ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের কানাড়া পরিবারের অন্যতম রাজকীয় এবং মাধুর্যপূর্ণ একটি রাগ হলো রাগ সাহানা বা সাহানা কানাড়া। এর নামের মধ্যেই নিহিত আছে এক ধরণের আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য। সাহানা মূলত কাফী ঠাটের অন্তর্গত একটি অত্যন্ত শৈল্পিক রাগ। মধ্যরাত্রির নিস্তব্ধতায় এই রাগের সঞ্চার শ্রোতার মনে এক প্রশান্ত অথচ রাজকীয় অনুভূতির সৃষ্টি করে।

রাগ সাহানা বা সাহানা কানাড়া
রাগ সাহানার পরিচয়, বিশেষত্ব ও ইতিহাস
রাগ সাহানা মূলত উত্তর ভারতীয় ও দক্ষিণ ভারতীয় (কর্ণাটকী) উভয় সংগীত পদ্ধতিতেই প্রচলিত। তবে দুই পদ্ধতিতে এর চরিত্র ও চলন সম্পূর্ণ ভিন্ন; কর্ণাটকী পদ্ধতিতে এটি ২৮ নম্বর মেলকর্তা ‘হরিকাম্বোজী’-র অন্তর্গত। হিন্দুস্তানি পদ্ধতিতে সাহানা রাগটি নিয়ে একটি কৌতূহলী বিতর্ক বিদ্যমান। একদল বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ‘সাহানা’ এবং ‘সাহানা কানাড়া’ দুটি ভিন্ন রাগ। তাঁদের মতে, মূল সাহানার রূপটি খাম্বাজ রাগের মতো স্বতন্ত্র, যেখানে কানাড়া অঙ্গের প্রভাব ক্ষীণ। অন্যদলের মতে, কানাড়া অঙ্গ প্রভাবিত রূপটিই প্রকৃত সাহানা। তবে সাধারণ শ্রোতার জন্য এই তাত্ত্বিক বিতর্কের চেয়ে এর সুরের রসাস্বাদনই মুখ্য।
এই রাগের প্রধান বিশেষত্ব হলো এর বক্র চলন। অর্থাৎ এর আরোহ ও অবরোহ সোজা স্কেলের মতো নয়, বরং আঁকাবাঁকা বা ‘Zigzag’। সাহানা রাগকে চেনার মূল চাবিকাঠি হলো এর শুদ্ধ ধৈবত (ধা)-এর বিশিষ্ট প্রয়োগ। আরোহ ও অবরোহ—উভয় ক্ষেত্রেই এই শুদ্ধ ধৈবতের বিশেষ চলন দেখেই অভিজ্ঞ কান চট করে সাহানা চিনে নিতে পারে। এটি মূলত একটি উত্তরাঙ্গ প্রধান রাগ, যা রাতের গভীরে এক অনন্য মোহময়ী পরিবেশ তৈরি করে।
রাগের শাস্ত্র
- ঠাট: কাফী।
- জাতি: সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ (বক্র)।
- আরোহ: সা রে মা পা, ণি দা না র্সা
- অবরোহ: র্সা ণি দা পা, মা পা, গা মা রে সা
(চলন বক্র হওয়ার কারণে স্বরগুলো সরাসরি না বসে বিশেষ বিন্যাসে বসে)
- পকড় (মুখ্য চলন): ণি দা পা, মা পা, গা মা রে সা
- বাদী স্বর: রে (শুদ্ধ ঋষভ)।
- সমবাদী স্বর: পা (পঞ্চম)।
- বর্জিত স্বর: কোনো স্বর বর্জিত নয়।
