২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া জেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের পক্ষে এক ব্যতিক্রমী ও তরুণনির্ভর নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালনা করেন সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর। বিশেষ করে কুষ্টিয়া-৩ (কুষ্টিয়া সদর) আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী জনাব মাহবুবুল আলম হানিফ এবং কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী জনাব আব্দুর রউফ-এর নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। সনাতন পদ্ধতির মাইকিং বা মিছিলের বাইরে গিয়ে সমাজের একটি নির্দিষ্ট ও সম্ভাবনাময় অংশকে ভোটের মাঠে নামিয়ে আনা ছিল এই প্রচারণার মূল আকর্ষণ।
সুফি ফারুক দীর্ঘদিন ধরে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন উপজেলায় ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ ও তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে আসছেন। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের এই নীরব বিপ্লবের কারণে কুষ্টিয়ার প্রায় প্রতিটি উপজেলাতেই তাঁর একটি বিশাল পরিচিত এবং অনুসারী তরুণ সমাজ গড়ে উঠেছে। এই তরুণরা তথ্যপ্রযুক্তিতে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি সুফি ফারুকের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় তিনি এই বিশাল আইটি-বান্ধব তরুণ নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে নৌকার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।
প্রচারণার কৌশল হিসেবে সুফি ফারুক প্রচলিত জনসভার চেয়ে সরাসরি সংযোগকে (Direct Contact) প্রাধান্য দিয়েছিলেন। তিনি এসব ফ্রিল্যান্সার ও কর্মমুখী তরুণদের বাড়ি বাড়ি গিয়েছেন, তরুণদের আড্ডার জায়গা বা ক্লাবে সময় দিয়েছেন এবং ছোট ছোট মিলস্থলে ঘরোয়া বৈঠক করেছেন। তিনি তরুণদের বুঝিয়েছেন কীভাবে দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে আইটি এবং ফ্রিল্যান্সিং খাতের বিকাশ অব্যাহত থাকবে। তার এই নিবিড় জনসংযোগের ফলে কুষ্টিয়ার বিশাল একটি তরুণ ভোটার গোষ্ঠী নির্বাচনের মূল ধারার রাজনীতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছিল।