একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি আধুনিক, জ্ঞাননির্ভর ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছিলেন রূপকল্প-২০২১ তথা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়ায় প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে যে আধুনিক প্রযুক্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন, তাঁরই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত দশ বছরে সেই স্বপ্ন এক মহীরুহে পরিণত হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের এই সময়কাল ছিল বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের এক সোনালী অধ্যায়।
গত এক দশকে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রা কেবল ভূ-পৃষ্ঠেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং ১১ মে ২০১৮ তারিখে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশ মহাকাশ বিজয়ী ৫৭তম দেশ হিসেবে বিশ্বমঞ্চে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২০০৮ সালে যেখানে ইন্টারনেটের ব্যবহার ছিল মাত্র ৪ শতাংশ মানুষের মধ্যে, বর্তমানে তা ৫৩ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। ৮ কোটিরও বেশি মানুষের হাতে পৌঁছেছে ইন্টারনেট এবং ১৫ কোটিরও বেশি সিম কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ মোবাইল ডেনসিটিতে বিশ্বে ১০ম স্থানে উন্নীত হয়েছে।
তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিক সেবা পৌঁছে দিতে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে স্থাপিত হয়েছে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (UDC)। ‘পোস্ট ই-সেন্টার’ থেকে শুরু করে সাবমেরিন ক্যাবল SEA-ME-WE-5-এর সংযোগ এবং ৫ হাজারেরও বেশি হাই-টেক ও আইটি পার্ক নির্মাণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। হাই-টেক সিটি, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক এবং লার্নিং এন্ড আর্নিং প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানে দক্ষ করে গড়ে তোলা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের কারিগরি দিকনির্দেশনায় ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ আর কেবল একটি স্লোগান নয়, বরং ১৬ কোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বর্তমান প্রতিবেদনটিতে গত ১০ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাতের অভাবনীয় সাফল্যের বিভিন্ন দিক বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “ডিজিটাল বাংলাদেশ” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
- ১১ মে ২০১৮ তারিখ যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস স্টেশন হতে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপন করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর পরিচালনার জন্য গাজীপুরে সজিব ওয়াজেদ’ ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে।
- স্যাটেলাইট কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড’ গঠন করা হয়েছে।
- বর্তমানে ৩৭% লোক মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। দেশে ব্যবহৃত মোট সিম কার্ডের সংখ্যা ১৫.২৫ কোটি।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক জীবন সংগ্রামের ওপর ৩০ মিনিটের একটি ফিল নিয়মিত প্রদর্শন করা হচ্ছে।
৮,৫০০টি ডাকঘরকে পোস্ট ই-সেন্টারে রূপান্তরিত করা হয়েছে এবং ডাক পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের পদক্ষেপ হিসেবে ১১৮ টি মেইল গাড়ী সংগ্রহ করা হয়েছে। - নারীর ক্ষমতায়নে টেলিটক কর্তৃক ১৫ লক্ষ মহিলার নিকট অপরাজিতা সিম বিতরণ করা হয়।
- ব্যাংকিং সুবিধা প্রদানের জন্য Postal Cash Card এর প্রবর্তনের মাধ্যমে ৬ লক্ষ হতদরিদ্র জনগোষ্ঠিকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভাতা বিতরণ করা হচ্ছে।
- প্রযুক্তি নির্ভর ডাক পরিসেবা প্রবর্তনের জন্য ডাক বিভাগ ২০১৭ সালে ৩টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছে।

- বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ কর্মসূচি, এনএসটি ফেলোশিপ ও গবেষণা প্রকল্পের আওতায় এম এস, পিএইচডি, পোস্ট ডক্টরাল কোর্সে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০,৮৮৪ জন ছাত্র/ ছাত্রী, ফেলো/গবেষককে ফেলোশিপ এবং ৩,৪৩৫ টি গবেষণা প্রকল্পে অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
- ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, কেমিক্যাল মেজারমেন্ট, খনিজ সম্পদ বিষয়ে গবেষণা ইত্যাদির জন্য ৪টি ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হয়েছে।
আই টি শিক্ষার প্রসার, সফটওয়ার শিল্পের প্রসার
- যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক, ঢাকায় ‘জনতা টাওয়ার সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক, গাজীপুরে “বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি”, “সিলেট ইলেক্ট্রনিত সিটি’ ও দেশের সাতটি স্থানে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে।
- বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩৯০১টি ল্যাব স্থাপন করে নিরবচ্ছিন্ন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা হয়েছে।
- ১৩টি বেসরকারি আইটি প্রতিষ্ঠানকে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব এবং আইসিটি বিভাগে একটি ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।
- শিক্ষক বাতায়নে শিক্ষামূলক দেড় লক্ষাধিক ডিজিটাল কনটেন্ট, কিশোর বাতায়নে ২০ হাজারেরও অধিক বললটেন্ট শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- ২,৬৪,৯৭১ জনকে আইসিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। যার মধ্যে ২৮, ৭৮৩ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে।
ইন্টারনেটসেবা
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৩% লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করে।
- 4G চালু করা হয়েছে, SG চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- বাংলাদেশ ২য় সাবমেরিন ক্যাবল নেটওয়ার্ক SEA-ME-WE-5 এর সাথে যুক্ত হয়েছে।
- ৩,৬০০টি ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা হয়েছে।
- দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) চালু করা হয়েছে।
- ১,১১০টি ইউনিয়ন পরিষদে এবং ৩৪০ টি উপজেলা পরিষদে নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে মোট ১৬৯০০ কি. মি. অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল স্থাপন হয়েছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ
- আইসিটি বিভাগের সবচেয়ে বড় অর্জন সরকার কর্তৃক ১২ ডিসেম্বর জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস হিসেবে ঘোষণা।
- এ পর্যন্ত ৩টি আইন, ৩টি নীতিমালা, ৬টি বিধিমালা, ১টি স্ট্রাটেজি প্রণয়ন করা হয়েছে। • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর খসড়া বর্তমানে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে বিবেচনাধীন রয়েছে।
- নাগরিক সেবা প্রদানের লক্ষে ৪৫ হাজারেরও বেশি অফিসের তথ্য সম্বলিত বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ৩৩৩ কলসেন্টার স্থাপন করা হয়েছে।
- বর্তমানে আড়াই হাজারেরও বেশী অফিসে ৪০ হজার কর্মকর্তাকে ই-নথি ব্যবহারের আওতায় আনা হয়েছে।
- কৃষকরা খুব সহজে তথ্য পাওয়ার জন্য কৃষিবাতায়নে ৭৮ লক্ষ কৃষকের তথ্য, মাঠপর্যায়ে কর্মরত ১৮ হাজার কৃষিসম্প্রসারণ কর্মকর্তা, ৫০৪টি উপজেলা কৃষির তথ্য সংযুক্ত করা হয়েছে।
- মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষক বাতায়নে প্রায় ৩ লক্ষ শিক্ষামূলক দেড় লক্ষাধিক ডিজিটাল কনটেন্ট, কিশোর বাতায়নে দেড় লক্ষাধিক সদস্য এবং হাজারেরও অধিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যবহার করা হচ্ছে।
- এ যাবত এ বিভাগ হতে মোট ২,৬৪,৯৭১ জনকে আইসিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। যার মধ্যে ২৮, ৭৮৩ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে।
- ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নে ১৮৪৩৪টি সররকারি অফিসকে একীভূত পাবলিক নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া, ইনফো-সরকার (ফেজ-৩) প্রকল্পের মাধ্যমে ২১০০টি ইউনিয়নে নেটওয়ার্ক (Installation) সম্পন্ন হয়েছে।
