বিংশ শতাব্দীর উর্দু শায়েরির আকাশে পারভীন শাকের (২৪ নভেম্বর ১৯৫২ – ২৬ ডিসেম্বর ১৯৯৪) ছিলেন এক পুবালি হাওয়া। করাচিতে জন্মগ্রহণ করা এই কবি প্রথাগত পুরুষতান্ত্রিক উপমা ও কাঠামোর বাইরে গিয়ে উর্দু গজলে সম্পূর্ণ নতুন এক নারীচরিত্রের জন্ম দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর কবিতায় শুধু প্রেমিকা নন, বরং একজন আধুনিক, স্বনির্ভর এবং সংবেদনশীল নারীর আত্মমর্যাদা ও মনস্তত্ত্বকে অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন।

পারভীন শাকেরের লেখার প্রতি আমার প্রথম কৌতূহল তৈরি হয়েছিল উস্তাদ মেহেদি হাসান খানের কণ্ঠে “কুবাকু ফ্যাল গায়ি বাত শানাসায়ি কি” গজলটি শোনার পর। তবে তাঁর লেখার সাথে আমার চূড়ান্ত সংযোগ তৈরি হয় যেদিন প্রথম এই শেরটি পড়ি:
“maiñ sach kahūñgī magar phir bhī haar jā.ūñgī / vo jhuuT bolegā aur lā-javāb kar degā”
(আমি সত্যি বলব, কিন্তু তবুও হেরে যাব; আর সে মিথ্যে বলবে এবং লা-জবাব করে দেবে।)
কোনো মেলোড্রামা বা কৃত্রিম হাহাকার ছাড়াই সত্যের এই কঠিন রূপটি যেভাবে তিনি দুই লাইনে তুলে ধরেছেন, তা এক কথায় অনবদ্য। এই শেরটির পর থেকেই মূলত তাঁর শের, গজল ও নাজম খুঁজে খুঁজে পড়ার চেষ্টা করেছি।

ব্যক্তিগত জীবনে পারভীন শাকের ছিলেন একাধারে তুখড় অ্যাকাডেমিক ও শীর্ষ স্তরের আমলা। করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্য এবং ভাষাবিজ্ঞানে (Linguistics) পৃথক দুটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিন ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে (Public Administration) উচ্চতর ডিগ্রি নেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি করাচির স্যার সৈয়দ গার্লস কলেজে ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপনা করেন। তবে ১৯৭৬ সালে তিনি পাকিস্তানের অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় (CSS) উত্তীর্ণ হয়ে কাস্টমস বিভাগে যোগ দেন। তৎকালীন পুরুষতান্ত্রিক প্রশাসনিক কাঠামোতে তিনি ছিলেন অন্যতম প্রথম সারির নারী কাস্টমস অফিসার। সিবিআর (Central Board of Revenue)-এর অধীনে কাজ করার সময় তিনি করাচির সেকেন্ড সেক্রেটারি এবং পরবর্তীতে ইসলামাবাদের প্রিন্সিপাল অ্যাপারাইজারের মতো স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলান।
পারভীন শাকের
প্রশাসনিক ও করপোরেট দুনিয়ার এই কঠোর বাস্তবতার সাথে তাঁর ভেতরের সংবেদনশীল কবির সহাবস্থান তাঁর লেখাকে এক অনন্য পরিমিতিবোধ দিয়েছিল। তাঁর সাহিত্যিক জীবনের সূচনা হয়েছিল ‘বীন’ (Beena) ছদ্মনামে বিভিন্ন পত্রিকায় লেখার মাধ্যমে। মাত্র ২৪ বছর বয়সে, ১৯৭৬ সালে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘খুশবু’ (সুবাস) প্রকাশিত হলে সমগ্র উপমহাদেশে শোরগোল পড়ে যায়। এই একটি বইয়ের জন্য তিনি পাকিস্তানের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মাননা ‘আদমজী সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন। পরবর্তীতে সাহিত্যকর্মে অনন্য অবদানের জন্য পাকিস্তান সরকার তাঁকে দেশের অন্যতম শীর্ষ বেসামরিক সম্মাননা ‘প্রাইড অফ পারফরম্যান্স’ (Pride of Performance)-এ ভূষিত করে।

পারভীন শাকেরের লেখনীর মূল শক্তি ছিল প্রচলিত গজলের ধারাকে ভেঙে সেখানে নারীর নিজস্ব জবান তৈরি করা। তাঁর পূর্ববর্তী নারী শায়েররা মূলত পুরুষের ছদ্মাবরণে (পুরুষবাচক ক্রিয়াপদ ব্যবহার করে) গজল লিখতেন। পারভীন প্রথম ‘কা জল’, ‘দোপাট্টা’, ‘মাতৃত্ব’ ও ‘গর্ভধারণ’-এর মতো নিখাদ নারীসুলভ অভিজ্ঞতা ও শব্দকে গজলের মূল ধারায় অন্তর্ভুক্ত করেন। তাঁর কবিতার বিবর্তনও লক্ষ্য করার মতো; ‘খুশবু’ গ্রন্থে যেখানে ছিল এক কিশোরীর প্রেমের প্রথম ভালো লাগা, সেখানে ১৯৮০ সালের ‘সদ-বর্গ’ (শতদল) সংকলনে আসে বিরহ ও বাস্তবতার দ্বন্দ্ব। ১৯৮৫ সালের ‘খুদ-কালামি’ (স্বগতোক্তি) গ্রন্থে আমলাতান্ত্রিক জীবনের একাকীত্ব এবং ১৯৯০ সালের ‘ইনকার’ (অস্বীকৃতি) গ্রন্থে সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদী সুর প্রকাশ পায়। তাঁর মৃত্যুর পর ‘মাহ-এ-তমাাম’ (পূর্ণচন্দ্র) নামে তাঁর সমগ্র কবিতা এবং ‘কাফ-এ-আইনা’ (আয়নার প্রান্ত) নামে ডায়েরি ধাঁচের গদ্য সংকলন প্রকাশিত হয়।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তাঁর খালাতো ভাই, পেশায় চিকিৎসক সৈয়দ নাসির আলী-র সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন, যার কোল আলো করে জন্ম নেয় তাঁদের একমাত্র সন্তান মুরাদ আলী। তবে এই দাম্পত্য জীবন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং এক পর্যায়ে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। একক মা হিসেবে সন্তান লালন-পালনের লড়াই এবং বিবাহবিচ্ছেদের সেই সামাজিক ট্রমাও তাঁর শেষ জীবনের কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে।
১৯৯৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর, মাত্র ৪২ বছর বয়সে ইসলামাবাদের এক কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে একটি চলন্ত বাসের সাথে তাঁর গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই এই ক্ষণজন্মা কবির জীবনাবসান ঘটে। ইসলামাবাদের যে রাস্তাটিতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল, পরবর্তীতে তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে সেই সড়কটির নামকরণ করা হয় ‘পারভীন শাকের রোড’।

তার কিছু সৃষ্টি চলুন দেখে নেই:
১.
اردو: وہ تو خوشبو ہے ہواؤں میں بکھر جائے گا / مسئلہ پھول کا ہے پھول کدھر جائے گا
Roman: vo to ḳhush-bū hai havāoñ meñ bikhar jā.egā / mas.ala phuul kā hai phuul kidhar jā.egā
বাংলা: সে তো সুবাস, বাতাসে বিলীন হয়ে যাবে; সমস্যা তো ফুলের, ফুল এখন কোথায় যাবে?
২.
اردو: حسن کے سمجھنے کو عمر چاہیے جاناں / دو گھڑی کی چاہت میں لڑکیاں نہیں کھلتیں
Roman: husn ke samajhne ko umr chāhiye jānāñ / do ghaḌī kī chāhat meñ laḌkiyāñ nahīñ khultīñ
বাংলা: সৌন্দর্য বুঝতে পুরো একটা জীবন প্রয়োজন প্রিয়; দু-দণ্ডের ভালোবাসায় মেয়েরা নিজেদের প্রকাশ করে না।
৩.
اردو: وہ کہیں بھی گیا لوٹا تو میرے پاس آیا / بس یہی بات ہے اچھی میرے ہرجائی کی
Roman: vo kahīñ bhī gayā lauTā to mire paas aayā / bas yahī baat hai achchhī mire harjā.ī kī
বাংলা: সে যেখানেই যাক না কেন, ফিরে তো আমার কাছেই আসে; আমার সেই চঞ্চল পথিকের অন্তত এই গুণটুকুই চমৎকার।
৪.
