শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের আইন বিভাগ” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের আইন বিভাগ” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮) ।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের আইন বিভাগ” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ

  • জানুয়ারি ২০০৯ হতে ২৯ অক্টোবর ২০১৮ পর্যন্ত নবম ও দশম সংসদে মোট ৩৮৪টি আইন পাস হয়। ৩৭টি বেসরকারি বিলের নোটিশ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৩টি পাসসহ ৩৪টি নিষ্পত্তি হয়। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর সাধারণ আলোচনা হয় ৩০টি।
  • নবম ও দশম সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরের জন্য ৭,২১৭টি নোটিশ পাওয়া যায়। তার মধ্যে ১,৯১৭টি প্রশ্নের জবাব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদান করেন। একই সময় মাননীয় মন্ত্রীদের জন্য মোট ১২০,৮০৯টি প্রশ্নের নোটিশ পাওয়া যায়। ान ৭৯,৬৩৯টি প্রশ্নের জবাব প্রদান করেন।
  • নবম ও দশম সংসদে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদীয় ও মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৩.৫৩৪টি এবং সাব-কমিটির ৬৮০টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটিসমূহের বৈঠকে ২৬,৯৭৯টি সিদ্ধান্ত গৃহী স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে এ৮৪টি বিগ মহান সংসদে উপস্থাপন করা হয়।
  • সংসদে ডেটা সেন্টার স্থাপন ও সংসদ টেলিভিশন কার্যক্রম চালু। সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনকে কার্যকর ও আধুনিকায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ২০১৬ সালে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনের স্টুডিও ডিজিটাল লাইটিং স্থাপনের মাধ্যমে আধুনিকায়ন। বিভিন্ন আঙ্গিকে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনের সম্প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
  • জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় বহিবেষ্টনী ফেন্সিং নির্মাণ। ফেন্সিং নির্মিত হওয়ার সংসদ সংসদ এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ যুক্তরাষ্ট্রের Pennsylvania University Architectural Archives হতে স্থপতি Louis Kahin ডিজাইনকৃত শেরে বাংলা নগরস্থ জাতীয় সংসদ কমপ্লেক্স ও সংশ্লিষ্ট এলাকার মহাপরিকল্পনা এবং এর অন্তর্ভুক্ত অঙ্গের স্থাপত্য নকশার ৪ সেট (৪১টি (কার্ডবোর্ড বক্স) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছেছে। নকশাসমূহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে সংরক্ষিত আছে। জাতীয় সংসদ ভবনে Fire Detection and Alarm System চালু করা হয়েছে।
  • ২০১৪ সাল হতে মাননীয় কর্তা- কর্মচারীগণের সম্মানী, বেতন-ভাতাদি Electronic Fund Transfer (EFT) পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পাদিত হচ্ছে।
  • মাননীয় সংসদ সদস্যের হেজাবীন অনুদান (বারিক জতি) ২০০৯-২০১০ অর্থ-বছরে ছিল ১,০০,০০০/- টাকা, ২০১০-২০১১ থেকে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছর পর্যন্ত ছিল ৩,০০,০০০/- টাকা এবং ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে ৫,০০,০০০/- টাকায় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
  •  সংসদ ভবনস্থ সাংবাদিক লাউতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। সংসন অধিবেশন চলাকালীন সাংবাদিক লাউণ্ড থেকে অধিবেশনের নিউজ কাভারেজ করে তাৎক্ষণিকভাবে নিজ নিজ মিডিয়া হাউজে প্রেরণ করা হচ্ছে।
    জাতীয় সংসদের প্রশাসনিক কাজে কম্পিউটারের সংখ্যা ছিল ৪৯০টি যা বৃদ্ধি পেয়ে bor টিতে, ফটোকপিয়ার মেশিনের সংখ্যা ৭৫টি থেকে ৮৫টিতে উন্নীত। ফ্যাক্স মেশিনের সংখ্যা ৪ দুটি থেকে ৫৭টিতে, কম্পিউটার স্ক্যানার মেশিনের সংখ্যা ২৪টি থেকে ৪৪টিতে উন্নীত করা হয়েছে।
  • সংসদ প্রথম মেডিকেল সেন্টারকে আধুনিকারণ। চোখের চিকিৎসার জন্য অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন, বায়োকেমিস্ট্রি এনালাইজার মেশিন ও অত্যাধুনিক এক্স-রে মেশিন জন্য ও সরবরাহ করা হয়েছে।
