শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮) বাংলাদেশের খোলনলচে বদলে যাবার গল্প। প্রধানমন্ত্রী শেখ-হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ জোট সরকারের টানা দুই মেয়াদে ১০ বছরের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশ করা হ’ল ‘বাংলাদেশ: অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর’। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্বাচনি ইশতেহারে ‘রূপকল্প ২০২১’ তুলে ধরে। দেশের সাধারণ মানুষ বিশেষ করে তরুণ সমাজ আওয়ামী লীগ প্রণীত এই ‘রূপকল্প ২০২১’-এ তাঁদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেখতে পায়।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
এ কারণেই নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে বিজয় লাভ করে। শেখ-হাসিনা ২০০৯ সালের ৬ই জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে শেখ-হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট আবারও নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে তৃতীয়বারের মত সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে।
এই দশ বছরে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়নসহ আর্থ-সামাজিক সকল খাতে বাংলাদেশ অর্জন করেছে বিস্ময়কর অগ্রগতি। বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের মডেল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। শেখ-হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ২০১৫ সালে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০১৮ সালে স্বল্পোন্নত হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের স্বীকৃতি পেয়েছে।
২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত শেখ-হাসিনা সরকারের উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলোর মধ্যে রয়েছে: বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২০,০০০ মেগাওয়াটে উন্নীতকরণ; জাতীয় প্রবৃদ্ধির হার ৭.৮৬ শতাংশে উন্নীতকরণ; ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমানা নিয়ে বিরোধের নিষ্পত্তি; প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন; মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ; কৃষকদের জন্য কৃষিকার্ড এবং ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলা; বিনা জামানতে বর্গাচাষীদের ঋণ প্রদান; চিকিৎসাসেবার জন্য সারাদেশে প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার কম্যুনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন: দারিদ্র্যের হার ২০০৫-০৬ সালের ৪১.৫ থেকে ২০১৭-২০১৮ বছরে ২১ শতাংশে হ্রাস: ভারতের সঙ্গে ছিটমহল বিনিময়; মাথাপিছু আয় ১,৭৫১ ডলারে উন্নীতকরণ, ইত্যাদি।
বর্তমান সরকারের দশ বছরে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এবং দ্বিপাক্ষিক ফোরামে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র্য বিমোচন, জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, নারীর ক্ষমতায়নসহ ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বাংলাদেশ সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ-হাসিনা।
চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ, এমডিজি ও সাউথ-সাউথ পুরস্কার, ইউনেস্কো কর্তৃক “শান্তিবৃক্ষ”, এজেন্ট অব চেঞ্জ, প্লানেট ৫০-৫০, গ্লোবাল উইমেন লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড, আপিএস-এর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডসহ বহুসংখ্যক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ জোট সরকারের টানা দুই মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। এই দশ বছরে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়নসহ আর্থ-সামাজিক সকল খাতে বাংলাদেশ অর্জন করেছে বিস্ময়কর অগ্রগতি। আর্থ-সামাজিক সকল সূচকে বাংলাদেশ অনেকক্ষেত্রে তার দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশিদের ছাড়িয়ে গেছে। যে বাংলাদেশের পরিচিতি ছিল। বন্যা, খরা, দুর্ভিক্ষ আর হাড্ডি-কঙ্কালসার মানুষের দেশ হিসেবে, সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের ‘বিস্ময়’ হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে।
জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন অনেক আগেই বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরকালে বর্তমান মহাসচিব এন্টিনিও গুটেরাস বাংলাদেশ সম্পর্কে একই অভিধার পুনরাবৃত্তি করেছেন। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ২০১৫ সালে নিজ পিতৃভূমি কেনিয়া সফরকালে সে দেশের উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের উন্নয়ন মডেলকে অনুসরণ করার পরামর্শ দেন।