- ব্যবহৃত স্বর: ঋষভ (রে), গান্ধার (গা), মধ্যম (মা), পঞ্চম (পা), ধৈবত (ধা) এবং নিষাদ (না) মূলত শুদ্ধ; তবে কানাড়া অঙ্গের কারণে গান্ধার ও নিষাদ কোমল (জ্ঞা ও ণি) হিসেবেও বিশেষ কৌশলে প্রযুক্ত হয়। বিশেষ করে শুদ্ধ ধৈবতের (ধা) প্রয়োগ অত্যন্ত প্রকট।
- সময়: রাতের তৃতীয় প্রহর (রাত ১২টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত)।
- প্রকৃতি: রাজকীয়, গম্ভীর এবং ভক্তি ও শৃঙ্গার রসপ্রধান।
রাগ সাহানা হলো ভারতীয় সংগীতের সেই রাজকীয় সুর যা তার বক্র চলন এবং শুদ্ধ ধৈবতের জাদুকরী স্পর্শে শ্রোতাকে মুগ্ধ করে। এটি কেবল একটি রাগ নয়, বরং সুরের এক জটিল ও সুন্দর কারুকার্য। বাগেশ্রী বা আড়ানার সাথে আপাত মিল থাকলেও সাহানা তার নিজস্ব আভিজাত্যে ভাস্বর। মধ্যরাত্রির নিস্তব্ধতায় যখন সাহানার আলাপ শুরু হয়, তখন তা পার্থিব জগতের কোলাহল ছাপিয়ে এক অনন্য আধ্যাত্মিক ও রাজকীয় উচ্চতায় শ্রোতাকে নিয়ে যায়।
রাগ সাহানা সম্পর্কে ধারণা নিতে নিচের ভিডিওটি দেখুন:
সংশ্লিষ্ট বা রিলেটেড রাগসমূহ
রাগ বাগেশ্রী: সাহানার কাছাকাছি রাগ; তবে সাহানার শুদ্ধ ধৈবত প্রয়োগই বাগেশ্রীর ভ্রম ভেঙে সাহানাকে প্রতিষ্ঠিত করে।
রাগ আড়ানা: আড়ানার সাথে মিল থাকলেও সাহানার শুদ্ধ ধৈবতের বিপরীতে আড়ানার কোমল ধৈবত একে পৃথক করে।
রাগ বাহার: বাহারের সাথে সাহানার কিছুটা কাঠামোগত মিল লক্ষ্য করা যায়।
রাগ দরবারী কানাড়া: কানাড়া পরিবারের রাগ হিসেবে দরবারীর গাম্ভীর্যের সাথে সাহানার এক ধরণের দূর সম্পর্ক বিদ্যমান।
রাগ নায়কী কানাড়া: কানাড়া অঙ্গের মিল থাকলেও এর চলন ও স্বর বিন্যাস ভিন্ন।
কণ্ঠ সঙ্গীতে সাহানা:
কাজী নজরুল ইসলামের গানে রাগ সাহানা:
নজরুলের অনেক গান রাগাশ্রয়ী। নির্দিষ্ট রাগের আশ্রয়ে যে গানগুলোতে সুর করা হয়েছে, সেগুলোর পুরো সুরে রাগের অবয়ব বজায় রাখার চেষ্টা থেকেছে; খুব বেশি রাগভ্রষ্ট হয়নি। তাই নজরুলের গানগুলো কান তৈরিতে বেশি উপযোগী বলে আমার কাছে মনে হয়।
১. বিরহের নিশি কিছুতে আর চাহে না পোহাতে ওগো প্রিয় (একতাল)
২. অয়ি চঞ্চল-লীলায়িত-দেহা চির-চেনা (রাগঃ সাহানা-বাহার, তালঃ কাহার্বা)
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের গানে রাগ সাহানা:
