নানা অপকর্ম ও দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমানের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সরব হয়েছে দেশের শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা। ইয়্যুথ বাংলা কালচারাল ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী বাসস্ট্যান্ডে এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইয়্যুথ বাংলা কালচারাল ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কমল চৌধুরীর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন দেশের জনপ্রিয় অভিনয় শিল্পী তানভীন সুইটি, তারিন জাহান, নওশীন নাহারীন মৌ, আদনান ফারুক হিল্লোল, মাজনুন মিজান এবং আমান রেজা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা প্রণীল জাহিদ, সুমা, প্রমা, নমিরা, প্রত্যয় খান, আরহাম চৌধুরী ও মুনা চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে ইয়্যুথ বাংলা কালচারাল ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক তারিন জাহান বলেন, “তারেক রহমান দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে লন্ডনে পলাতক অবস্থায় থেকেও দেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তার নির্দেশে লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাসে হামলা ও জাতির পিতার প্রতিকৃতি অবমাননা করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই, এই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা কার্যকর করা হোক।”

সংগঠনের নেত্রী ও অভিনেত্রী তানভীন সুইটি তার বক্তব্যে বলেন, “যারা বিদেশে নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করে, তারা জাতির শত্রু। তারেক রহমানের মতো রাষ্ট্রবিরোধীদের বিচারের মুখোমুখি করা সময়ের দাবি।”
সাধারণ সম্পাদক কমল চৌধুরী বলেন, “লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাসে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী তারেক রহমান। একজন ফেরারি আসামি হিসেবে তিনি বিদেশে বসে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।”
সভাপতির বক্তব্যে সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর বলেন, “তারেক রহমানের জঘন্য অপকর্মের প্রতিবাদে আজ শিল্পী সমাজ ঐক্যবদ্ধ। যে ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুকে মানে না, সে আসলে বাংলাদেশকেই মানে না। তারেক রহমানের দেশবিরোধী চক্রান্তের বিরুদ্ধে কুমারখালী-খোকসার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ এই অপশক্তিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।”
উল্লেখ্য, মার্কিন নথিতে ‘দুর্নীতির রাজপুত্র’ হিসেবে আখ্যায়িত তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, মানি লন্ডারিং ও রাষ্ট্রদ্রোহসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ইতিমধ্যে দুটি মামলায় তাকে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশে ফেরারি আসামি হিসেবে গণ্য।
ট্যাগ: #সুফি_ফারুক #ইয়্যুথ_বাংলা_কালচারাল_ফোরাম #তারেক_রহমান #প্রতিবাদ_সমাবেশ #কুষ্টিয়া #কুমারখালী #তারিন #তানভীন_সুইটি #সাংস্কৃতিক_আন্দোলন
