Breaking News :

‘খসড়া জাতীয় যুবনীতি-২০১৫’ পড়েছেন কি?

আমাদের জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ হল তরুণ। যা হতে পারতো বিশাল এক মানব সম্পদ। কিন্তু আমরা তাঁদের না দিতে পেরেছি আশানুরূপ শিক্ষা, না দিতে পেরেছি আশানুরূপ কাজের সুযোগ। এজন্য তাঁদের ভেতর সম্পূর্ণ বেকারের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি। মোটামুটিভাবে অর্ধ বেকার আর ছদ্ম বেকার সব মিলিয়ে প্রায় ৪ কোটির কাছাকাছি। এত বৃহৎ সংখ্যক মানুষ যখন কর্মহীন হয়ে থাকে তখন বোঝা যায়, অপরাধ প্রবণতাও কি রূপ হতে পারে। এজন্য আমাদের সমাজ যুব সম্প্রদায়কে ‘দায়’ মনে করে, ‘সম্পদ’ নয়।

অথচ, দেশের সর্বাপেক্ষা বলিষ্ঠ, আত্মপ্রত্যয়ী, সৃষ্টিশীল, সৎ ও উৎপাদনক্ষম চালিকাশক্তি যুবকরাই। এদের অধিকাংশকে বেকার রেখে দেশে সুষম উন্নয়ন অসম্ভব। তাঁদের উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে একটি যুগোপযোগী যুবনীতির প্রয়োজন। এ লক্ষ্য বর্তমান সরকার খুব ভালো একটা উদ্যোগ নিয়েছে। তাঁরা ‘জাতীয় যুবনীতি-২০১৫’ প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।

গত ২৬ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সর্বসাধারণের মতামতের জন্য তাদের ওয়েবসাইটে ‘খসড়া জাতীয় যুবনীতি-২০১৫’ প্রকাশ করেছে (খসড়া জাতীয় যুবনীতি-২০১৫’র শর্টকাট লিঙ্ক http://goo.gl/ecyRtw)। আগামী ১১ মে পর্যন্ত এ বিষয় মতামত দেওয়া যাবে।

আইন-নীতি প্রণয়ন বা হালনাগাদ করার সরকারের দায়িত্ব। এ কথা বলে আমরা আমাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারিনা। আমাদের তরুণদের জন্য যখন যুবনীতিটা হচ্ছে, তখন কেন নীতিটা একটু পড়ে দেখবেন না? হয়তো আপনি কোন অসংগতি পেয়ে যেতে পারেন যা নীতিনির্ধারকদের চোখে পড়েনি। বা দিতে পারেন এমন পরামর্শ যা নীতিটিতে দিতে পারে সব চেয়ে যুগোপযুগি এবং কর্মক্ষম রূপ। আসুন, গঠনমূলক মতামত দিয়ে ভাল একটি নীতিমালা তৈরিতে সহায়তা করি।

সকলকে অনুরোধ করবো, অন্তত একবার ‘খসড়া যুবনীতি’টি পড়ে দেখুন।

Read Previous

জোনায়েদ সাকি’র প্রতি

Read Next

স্থপতি ইয়াফেস ওসমানের কবিতা – ৯