  • সময় সংসদ ভবন এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বিধানকল্পে স্থাপিত ৭২টি সিসিটিভি সার্বক্ষণিক মেইনটেল ও মনিটরিং এর ব্যবস্থা গ্রহণ। নিরাপত্তা বিধানকল্পে প্রয়োজনীয় সংখ্যক মনিটর সরবরা
  • সংসদ গ্রন্থাগারকে আরও আধুনিক করতে কম্পিউটার এতদসংক্রান্ত যন্ত্রপাতি সফটওয়্যার সরবরাহ করা হয়।
  • ৫টি এসি কার, ৫২ আসনের ২টি বাস, ৫টি মাইকোবাস, ৩টি এসি মাইক্রোবাস, ১টি এসি মিনিবাস, ৪টি পাজেরো জীপ, ২টি ডাবল কেবিনযুক্ত পিকআপ না করা হয়।
  • সংসদ ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়া আন্তর্জাতিক মানে আধুনিকায়ন। নতুন ক্যান্টিন ‘ক্যাফে জয়িতা” স্থাপন। ফাস্টফুলের চাহিদা মেটানোর জন্য সিপি ফাস্টফুট এর আউটলেট সংসদ ভবনের বাহিরে স্থাপন করা হয়েছে।
  • জাতীয় সংসদের মাননীয় ভিআইপি ও তাদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, মাননীয় এবং সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাগণের ব্যবহারের জন্য অত্যাধুনিক মডেলের ১০০+২০০০ (৩০০০ লাইন পর্যন্ত বর্ধনযোগ্য) লাইন বিশিষ্ট একটি নতুন পিএবিএক্স এক্সচেঞ্জ স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে, যা এ বছরে জনাপূর্বক স্থাপনের কাজ সমাপ্ত হবে।
  • জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ৪৪৮টি বাসা নির্মাণ। বাসাগুলো অত্র সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নামে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।
  • মাননীয় সংসদ সদস্যদের জন্য সংসদ এলাকায় কোন অফিস বন্ধ ছিল না। ৯ম জাতীয় সংসদের সময়কালীন শেরেবাংলা নগর সদস্য ভবনে মাননীয় সংসদ সদস্যদের অনুকূলে ১৯২টি অফিস কক্ষ বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে, যা ১০ম জাতীয় সংসদেও অব্যাহত আছে।
  • মানিক মিয়া এভিনিউ ও নাখালপাড়ার ১০টি সংসদ সদস্য ভবনের গেইটে ১০টি আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টর স্থাপন।
  • ৯ম জাতীয় সংসদ গঠিত হওয়ার পর কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারী এসোসিয়েশনের সদস্য পদ ও ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ানের সদস্যপদ পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া জয় সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব পাস করে উদ্যোগ গ্রহণ করলে আইপিইউ এবং সিপিএ সদর দপ্তর হতে উক্ত সংস্থায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্যপদ পুনর্বহাল করে। ২০১০ সালে ঢাকায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়, UNDP, CPA এবং World Bank Institute (WBI) এর সহযোগিতায় পার্লামেন্টারি বেঞ্চমার্ক ওয়ার্কশপ আয়োজন করা হয় ।
  • ২০১১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ এর অন্তর্ভুক্তকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ২০১২ ঢাকায় Meeting of Parliamentarians of Countries of Mast Vulnerable on Climate Change: Beyond COP-17 অনুষ্ঠিত হয়।
  • ২০১২ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে শিশু গ্যালারি’ স্থাপন করা হয়।
  • ২০১৪ সালে ৬০তম সিপিএ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, এমপি তিন বছরের জন্য সিপিএ নির্বাহী কমিটির প্রথম মহিলা হিসেবে চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন।
  • ২০১৪ সালে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) এর ১৩১তম এসেম্বলিতে ानী न गा জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী তিন বছরের জন্য আইপিইউ-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ হতে তিনিই প্রথম আইপিইউ-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
  • জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, এমপি World Women Leadership Achievement Award 2015 অর্জন করেন।
  • জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পীকার জনাব মোঃ ফজলে রাবিং মিয়া, এমপি ২০১৬ সালে আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন গোল্ড মেডেল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।
  • বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ সদস্য বেগম সাগুফতা ইয়াসমিন, ১৭২ মুন্সিগঞ্জ-২ Commonwealth Women Parliamentarians (CWP) এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০১৭ সালের জন্য নির্বাচিত হন।
  • ২০১৬ সালে জনাব এ.বি.এম. ফজলে করিম চৌধুরী, এমপি আইপিইউ-এর হিউম্যান রাইটস্ কমিটি অব পার্লামেন্টারিয়াগ এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
  • বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ও ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) এর যৌথউদ্যোগে ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকায় আইপিইউ এর ১৩৬তম এসেম্বলি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
  • ২০১৭ সালের ১-৮ নভেম্বর কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশন (সিপিএ)-এর ৬৩তম সম্মেলন সফলভাবে আয়ো
  • জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা অর্পন বিধিমালা, ২০১০ প্রণয়ন
    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুরূপ সরাসরি/পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে ভগ্নাংশ পূর্ণসংখ্যায় পদোন্নতির সাথে যুক্ত করে নিয়োগ বিধি সংশোধন।
  • ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর বিভিন্ন ক্যাটাগরির ৩৬৯টি নতুন পদ সৃজন কমিটির মাননীয় সভাপতিগণের জন্য ৪২টি পিএ এবং ৪২টি অফিস সহায়কের প্রিভিলের পদ সুজন। আউটসোর্সিং এর ২৬টি পদ সৃজন করা হয়েছে।
  • ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির বিভিন্ন ক্যাটাগরির গদে ৩০০ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ করা হয়েছে এবং ২১১টি পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে। মাননীয় সংসদ সদস্যদের পিএ-কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে ২৫০ জন কর্মচারীকে প্রিভিলেজ পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়।
  • ২০১০ সালে ব্রডকাস্টিং এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি নামে একটি উইং সৃজন করা হয়। এবং প্রটোকল এন্ড ভিজিট, গণসংযোগ-২, প্রোগ্রামিং, নিউ এডিটিং, টেকনিক্যাল এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি নামে ৯টি অধিশাখা সুজন, আইপিআর-১, আইপিআর-২ ডিসিপ্লিন এন্ড প্রিভিলেজ শাখা ও ৭টি কমিটি শাখাসহ মোট ১০টি নতুন শাখা সূজন এবং ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং সেল গঠন করা হয়।
  • ০২ টি উপ-সচিবের সুপারনিউমারারি পদ গুঞ্জনপূর্বক জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ১৪টি উপ-সচিব পদে এবং ৬টি বিভিন্ন ক্যাটাগরির পরিচালক পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়।
  • যুগ্ম-সচিবের ৪টি পদের মধ্যে ২টি পদকে অতিরিক্ত সচিব পদে উন্নীত করা হয়। ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের ৩য় শ্রেণির বিভিন্ন পদে পদোতির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে নিয়োগবিধি সংশোধন করা হয়।
  • মাননীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ১২৭টি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ/গুরিয়োস্টেশন/কর্মশালা অনুষ্ঠিত। ২৯ জন কর্মকর্তাকে ভারতের লোকসভা নয়াদিল্লীতে পার্লামেন্টারি ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান।
  • কাস্টমাইজড সফটওয়্যারের মাধ্যমে ২০১২ সাল হতে মাননীয় সংসদ সদাগর এবং সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ডেটাবেজ সংরক্ষণ করা হয় এবং সংসদের নিজস্ব ডাইনামিক ওয়েবসাইট ও ওয়েব মেইল এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
  •  জাতীয় ও আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে স্টুডিও ও মাস্টার কন্ট্রোল রুমের সম্প্রচার সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি সংগ্রহ।
  • সংসদের ১ নং এলডি হলের ২য় তলায় সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনের স্টুডিও-তে লাইট সংস্থাপন। আধুনিক প্রযুক্তির বর্ণিত সাইক্লোরোমা লাইটসহ ১০০ ও ২০০ আটি ক্ষমতাসম্পন্ন এলইডি লাইট দ্বারা স্টুডিওটি সজ্জিত করা হয়েছে। বর্তমানে এ স্টুডিও-তে অনুষ্ঠ নির্মাণ করা হচ্ছে।

লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ

  • রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বস্তরে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনে নতুন নতুন আইন প্রণয়ন ।
  • ২০০৯-২০১৮ (জুন) সময়কালে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সহায়তায় নিম্নলিখিত সংখ্যক আইন, অধ্যাদেশ, এস আর এ ইত্যাদি প্রণয়নসহ চুক্তি নিরীক্ষা করা হয়েছে  যথা :

 

বাংলাদেশের আইন বিভাগ

 

  • এ বিভাগের অনুবাদ দত্তর হতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আইন, বিধিমালা, চুক্তি ও সমঝোতা- স্মারক ইত্যাদির নির্ভরযোগ্য অনুদিত পাঠ প্রদান করা হয়েছে।
  • ২০০৯ সালে সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন, ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত আইন যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে ট্রেডমার্ক আইন, তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তথ্য অধিকার আইন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের জন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ভোটার তালিকা আইন, পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প (ভূমি অধিগ্রহণ) আইন, ইত্যাদি আইন প্রণয়ন।
  • লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের আইসিটি সেল কর্তৃক প্রচলিত আইনের হালনাগাদ অবস্থা নিয়মিত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হচ্ছে। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ মানবাধিকার কমিশনকে প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
  • ২০১০ সালে দেশের সকল নাগরিককে বিনোদনের মাধ্যমে মহাকাশ বিজ্ঞান সম্পর্ক ঠি ধারণা ও তথ্য প্রদানের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার আইন, বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ও সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর আইন, বীমা শিল্পের নিয়মতান্ত্রিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়নে ও বিকাশের লক্ষ্যে – সংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন প্রণয়ন করা হয়েছে ||
  • বেসরকারি পর্যায়ে মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, গ্যাস সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ গ্যাস আইন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন প্রণয়ন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ আইন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক আইন, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন, ইত্যাদি উল্লেখযোগ
  • ইউনেস্কো কর্তৃক ভাষা শহিদ দিবস ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করানা পরিপ্রেক্ষিতে দেশের অভ্যন্তরে মাতৃভাষার উন্নয়ন ও সংরক্ষণ এবং রিনিশ্বে বাংলা ভাষার প্রচার ও প্রসারে আর্জাতিক ইনস্টিটিউট আইন,
  • ২০১১ সালে দুর্নীতি প্রতিরোধে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশকারীকে ভাই প্রদানের লক্ষ্যে জনস্বার্থ সংকি (এন) আইন, ভবঘুরে ও নিরাশ্র বাতিদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ভবঘুরে ও নিরাশ্রয় প ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প (ভূমি অধি আইন, ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য আইন প্রণয়ন করা হয়। একই বছরে ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধের পরিষদ কর্তৃক গীত মূল সংবিধানের চেতনা পুনরুদ্ধার এবং সংবিধানের অন্যতম মূল স্তম্ভ তরে নাহি রক্ষার স্বার্থে সামরিক ফরমান অধ্যাদেশ যারা সংবিধানের বিভিন্ন বিলুপ্ত অনুচ্ছেদসমূহ পুনঃপ্রণয়নের অভিপ্রায়ে সংবিধান (পঞ্চদশ
  • মানব পাচার, মানিলন্ডারিং ২০১২ সাে পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, অপরাধ সম্পর্ক বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন আইনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন করা হয়।
  • সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশেও পরমাণু শক্তি ও বিকিরণ উৎসের ব্যবহারের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মান ও চাহিদার সাথে সঙ্গতি দেখে একটি স্বাধীন পরমাণু শক্তি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা, নিউক্লীয় নায় পরিধি নির্ধারণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রাণী সারাক্ষণ, ভূমিকম্পের ঝুঁকি, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ঝুঁকি, ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলা, বিভিন্ন প্রকারের সেনা বা ভূমি স্থাপন বিষয়, দেওয়ানী ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থার মা দীর্ঘসূত্রিতা হ্রাসকরে, বিশেষ ক্ষেত্রে, বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি, হিন্দু নারীদের প্রতারণা হতে রক্ষা এবং হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন নানির ব্যবহার গ্রা করে নবায়নযোগ্য জ্বাল জ্বালানির সংরক্ষণ এবং দক্ষ ব্যবহানের লক্ষ্যে ২০১২ সালে বেশ কিছু আইন প্রণয়ন।
  • ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন আন্তর্জাতিক আইনের অধীন সংঘটিত মান বিভিন্ন যেমন- অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি অপরাধের বিচারের ক্ষে বিদ্যমান আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধন করে জাতিকে কলংকমুক্ত করার পর
  • ২০১৩ সালে সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা, অন্যান্যের মধ্যে, পণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী সম্পর্কিত, বিশেষত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হতে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল এবং ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হতে ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর সময়ের মধ্যে জারিকৃত অধ্যাদেশসমূহ অনুমোদন সম (Ratification and Confirmation) ধানের চতুর্থ তফসিলের অনুচ্ছেদ কে ও ১৮ এবং ১৯ বিলুপ্ত হত্যার এবং সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভা রায়ে সংবিধান (পঞ্চম সংশোধন) আইন, ১৯৭১ এবং সংবিধান (সংশোধন) আইন, ১৯৮৬ এর ধারা ৩ বাতিল ঘোষিত হও্যায় উক্ত সময়ের মধ্যে জারিকৃত অধ্যাদেশসমূহ ও এসবের অধীন কৃত কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বহাল রাখার লক্ষ্যে মোট ১৬৬টি অধ্যাদেশ এর হেফাজত দিয়ে পৃথক দুটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
  • অসহায় অবস্থায় থাকা নমোঃবৃদ্ধ বাবা-মা, দাদা-দাদী নানা-নানীর প্রতি তাদের সন্তানাদি দায়িত্ব ও কর্তন সম্পর্কিত বিষয়ে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১০ প্রণয়ন করা হয়।
  • ২০১৩ সালে একটি সংশোধনী আইন প্রণয়নের মাধ্যমে ২০০১ সালে প্রণীত অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন ও বাস্তবভিত্তিক প্রয়োগ নিশ্চিতনাপের সম্পত্তি বাতিল এবং উক্ত তফসিলভুক সংশ্লিষ্ট অর্পিত সম্পত্তি বিষয় না করা হয়েছে।
  • জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত সংসদে রাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গের উচ্চ আদালতের বিচারকদের নীতি বিশ্বের অধিকাংশ তান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিদ্যমান রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে সংবিধানের বিদ্যমান ১৬ অনুচ্ছেদের (২), (৩), (6), (৫), (৬), (৭) ৩ (৮) এর পরিবর্তে ১৯৭২ সনের সী অনুচ্ছেদের দফা (২), (৩) (8) প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের কোন বিচারককে সংসদের মাধ্যমে অপসারণের বিধান পুন্যতার্তনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে সংবিধান (ষোড়শ সংশোধন) আইন, ২০১৪ পাশ করা হয়।
  • ১৭৯৯ সাল থেকে ২০১৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত হালনাগাদ করে কালানুক্রমিক সূচিপসসহ ৪২ শরে বাংলাদেশ কোড মুদ্রণ ও প্রকাশ করা হয়েছে ২০১৭ সালে।
  • ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পদক্ষেপ হিসেবে লজ অব বাংলাদেশ নামক একটি ওয়েবসাইট (http://bdlaws.minlaw.gov.bd) প্রস্তুত করা হয়েছে এবং সেখানে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনসমূহ নিয়মিত করা হচ্ছে। লে এখন পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে এই ওয়েবসাইট সার্চ করে বাংলাদেশে প্রচলিত যেকোন ভাইনের সর্বশেষ অবস্থা

নির্বাচন কমিশন

  • সকল দলের মতামত নিয়ে সার্চ কমিটির মাধ্যমে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
  • ছবিসহ ভোটার তালিকা না করে নির্মিত বিভাগ, জেলা, উপজেলা/থানা ৩৫ হাজার ৬৩৩ টাকা নামে কনষ্ট্রাকশন অব উপজেলা এ সার্ভার স্টেশনস যার ইলেইনা ভাই (CSSED রয়েছে।
  • ১৮৮.৩৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য স্মার্ট জাতীয় পরিচয় পত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। স্মার্ট কার্ড বিতরণকালে ব্যাক্তির দশ আঙুলের ও চোখের বর্ণীনিকার প্রতিচ্ছবি নেয়া হচ্ছে।

 

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আইন বিভাগ খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)

 

  • Candidate Information Management System 1 Result Management System সফটওয়্যাটি ব্যবহারের ফলে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় তি বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিচার বিভাগ

  • মিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসির স্থান দানের জন্য ২ হাজার ৩৮৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা সদরে চিফ জুডিসিয়াল মা পর্যায় ফেব্রুয়ারি ২০০৯ হতে জুন ২০২০ ২য় সংশোধন” একবার করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল ॥ ২টি জেলার ১২ তলা ভিত বিশিষ্ট ৮/১০ তলা আদালত ভবন নির্মাণ করা এবং অন্য ২২টি জেলার আদালত ভবন নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ করা।
  • এই প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ২০টি জেলার অন্য উদ্বোধন করা হয়েছে এবং এগুলোতে নিচারিক কাজ চলছে। ফলে এসব জেলায় জুডিসিয়া ম্যাজিস্ট্রেসির বিচারকদের না, তা রেকর্ড রুম এবং সা
  • ২০১৪-২০১৭ সময়ে ১৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৭টি জেলার বিদ্যমান পূর্ণের জেলা জজ আদালত ভবনগুলো উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
  • ২০০৯-২০১২ সময়ে ১৩ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ঢাকা ভবনের ৫ম তলা হতে ১০ম তলা পর্যন্ত এবং মানা কাম পুলিশ ব্যারাকের তলা হতে ৬ষ্ঠ তলা পর্যন্ত উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
  • বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের স্থান সঙ্কুলানের জন্য ২০১০-২০১৩ সময়ে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনের ৬ষ্ঠ তলার উপর ৭ম, ৮ম, ৯ম এবং ১০ম তলার আংশিক উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
  • আইন কমিশনের স্থান সঙ্কুলানের জন্য ১৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে বর্তমানে এটিকে ১২ তলা পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
  • জুলাই/২০০৯ থেকে জুন/২০১৮ পর্যন্ত ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বাগেরহাট, রংপুর,

 

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আইন বিভাগ খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)

 

নেত্রকোনা ও হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতি ভবন নির্মাণ ও বইপুস্তক বাবদ ৬৬ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ।

  • বিচারকার্য মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ২০০১-২০১৮ পর্যন্ত ৯টি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ১৯টি চৌকি আদালত স্থাপন করা হয়েছে।
  • সন্ত্রাস বিরোধী মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ২টি সন্ত্রাস বিরোধী। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করা হয়েছে এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর বিভাগীয় শহরে আরও ৫টি সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করা হচ্ছে।
  • এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আরও ৪১টি নারী ও শিশু। নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করে সেগুলোতে বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
  • ঢাকার ১টি সাইবার ক্রাইম ট্রাইবুনাল স্থাপন করা হয়েছে।
  • ২০১০ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগে ৬৫জন এবং অধস্তন আদালতে ৮৮৩ জন। বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
  • জুলাই/২০০৯ থেকে জুন/২০১৮ পর্যন্ত অধস্তন আদালত/ ট্রাইব্যুনালে কর্মরত বিজ্ঞ বিচারকগণের যাতায়াতের সুবিধা ১৭৬টি সিডান কার টি মাইনাস বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
  • মানবসম্পদের উন্নয়নের জন্য ২০০৯-২০১৮ পর্যন্ত বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ৩,৫১৩ জন বিচারক, ২২৮ জন জিপি-পিপি ও ৭২৫ জন কর্মচারিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