কবিগুরু তার অনেক কম্পোজিশনে প্রচলিত রাগের আশ্রয় নিলেও অনেক সময় রাগের কাঠামোতে তিনি আটকে থাকতে চাননি। তাঁর সুরের পথ রাগের বাইরে চলে গেছে প্রায়শই। আমার কাঁচা কান যা বলে, তাতে বিশুদ্ধ রাগাশ্রয়ী গান হিসেবে তাঁর গান অনেক ক্ষেত্রেই খুব ভালো উদাহরণ নয়। তবে কবিগুরুর প্রচুর গান সাহানায় কম্পোজ করা। আমার তো মনে হয়, ভৈরবী টাইপ খুব কমন রাগ বাদ দিয়ে একক রাগ ধরলে, তাঁর সবচেয়ে বেশি গান কম্পোজ করা হয়েছে যেসব রাগে, সাহানা তার মধ্যে একটি।
১. দুটি প্রাণ এক ঠাঁই তুমি তো এনেছ ডাকি (আনুষ্ঠানিক পর্বের এই গানটি ঝাঁপতালে বাঁধা। রচনাকাল বঙ্গাব্দ ১২৯১, খৃষ্টাব্দ ১৮৮৫। গানটির স্বরলিপিকার ইন্দিরা দেবী।)
২. আমি জ্বালবো না মোর বাতায়নে (পূজা পর্বের এই গানটি দাদরা তালে নিবদ্ধ। গানটির রচনা কাল ১৩২৬ (বঙ্গাব্দ), ১৯১৯ (খৃষ্টাব্দ)। গানটির স্বরলিপিকার দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর।)
৩. মম মন উপবনে চলে অভিসারে (প্রকৃতি পর্বের এই গানটি কাহারবা তালে নিবদ্ধ। গানটির রচনা কাল কার্তিক, ১৩৪১ (বঙ্গাব্দ), ১৯৩৪ (খৃষ্টাব্দ)। গানটির স্বরলিপিকার শৈলজারঞ্জন মজুমদার।)
৪. শুধু তোমার বাণী নয় গো হে বন্ধু (পূজা পর্যায়ের ঝাঁপতালে বাঁধা এই গানটির রচনাকাল ১৮ ভাদ্র, ১৩২১ (বঙ্গাব্দ) ১৯১৪ (খৃষ্টাব্দ), রচনাস্থান শান্তিনিকেতন। গানটির স্বরলিপিকার দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ইন্দিরা দেবী।)
৫. হার-মানা হার পরাব তোমার গলে ( পূজা পর্বের এই গানটি দাদরা তালে নিবদ্ধ। গানটির রচনা কাল ৭ বৈশাখ, ১৩১৯ (বঙ্গাব্দ), ১৯১২ (খৃষ্টাব্দ)। গানটির স্বরলিপিকার সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, ভীমরাও শাস্ত্রী।
৬. অকারণে অকালে মোর পড়ল যখন ডাক ( পূজা পর্বের এই গানটি দাদরা তালে নিবদ্ধ। গানটির রচনা কাল ১৩২৫ (বঙ্গাব্দ))
৭. ডেকেছেন প্রিয়তম, কে রহিবে ঘরে।
৮. নিবিড় ঘন আঁধারে জ্বলিছে ধ্রুবতারা।
৯. মেঘের ‘পরে মেঘ জমেছে, আঁধার করে আসে (মিশ্র সাহানা)
১০. অগ্নিবীণা বাজাও তুমি কেমন ক’রে!
১১. আজ বুঝি আইল প্রিয়তম, চরণে সকলে আকুল ধাইল।।
১২. আজি মর্মরধ্বনি কেন জাগিল রে!
