বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরামের বিশেষ আয়োজন

বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের বন্দীদশা থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে ঐতিহাসিক এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে এক ব্যতিক্রমী চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে শিল্পীদের সংগঠন ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরাম।

২০১৮ সালের ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরাম শিল্পকলা একাডেমিতে চিত্রশিল্পী শেখ আসমানের কাঠখোদাই ছাপচিত্রের একক প্রদর্শনী "পুরুষোত্তম"-এর আয়োজন করে। সুফি ফারুক ইবনে আবুবকরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এতে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তরুণ প্রজন্মের মাঝে তাঁর আদর্শ ছড়িয়ে দিতে উদীয়মান চিত্রশিল্পী শেখ আসমানের বিরল কাঠখোদাই ছাপচিত্রের (Woodcut Print) একক প্রদর্শনী “পুরুষোত্তম”-এর আয়োজন করা হয়। ১০ই জানুয়ারি ২০১৮, বুধবার সন্ধ্যায় এই বর্ণাঢ্য প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধুর প্রত্যক্ষ স্নেহধন্য, চারণ রাজনীতির প্রবাদ-পুরুষ মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

 

২০১৮ সালের ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরাম শিল্পকলা একাডেমিতে চিত্রশিল্পী শেখ আসমানের কাঠখোদাই ছাপচিত্রের একক প্রদর্শনী "পুরুষোত্তম"-এর আয়োজন করে। সুফি ফারুক ইবনে আবুবকরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এতে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

জাতীয় শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা প্লাজায় আয়োজিত এই প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরাম-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর।

ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের স্মৃতিচারণ করে ২০১৮ সালের সেই সন্ধ্যায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন:

“দেশের প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে ভালোবাসা ছিল, এমন অকৃত্রিম ভালোবাসার উদাহরণ বিশ্বে বিরল। ফাঁসির মঞ্চ ও জীবন-মৃত্যুর কঠিন চ্যালেঞ্জের ভয়ংকর অধ্যায় পার হয়ে তাঁর সারাজীবনের স্বপ্ন, সাধনা ও নেতৃত্বের ফসল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে মহান নেতার প্রত্যাবর্তন বাংলার সকল স্তরের জনগণকেই সীমাহীন আনন্দে উদ্বেলিত করেছিল। সেদিন রেসকোর্স ময়দানে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেছিলেন—তাঁর সারাজীবনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছে।”

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন:

“আমি বিশ্বাস করি, আমরা যতদিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত থাকব, ততদিন আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অটুট থাকবে। আমাদের মহান নেতা সেদিন সবাইকে ‘সোনার বাংলা’ গড়ার ডাক দিয়েছিলেন। দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা সবাই সেই লক্ষ্য অর্জনে সফল হব।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বরেণ্য চিত্রশিল্পী হাশেম খান, মোহাম্মদ এ. আরাফাত, অ্যাডভোকেট শাহ আজিজুল হকসহ দেশের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ববৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরাম-এর পক্ষ থেকে প্রধান অতিথি মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মহোদয়কে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেন।