বাংলাদেশের ইন্টারনেট, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে ইন্টারনেটের অবস্থা [ তার আগে চাই ব্রডব্যান্ড গ্রুপের ৪ এপ্রিল ২০১০ পর্যন্ত আপডেট ] ইন্টারনেট নেই লেখা থাকলে এর মানে হল বিশ্ববিদ্যালয় কোন ল্যাবে ব্রডব্যান্ডের বা ক্যাম্পাসে ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবস্থা করেনি। ব্যক্তি উদ্যোগে বা বন্ধুরা মিলে কানেকশন নিলে সেটিকে ধরা হচ্ছেনা।
১. শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ও সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ
২. কৃষি ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ
- হাজী দানেশ (দিনাজপুর): কয়েকটি ল্যাবে ও শিক্ষকদের জন্য নেট আছে। হলের স্পিড খুবই খারাপ। তবে ইউজিসির প্রজেক্টে অর্থ বরাদ্দ পাওয়ায় ডিসেম্বরের মধ্যে হাই-স্পিড নেটের সম্ভাবনা আছে।
- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (রংপুর): একটি ল্যাবে ৩০টি কম্পিউটারে নেট আছে। ইউজিসির প্রজেক্টে কোনো অগ্রগতি নেই।
- পাবনা বিপ্রবি: ল্যাবে ব্রডব্যান্ড থাকলেও তা নিয়মিত ছাত্রদের জন্য উন্মুক্ত নয় (লেকচার ছাড়া ব্যবহার নিষিদ্ধ)।
- অন্যান্য (যেখানে ইন্টারনেট নেই): নোয়াখালী বিপ্রবি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. মেডিকেল ও অন্যান্য প্রকৌশল কলেজসমূহ
- এম. আই. এস. টি. (MIST): হলে ব্রডব্যান্ড আছে। ক্যাম্পাসে ওয়াই-ফাই থাকলেও তা সবার জন্য উন্মুক্ত নয়।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজ: কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ইন্টারনেট সুবিধা নেই।
- মেডিকেল কলেজসমূহ (যেখানে ইন্টারনেট নেই): কুমিল্লা মেডিকেল, পাবনা মেডিকেল, কক্সবাজার মেডিকেল ও নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ।
- প্রকৌশল কলেজসমূহ (যেখানে ইন্টারনেট নেই): সিলেট ও ময়মনসিংহ প্রকৌশল কলেজ, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (চট্টগ্রাম)।
৪. যেখানে সম্পূর্ণভাবে ইন্টারনেট সুবিধা অনুপস্থিত (২০১০ আপডেট)
নিচের প্রতিষ্ঠানগুলোতে ৪ এপ্রিল ২০১০ পর্যন্ত কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ইন্টারনেট অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি:
- কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (ত্রিশাল)
- চুয়েট (CUET)
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস (BUP)
- কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ
আরও দেখুন: