জননেতা আব্দুর রাজ্জাকের মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

আজ বাংলাদেশের গৌরবময় স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী, প্রখ্যাত ছাত্রনেতা ও সাবেক সফল মন্ত্রী জননেতা আব্দুর রাজ্জাকের মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৪২ সালের ১ আগস্ট জন্মগ্রহণ করা এই মহান নেতা ২০১১ সালের ২৩ ডিসেম্বর আমাদের ছেড়ে চলে যান। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরু ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকে। ষাটের দশকের প্রতিটি আন্দোলনে—৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সম্মুখসারির সংগঠক হিসেবে অনন্য ভূমিকা পালন করেন।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (১৯৬৬-৬৮) এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (১৯৭৯ ও ১৯৮১) হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৭৩, ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও তিনি বিজয়ী হন। আমৃত্যু তিনি শরীয়তপুর-৩ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য ছিলেন।

জননেতা আব্দুর রাজ্জাক কেবল কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেই নয়, তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে দাঁড়াতেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ একজন কর্মী হিসেবে আমার বাবা এবং তাঁর তিন ঘনিষ্ঠ সহকর্মীর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর তিনি চুপ করে বসে থাকেননি। তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছিলেন। আমাদের পরিবার আজীবন তাঁর এই ঋণ ও ভালোবাসা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

মহান এই জাতীয় নেতার মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও বিনম্র ভালোবাসা। দেশ ও মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান চিরকাল ভাস্বর হয়ে থাকবে।

Leave a Comment