- সারাদেশে ৮০৪টি ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে এবং ১০১৩টি বিদ্যুৎবিহীন ইউনিয়নে সৌর-বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার’ স্থাপন করা হয়েছে।
- ১টি সফটওয়্যার কোয়ালিটি টেস্টিং ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।
- বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩৯০১টি ল্যাব স্থাপন করে নিরবচ্ছিন্ন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা হয়েছে।
- ১৩টি বেসরকারি আইটি প্রতিষ্ঠানকে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক হিসেব ঘোষণা করা হয়েছে এবং ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব আইসিটি বিভাগকে একটি ডিজিটাল ফরেনিক ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।
চলমান প্রকল্পসমূহের নাম
- বাংলাদেশ ই-গভর্নমেন্ট ই- আরপি।
- উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্প।
- ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন।
- সফটওয়্যারের কোয়ালিটি পরীক্ষা ও সার্টিফিকেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্প।
- জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অবকাঠামো উন্নয়ন ৩য় পর্যায় (ইনফো-সরকার-৩য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক, রাজশাহী ( বরেন্দ্র সিলিকন সিটি) স্থাপন প্রকল্প।
- গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ প্রকল্প।
- শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার প্রকল্প।
- জেলা পর্যায়ে আইটি/হাইটেক পার্ক স্থাপন (১২টি জেলায়) প্রকল্প।
- প্রযুক্তির সহায়তায় নারীর ক্ষমতায়ন প্রকল্প।
- ডিজিটাল অ্যাইল্যান্ড মহেশখালী প্রকল্প।
- চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন প্রকল্প।
- মোবাইল গেইম ও এপ্লিকেশন-এর দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প।
- লার্নিং এন্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট (১ম সংশোধিত) প্রকল্প।
- লেভারেজিং আইসটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট এন্ড গভর্নেন্স (১ম সংশোধিত) প্রকল্প।
- ফোর টায়ার জাতীয় ডাটা সেন্টার স্থাপন প্রকল্প।
- কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্ক (এবং অন্যান্য হাই-টেক পার্ক) এর উন্নয়ন প্রকল্প (৩য় সংশোধিত) ব্যক্তির ক্ষমতায়ন।
- হাই-টেক পার্ক, সিলেট ( সিলেট ইলেক্ট্রনিক্স সিটি) এর উন্নয়ন প্রকল্প (৩য় সংশোধিত) প্রকল্প।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে নিউরো ডেভোলপমেন্টাল ডিজঅর্ডারসহ সব ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ক্ষমতায়ন।
- সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ও ভাষা প্রশিক্ষণ ল্যাব স্থাপন (২য় সংশোধিত) প্রকল্প।
- ডিজিটাল সিলেট সিটি প্রকল্প।
- “বাংলাদেশ সরকারের জন্য নিরাপদ ই-মেইল ও ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার স্থাপন” একসেস টু ইনফরমেশন (ইটুআই) প্রকল্প।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারে ২০২১ সালের মধ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষন নির্ধারণ।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্য প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন জাতি গঠনের সফল উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ। ‘প্রযুক্তি বিভেদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ায় অনন্য অগ্রগতি সাধিত
- তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি সুবিধা গ্রাম পর্যন্ত সম্প্রসারিত। এসব তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে প্রতিমাসে ৪০ লক্ষাধিক গ্রামীণ মানুষকে সেবা প্রদান।
- আধুনিক প্রযুক্তির সংযুক্তির মাধ্যমে ডাক ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ।
- মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা ২০০৮ সালের ৪.৬ কোটি হতে বৃদ্ধি পেয়ে জুন ২০১৮ পর্যন্ত ১৫.০৯ কোটিতে উন্নীত হয়েছে। এ সময়ে বাংলাদেশে টেলিডেনসিটি ৯২.৬৭% যা ২০০৮ সালে ছিল ৩৪.৫% ।
- ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ২০০৮ সালের মাত্র ৪০ লক্ষ হতে বৃদ্ধি পেয়ে জুন ২০১৮ পর্যন্ত ৮ কোটি ২ লক্ষে উন্নীত হয়েছে। জুন ২০১৮ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেট ডেনসিটি-৫৩.৬৫% যা ২০০৮ সালে ২.৬৭% ছিল।
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ ব্যবহারের পরিমাণ ছিল মাত্র ৭.৫. জিবিপিএস যা বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি একটি মাত্র সাবমেরিন ক্যাবলের (SEA-ME-WE-4) মাধ্যমে সরবরাহ করত। বর্তমানে দেশে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার ৬৭৩ জিবিপিএস ছাড়িয়েছে।
- মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান পৃথিবীতে ১০ম ।
- বর্তমানে দৈনিক আন্তর্জাতিক কল ৬ কোটি ৭৬ লক্ষ মিনিট।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের অনুমোদিত কলরেট সর্বনিম্ন ০.৪৫ টাকা হতে সর্বোচ্চ ২.০০ টাকা নির্ধারণ করা আছে। সর্বোচ্চ ১০ সেকেন্ড পালস চালু করায় মোবাইল গ্রাহকরা সাশ্রয়ী মূল্যে কথা বলতে পারছেন। ১৯৯৫ সালে প্রতি মিনিট কলচার্জ ছিল ১৩ টাকা। মে ২০১৮ থেকে অফনেট ও অননোটের অভিন্ন কল রেট সর্বনিম্ন ৪৫ টাকা চালু করা হয়েছে। আগে অননেট ০.২৫ টাকা এবং অফনেট ০.৬০টাকা নির্ধারিত ছিল।
- গ্রাহকের ব্যবহৃত যেকোন অপারেটর মোবাইল নাম্বার অপরিবর্তিত রেখে অন্য কোন অপারেটরে সংযোগটি স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে MNP (Mobile Number Portability) সুবিধা বলা হয়ে থাকে। Infozillion Teletech BD নামক প্রতিষ্ঠানকে Mobile Number Portability (MNP) লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। গত ২১ মার্চ ২০১৮ ইং MNP’র Directives BTRC কর্তৃক ইস্যু করা হয় যার উপর ভিত্তি করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা নিজস্ব Platform তৈরি করবে। অক্টোবর ২০১৮ হতে বাণিজ্যিকভাবে MNP এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

- ভয়েস কল চার্জ (গড়/টাকায়) ০.৮৩ টাকা হ্রাস পেয়েছে।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকের সহায়তায় গ্রাহকগণ সহজেই তার প্রয়োজনীয় অর্থ উত্তোলন, জমাকরণ এবং অন্যের নিকট পাঠাতে পারেন।
- সমগ্র বাংলাদেশের জেলা শহরগুলোর মধ্যে প্রায় ৯৯% শহর ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের আওতায় আনা
- গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি মোবাইল হ্যান্ডসেট ও বেতার যন্ত্রপাতি আমদানির হার বিগত বছর গুলোর তুলনায় বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৬ সালে প্রায় ২৫.৫ মিলিয়ন মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয়েছে।
- সাশ্রয়ী মূল্যে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথের মাসিক চার্জ ২৭,০০০ টাকা হতে কমিয়ে ৫৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ২০১২ সালে থ্রিজি নেটওয়ার্কের উদ্বোধন। বর্তমানে দেশের সবগুলো জেলা শহরে টেলিটকের থ্রিজি সেবা চালু হয়েছে। টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডসহ ৫টি প্রতিষ্ঠানকে থ্রিজি লাইসেন্স প্রদান। ইতোমধ্যে দেশের ৯২.৭৯ জনগোষ্ঠী এর ৮২.৯৩% ভৌগলিক এলাকা 3G নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে। জুন, ২০১৮ পর্যন্ত দেশে সর্বমোট ৬ কোটি ৪৯ লক্ষ থ্রিজি গ্রাহক রয়েছে।
- ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তে 4G-এর বাণিজ্যিক সেবা জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে ।
- জুন ২০১৮ পর্যন্ত দেশে 4G নেটওয়ার্কের কভারেজ ৪৬%।
- এটি দুর্গম পার্বত্য জেলার সব উপজেলায় মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করায় পার্বত্য অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধনে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। সুন্দরবনের মত দুর্গম স্থানে মোবাইল মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়েছে।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে। সজীব ওয়াজেন, উপগ্রহ ভূকেন্দ্র