সম্প্রতি পাকিস্তানের একজন সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সে দেশের উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ মডেল অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন। বাংলাদেশের এই অভূতপূর্ব অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ-হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব, অকৃত্রিম দেশপ্রেম, সাধারণ মানুষের প্রতি ভালবাসা ও মমত্ববোধ এবং কঠোর পরিশ্রমের ফলে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহিদ আর ২ লাখ মাবোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। বঙ্গবন্ধু যখন যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে ব্যস্ত, ঠিক তখনই স্বাধীনতার সাড়ে তিন বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট তাঁকে সপরিবারে হত্যা করা হয়।
জাতির পিতার হত্যার মাধ্যমে স্তব্ধ হয়ে যায় উন্নয়ন ও অগ্রগতির চাকা। একই সঙ্গে নস্যাৎ হয়ে যায় স্বাধীনতা সংগ্রামের অর্জনগুলো। একের পর এক সামরিক ক্যু, হত্যা, ষড়যন্ত্র, সম্পদের লুটপাট বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে দেয়।
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের বিয়োগান্তক ঘটনার সময় শেখ হাসিনা ছোটবোন শেখ রেহানাসহ বিদেশে ছিলেন। সে কারণে তারা প্রাণে বেঁচে যান। দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাসনে থাকার পর ১৯৮১ সালে শেখ-হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। একদিকে পিতামাতা, ভাইবোন, নিকটাত্মীয়দের হারানোর শোক, অন্যদিকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়। শেখ-হাসিনা শোককে শক্তিতে পরিণত করে দেশের মানুষের ভোট-ভাতের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
দারিদ্র্য বিমোচনে উদ্ভাবনমূলক কর্মসূচি গ্রহণের ফলে দারিদ্রা হ্রাসের বার্ষিক গড় হার ০.৫০ শতাংশ থেকে ১.৫০ শতাংশে উন্নীত হয় এবং মানব দারিদ্রা সূচক ৪১.৬ থেকে ৩২ শতাংশে নেমে আসে। মানব উন্নয়ন সূচকে জাতিসংঘের ৫৬ পয়েন্ট অর্জন, সাক্ষরতার হার ৬৫ শতাংশে উন্নীত হয়।

১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে শেখ হাসিনা সরকারের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সাফল্যে মধ্যে ছিল: ভারতের সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গা নদীর পানি চুক্তি; পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি; যমুনা নদীর উপর বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ; ২১-এ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা অর্জন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদ লাভ, ডি-৮ ও বিমসটেক প্রভৃতি উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন এবং এসোসিয়েশন ফর এশিয়ান পার্লামেন্টারিয়ান ফর পিস (এএপিপি) গঠন।
এ ছাড়া, কৃষকদের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং ভূমিহীন, দুঃস্থ মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি চালু করা হয় এ সময়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: দুঃস্থ মহিলা ও বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা: আশ্রয়হীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প; একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প।
পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে ২০০১ সালে শেখ হাসিনার সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে। কিন্তু তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ষড়যন্ত্রমূলক নির্বাচনের আয়োজন। করে। আওয়ামী লীগকে ভোটে বিজয়ী হতে না দেওয়ার জন্য প্রশাসনিক সকল পন্থা অবলম্বন।
আওয়ামী লীগ সংসদ নির্বাচনে পরাজয় বরণ করে। শেখ হাসিনা বিরোধীদলের নেতা নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পরপরই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন। সারাদেশে শতশত নেতাকর্মীকে হত্যা অথবা আহত করা হয়। বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করা হয় আরও হাজার হাজার কর্মীকে।
মেয়াদ শেষে ২০০৬ সালে বিএনপি-জামাত সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরে জটিলতা সৃষ্টি করলে সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। নির্ধারিত সময়ে তারা নির্বাচন দিতে ব্যর্থ হয়। মিথ্যা মামলা দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ১৭ই জুলাই ২০০৭ গ্রেফতার করা হয়। প্রায় এক বছর কারাবাস শেষে শেখ হাসিনা ১১ই জুন ২০০৮ মুক্তিলাভ করেন।
প্রায় দু’বছর ক্ষমতায় থাকার পর ভবধায়ক সরকার ২০০৮ সালের ২৯-এ ডিসেম্বর নবম সংসদীয় নির্বাচনের আয়োজন করে। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। শেখ হাসিনা ২০০৯ সালের ৬ই জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট আবারও নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে টানা দ্বিতীয়বারের মত সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে টানা প্রায় ১০ বছর সরকার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। ধারাবাহিকভাবে দুই মেয়াদে সরকার পরিচালনার ফলে অনেক দীর্ঘ-মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে।
যার প্রত্যক্ষ প্রভাবে পড়েছে সার্বিক আর্থ-সামাজিক সূচকে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়ন অভিযাত্রায় বাংলাদেশের মাথায় দু’টি অমূল্য মুকুট শোষিত হয়েছে। ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি দিয়েছে। আর ২০১৮ সালের মার্চ মাসে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সনদ প্রদান করেছে।
বিএনপি-জামায়াত সরকার ও বর্তমান সরকারের সময় কয়েকটি সূচকের তুলনামূলক চিত্র:

আর্থ-সামাজিক সক্ষমতা অর্জনের ক্ষেত্রে আজকের বাংলাদেশ এখন এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আজকের বাংলাদেশ আর্থিক দিক থেকে যেমন শক্তিশালী, তেমনি মানসিকতার দিক থেকে অনেক বলীয়ান। ছোট-খাটো অভিঘাত বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে পারবে না। ২০০৯ সালের পর ‘আইলা’, ‘সিডর’, অসময়ে বন্যা, ভূমিধ্বস, বিশ্বমন্দার প্রভাব কোনটাই বাংলাদেশের অর্থনীতির অগ্রগতির চাকাকে গতিরোধ করতে পারেনি।
ঈশ্বরদীতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এখন পারমাণবিক ক্লাবের সদস্য। একইভাবে মহাকাশে বাংলাদেশের পতাকা-সংবলিত নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে আমরা হয়েছি এলিট স্যাটেলাইট ক্লাবের সদস্য। যে কোন মেগাসিটির জন্য মেট্রোরেল একটি অতি প্রয়োজনীয় বাহন এবং আভিজাত্যের প্রতীক। রাজধানী ঢাকায় স্বপ্নের মেট্রোরেলের কাজ এগিয়ে চলছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুর কাজ অর্ধেকেরও বেশি শেষ হয়েছে।
২০০৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত শেখ হাসিনা সরকারের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলোর মধ্যে রয়েছে: বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২০,০০০ মেগাওয়াটে উন্নীতকরণ; জাতীয় প্রবৃদ্ধিও হার প্রায় ৭.৮৬ শতাংশে উন্নীতকরণ; ৫ কোটি মানুষকে মধ্যবিত্তে উন্নীতকরণ; ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমানা নিয়ে বিরোধের নিষ্পত্তি, প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন: মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কৃষকদের জন্য কৃষিকার্ড এবং ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলা; বিনা জামানতে বর্গাচাষীদের ঋণ প্রদান; চিকিৎসাসেবার জন্য সারাদেশে প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার কম্যুনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন; দারিদ্র্যের হার ২০০৫-০৬ সালের ৪১.৫ থেকে ২০১৭-২০১৮ বছরে ২১ শতাংশে হ্রাস; ভারতের সঙ্গে ছিটমহল বিনিময় ( এরফলে দুই দেশের মধ্যে ৬৮ বছরের সীমানা বিরোধের অবসান এবং অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ বৈধ নাগরিকত্ব পেয়েছেন); মাথাপিছু আয় ১,৭৫১ ডলারে উন্নীতকরণ, ইত্যাদি।
বিএনপি-জ প-জামায়াতের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় দেশে জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদের বিস্তার ঘটেছিল। বাংলা ভাই, জমায়েতুল মুজাহিদিন- জেএমবিসহ নানা জঙ্গি গোষ্ঠির সৃষ্টি হয় দেশে। এসব জঙ্গি গোষ্ঠি আওয়ামী লীগসহ ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের উপর একের পর এক হামলা চালায়।
যশোরে উদীচির অনুষ্ঠান, রমনা বটমূল, নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ অফিস এবং পল্টনে সিপিবি’র সভায় বোমা হামলা, সিলেটে ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে বোমা হামলা করে হত্যা চেষ্টা, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াকে হত্যা, ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভেনিউ-এ গ্রেনেড হামলা করে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জনকে হত্যা, ২০০৫ সালের ১৭ই আগস্ট সারাদেশে প্রায় ৫শো স্থানে একযোগে বোমা হামলা, একই বছর গাজীপুরে বার ভবনে বোমা মেরে ১০ জন হত্যা, শরীয়তপুরে দুই বিচারক কে হত্যা।