১৩. আমার খেলা যখন ছিল তোমার সনে
১৪. আমার আপন গান আমার অগোচরে আমার মন হরণ করে,
১৫. আমি জ্বালব না মোর বাতায়নে প্রদীপ আনি
১৬. আমি শ্রাবণ-আকাশে ওই দিয়েছি পাতি
১৭. একবার বলো, সখী, ভালোবাস মোরে–
১৮. কমলবনের মধুপরাজি, এসো হে কমলভবনে।
১৯. কী গাব আমি, কী শুনাব, আজি আনন্দধামে।
২০. কেমনে রাখিবি তোরা তাঁরে লুকায়ে
২১. ঘন কালো মেঘ তাঁর পিছনে,
২২. জড়ায়ে আছে বাধা, ছাড়ায়ে যেতে চাই
২৩. জীবনে আমার যত আনন্দ পেয়েছি দিবস-রাত
২৪. তাঁহার অসীম মঙ্গললোক হতে
২৫. তুমি যে চেয়ে আছ আকাশ ভ’রে,
২৬. দুই হৃদয়ের নদী একত্র মিলিল যদি
২৭. দুই হৃদয়ের নদী একত্র মিলিল যদি
২৮. দুইটি হৃদয়ে একটি আসন পাতিয়া বসো হে হৃদয়নাথ।
২৯. দোষী করিব না, করিব না তোমারে
৩০. ধনে জনে আছি জড়ায়ে হায়
৩১. নিশি না পোহাতে জীবনপ্রদীপ জ্বালাইয়া যাও প্রিয়া,
৩২. বড়ো বিস্ময় লাগে হেরি তোমারে।
৩৩. বসন্ত তার গান লিখে যায় ধূলির ‘পরে কী আদরে॥
৩৪. ভুবন হইতে ভুবনবাসী এসো আপন হৃদয়ে।
৩৫. মম অন্তর উদাসে
৩৬. মুখপানে চেয়ে দেখি, ভয় হয় মনে–
৩৭. যখন তুমি বাঁধছিলে তার সে যে বিষম ব্যথা–
৩৮. যদি প্রেম দিলে না প্রাণে
৩৯. যারা কাছে আছে তারা কাছে থাক্, তারা তো পারে না জানিতে–
৪০. যে ধ্রুবপদ দিয়েছ বাঁধি বিশ্বতানে
৪১. রাজরাজেন্দ্র জয় জয়তু জয় হে।
৪২. শুভদিনে শুভক্ষণে পৃথিবী আনন্দমনে
৪৩. সকল হৃদয় দিয়ে ভালো বেসেছি যারে,
৪৪. সকল হৃদয় দিয়ে ভালোবেসেছি যারে সে কি ফিরাতে পারে, সখী।
৪৫. সকলকলুষতামসহর, জয় হোক তব জয়–
৪৬. সফল করো হে প্রভু আজি সভা, এ রজনী হোক মহোৎসবা ॥
৪৭. সে কোন্ পাগল যায় যায় পথে তোর, যায় চলে ওই-একলা রাতে–
৪৮. স্বর্ণবর্ণে সমুজ্জ্বল নব চম্পাদলে
৪৮. হে মহাজীবন, হে মহামরণ, লইনু শরণ, লইনু শরণ ॥
৪৯. হেরি অহরহ তোমারি বিরহ ভুবনে ভুবনে রাজে হে।
ফিল্মের গানে রাগ সাহানা:
১. Jhuka Jhuka Ke Nigahen (Miss Coca Cola) – Mukesh, Asha Bhosle ( ঝলক পাওয়া যাবে)
ভজনে রাগ সাহানা:
১. (লিংক পরে দেয়া হবে)
সাহানা রাগে খেয়াল:
১. কিরানা/ইন্দোর ঘরানার ওস্তাদ আমীর খান সাহেব এর- সাহানা ১, সাহানা ২
২. পাতিয়ালা ঘরানার ওস্তাদ আমানত আলি খান ও বড় ফাতেহ আলী খান এর – সাহানা তারানা। বড় ফাতেহ আলী খান এর – সাহানা
৩. শ্রীমতী মালবিকা কানন এর – সাহানা
৪. জয়পুর ঘরানার শিল্পী কিশোরী আমনকারের গলায় – সাহানা
