স্বাগতম কুকস্ প্যালিট

মুরগি বরগা দেয়া টাইপ বিনিয়োগ ছাড়া, আমার জীবনের প্রথম প্রপার পার্টনারশিপ উদ্যোগ ক্লাস ৪এ পড়ার সময়। স্কুল ড্রপ বন্ধু জহিরের সাথে হাওয়াই মিঠায়ের কল।

এক বড় ভাই প্রথম ট্রেড লাইসেন্স করে দিয়েছিলেন ক্লাস ৮ এ পড়ার সময়। এর পর থেকে – কার্ডের দোকান, আইটি-কৃষি-মৎস্য-পরিবহন-রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, চাল-ডাল-দুধ প্রডাক্ট, ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান, দৈনিক পত্রিকা, কারিগরি-সৃষ্টিশীল প্রকাশনা, শেয়ার, কনসালটেন্সি, ইন্ডাস্ট্রি কেমিকেল, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল- কত ব্যবসাই না করলাম।
এত কিছু করেও কি হল? আগেও পকেটে টেকাটুকা থাকত না, এখনও থাকে না।

আমার মাননীয় স্ত্রী সম্পূর্ণ উল্টো ছিলেন। ব্যবসা বাণিজ্যের কথা তাকে বোর করতো, জমি কেনা বিষয়টা টিপিক্যাল কায়স্ত রোগ, অর্থের হিসেব সবচেয়ে বড় অনর্থ কাজ ইত্যাদি ইত্যাদি। কেমন সুইট আলাভোলা ভাল মানুষটা ছিল বিয়ের আগে। মুখ শুকনা করলে নিজে থেকেই সেধে টেকাটুকা দিত, ফোনের কার্ড কিনে দিত, পারফিউম এটা সেটা, আরও কত কি! কিন্তু বিয়ের পরে কেমন যেন বদলে গেল। সন্ধ্যা বেলা দুঃখী মুখ করে বসে থাকলেও, মাত্র চারটে হাজার টাকা দেয় না। এদিকে আমার সবগুলো চেকবই আটকে রাখে। প্রিয় চেকবই এর সংস্পর্শ পাই সুধু সই করার সময়টুকুতে।

অথচ আশ্চর্যজনক ভাবে সর্বদায় দেখি তার হাতে টাকা ফোটে। লক্ষ লক্ষ টাকার বেকিং-শেকিং এর সরঞ্জাম আসে। যে বস্তু আমি একদম খাই না, লাখ টাকা খরচ করে সে বস্তু রেঁধে মানুষ ডেকে খাওয়ানো হয়। এরপর রাত জেগে কে কি প্রশংসা করলো সেটা শোনা লাগে। বলেন – কতক্ষণ সহ্য হয়?

বউকে টাইট দেবার জন্য – গত কদিন আগে বিয়ের আগের মত মেজাজে ফুল-টুল নিয়ে এসে প্রেম প্রেম গলায় একটা প্রস্তাব দিলাম। তোমার হোম মেড কেকের একটা দোকান অনলাইনে খুলে দেই। সেই দোকানের মাধ্যমে সারা দেশের মানুষ তোমার কেকের স্বাদ পাবে। একটা মহান কাজ হবে। বিনিময়ে আমায় সন্ধ্যাবেলা সামান্য কিছু পয়সা টয়সা লাগলে ধার দিয়ো। বেশি প্রেম দেখালে পুরানো স্ত্রীরা সন্দেহ করে। তবে ভাবটা ধরে রাখতে পারলে শেষ পর্যন্ত কাজ হয়। সেই লাইনে বৌকে বুঝিয়ে ফেলতে সামর্থ্য হয়েছি। সেখান থেকেই নিচের লিঙ্কের দোকান।

ভাইসব, দ্রুত পাতায় যুক্ত হয়ে যান। আর টেকাটুকা দিয়ে গরম গরম কেক খান।

 

ফেসবুক লিংক : https://www.facebook.com/sufi.faruq/posts/10152730987386589