একটি আধুনিক ও প্রযুক্তি-নির্ভর জাতি গঠনের লক্ষ্যে ‘প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ’-এর অন্যতম প্রধান কর্মসূচি হলো ‘প্রযুক্তি উৎসব’। এটি মূলত জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বছরে অন্তত একবার আয়োজিত একটি বৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সমাবেশ। ২-৩ দিন ব্যাপী এই উৎসবে সেমিনার, প্রদর্শনী, বক্তৃতা এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্থানীয় জনপদে প্রযুক্তির জোয়ার সৃষ্টি করা হয়। এই উৎসবের প্রধান লক্ষ্য হলো আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জনশক্তি ও উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। একইসঙ্গে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের প্রযুক্তিবিদদের মধ্যে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করা এবং নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক ক্যারিয়ারের প্রতি আগ্রহ জন্মানো এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
১. ভূমিকা ও উদ্দেশ্য
১.১. প্রযুক্তি উৎসব কী: এটি বক্তৃতা, সেমিনার, প্রদর্শনী এবং প্রতিযোগিতার সমন্বয়ে গঠিত একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সমাবেশ। জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে বছরে অন্তত একবার ২-৩ দিন ব্যাপী এই উৎসব আয়োজিত হয়। ১.২. প্রধান উদ্দেশ্যসমূহ:
১.২.১. আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর জনশক্তি ও উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি।
১.২.২. স্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবীদের সাথে জাতীয় পর্যায়ের বিশেষজ্ঞদের সেতুবন্ধন তৈরি।
১.২.৩. নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে স্থানীয় জনগণকে সম্যক ধারণা প্রদান।
১.২.৪. শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রযুক্তি নির্ভর ক্যারিয়ার বা পেশার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা।
২. অংশীজন নির্ধারণ (Stakeholders)
২.১. অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান:
২.১.১. স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের আইটি পণ্য ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান।
২.১.২. বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, এনজিও)।
২.১.৩. প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি দপ্তর (জেলা প্রশাসন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ইত্যাদি)।
২.২. আমন্ত্রিত অতিথি:
২.২.১. সফল উদ্যোক্তা, গবেষক, শিক্ষক এবং ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধি।
২.২.২. সরকারের নীতি-নির্ধারক এবং সামাজিক নেতৃবৃন্দ। ২.৩. পৃষ্ঠপোষক (Sponsors):
২.৩.১. স্থানীয় ও জাতীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং শিল্প মালিকবৃন্দ।
২.৩.২. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক জাতীয় অ্যাসোসিয়েশনসমূহ।
৩. আয়োজনের প্রস্তুতি: ধাপ-১ (তারিখ ও স্থান চূড়ান্তকরণ)
৩.১. সময় নির্ধারণ: উৎসবটি সাধারণত ২ দিন ব্যাপী এবং ছুটির দিনে হওয়া শ্রেয়। জাতীয় বা স্থানীয় অন্য কোনো বড় অনুষ্ঠানের সাথে যেন তারিখের সংঘাত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৩.২. প্রস্তাবিত সময়সীমা: মূল অনুষ্ঠানের অন্তত ৩০ দিন আগে প্রাথমিক তারিখ নির্ধারণ করতে হবে। ৩.৩. স্থান নির্বাচন: শহরের কেন্দ্রস্থলে যেখানে সাধারণ মানুষের সমাগম বেশি, এমন খোলা জায়গা নির্বাচন করে কর্তৃপক্ষের সাথে প্রাথমিক আলাপ সেরে রাখতে হবে। ৩.৪. কেন্দ্রীয় সমন্বয়: প্রস্তাবিত তারিখ ও স্থান জানিয়ে ‘প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ’-এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারীকে ইমেইল করতে হবে। ৩.৫. চূড়ান্ত অনুমোদন: কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ‘ইভেন্ট ক্যালেন্ডার’ যাচাই করে এবং জাতীয় অতিথিদের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে ইমেইলের মাধ্যমে চূড়ান্ত তারিখ ও ‘আয়োজন ফরম’ পাঠাবেন। ৩.৬. আইনি প্রক্রিয়া: স্থান ব্যবহারের লিখিত অনুমতি পাওয়ার পর স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে চিঠির মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
৪. বাজেট ও অর্থ ব্যবস্থাপনা
৪.১. আয়োজক কমিটির সকল সদস্য একত্রে বসে ‘প্রযুক্তি উৎসব আয়োজন’ ফরমটি পূরণ করবেন। ৪.২. একটি বাস্তবসম্মত বাজেট প্রণয়ন করতে হবে এবং সম্ভাব্য অর্থ সংগ্রহের উৎসগুলো (পৃষ্ঠপোষকতা, স্টল ভাড়া ইত্যাদি) চিহ্নিত করতে হবে।
পরবর্তী ধাপগুলো নিচে অত্যন্ত সুসংগঠিতভাবে উপস্থাপন করা হলো। এই অংশে অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ, বিস্তারিত প্রচার কৌশল এবং সংবাদ সম্মেলন সংক্রান্ত এসওপি (SOP) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৫. অংশগ্রহণ ও লজিস্টিকস নিশ্চিতকরণ (প্রস্তুতি পর্যায়)
৫.১. তালিকা চূড়ান্তকরণ: আয়োজক কমিটির সকল সদস্য বসে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান, পৃষ্ঠপোষক এবং অতিথিদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করবেন। ৫.২. আমন্ত্রণপত্র ও প্রোফাইল: আমন্ত্রিত অতিথিদের জীবনবৃত্তান্ত (Profile), ছবি এবং অনুষ্ঠানের বিস্তারিত সূচি সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র চূড়ান্ত করতে হবে। ৫.৩. যোগাযোগ ও রেফারেন্স: প্রয়োজন অনুযায়ী ‘প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ’-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় বা স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের ব্যক্তিগত রেফারেন্স ব্যবহার করে অংশগ্রহণকারী ও অতিথিদের আমন্ত্রণপত্র পাঠাতে হবে। ৫.৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্তকরণ: সাধারণ অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিটি স্থানীয় স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণপত্র এবং লিফলেট পৌঁছাতে হবে। ৫.৫. নিশ্চিতকরণ (Confirmation): অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার অন্তত ১০ দিন আগে আমন্ত্রিত সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত (Confirm) করতে হবে। চূড়ান্ত তালিকাটি কমিটির সকল সদস্য এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারীকে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিতে হবে।
৬. প্রচার কৌশল ও সংবাদ সম্মেলন (Media Strategy)
৬.১. সংবাদ সম্মেলন – আনুষ্ঠানিক ঘোষণা:
৬.১.১. অনুষ্ঠানের বিস্তারিত জানিয়ে একটি প্রেস রিলিজ এবং আমন্ত্রণপত্র তৈরি করতে হবে। প্রয়োজনে ‘প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ’-এর ‘প্রেস কনফারেন্স স্যাম্পল প্যাক’ ব্যবহার করা যেতে পারে।
৬.১.২. স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে সরাসরি এবং ইমেইলে আমন্ত্রণপত্র পাঠাতে হবে। জাতীয় গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে ‘গণমাধ্যম সমন্বয়ক’কে (Central Media Coordinator) অবশ্যই সিসিতে (CC) রাখতে হবে।
৬.১.৩. সংবাদ সম্মেলনের জন্য একটি ফেসবুক ইভেন্ট তৈরি করে সংশ্লিষ্ট সকলকে আমন্ত্রণ জানাতে হবে।
৬.২. সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা:
৬.২.১. সম্মেলনে আয়োজনের মূল লক্ষ্য ও কর্মসূচিগুলো জোরালোভাবে উপস্থাপন করতে হবে। সম্ভব হলে স্থানীয় পৃষ্ঠপোষক বা অতিথিদের একজনকে উপস্থিত রাখতে হবে।
৬.২.২. সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য ভিডিও করে ইউটিউব বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করতে হবে।
৬.২.৩. সম্মেলনে কোনো নতুন তথ্য বা অতিথির নাম যুক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধিত প্রেস রিলিজটি সকল গণমাধ্যমে পাঠিয়ে দিতে হবে।
৬.৩. ডিজিটাল ও মাঠ পর্যায়ের প্রচার:
৬.৩.১. ফেসবুক ইভেন্টে নিয়মিত আপডেট প্রদান করতে হবে। আয়োজক কমিটির সকল সদস্যকে তাঁদের প্রোফাইল ছবি হিসেবে ইভেন্টের লোগো বা ব্যানার ব্যবহার করতে হবে (প্রেস কনফারেন্স থেকে অনুষ্ঠান শেষ হওয়া পর্যন্ত)।
৬.৩.২. গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের লিংকগুলো নিয়মিত সংগঠনের গ্রুপ, পেজ এবং ‘প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ’-এর মূল পাতায় শেয়ার করতে হবে।
৬.৩.৩. অনুষ্ঠানের অন্তত দুদিন আগে থেকে জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচার চালাতে হবে।
৬.৩.৪. অনুষ্ঠান চলাকালীন লাইভ ভিডিও, ছবি এবং আপডেট নিয়মিত পোস্ট করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ট্যাগ করতে হবে।
৬.৩.৫. প্রতিদিনের অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যা ৫টার মধ্যে একটি প্রেস রিলিজ তৈরি করে স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদপত্রে পাঠিয়ে দিতে হবে।