اردو: کیسے کہہ دوں کہ مجھے چھوڑ دیا ہے اس نے / بات تو سچ ہے مگر بات ہے رسوائی کی
Roman: kaise kah duuñ ki mujhe chhoḌ diyā hai us ne / baat to sach hai magar baat hai rusvā.ī kī
বাংলা: কীভাবে বলি যে সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে? কথাটি সত্যি হলেও, এর সাথে জড়িয়ে আছে লোকলজ্জা আর অপমান।
৫.
اردو: اتنے گھنے بادل کے پیچھے / کتنا تنہا ہوگا چاند
Roman: itne ghane bādal ke pīchhe / kitnā tanhā hogā chāñd
বাংলা: এত ঘন মেঘের আড়ালে, ওই চাঁদটা না জানি কতটাই না একা!
৬.
اردو: میری طلب تھا ایک شخص وہ جو نہیں ملا تو پھر / ہاتھ دعا سے یوں گرا بھول گیا سوال بھی
Roman: merī talab thā ek shaḳhs vo jo nahīñ milā to phir / haath duā se yuuñ girā bhuul gayā savāl bhī
বাংলা: আমার চাওয়া ছিল স্রেফ একজন মানুষ, সে যখন মিললই না—তখন প্রার্থনার হাত দুটি এমনভাবে ভেঙে পড়ল যে নিজের চাওয়াটুকুর কথাও ভুলে গেলাম।
৭.
اردو: کچھ تو ہوا بھی سرد تھی کچھ تھا تیرا خیال بھی / دل کو خوشی کے ساتھ ساتھ ہوتا رہا ملال بھی
Roman: kuchh to havā bhī sard thī kuchh thā tirā ḳhayāl bhী / dil ko ḳhushī ke saath saath hotā rahā malāl bhī
বাংলা: কিছুটা বাতাসও হিমশীতল ছিল, আর কিছুটা ছিল তোমার ভাবনা; হৃদয়ে আনন্দের পাশাপাশি এক অদ্ভুত বিষাদও ভর করেছিল।
৮.
اردو: کچھ تو تیرے موسم ہی مجھے راس کم آئے / اور کچھ میری مٹی میں بغاوت بھی بہت تھی
Roman: kuchh to tire mausam hī mujhe raas kam aa.e / aur kuchh mirī miTTī meñ baġhāvat bhī bahut thī
বাংলা: কিছুটা তো তোমার আবহাওয়া আমার সইলো না, আর কিছুটা আমার ধূলিকণাতেই বিদ্রোহের উপাদান বড্ড বেশি ছিল।
৯.
اردو: وہ نہ آئے گا ہمیں معلوم تھا اس شام بھی / انتظار اس کا مگر کچھ سوچ کر کرتے رہے
Roman: vo na aa.egā hameñ ma.alūm thā is shaam bhī / intizār us kā magar kuchh soch kar karte rahe
বাংলা: সে এই সন্ধ্যায় আসবে না তা আমাদের জানাই ছিল; তবুও এক অদ্ভুত ভাবনা থেকে আমরা তাঁর প্রতীক্ষা করে গেলাম।
১০.
اردو: ہم تو سمجھے تھے کہ اک زخم ہے بھر جائے گا / کیا خبر تھی کہ رگ جاں میں اتر جائے گا
Roman: ham to samjhe the ki ik zaḳhm hai bhar jā.egā / kyā ḳhabar thī ki rag-e-jāñ meñ utar jā.egā
বাংলা: আমি তো ভেবেছিলাম এটি সাধারণ এক ক্ষত, শুকিয়ে যাবে; কার জানা ছিল যে এটি জীবন-শিরায় (রগ-এ-জাঁ) চিরতরে নেমে যাবে!
১১.
اردو: چلنے کا حوصلہ نہیں رکنا محال کر دیا / عشق کے اس سفر نے تو مجھ کو نڈھال کر دیا
Roman: chalne kā hausla nahīñ ruknā muhāl kar diyā / ishq ke is safar ne to mujh ko niDhāl kar diyā
বাংলা: সামনে হাঁটার সাহস নেই, অথচ থমকে দাঁড়ানোও অসম্ভব; প্রেমের এই দীর্ঘ সফর আমাকে বড্ড ক্লান্ত করে দিল।
১২.
اردو: اب تو اس راہ سے وہ شخص گزرتا بھی نہیں / اب کس امید پہ دروازے سے جھانکے کوئی
Roman: ab to is raah se vo shaḳhs guzartā bhī nahīñ / ab kis ummīd pe darvāze se jhāñke koī
বাংলা: এখন তো ওই ব্যক্তি এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতও করে না; এখন আর কোন আশায় কেউ দরজার আড়াল থেকে উঁকি দেবে?
