায় (সম) আসার জন্য কোনো বাহাদুরি দেখায় না, বরং খুব সহজ ও স্বাভাবিকভাবে সমে ফিরে আসে। এদের বিলম্বিত খেয়ালের বন্দিশগুলো মূলত ‘ঝুমরা’ তালের গভীরতাকে ধারণ করে।

ওস্তাদ আমির খান ও পণ্ডিত অমরনাথ
ওস্তাদ আমির খান ও পণ্ডিত অমরনাথ

শিক্ষণপদ্ধতি: বুদ্ধিদীপ্ত ও গাণিতিক সাধনা

ইন্দোর ঘরানার শিক্ষণপদ্ধতি বা ‘তালিম’ অন্য যেকোনো ঘরানা থেকে কিছুটা ভিন্ন এবং অত্যন্ত মেধানির্ভর। এই ঘরানায় কণ্ঠের কারুকাজের চেয়েও ‘মস্তিষ্কের কাজ’ বা রাগের গাণিতিক বিস্তারকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিচে এর প্রধান কারিগরি দিকগুলো তুলে ধরা হলো:

১. মেরুখণ্ড (Merukhand) সাধনা: ইন্দোর ঘরানার তালিমের মেরুদণ্ড হলো মেরুখণ্ড পদ্ধতি। এটি মূলত ভিন্ডি বাজার ঘরানার ওস্তাদ আমান আলী খাঁ সাহেবের থেকে প্রাপ্ত। একজন শিক্ষার্থীকে ৩টি বা ৪টি স্বরের সকল সম্ভাব্য বিন্যাস (যেমন: $S$ $R$ $G$, $S$ $G$ $R$, $R$ $S$ $G$, $R$ $G$ $S$, $G$ $S$ $R$, $G$ $R$ $S$) কণ্ঠস্থ করতে হয়। এর ফলে গায়কীর মধ্যে এক ধরণের ‘অপ্রত্যাশিত’ সৌন্দর্য তৈরি হয়, যা প্রথাগত সোজা চলন থেকে আলাদা।

২. আকার ও শ্বাস নিয়ন্ত্রণ: ওস্তাদ আমির খাঁ সাহেব মনে করতেন, গায়কীতে ‘আকার’ (Akar) বা শুদ্ধ স্বরপ্রক্ষেপণই শেষ কথা। ইন্দোর ঘরানায় শ্বাস নেওয়ার প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক। অতি বিলম্বিত লয়ে গাইবার সময় দীর্ঘক্ষণ এক একটি স্বরের ওপর স্থির থাকতে হয়, যা ফুসফুসের প্রবল ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ দাবি করে।

৩. নিস্তব্ধতার ব্যবহার: এই ঘরানায় কেবল গাওয়াই শিক্ষা দেওয়া হয় না, বরং গাওয়ার মাঝে কোথায় ‘থামতে’ হবে বা নিস্তব্ধতা (Pause) দিয়ে সুরের গভীরতা বাড়াতে হবে, তা শেখানো হয়। একে বলা হয় ‘খালি’ বা গ্যাপের নান্দনিক ব্যবহার।

তালের বিশেষত্ব ও প্রয়োগ

ইন্দোর ঘরানায় তালের ব্যবহার অত্যন্ত রাজকীয় এবং ধীরস্থির। এর কিছু টেকনিক্যাল পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:

  • ঝুমরা তাল: ইন্দোর ঘরানার বিলম্বিত খেয়াল মানেই ‘ঝুমরা’ তালের একচ্ছত্র আধিপত্য। ১৪ মাত্রার এই তালের অতি ধীর লয় (প্রায় ২-৩ মিনিট ব্যাপী এক একটি আবর্তন) এই ঘরানার সিগনেচার স্টাইল।
  • সমে ফেরার কৌশল: অন্য অনেক ঘরানায় তালের প্রথম মাত্রা বা ‘সম’ (Sam)-এ আসার সময় তানের এক ধরণের বাহাদুরি বা মারপ্যাঁচ থাকে। কিন্তু ইন্দোর ঘরানায় সমে আসা হয় অত্যন্ত সহজ, স্বাভাবিক এবং শান্তভাবে। যেন সুরের নদীটি বয়ে গিয়ে সাগরে মিশে গেল।
  • তবলা সঙ্গত: এই ঘরানায় তবলার সঙ্গত হয় অত্যন্ত সাধারণ। তবলিয়া কেবল ঠেকা (Theka) বজায় রাখেন, কোনো চপল লয়কারি বা অপ্রয়োজনীয় বোলের ব্যবহার গায়কের ধ্যানে ব্যাঘাত ঘটায় না।

