বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করার লক্ষ্যে সরকার একটি শক্তিশালী প্রশিক্ষণ নেটওয়ার্ক ও কাঠামো গড়ে তুলেছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব (4IR)-এর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এর ভিশন বাস্তবায়নের জন্য এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো সক্ষমতা বৃদ্ধি (Capacity Building), কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (TVET) এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের দক্ষতা উন্নয়ন।
নিচে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সাথে যুক্ত প্রধান সরকারি সংস্থাগুলোর বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:
১. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের আনুষ্ঠানিক কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা তত্ত্বাবধান করে এবং পাঠ্যক্রমকে শিল্পের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখার কাজ করে।
ক. কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর (DTE) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কারিগরি শিক্ষার প্রধান প্রশাসনিক সংস্থা হিসেবে কাজ করে। এটি সারা দেশে সরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানসমূহ: এটি ৪৯টি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ৬৪টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (TSC) এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ গ্লাস অ্যান্ড সিরামিকস ও গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটের মতো বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করে।
কোর্স: ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং এবং এসএসসি/এইচএসসি (ভোকেশনাল) কোর্স।
বিষয়: সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, কম্পিউটার এবং অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তি।
খ. বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর যেখানে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে, সেখানে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মূলত নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করে। এর দায়িত্ব হলো:
অধিভুক্তি (Affiliation): সরকারি ও বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদন প্রদান।
পাঠ্যক্রম উন্নয়ন: আন্তর্জাতিক মানের সাথে সঙ্গতি রেখে সিলেবাস তৈরি ও হালনাগাদ করা।
মূল্যায়ন: পরীক্ষা গ্রহণ এবং সকল ভোকেশনাল ও কারিগরি কোর্সের সনদ প্রদান।
২. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারের জন্য দক্ষ কর্মী তৈরি করতে এই মন্ত্রণালয় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ক. জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET) বিএমইটি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দক্ষতা উন্নয়নের মূল সংস্থা। তারা ট্রেড-ভিত্তিক দক্ষতা প্রদানের জন্য বিশাল প্রশিক্ষণ নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে।
কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (TTC): বিএমইটি জেলা পর্যায়ে ১০০টিরও বেশি টিটিসি (TTC) পরিচালনা করে।
কোর্সসমূহ: ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন, রেফ্রিজারেটর ও এসি মেরামত, ওয়েল্ডিং, রাজমিস্ত্রির কাজ, ড্রাইভিং এবং গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং।
প্রাক-বহির্গমন প্রশিক্ষণ: বিদেশগামী কর্মীদের গন্তব্য দেশের আইন, সংস্কৃতি ও নিরাপত্তা বিষয়ক বাধ্যতামূলক ব্রিফিং দেওয়া হয়।
আরপিএল (RPL): যারা অনানুষ্ঠানিকভাবে কাজ শিখেছেন, তাদের দক্ষতা যাচাই করে সনদায়ন করা হয়।
ইনস্টিটিউট অফ মেরিন টেকনোলজি (IMT): নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর ও বাগেরহাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানগুলো নৌ-খাতের ওপর জোর দেয়।
প্রশিক্ষণের বিষয়: জাহাজ নির্মাণ, মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নেভিগেশন প্রযুক্তি, যা দেশীয় নৌ-পরিবহন ও আন্তর্জাতিক শিপিং-এর চাহিদা মেটায়।
৩. মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়
নারীর আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়ন এবং শিশুদের বিকাশে এই মন্ত্রণালয় বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করে।
ক. মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর (DWA) গ্রামাঞ্চল ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের আর্থিক স্বাবলম্বী করতে এই অধিদপ্তর তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে।
আবাসিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র: সাভারের মতো ৭টি বিশেষায়িত আবাসিক কেন্দ্রে নারীরা থাকা-খাওয়ার সুবিধাসহ নিবিড় প্রশিক্ষণ পান।
ট্রেডসমূহ: কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, দর্জি বিজ্ঞান, ব্লক ও বাটিক প্রিন্ট, বিউটিফিকেশন এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ।
প্রভাব: প্রশিক্ষণ শেষে ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরুর জন্য অনেক সময় ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থাও করা হয়।
খ. জাতীয় মহিলা সংস্থা জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি বাস্তবায়নে কাজ করা একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
প্রকল্প ভিত্তিক প্রশিক্ষণ: ‘তথ্য আপা’ প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের আইসিটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
শহর সমাজসেবা: নগরভিত্তিক নারী উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের বস্তিবাসী নারীদের কুটির শিল্প ও সেলাই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
গ. বাংলাদেশ শিশু একাডেমি শিশুদের মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে কাজ করে।
সৃজনশীল প্রশিক্ষণ: অন্যান্য সংস্থার মতো শিল্প-কারখানা ভিত্তিক নয়, বরং চারুকলা, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও নাটকের মাধ্যমে শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশে প্রশিক্ষণ দেয়।
৪. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, এতিম এবং দুস্থদের পুনর্বাসন ও দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে এই মন্ত্রণালয় কাজ করে।
সমাজসেবা অধিদপ্তর (DSS) সমাজসেবা অধিদপ্তর একটি বিস্তৃত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ও প্রশিক্ষণ কাঠামো পরিচালনা করে।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ: শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে বিশেষায়িত কেন্দ্রগুলোতে প্লাস্টিক মোল্ডিং, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন এবং দর্জি বিজ্ঞানের মতো ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
- কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র: কিশোর অপরাধীদের সংশোধন ও পুনর্বাসনের জন্য এই কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যাতে তারা সমাজে ফিরে এসে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।
- শহর সমাজসেবা কার্যক্রম (UCD): শহরের বস্তিবাসী ও নিম্ন আয়ের মানুষের আয় বৃদ্ধির জন্য স্বল্পমেয়াদী দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
৫. যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ তরুণ। এই বিপুল যুবগোষ্ঠীকে ‘জনমিতিক লভ্যাংশ’ বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডে রূপান্তর করতে এই মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (DYD) যুবকদের প্রশিক্ষণের জন্য এটি সরকারের প্রধান সংস্থা।
- প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ: অধিদপ্তরটি দেশের প্রতিটি জেলায় আবাসিক যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (YTC) পরিচালনা করে।
- কোর্সের বৈচিত্র্য: এখানে আইসিটি ও ইলেকট্রনিক্স থেকে শুরু করে কৃষিভিত্তিক ট্রেড (গবাদিপশু পালন, মৎস্য চাষ) পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যার মূল লক্ষ্য আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি: এটি একটি অস্থায়ী কর্মসংস্থান কর্মসূচি, যেখানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও নেশন-বিল্ডিং কার্যক্রমের ওপর বাধ্যতামূলক তিন মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
৬. বিশেষায়িত সরকারি সংস্থাসমূহ
মূল মন্ত্রণালয়গুলোর বাইরেও বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও কর্পোরেশন উচ্চমানের এবং শিল্প-নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।
ক. শিল্প ও কারিগরি খাত
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (BSCIC – বিসিক):
লক্ষ্য: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (SME) উদ্যোক্তা উন্নয়ন।
ডিজাইন সেন্টার: বিসিক ডিজাইন সেন্টার পণ্য উন্নয়ন, প্যাকেজিং এবং ফ্যাশন ডিজাইনের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়, যাতে স্থানীয় কুটির শিল্পজাত পণ্য রপ্তানিযোগ্য হয়।
স্কিটি (SCITI): ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ব্যবস্থাপনা ও দক্ষতা উন্নয়নের কোর্স পরিচালনা করে।
বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (BITAC – বিটাক):
উচ্চ প্রযুক্তি: বিটাক উন্নত কারিগরি প্রশিক্ষণের প্রধান কেন্দ্র। এটি মূলত আমদানী-বিকল্প খুচরা যন্ত্রাংশ তৈরির ওপর জোর দেয়।
সেপা (SEPA) প্রকল্প: স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (SEIP)-এর আওতায় বিটাক সিএনসি (CNC) মেশিন পরিচালনা, প্লাস্টিক প্রসেসিং এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেয়।
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (BCIC):
প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট: নরসিংদীতে অবস্থিত ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (TICI) একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র। এটি সার ও কাগজ শিল্পের জন্য প্রসেস কন্ট্রোল, ইন্সট্রুমেন্টেশন এবং কেমিক্যাল ল্যাবরেটরি টেকনিকের ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ দেয়।
বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন (BJMC):
বহুমুখীকরণ: জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের (JDPC) মাধ্যমে পাটের বহুমুখী পণ্য যেমন—শপিং ব্যাগ, জুতা এবং গৃহসজ্জার সামগ্রী তৈরির ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যা পাট শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করছে।
খ. সেবা ও অবকাঠামো খাত
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন (BPC):
এনএইচটিটিআই (NHTTI): ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড টুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট আতিথেয়তা খাতের পথিকৃৎ। এটি ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রোডাকশন (শেফ), ফ্রন্ট অফিস ম্যানেজমেন্ট এবং ট্রাভেল এজেন্সি অপারেশনের ওপর ডিপ্লোমা ও সার্টিফিকেট কোর্স প্রদান করে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে:
রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (RTA): চট্টগ্রামের হালিশহরে অবস্থিত এই একাডেমি রেলওয়ের কর্মকর্তাদের লোকোমোটিভ অপারেশন, সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং রক্ষণাবেক্ষণের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়।
নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর:
মেরিন প্রশিক্ষণ: ন্যাশনাল মেরিন ইনস্টিটিউট (NMI) এবং মেরিন একাডেমিগুলোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইএমও (IMO) স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী নাবিক ও ক্যাডেটদের সিম্যানশিপ, মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ফায়ার ফাইটিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (BRDB):
গ্রামীণ উদ্যোক্তা: বিআরডিবি উপজেলা পর্যায়ে সমবায় ব্যবস্থাপনা, ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবহার এবং গ্রামীণ জীবনজীবিকা বিষয়ক ট্রেডে ব্যাপক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করে।
গ. আইসিটি ও স্বাস্থ্য খাত
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (BCC):
বিকেআইআইসিটি (BKIICT): বাংলাদেশ-কোরিয়া ইনস্টিটিউট অফ আইসিটি স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা এবং বিশেষায়িত কোর্স অফার করে।
উদীয়মান প্রযুক্তি: এলআইসিটি (LICT) প্রকল্পের আওতায় বিসিসি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তি, যেমন—ব্লকচেইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং সাইবার নিরাপত্তার ওপর প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS) ও নার্সিং কাউন্সিল:
মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট: সারা দেশে ম্যাটস (MATS) বা মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল পরিচালনা করে।
নার্সিং: বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল অসংখ্য নার্সিং ইনস্টিটিউট তদারকি করে, যেখানে ডিপ্লোমা ও বিএসসি ডিগ্রি প্রদান করা হয় যা জাতীয় স্বাস্থ্যসেবার জন্য অপরিহার্য।
বাংলাদেশ সরকার অনুধাবন করেছে যে, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন অপরিহার্য। ঢাকার বিটাকের হাই-টেক ল্যাব থেকে শুরু করে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তৃণমূল পর্যায়ের প্রশিক্ষণ পর্যন্ত—সরকার একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম তৈরি করেছে। এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য কেবল বেকারত্ব হ্রাস করা নয়, বরং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার জন্য জাতিকে প্রস্তুত করা।
