Breaking News :

.bd ডোমেইন অপারেশন ও CA লাইসেন্সি – মার্জ করলে কেমন হয়?

বিটিসিএল .bd ডোমেইনের আওতায় সাব-ডোমেইনগেুলো বিক্রি-সেবা দিচ্ছে প্রায় ১২ বছর ধরে। কিন্তু তাদের গ্রাহক-সেবার মানের কারণে, আজ পর্যন্ত ডোমেইন সংখ্যা কয়েক হাজার পার হতে পারেনি। গ্রাহকের দুর্ভোগের সীমা নাই। টোটাল সিস্টেম প্রায় ম্যানুয়াল, এ কাজের পর্যাপ্ত লোক নেই, ২৪ ঘণ্টা সাপোর্ট নেই, ঘুষ ছাড়া কাজ হয়না, এরকম বহু সমস্যা। সে কারণেই আমাদের কান্ট্রি ডোমেইনের বদলে, এখনও গ্রাহকরা ঝুঁকছেন অন্যান্য টপ লেভেল ডোমেইনের দিকে। খুব প্রয়োজন না হলে কেউ .bd -র আওতায় ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করে না। এজন্য প্রতি বছর কয়েক-লাখ ডলার বিদেশে চলে যাচ্ছে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন-রিনিউয়াল ফিস হিসেবে। এই টাকার বড় অংশ দেশে থাকতে পারতো।

যাদেরকে ডিজিটাল সিগনেচার অথরিটি (CA) লাইসেন্স দেয়া হয়েছে, তাদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সরকারও উদ্বিগ্ন। তারা কবে নাগাদ স্বাবলম্বী হবে বলা মুশকিল। দ্রুত স্বাবলম্বী হবার কোন বিজনেস মডেল সামনে দেখা যাচ্ছে না। সেই কারণে – এদের কেউ কেউ অবকাঠামো তৈরি করে, জনবল নিয়োগ করে, অডিট করিয়ে, অনিশ্চিত দিন গুনছে। কেউ কেউ লাইসেন্স পাবার পরে চুপচাপ। তারা কার্যকর না হলে ডিজিটাল সিগনেচার সেবা ঝুঁকির মুখে পড়বে।

গ্রাহকের দুর্ভোগ কমানের জন্য, .bd জনপ্রিয় করার মাধ্যমে সরকারি রেভিনিউ বাড়ানোর জন্য, সেইসাথে এবং এই সব লাইসেন্সিকে স্বাবলম্বী করার জন্য – একটা উদ্যোগের প্রস্তাব করতে চাই। সিএ অপারেটরদের মুল ব্যবসার পাশাপাশি, কান্ট্রি ডোমেইনের আওতায়, ডোমেইন বিক্রি-সেবা দেবার লাইসেন্স দেয়া যেতে পারে। তারা বর্তমান অবকাঠামোর সাথে, খুব সামান্য কিছু অবকাঠামো ও জনবল যুক্ত করে, ডোমেইন রেজিস্টার হিসেবে কাজ করতে পারবে।

বিটিসিএল এর সাথে রেভিনিউ শেয়ারিং চুক্তি হতে পারে। হতে পারে সেটা বাল্ক বা প্রতিটি ডোমেইন হিসেবে। বিটিসিএল এর ডোমেইন ম্যানেজমেন্ট অটোমেটেড করার জন্য সবাই (সকল অপারেটর) সমন্বিত বিনিয়োগ করতে পারে।

এই মত – জনমত তৈরির জন্য কয়েকটি ফোরামে ছেড়ে দিলাম। চলুন আলাপ করি।
কংক্রিট জনমত তৈরি হবার পরে – সরকার ও এপেক্স বডিগুলোর কাছে গুছিয়ে প্রস্তাব করা যাবে।

 

 

এডিট- এসএস

Read Previous

সি.আই.ও হুইল

Read Next

বাংলাদেশের সব আইসিটি সম্পৃক্ত আইন, অর্ডিন্যান্স, নীতিমালা, প্রবিধানমালা, নির্দেশিকা ইত্যাদি