পরবর্তীকালে এসব গোষ্ঠি বিদেশী জঙ্গিগোষ্ঠিগুলোর দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়ে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা চালায়। ২০১৬ সালের ১লা জুলাই গুলশানে হোলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা হয় এবং দেশ-বিদেশের ২০ জন সাধারণ নাগরিক নিহত হন। ৭ই জুলাই একই গোষ্ঠি কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতে জঙ্গি হামলা চালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। তবে তাদের আত্মঘাতী হামলায় সেদিন ৩ জন নিহত হন।
এসব হামলার পরিপ্রেক্ষিতে দেশ-বিদেশের অনেক বিশ্লেষক আশঙ্কা করেছিলেন যে বাংলাদেশ আফগানিস্তান অথবা পাকিস্তানের পরিণতি লাভ করতে যাচ্ছে। সকলের আশঙ্কাকে ভুল প্রমাণিত করে শেষ হাসিনার সরকার কঠোরভাবে জঙ্গিবাদ দমন করেছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে শক্তিশালী করা ছাড়াও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ-হাসিনা।
নিজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। এরফলে দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল হতে চলেছে। বর্তমান সরকারের আরেকটি বড় সাফল্য হ’ল বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। কিন্তু হত্যাকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে আইন পাশ করে তখনকার সরকার।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধ হত্যার বিচার শুরু করে এবং নিম্নে আদালতে এ মামলার রায় ঘোষিত হয়। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতে আপিলের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।
২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আপিল প্রক্রিয়া সচল হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর আপিল বিভাগে ১২ জন আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। ২০১০ সালের ২৮-এ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনির ফাঁসির কার্যকর করা হয়। এখনও ৬ জন বিদেশে পালিয়ে রয়েছে। এক আসামী আজিজ পাশা জিম্বাবুয়েতে ২০০২ সালে মারা যায়।
একইভাবে ১৯৭১ সালে সংঘটিত মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচার বিষয়ে আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে নির্বাচনি ইশতেহারে এই গণদাবী অন্তর্ভুক্ত করে। ২০০৮ সালের ২৯-এ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশভাবে বিজয় লাভ করার পর আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
২০০৯ সালের ৯ই জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন জাতীয় সংসদে পাশ হয়। যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫-এ মার্চ ট্রাইব্যুনাল, আইনজীবী প্যানেল এবং তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয়।
২০১৩ সালের ২১-এ জানুয়ারি প্রথম রায় দেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এ পর্যন্ত ৩০ মামলার রায় হয়েছে। এর মধ্যে আপীল বিভাগে ৭টি মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এখনও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ১৯টির বেশি মামলা। সাতটি রায়ের মধ্যে ৬টিতে ফাঁসির আদেশ কার্যকর করেছে সরকার।
গত বছর মিয়ানমারে নির্যাতনের মুখে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠি বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। নিজেদের অসুবিধা হবে জেনেও শেখ-হাসিনা মানবিক কারণে তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। তিনি নিজে ছুটে যান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের জন্য তিনি জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বর্তমান সরকারের দশ বছরে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এবং দ্বিপাক্ষিক ফোরামে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র্য বিমোচন, জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, নারীর ক্ষমতায়নসহ ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বাংলাদেশ সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ-হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ, এমডিজি ও সাউথ-সাউথ পুরস্কার, ইউনেস্কো কর্তৃক “শান্তিবৃক্ষ”, এজেন্ট অব চেঞ্জ, প্লানেট ৫০-৫০, গ্লোবাল উইমেন লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড, আপিএস-এর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডসহ
বহুসংখ্যক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
বিগত দশ বছরে বাংলাদেশের জিডিপি’র আকার প্রায় চার গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ৪ লাখ ৮২ হাজার কোটি থেকে প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুসারে জিডিপি’র নিরিখে বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে বিশ্বের মধ্যে ৪২তম এবং ক্রয়ক্ষমতার ভিত্তিতে ৩২তম। প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপারস এর প্রক্ষেপণ অনুযায়ী ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের অর্থনীতি ২৩তম স্থান দখন করবে।
আর ‘এইচবিএসসি’র প্রক্ষেপন অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে। বিএনপি-জামাত সরকারের শেষ বছর অর্থাৎ ২০০৫-০৬ অর্থবছরে বাজেটের আকার ছিল। ৬১ হাজার কোটি টাকা। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাজেটের পরিমাণ প্রায় ৭.৬ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে নির্বাচনের আগে ‘দিন বদলের সনদ নামে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছিল। এই ইশতেহারে বলা হয়েছিল: “আগামী ২০২১ সালে আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। আর ২০২০ সাল হবে বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিক। আমরা ২০২০-২১ সাল নাগাদ এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি যেখানে সম্ভাব্য উচ্চতম প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম একটি দ্রুত বিকাশশীল অর্থনীতি দারিদ্রের লজ্জা ঘুচিয়ে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করবে।
একটি প্রকৃত অংশীদারিত্বমূলক সহিষ্ণু গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, যেখানে নিশ্চিত হবে সামাজিক ন্যায়বিচার, নারীর অধিকার ও সুযোগের সমতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার, সুশাসন, দূষণমুক্ত পরিবেশ। গড়ে উঠবে এক অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল উদার গণতান্ত্রিক কল্যাণরাষ্ট্র। ”
প্রধানমন্ত্রী শেখ-হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিঃসন্দেহে সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এর পরের লক্ষ্য কী? বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সে লক্ষ্যমাত্রাও স্থির করেছে। এজন্য ২০১৪ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে ‘ভিশন ২০৪১’ ঘোষণা করা হয়। যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। আর ২০১৮ সালে তৈরি করা হয়েছে দীর্ঘ মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা ‘ডেল্টা প্লান ২১০০। ২১০০ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে তা এই পরিকল্পনায় তুলে ধরা হয়েছে।
কিন্তু এসব পরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়নের অনেক আগেই ২০২১ সালের মধ্যে দেশ থেকে নিরক্ষতার অন্ধকার দূর হবে, মা ও শিশুমৃত্যুর হার উন্নত দেশগুলোর সমপর্যায়ে আসবে, কোন মানুষ বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে না, বেকারত্ব হ্রাস পাবে, দারিদ্র্যের হার ১০ শতাংশের নীচে নেমে আসবে। বাংলাদেশের মানুষ পাবে এক উন্নত ও সমৃদ্ধ জীবনের স্বাদ। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।

খাতওয়ারি উন্নয়নসমূহ:
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের প্রশাসন” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের আইন বিভাগ” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের শিক্ষা” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের অবকাঠামো” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “ডিজিটাল বাংলাদেশ” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের সেবা খাত” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “নারী ও শিশু” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “পরিবেশ, বন ও জলবায়ু” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “প্রতিরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের ধর্ম ও সংস্কৃতি” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “যুব ও ক্রীড়া” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “পার্বত্য চট্টগ্রাম” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বৈদেশিক সম্পর্ক” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “১০ বছরে ৪টি অনন্য অর্জন” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “১০ বছরে আর্থিক খাতের কয়েকটি মাইলফলক অর্জন” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
