আমি লেখক হবার মতো শিক্ষিত না। তবে লেখার হাতেখড়ি হয়েছিল মফস্বল শহরের পারিবারিক কাগজের পাতায়। এরপর যখন কারিগরি ও আইটি প্রশিক্ষণের সাথে পেশাগতভাবে যুক্ত হলাম, তখন নিয়মিত শিক্ষা উপকরণ (Learning Materials) তৈরির তাগিদ থেকেই কারিগরি বিষয়ে লেখালেখির শুরু। সেসব লেখার কিছু অংশ জাতীয় দৈনিকে ছাপা হয়। বই প্রকাশের আগ্রহ থাকলেও, সময়ের তীব্র সংকটের কারণে অনেক পাণ্ডুলিপি এখনও গুছিয়ে উঠতে পারিনি।
বর্তমানে আমার লেখালেখির মূল উদ্দেশ্য—আমাদের নিজেদের চলমান কাজগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে গুছিয়ে নেওয়া এবং বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়া। আমি মূলত নিচের বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত লিখছি:
- পরিচিতি ও সম্ভাবনা: নতুন যুগের পেশা ও তার গুরুত্ব।
- পেশাজীবী হওয়ার প্রস্তুতি: প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবহারিক লেখাপড়ার গাইডলাইন।
- কৌশল ও কর্মকৌশল: দক্ষতা অর্জনের সাধারণ ও প্রায়োগিক কৌশল।
- আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা: বিশ্ববাজারের উপযোগী মান বজায় রাখা এবং প্রতিকূলতা মোকাবিলা।
- আইডিয়া, অবকাঠামো, নীতিমালা ও আইন: একটি দক্ষ সেক্টর গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক পলিসি।
পাঠকের চাহিদা, সময়, সুযোগ ও বিষয়ের গুরুত্ব অনুযায়ী এই লেখাগুলো বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, ম্যাগাজিন, ব্লগ, লিফলেট এবং আমার নিজস্ব ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে নিয়মিত প্রকাশিত হয়।
শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি (আর্ট-কালচার)
প্রযুক্তি ও কারিগরি বিষয়ের সমান্তরালে আমি নিয়মিত লিখি সঙ্গীত এবং শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে। আপনারা আমার ওয়েবসাইটে “অসুরের সুরলোকযাত্রা” কিংবা “গান খেকো” সিরিজগুলো দেখলেই তা বুঝতে পারবেন। শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশ ও সংরক্ষণকে আমি স্রেফ শখ হিসেবে দেখি না; একে আমি সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি এক প্রকার নাগরিক দায়বদ্ধতা ও পবিত্র দায়িত্ব মনে করি।
“আমি যা সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব মনে করি এবং যা আমার ব্যক্তিগত ভালোলাগার জায়গা—আমি কেবল তা নিয়েই লিখি এবং ভবিষ্যতেও লিখব।” তাই “কেন এটা নিয়ে লিখলেন না” কিংবা “কেন ওটা নিয়ে লিখলেন”—এই জাতীয় প্রশ্ন আমাকে করে কোন লাভ নেই। আপনি যদি মনে করেন কিছু নিয়ে লেখা উঁচিৎ অথচ হচ্ছে না। আপনি শুরু করুন, জরুরী মনে করলে আমি যোগ দেব।
(ফেসবুক নোট)