জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর কার্যক্রম সমূহ

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। এর মূল লক্ষ্য হলো প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সাধন করা।

  • সদর দপ্তর: সুবর্ণ ভবন, মিরপুর-১৪, ঢাকা।

  • প্রতিষ্ঠার পটভূমি: ১৯৯৯ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এটি গঠিত হয়। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০০ সালে গেজেটের মাধ্যমে এর সংঘস্মারক ও গঠনতন্ত্র প্রকাশিত হয়। ২০১৩ সালে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষায় ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন’ যুগোপযোগী করা হয়।

 

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর কার্যক্রম সমূহ

 

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর কার্যক্রম সমূহ

 

ফাউন্ডেশনের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমসমূহ

ফাউন্ডেশন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে প্রধানগুলো হলো:

  • বিনামূল্যে থেরাপি ও ওয়ান স্টপ সার্ভিস।
  • ভ্রাম্যমাণ থেরাপি সেবা (মোবাইল ভ্যান)।
  • অটিজম রিসোর্স সেন্টার ও এনডিডি কর্ণার পরিচালনা।
  • বিশেষায়িত বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল পরিচালনা।
  • কর্মজীবী প্রতিবন্ধী হোস্টেল ও অনুদান কার্যক্রম।
  • দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান মেলা।

থেরাপি ও চিকিৎসা সেবা সংক্রান্ত কার্যক্রম

প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিবন্ধীদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমানে ৬৪টি জেলা ও ৩৯টি উপজেলায় মোট ১০৩টি কেন্দ্র চালু আছে।

  • সেবা: ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, স্পিচ অ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপি, কাউন্সেলিং এবং বিনামূল্যে সহায়ক উপকরণ বিতরণ।
  • পরিসংখ্যান (আগস্ট ২০২৩ পর্যন্ত): নিবন্ধিত সেবা গ্রহীতা ৮,০৯,৩৮০ জন এবং মোট প্রদত্ত সেবা সংখ্যা ১,০৫,৪৮,৭১৫টি।
  • ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: আরও ৪২২টি কেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ ওয়ান স্টপ থেরাপি সার্ভিস

যাঁরা কেন্দ্রে আসতে পারেন না, তাঁদের জন্য ৪০টি মোবাইল থেরাপি ভ্যান কাজ করছে।

  • ২০১৫ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
  • পরিসংখ্যান (আগস্ট ২০২৩ পর্যন্ত): নিবন্ধিত সেবা গ্রহীতা ৮,৯০,৩৮৬ জন এবং প্রদত্ত সেবা সংখ্যা ১১,৩৪,৭৫৯টি।

অটিজম রিসোর্স সেন্টার (ARC)

২০১০ সালে ফাউন্ডেশন ক্যাম্পাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের বিনামূল্যে ম্যানুয়াল ও ইনস্ট্রুমেন্টাল থেরাপি প্রদান করা হয়।

  • সেপ্টেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত সেবা প্রাপ্ত: ৩১,৯৮৮ জন শিশু ও ব্যক্তি।
  • সেবাসমূহ: অকুপেশনাল থেরাপি, স্পিচ থেরাপি, ফিজিওথেরাপি, কাউন্সেলিং এবং অভিভাবকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ।

শিক্ষা ও বিশেষায়িত স্কুল কার্যক্রম

প্রতিবন্ধী শিশুদের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি জীবনমুখী দক্ষতা অর্জনের জন্য ফাউন্ডেশন বিভিন্ন বিশেষায়িত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিচালনা

‘প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কিত সমন্বিত বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা-২০১৯’ অনুযায়ী সারা দেশে মোট ৭৪টি বিশেষ স্কুল সরাসরি সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।

  • আর্থিক সুবিধা: এই স্কুলগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারীদের ১০০% বেতন-ভাতা জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।
  • বর্তমান অবস্থা: স্কুলগুলোতে মোট ১,১০৩ জন শিক্ষক/কর্মচারী এবং ১০,৮৮৯ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে।

স্পেলাল স্কুল ফর চিলড্রেন উইথ অটিজম

অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের বিশেষায়িত পাঠদানের লক্ষ্যে ২০১১ সালে প্রথম এই স্কুলটি চালু করা হয়। বর্তমানে ঢাকা শহরসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে মোট ১২টি স্কুল পরিচালিত হচ্ছে।

  • অবস্থান: মিরপুর, লালবাগ, উত্তরা, যাত্রাবাড়ী, রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, রংপুর, সিলেট, গাইবান্ধা এবং বিশ্বনাথ উপজেলা।
  • পাঠ্যক্রম: অক্ষর জ্ঞান, সংখ্যা, রং চেনা, এডিএল (Daily Living Activities), মিউজিক, খেলাধুলা, সামাজিক যোগাযোগ এবং আচরণ পরিবর্তন বিষয়ক শিক্ষা।
  • সুযোগ-সুবিধা: সম্পূর্ণ অবৈতনিক এই স্কুলগুলোতে চলতি শিক্ষাবর্ষে ১৬০ জন শিশু শিক্ষা গ্রহণ করছে।

অটিজম ও এনডিডি কর্ণার

Early Screening এবং Early Intervention নিশ্চিত করতে ১০৩টি জেলা ও উপজেলা সেবা কেন্দ্রে একটি করে অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী (এনডিডি) কর্ণার স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শৈশব থেকেই অটিজম শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

সহায়ক উপকরণ ও আর্থিক অনুদান

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাফেরা সহজ করতে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ফাউন্ডেশন নিয়মিত সহায়তা প্রদান করে থাকে।

বিনামূল্যে সহায়ক উপকরণ বিতরণ

১০৩টি সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে আগস্ট ২০২৩ পর্যন্ত মোট ৬৮,৮৪২টি উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

  • উপকরণসমূহ: কৃত্রিম অঙ্গ, হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল, ক্রাচ, স্ট্যান্ডিং ফ্রেম, ওয়াকিং ফ্রেম, সাদাছড়ি এবং সেলাই মেশিন।

আর্থিক অনুদান কার্যক্রম

  • বেসরকারি সংস্থা (NGO) পর্যায়ে: ২০০৩-০৪ থেকে ২০২০-২১ অর্থবছর পর্যন্ত প্রায় ১৬ কোটি টাকা ঋণ ও অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।
  • ব্যক্তি পর্যায়ে: আগস্ট ২০২৩ পর্যন্ত সরাসরি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রায় ৯৮ লক্ষ টাকা অনুদান হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।

কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধি

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান মেলা (Job Fair)

ফাউন্ডেশন ২০১৬ এবং ২০১৮ সালে বড় পরিসরে জব ফেয়ারের আয়োজন করে। এর মাধ্যমে সরাসরি ১০৫ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি প্রদান করা হয় এবং তাঁদের নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

প্রশিক্ষণ কার্যক্রম

  • কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ: এ পর্যন্ত ৪,৭৫৫ জনকে অভ্যন্তরীণ এবং ২১৫ জনকে বৈদেশিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
  • অভিভাবকদের প্রশিক্ষণ: অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিতে ১,০৩২ জন অভিভাবক ও কেয়ারগিভারকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

 

 

আবাসিক ও পুনর্বাসন সুবিধা

চাকরিপ্রজীবী এবং অসহায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে ফাউন্ডেশন সুনির্দিষ্ট কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

কর্মজীবী প্রতিবন্ধী পুরুষ ও মহিলা হোস্টেল

ফাউন্ডেশন ক্যাম্পাসে কর্মক্ষম ও চাকরি প্রত্যাশী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পৃথক হোস্টেল সুবিধা রয়েছে।

  • আসন সংখ্যা: শুরুতে ২০ আসন বিশিষ্ট থাকলেও বর্তমানে তা বাড়িয়ে ৪০ আস্ন (পুরুষ ও মহিলা আলাদা) করা হয়েছে।

  • উপকারভোগী: এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এই হোস্টেল সুবিধা গ্রহণ করেছেন।

পিতৃ-মাতৃহীন প্রতিবন্ধী শিশু নিবাস

এতিম ও ঠিকানাবিহীন প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের নিজস্ব অর্থায়নে একটি আবাসন কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এখানে বর্তমানে ৪২ জন শিশুর লালন-পালন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়।

দিবস উদযাপন ও সামাজিক সচেতনতা

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ফাউন্ডেশন বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস অত্যন্ত মর্যাদার সাথে পালন করে।

আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস (৩ ডিসেম্বর)

প্রতিবছর এই দিবস উপলক্ষে ৫ দিনব্যাপী ‘প্রতিবন্ধিতা উত্তরণ মেলা’ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে (সফল প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, সফল অভিভাবক, কেয়ারগিভার ও প্রতিষ্ঠান) সম্মাননা ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস (১৫ অক্টোবর)

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষায় এই দিবসটি পালন করা হয়। ২০২২ সালে ১০০ জন মেধাবী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে জনপ্রতি ৫,০০০ টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিতভাবে বিনামূল্যে উন্নত মানের সাদাছড়ি বিতরণ করা হয়।

বাংলা ইশারা ভাষা দিবস (৭ ফেব্রুয়ারি)

বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাব প্রকাশের মাধ্যমকে স্বীকৃতি দিতে এই দিবসটি উদযাপিত হয়। এই দিনে মেধাবী শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বিশেষ সম্মাননা ও অনুদান প্রদান করা হয়।

 বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ

 বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স

প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাভারে ১২.০১ একর জমিতে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মিত হচ্ছে।

  • বাজেট: প্রাক্কলিত ব্যয় ৮৮৭ কোটি ৫৪ লক্ষ ৭ হাজার টাকা

  • অবস্থা: একনেক কর্তৃক ২০২১ সালে চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর বর্তমানে প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ চলমান রয়েছে।

পন্যসামগ্রীর বিপণন ও প্রদর্শনী কেন্দ্র (সুবর্ণ আইকনিক সেন্টার)

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দ্বারা উৎপাদিত হস্তশিল্প ও অন্যান্য পণ্য সরাসরি বিক্রয় ও বাজারজাতকরণের জন্য সুবর্ণ ভবনের নিচতলায় একটি আধুনিক বিপণন কেন্দ্র স্থাপনের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

জরুরি ও মানবিক সহায়তা

  • কোভিড-১৯ সহায়তা: করোনা মহামারীর সময় দেশের ৬৩টি জেলায় ১৭,৭৫৫ জন দুঃস্থ প্রতিবন্ধীকে মোট ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
  • বন্যা সহায়তা: দেশের বন্যাকবলিত ৮টি জেলায় মোট ২৪ লক্ষ টাকা বিশেষ অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

আমতৈল গ্রামের বিশেষ কার্যক্রম (সিলেট)

সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার আমতৈল গ্রামে বিপুল সংখ্যক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অবস্থানের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় ফাউন্ডেশন সেখানে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

  • আর্থিক অনুদান: ৫০টি পরিবারকে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০,০০০ টাকা করে মোট ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
  • চিকিৎসা ও শিক্ষা: ওই গ্রামে একটি স্থায়ী থেরাপি কেন্দ্র এবং অটিজম শিশুদের জন্য একটি বিশেষ স্কুল (Special School for Children with Autism) স্থাপন করা হয়েছে।
  • সহায়ক উপকরণ: গ্রামের সকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে তাঁদের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

 

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের বিষয়ক আইন:

 

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের বিষয়ক নীতিমালা:

 

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন আজ বাংলাদেশের প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর আশা-ভরসার স্থলে পরিণত হয়েছে। চিকিৎসা, শিক্ষা, আবাসন এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে জাতীয় উন্নয়নে সম্পৃক্ত করতে প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এবং আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে দেশের প্রতিটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মুখে হাসি ফোটানোই এই ফাউন্ডেশনের মূল অঙ্গীকার।

যোগাযোগের ঠিকানা:

সুবর্ণ ভবন, মিরপুর-১৪, ঢাকা।

ওয়েবসাইট: www.jpuf.gov.bd