  • এছাড়া ২০১৭ এবং ২০১৮ সালের জুলাই পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় ২২৩, ভারতে ১৮৪ ও জাপানে ১৫ জনসহ মোট ৪২২ জন বিচারককে বিদেশে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
  • বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও এজলাস সঙ্কট নিরসনের পাশাপাশি সরকার বর্তমানে মামলা ব্যবস্থাপনার দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে। ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ঢাকায় সলিসিটরের নেতৃত্বে মনিটরিং সেল গঠন এবং জাতীয় পর্যায়ে National Justice Co-ordination Committee গঠন করেছে। এছাড়া বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।
  •  বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের অনুমোদন সাপেক্ষে সরকার অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনির্ভাসিটিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ ভাস্কর্য স্থাপন করেছে। বিশ্বের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্য স্থাপন এটিই প্রথম।
  • দরিদ্র অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সরকারিভাবে আইনি সহায়তা প্রদান করার লক্ষ্যে সরকার দেশের ৬৪টি জেলা সদরে এবং সুপ্রিম কোর্টে লিগাল এইড অফিস স্থাপন করেছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে শ্রমিক আইন সহায়তা প্রদান সেল চালু করেছে। লিগ্যাল এইড অফিসগুলোতে ১৯২টি সহায়ক কর্মচারীর পদ সৃজন করে সেগুলোতে নিয়োগ দিয়েছে।
  • এছাড়া আইনি পরামর্শ প্রদানের জন্য ২০১৬ সালে টোল ফ্রি জাতীয় হেল্প লাইন কল ১৬৪৩০ চালু করেছে। জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিবছর ২৮ এপ্রিল জাতীয়ভাবে আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন এবং সভা সেমিনার করছে।
  • ২০০৯ সাল থেকে জুন/২০১৮ পর্যন্ত জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার মাধ্যমে। তিন লক্ষ ২২ হাজার ৭৬৭ জন আইনি সেবা নিতে সক্ষম হয়েছেন।
  • অল্প সময়ে, অল্প খরচে ও সহজে বিচারিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বিচার বিভাগে তথ্য- প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে। বিভিন্ন আদালত। ট্রাইব্যুনালে কম্পিউটার ও ল্যাপটপ সরবরাহ করা হয়েছে।
  • জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ড মামলার বিচার করেছে। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিচার করেছে।
  • জেলা রেজিস্ট্রি অফিস এবং সাব-রেজিস্ট্রি অফিসসমূহকে ভৌত অবকাঠামো সুবিধা
  • প্রদানের লক্ষ্যে ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ১৮টি জেলা রেজিস্ট্রি অফিস ও ৪২টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ভবন নির্মাণ করেছে।
  • এক সময় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসসমূহে বালাম বহির অভাবে মূল দলিল নকলের কাজ প্রায়শই বন্ধ থাকত। এতে করে জনগণকে মূল দলিল ফেরত পাওয়ার জন্য বছরের পর পর বছর অপেক্ষা করতে হত। কিন্তু কেবল বিগত চার বছরে তিন দফায় ২ লাখ ৩৫ হাজার বালাম বহি ছাপিয়ে তা সারাদেশের জেলা ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে সরবরাহ করায় বালাম সঙ্কট দূর হয়েছে।
  • সরকার নকল নবিশদের প্রতি পৃষ্ঠা লেখার পারিশ্রমিক ১৬ টাকা থেকে ২৪ টাকায় উন্নীত করেছে এবং তাঁদের দীর্ঘদিনের বকেয়া পারিশ্রমিক পরিশোধ করেছে।
  • নকলনবিশষণ যাতে প্রতিমাসে পারিশ্রমিক পেতে পারেন তার জন্য প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন করেছে। এখন তাঁরা প্রতি মাসের পারিশ্রমিক পরবর্তী মাসেই উত্তোলন করতে পারছেন।
    ২০১৪ সালের পূর্বে নিবন্ধন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের প্রশিক্ষণের বিশেষ কোন ব্যবস্থা ছিল না। ২০১৬ সালে প্রথমবারের মত সরকার সব জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব- রেজিস্ট্রারকে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে পর্যায়ক্রমে স্বল্পমেয়াদী বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
  • এখন বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া উন্নত দেশের ভূমি নিবন্ধন পদ্ধতি সমন্ধে ধারণা নেওয়ার জন্য ২০১৭ সালে নিবন্ধন অধিদপ্তরের ২৯ জন কর্মকর্তাকে ইংল্যান্ডে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হয়।
  • বর্তমান সরকারের আমলে ৬টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সৃজন করা হয়েছে।
  • নিবন্ধন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের দীর্ঘদিনের দাবী অনুযায়ী ২ জানুয়ারি ২০১৮ নিবন্ধন পরিদপ্তরকে অধিদপ্তরে উন্নীত করা হয়েছে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

  • গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ২০০৯ সালে (৫৩ নং আইনের আলোকে) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন প্রণয়ন করা হয়। এই আইনের আলোকে মানবাধিকার উন্নয়ন ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বাধীন সংবিধিবদ্ধ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন সম্প্রদায় ও নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠিসহ ১জন চেয়ারম্যান ও ৬ জন সদস্য নিয়ে একটি কমিশন গঠন ।
  • সর্বক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান পূর্ণাঙ্গ ‘কমিশনের সদস্যের মধ্যে তিনজন নারী সদস্য রয়েছেন। যাঁদের মধ্যে একজন ক্ষুদ্র-নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ও একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
  • কমিশন স্বাধীন এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমানে কমিশনের ৪৮ জন জনবল রয়েছে। সম্প্রতি কমিশনকে আরও ৪০ জন জনবলের পদমঞ্জুরি দেওয়া হয়েছে।
  • কমিশনের কর্মপরিধি ও গুরুত্ব বিবেচনা করে জাতিসংঘের প্যারিস প্রিন্সিপালের আলোকে কমিশনকে আরও শক্তিশালী করতে আর্থিক স্বাধীনতাসহ পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে এবং যানবাহনসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া কমিশনের অনুকূলে জমি বরাদ্দের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন।
  • ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-এর আলোকে যেকোন ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কমিশন অভিযোগের ভিত্তিতে বা স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত করে অভিযুক্তদের শাস্তি প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ করে থাকে। ফলে অসহায়, গরিব, তৃণমূলের গণমানুষের উপেক্ষিত অধিকার আদায়ে শক্ত প্লাটফর্ম হিসেবে আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে কমিশন।
  • জনগণ সরাসরি কমিশনের নিকট সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারির মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে কমিশন তদন্ত বা প্রতিবেদন প্রেরণের মাধ্যমে প্রতিকারের সুপারিশ করে থাকে। ফলে উপেক্ষিত মানুষের মানবাধিকার রক্ষা করার মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘন সহনীয় পর্যায়ে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
  • বিভিন্ন সময় জেল বা সংশোধনাগার, হেফাজত, চিকিৎসা কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করে কমিশন সুপারিশ প্রদানের মাধ্যমে সেখানকার বাসিন্দাদের জন্য নিরাপদ ও মুস্থির জীবন নিশ্চিত করার সুপারিশ পেশ করেছে, পাশাপাশি বিচার প্রার্থী মানুষের সুবিচার নিশ্চিত হয়েছে।
  • মানবাধিকারের উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কনভেনশন অনুস্বাক্ষর এবং আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে জাতীয় আইন প্রণয়নে সরকারকে পরামর্শ প্রদান
    করা হয়েছে।
  • মানবাধিকার বঞ্চিত জনমানুষের পক্ষে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দায়ের পদ্ধতিসমূহ প্রচার সহজলভ্য হয়েছে। ফলে সেবাগ্রহিতার সংখ্যা বেড়েছে। বিস্তৃত পরিমণ্ডলে কমিশন তার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
  • সরাসরি কমিশনে অভিযোগ দায়ের করতে পারার কারণে নিশ্চিত হচ্ছে জনমানুষের মানবাধিকার।
  • মানবাধিকার সংরক্ষণ বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা: ফলে নিরীহ জনগণের ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে।
  • কমিশনে অভিযোগ দায়েরের জন্য সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তিকে আইনি সহায়তা প্রদান করা: ইতোমধ্যে কমিশন পুরো দেশে প্যানেল আইনজীবী
    নিয়োগ দিয়েছে।
  • বিভিন্ন মানবাধিকার ইস্যুতে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং কমিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে অবহিতকরণ।
  • মানবাধিকার লঙ্ঘন ও লঙ্ঘনের আশঙ্কা দূর করতে নাগরিকদের নিকট হতে অভিযোগ গ্রহণ, অনুসন্ধান ও ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগ নিস্পত্তি।
  • জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, বাংলাদেশ তার বলিষ্ঠ ও সাহসী পদক্ষেপের জন্য মানবাধিকার কমিশনসমূহ (NHRI) আন্তর্জাতিক ফোরাম (International Coordinating Committee) কর্তৃক ‘বি’ স্ট্যাটাস এবং এশিয়া প্যাসিফিক ফোরাম (APE) কর্তৃক সহযোগী সদস্য পদ লাভ করেছে। যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে কমিশন তথা সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।
  • জাতীয় মানবাধিকার কমিশন নিয়মিতভাবে মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করছে। এ সকল প্রতিবেদনে কমিশনের দায়বদ্ধতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে।
  • জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রথম পাঁচ বছর মেয়াদী (২০১০-২০১৫) কৌশলগত পরিকল্পনা এবং দ্বিতীয় পাঁচ বছর মেয়াদী (২০১৬-২০২০) কৌশলগত পরিকল্পনা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে প্রতিকারের প্রয়াস এবং তদপ্রেক্ষিতে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।
  • কমিশনের দুইটি শাখা কার্যালয় স্থাপন। এর একটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে অন্যটি খুলনা জেলায়।
  • আগামীতে সমগ্র দেশে কমিশনের শাখা অফিস স্থাপন করে মানবাধিকার নিশ্চিতকরণ ও জনমানুষের ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণে বড় পরিসরে কাজ করবে।
  • সরকার কর্তৃক গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে যা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। কমিশন সর্বদা এ প্রক্রিয়াকে সমর্থন করেছে। কমিশন এ বিষয়ে একটি সহজ পুস্তিকা প্রণয়ন করে সহজবোধ্যভাবে বিষয়টি জনগণের কাছে তুলে ধরেছে।
  • মিয়ানমারে নির্যাতিত হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দুঃখকষ্টের বিষয়টি কমিশন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে কাজ করে যাচ্ছে।