গাজীপুর ও সজীব ওয়াজেদ উপগ্রহ ভূকেন্দ্র বেতবুনিয়ার মাধ্যমে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম
- ইতোমধ্যে সফলজনকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। • দেশের সকল টেলিফোন এক্সচেঞ্জকে ডিজিটালে রূপান্তর করা হয়েছে। এখন আর কোন এনালগ এক্সচেঞ্জ নেই।
- বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ২১,৫০০ কি.মি. অপটিক্যাল ফাইবার অবকাঠামো রয়েছে। পূর্বে ছিল মাত্র ১৯০০ কি.মি. ।
- বর্তমানে দেশের সব জেলা, উপজেলা এবং বেশ কিছু ইউনিয়ন পর্যন্ত দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা সর্বত্র একই মূলো দেওয়া হচ্ছে। আগে শুধু কয়েকটি বড় শহরে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ছিল।
- দেশের ১২১২ টি ইউনিয়নে ইতোমধ্যে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। আইসিটি বিভাগের মাধ্যমে আর ২,৬০০ ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন কাজ চলছে।
- ইতোমধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামে IP based আধুনিক এক্সচেঞ্জ চালু করা হয়েছে যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে বিস্তৃত হচ্ছে।
- পার্বত্য এলাকার সব উপজেলার ডিজিটাল এক্সচেঞ্জ স্থাপন করা হয়েছে।
- ঢাকা-কুয়াকাটা উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন লিংকের মাধ্যমে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে। সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। আগে একটি সাবমেরিন ক্যাবলের সংযোগ ছিল ।
- ঢাকা কক্সবাজার ব্যান্ডউইডথ পরিবহন ক্ষমতা ৬ গুণ বৃদ্ধি করে 240Gbps] করা হয়েছে।
- দেশের প্রামা সকল উপজেলা উচ্চক্ষমতার অপটিক্যাল ফাইবার দ্বারা জেলা পর্যায়ের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে বিটিসিএল এর অন-নেট কলচার্জ সর্বনিম্ন ১০ পয়সা/মিনিট (রাত আটটা থেকে সকাল আটটা)। পূর্বে ছিল ১.৫০ টাকা/মিনিট।
- বর্তমানে ব্যান্ডউইডথ চার্জ প্রতি Mbps প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ১৬০.০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৩৬০.০০ টাকা। আগে প্রতি Mbps ছিল ২৭০০০ টাকা।
- bd এর পাশাপাশি ” বাংলা’ চালু করা হয়েছে। ফলে ইন্টারনেট পরিমণ্ডলে বাংলা ভাষায় ওয়েবসাইটের এড্রেস দেয়ার সুযোগ হয়েছে।
- bd এবং বাংলা রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলী অনলাইনে তাৎক্ষনিকভাবে সম্পন্ন করা যাচ্ছে।
- বর্তমানে লেজার ম্যানেজমেন্ট অটোমেশন করা হয়েছে। ফলে গ্রাহক নিজেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে তাৎক্ষণিকভাবে বিল প্রিন্ট নিতে পারছেন। বিলিং সংক্রান্ত জটিলতা নেই। এখন ঘরে বসে মোবাইলে রকেট সার্ভিসের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে পারছেন।
- বর্তমানে দেশের যে কোন স্থানের সঙ্গেই ভিডিও কনফারেন্স করা সম্ভব হচ্ছে। প্রশাসনে মাঠ পর্যায়ে আগে ভিডিও কনফারেন্সের ব্যবস্থা ছিল না।
- বর্তমানে গ্রাহক কল সেন্টারে (১৬৪০২) কল করে অভিযোগ প্রদান করতে পারছেন।
- ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে SEA-ME-WE-5 এর ল্যান্ডিং স্টেশন ও সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। বর্তমানে এই সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে ২৪০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ব্যবহৃত হচ্ছে।
- দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল SEA-ME-WE-5 এর ‘ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন’ পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটায় স্থাপন করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে ১৫০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ পাবে।
- বর্তমানে বাংলাদেশে SEA-ME-WE-5 তার অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করেছে।
- বিটিসিএলসহ ৭টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে International Terrestrial Cable (ITC) লাইসেন্স প্রদান।