৫. রামপুর সহসওয়ান ঘরানার ওস্তাদ রশিদ খানের – সাহানা
৬. শ্যাম চৌরাসিয়া (শ্যামচুরাসি) ঘরানার ওস্তাদ সালামত আলী খান এর – সাহানা
৭. শ্যাম চৌরাসিয়া (শ্যামচুরাসি) ঘরানার ওস্তাদ মুবারক আলী খান এর – সাহানা
৮. পণ্ডিত ভেঙ্কটেশ কুমার এর – সাহানা
অন্যান্য:
১. বড় ফাতেহ আলী খাঁ সাহেবের (সাহানা তারানা)
যন্ত্রে সাহানা:
সেতারে সাহানা:
১. ইমদাদখানী-ইটাওয়া ঘরানার ওস্তাদ বিলায়েত খাঁ সাহেবের – সাহানা
২. ইমদাদখানী-ইটাওয়া ঘরানার ওস্তাদ শহীদ পারভেজ খানের সেতারে – সাহানা
৩. ইমদাদখানী-ইটাওয়া ঘরানার পণ্ডিত বুধাদিত্য মুখোপাধ্যায় সেতারে – সাহানা
সরদে সাহানা:
১.মাইহার ঘরানার খলিফা ওস্তাদ আলী আকবর খানের সরদে- সাহানা (লিংক পরে দেয়া হবে)।
২. পণ্ডিত বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের সরদে- সাহানা (লিংক পরে দেয়া হবে)।
3. ওস্তাদ আমজাদ আলি খানের সাহানা (আলাপ, জোড় ও ঝালা)

টিউটোরিয়াল:
যেকোনো রাগের স্বরের চলাফেরা বোঝার জন্য ২/৫ টি স্বর-মালিকা বা সারগম-গীত শোনা দরকার। স্বর মল্লিকার পাশাপাশি দু একটি লক্ষণ গীত (বা ছোট খেয়াল) শুনলে সহজ হতে পারে। লক্ষণ গীত মূলত শেখানো হয় রাগের লক্ষণগুলো সহজে ধরতে। লক্ষণ গীত ছোট খেয়াল প্রায় একই কাজ করে। অনলাইনে অনেক গুলো আছে। একটু খোঁজাখুঁজি করলে পেয়ে যাবেন। স্যাম্পল হিসেবে নিচের দুটো লিংক দেয়া হল।
১. রাগ সাহানার স্বরমল্লিকা (লিংক পরে দেয়া হবে)।
২. এনিসিআরটির টিউটোরিয়াল (লিংক পরে দেয়া হবে)।
তথ্যসূত্র:
১. পণ্ডিত বিষ্ণুনারায়ণ ভাতখণ্ডে — ‘হিন্দুস্তানি সংগীত পদ্ধতি’ (খণ্ড ৩ ও ৪): কাফী ঠাট ও কানাড়া পরিবারের রাগসমূহের বিশ্লেষণের জন্য।
২. বসন্ত — ‘সংগীত বিশারদ’ (সংগীত কার্যালয়, হাতরস): রাগের জাতি, বাদী-সমবাদী এবং আরোহ-অবরোহ যাচাইয়ের জন্য।
৩. বিমলকান্ত রায় চৌধুরী — ‘ভারতীয় সংগীতকোষ’: সাহানা ও সাহানা কানাড়ার বিতর্ক এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের জন্য।
৪. সঙ্গীত রিসার্চ একাডেমী (SRA): রাগের সময়কাল এবং গায়নশৈলীর প্রামাণ্য রূপ ও কর্ণাটকী পদ্ধতির তুলনামূলক তথ্যের জন্য।
৫. পণ্ডিত ওমকারনাথ ঠাকুর — ‘প্রণব ভারতী’: রাগের রসতাত্ত্বিক ও বক্র চলন সংক্রান্ত বিশদ আলোচনার জন্য।

সিরিজের বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল সূচি:
- গান খেকো সিরিজ- সূচি