১৩.
اردو: دشمنوں کے ساتھ میرے دوست بھی آزاد ہیں / دیکھنا ہے کھینچتا ہے مجھ پہ پہلا تیر کون
Roman: dushmanoñ ke saath mere dost bhī āzād haiñ / dekhnā hai khīñchtā hai mujh pe pahlā tiir kaun
বাংলা: শত্রুদের সাথে সাথে আজ আমার বন্ধুরাও স্বাধীন; এখন শুধু দেখার বিষয়, আমার দিকে প্রথম তীরটি কে ছোড়ে।
১৪.
اردو: یوں بچھڑنا بھی بہت آساں نہ تھا اس سے مگر / جاتے جاتے اس کا وہ مڑ کر دوبارہ دیکھنا
Roman: yuuñ bichhaḌnā bhī bahut āsāñ na thā us se magar / jaate jaate us kā vo muḌ kar dobāra dekhnā
বাংলা: এভাবে আলাদা হওয়াটা তার পক্ষেও খুব সহজ ছিল না, বিশেষ করে যাওয়ার বেলায় তাঁর ওই পেছনে ফিরে তাকানোটা।
১৫.
اردو: ممکنہ فیصلوں میں ایک ہجر کا فیصلہ بھی تھا / ہم نے تو ایک بات کی اس نے کمال کر دیا
Roman: mumkina faisloñ meñ ek hijr kā faisla bhī thā / ham ne to ek baat kī us ne kamāl kar diyā
বাংলা: সম্ভাব্য সব সিদ্ধান্তের মাঝে একটা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তও ছিল; আমি তো স্রেফ কথাটা তুলেছিলাম, সে তো তা এক লহমায় কার্যকর করে দিল!
১৬.
اردو: لڑکیوں کے دکھ عجب ہوتے ہیں سکھ اس سے عجیب / ہنس رہی ہیں اور کاجل بھیگتا ہے ساتھ ساتھ
Roman: laḌkiyoñ ke dukh ajab hote haiñ sukh us se ajiib / hañs rahī haiñ aur kājal bhīgtā hai saath saath
বাংলা: মেয়েদের দুঃখগুলো বড় অদ্ভুত, আর সুখগুলো তার চেয়েও বিচিত্র; ঠোঁটে হাসি লেগে থাকে, অথচ চোখের কাজল একসাথেই ভিজতে থাকে।
১৭.
اردو: میں اس کی دسترس میں ہوں مگر وہ / مجھے میری رضا سے مانگتا ہے
Roman: maiñ us kī dāst-ras meñ huuñ magar vo / mujhe merī razā se māñgtā hai
বাংলা: আমি তাঁর সম্পূর্ণ নাগালের মধ্যেই আছি, অথচ সে আমাকে আমার নিজের ইচ্ছের (সম্মতির) ভিত্তিতেই পেতে চায়।
১৮.
اردو: کانپ اٹھتی ہوں میں یہ سوچ کے تنہائی میں / میرے چہرے پہ تیرا نام نہ پڑھ لے کوئی
Roman: kaañp uThtī huuñ maiñ ye soch ke tanhā.ī meñ / mere chehre pe tirā naam na paḌh le koī
বাংলা: নির্জনতায় এই ভেবে আমি শিউরে উঠি—আমার মুখের দিকে তাকিয়ে কেউ যেন তোমার নামটি পড়ে না ফেলে।
১৯.
اردو: ہارنے میں اک انا کی بات تھی / جیت جانے میں خسارہ اور ہے
Roman: hārne meñ ik anā kī baat thī / jiit jaane meñ ḳhasārā aur hai
বাংলা: হেরে যাওয়ার মধ্যে স্রেফ কিছুটা অহংকারের (আনা) টানাপোড়েন ছিল, কিন্তু জিতে যাওয়ার মাঝে লোকসানের অঙ্কটা সম্পূর্ণ ভিন্ন।
২০.
اردو: اپنے قاتل کی ذہانت سے پریشان ہوں میں / روز اک موت نئے طرز کی ایجاد کرے
Roman: apnī qātil kī zehānat se pareshān huuñ maiñ / roz ik maut na.e tarz kī ījād kare
বাংলা: আমার খুনির বুদ্ধিমত্তা দেখে আমি যারপরনাই বিস্মিত; সে প্রতিদিন আমার জন্য নতুন ধাঁচের একটি করে মৃত্যু আবিষ্কার করে।