- জনগণের নিকট স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে বিটিসিএল, পিজিসিবি, রেলওয়ে এবং ২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে Nationwide Telecommunication Transmission Network (NTTN) লাইসেন্স প্রদান ।
- প্রান্তিক পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে বিদ্যমান দুইটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি। বিটিসিএল এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে Broadband Wireless Access (BWA ) লাইসেন্স প্রদান। টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানের জন্য প্রায় ১৮০০টি বিভিন্ন প্রকারের লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে।
- ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে প্রথম মোবাইল ফোনে বাংলায় এসএমএস আদান প্রদানের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে বাংলা প্রমিতকরণের যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ।
- ৫০০টি উপজেলা ও সাব পোস্ট অফিস এবং ৮০০০টি গ্রামীণ অবিভাগীয় শাখা ডাকঘরকে পোস্ট ই-সেন্টারে রূপান্তর।
- পোস্ট ই-কমার্স সার্ভিস প্রদান কার্যক্রম ডাক অধিদপ্তরের নতুন সেবা কার্যক্রম হিসেবে চালু। বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তরের সদর দপ্তর নির্মাণ কাজ সমাপ্তির পথে। ৭১টি প্রধান ডাকঘর এবং ১৩টি মেইল এন্ড সর্টিং অফিসকে অটোমেশনের আওতায় আনা হয়েছে।
- বর্তমানে ২৭৫০টি ডাকঘরে ইএমটিএস এবং ১৪৩৮টি ডাকঘরে পোস্টাল ক্যাশ কার্ড সার্ভিস চালু। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ২০টি ডাকঘরে ই-কমার্স চালু। অচিরেই ৬৪টি জেলায় সম্প্রসারণ করা হবে।
- বিটিআরসি কর্তৃক ২০০৯ থেকে ৩০ জুন, ২০১৫ পর্যন্ত সর্বমোট ২০৪৬টি লাইসেন্স প্রদান। ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন কর্তৃক ৪২৯টি লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে।
- সকল মোবাইল অপারেটরদের মোট ১১ কোটি ২১ লক্ষ গ্রাহকদের আঙ্গুলের ছাপ সংরক্ষণ করে NID এর তথ্যের সাথে গ্রাহকগণের তথ্য যাচাইপূর্বক পুনঃনিবন্ধন কার্যক্রম নির্ধারিত সময়সীমার (৩১ মে ২০১৬) মধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং এর ফলে মোবাইল ফোনে হুমকি, চাঁদাবাজি, জঙ্গি অর্থায়ন, অবৈধ VOIP ইত্যাদি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বের এই এক দশক ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের এক বৈপ্লবিক রূপান্তরের কাল। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর সফল উৎক্ষেপণ বাংলাদেশকে যেমন মহাকাশ বিজয়ী জাতির মর্যাদা দিয়েছে, তেমনি তৃণমূলের ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলো সাধারণ মানুষের হাতের মুঠোয় সরকারি সেবা পৌঁছে দিয়ে ‘প্রযুক্তি বিভেদ’ দূর করেছে। ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ৪০ লক্ষ থেকে ৮ কোটিতে উন্নীত হওয়া এবং ৫৩% শতাংশ মানুষের ইন্টারনেট সংযোগ প্রাপ্তি প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশ আজ একটি সত্যিকারের তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
হাই-টেক পার্ক, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক এবং ৩,৬০০ ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগের মাধ্যমে সরকার যে অবকাঠামো গড়ে তুলেছে, তা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মকে এক শক্তিশালী হাতিয়ার এনে দিয়েছে। সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ (২৭,০০০ টাকা থেকে মাত্র ৩৬০ টাকা) এবং ঘরে বসে ই-গভর্নেন্সের সুবিধা গ্রহণ ডিজিটাল বাংলাদেশের সার্থকতাকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছে। গত দশ বছরের এই অভাবনীয় সমৃদ্ধি কেবল একটি প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং এটি ১৬ কোটি মানুষের ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তির এক ডিজিটাল সোপান। এই সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই বাংলাদেশ আজ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ-২০৪১’ এর স্বপ্ন জয়ের পথে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে।