 

পণ্ডিত অমরনাথ
পণ্ডিত অমরনাথ

 

ইন্দোর ঘরানার অতিতে ও বর্তমানে বিখ্যাত শিল্পীরা

ওস্তাদ আমির খাঁ সাহেব এই ঘরানার প্রবর্তক হলেও তাঁর পরবর্তী প্রজন্ম এবং অনুসারীরা এই ধারাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছেন:

  • ওস্তাদ আমির খাঁ (প্রতিষ্ঠাতা): আধুনিক খেয়াল গায়নের ঈশ্বর হিসেবে পরিচিত। তাঁর ‘মরু বেহাগ’, ‘মেঘ’ বা ‘দরবারী’র রেকর্ডিংগুলো এই ঘরানার বাইবেল স্বরূপ।
  • পণ্ডিত অমরনাথ: ওস্তাদ আমির খাঁ সাহেবের প্রধান ও জ্যেষ্ঠ শিষ্য। তিনি ইন্দোর ঘরানার দর্শন ও গায়কীকে লেখনী ও শিক্ষার মাধ্যমে বাঁচিয়ে রেখেছেন।
  • পণ্ডিত মুকুন্দ লাঠ: আমির খাঁ সাহেবের শিষ্য এবং একজন প্রখ্যাত সংগীত তাত্ত্বিক।
  • পণ্ডিত শান্তনু ভট্টাচার্য: বর্তমান সময়ের একজন অত্যন্ত গুণী শিল্পী, যিনি ইন্দোর ঘরানার সেই গম্ভীর ও আধ্যাত্মিক মেজাজটি সযত্নে বহন করছেন।
  • অন্যান্য অনুসারী: অনেক শিল্পী সরাসরি শিষ্য না হয়েও ইন্দোর ঘরানার শৈলী গ্রহণ করেছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—সিং ভ্রাতৃদ্বয় (Singh Brothers), পণ্ডিত বলদেব রাজ ভার্মা প্রমুখ। এমনকি গোয়ালিয়র বা কিরাণা ঘরানার অনেক শিল্পীও বর্তমান সময়ে আমির খাঁ সাহেবের ‘অতি বিলম্বিত’ গায়কী দ্বারা প্রভাবিত।

ইন্দোর ঘরানা ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ইতিহাসে এক শান্ত ও গভীর বিপ্লব। এটি প্রমাণ করেছে যে, উচ্চাঙ্গ সংগীত কেবল গলার কসরত নয়, বরং এটি একটি গভীর বৌদ্ধিক ও আধ্যাত্মিক সাধনা। ওস্তাদ আমির খাঁ সাহেব খেয়াল গানকে দরবার থেকে বের করে এনে আত্মার আঙিনায় প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। সুরের বিন্যাসে ‘মেরুখণ্ড’ পদ্ধতি এবং লয়ের ক্ষেত্রে ‘অতি বিলম্বিত’ ঝুমরা তালের ব্যবহার এই ঘরানাকে সংগীত জগতের এক অনন্য উচ্চতায় আসীন করেছে। আজ যখন চারদিকে দ্রুত গতির গানের জোয়ার, তখন ইন্দোর ঘরানা আমাদের শেখায় থামতে, শুনতে এবং সুরের ভেতরের ঈশ্বরকে খুঁজতে।

ওস্তাদ আমির খান, ইন্দোর ঘরানা
ওস্তাদ আমির খান, ইন্দোর ঘরানা

সোর্স ও তথ্যসূত্র (প্রমাণ্য রেফারেন্স)

১. “Amir Khan: Life and Music” – পণ্ডিত অমরনাথ।

২. “Gharanas of Hindustani Music” – বি. এন. গোস্বামী।

৩. “The Music of India” – এইচ. এ. পপলি।

৪. “সংগীত তত্ত্ব ও ইতিহাস” – বিমলাকান্ত রায়চৌধুরী।

৫. Sangeet Natak Akademi Archives এবং ওস্তাদ আমির খাঁ সাহেবের ঐতিহাসিক সাক্ষাৎকারসমূহ।