এটি প্রযুক্তি উৎসব আয়োজনের চূড়ান্ত অংশ। এখানে আয়োজক কমিটির গঠন, সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব বণ্টন এবং অতিরিক্ত কর্মসূচি সম্পৃক্তকরণ সংক্রান্ত নির্দেশনাগুলো পেশাদার কাঠামোতে সাজিয়ে দেওয়া হলো।
৭. আয়োজক কমিটির গঠন ও দায়িত্ব বণ্টন (SOP)
স্থানীয় সংগঠকগণ প্রযুক্তি উৎসব সফল করতে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করবেন। এই কমিটিতে সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের বাইরে থেকেও দক্ষ সদস্য বা কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।
৭.১. আহ্বায়ক (Convener):
৭.১.১. সকল দপ্তরের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
৭.১.২. প্রতিদিনের সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করা এবং প্রতিটি দপ্তরের কাজের অগ্রগতি তদারকি করা।
৭.২. সচিব—দপ্তর ও প্রচার (অফিস ও মিডিয়া উইং):
৭.২.১. তারিখ ও স্থান নির্ধারণের জন্য ভেন্যু মালিক, ‘প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ’ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সকল প্রকার দাপ্তরিক চিঠিপত্র ও ইমেইল যোগাযোগ সম্পন্ন করা।
৭.২.২. আমন্ত্রিত সকল অংশগ্রহণকারী, পৃষ্ঠপোষক, অতিথি ও গণমাধ্যমকর্মীদের তালিকা এবং চূড়ান্ত অনুষ্ঠানসূচি কমিটির সকলকে অবহিত করা।
৭.২.৩. আমন্ত্রিত প্রত্যেকের কাছে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে আমন্ত্রণপত্রের প্রাপ্তি এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিতি নিশ্চিত করা।
৭.২.৪. অংশগ্রহণকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের চূড়ান্ত তালিকা ‘অর্থ সচিব’কে এবং আবাসন/খাবার প্রয়োজন এমন অতিথিদের তালিকা ‘আপ্যায়ন সচিব’কে প্রদান করা।
৭.২.৫. ফেসবুক ইভেন্ট পরিচালনা, নিয়মিত পোস্ট আপডেট, প্রেস রিলিজ তৈরি ও প্রচার এবং মাঠপর্যায়ে মাইকিং তদারকি করা।
৭.৩. সচিব—অর্থ (ফিন্যান্স উইং):
৭.৩.১. আয়োজনের সামগ্রিক বাজেট তৈরি করা।
৭.৩.২. বিভিন্ন সম্ভাব্য খাত (স্পন্সরশিপ, ডোনেশন, স্টল ভাড়া ইত্যাদি) থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ নিশ্চিত করা।
৭.৩.৩. ব্যয়ের হিসাব রাখা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। (পরামর্শের জন্য ২ জন সহকারী ও ৩ জন অভিজ্ঞ পরামর্শক রাখা বাঞ্ছনীয়)।
৭.৪. সচিব—আপ্যায়ন (হসপিটালিটি উইং):
৭.৪.১. আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং তাঁদের আগমনের সময়, পরিবহন ও আবাসন (থাকা-খাওয়া) ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
৭.৪.২. অতিথিদের ভেন্যুতে পৌঁছানো এবং সফলভাবে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা তদারকি করা।
৭.৫. সচিব—ভেন্যু ও নিরাপত্তা (লজিস্টিকস উইং):
৭.৫.১. ভেন্যুর স্টেজ, স্টল এবং দর্শনার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা (বিদ্যুৎ, পানি ইত্যাদি) নিশ্চিত করা।
৭.৫.২. সাউন্ড সিস্টেম, ব্যানার, প্রজেক্টরসহ কারিগরি সরঞ্জামের নিরাপত্তা ও সঠিক পরিচালনা নিশ্চিত করা।
৭.৫.৩. উৎসব চলাকালীন দপ্তরে সংরক্ষিত সকল মালামালের নিরাপত্তা প্রদান।
৭.৬. সচিব—অনুষ্ঠান (ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট):
৭.৬.১. নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠান শুরু করার জন্য অতিথিবৃন্দ, সঞ্চালক ও ভলান্টিয়ারদের সাথে সমন্বয় করা।
৭.৬.২. অতিথিদের জন্য নির্ধারিত সম্মাননা ক্রেস্ট বা উপহার সামগ্রী সঠিক সময়ে মঞ্চে পৌঁছানো নিশ্চিত করা।
৮. অন্যান্য কর্মসূচি সম্পৃক্তকরণ
প্রযুক্তি উৎসবের মূল আয়োজনের সাথে প্রাসঙ্গিক আরও কিছু জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি যুক্ত করা যেতে পারে যা উৎসবের গুরুত্ব বাড়িয়ে দেবে:
৮.১. উদ্যোক্তা সমাবেশ: স্থানীয় ও নতুন উদ্যোক্তাদের নিয়ে নেটওয়ার্কিং সেশন।
৮.২. উদ্যোক্তা সম্মাননা: বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা প্রদান।
৮.৩. বিজ্ঞান মেলা বা হ্যাকাথন: শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রতিভা বিকাশের সুযোগ।
৯. সমাপনী ও নির্দেশিকা (SOP Summary)
৯.১. এই এসওপি (SOP) বা নির্দেশিকাটি একটি খসড়া সংস্করণ। স্থানীয় সংগঠকদের অভিজ্ঞতার আলোকে এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতায় এতে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা যেতে পারে। ৯.২. চূড়ান্ত পরিবর্তনের আগ পর্যন্ত এই ডকুমেন্টটিকেই আয়োজনের মানদণ্ড হিসেবে অনুসরণ করতে হবে।