সৌদি রাজার ইন্দোনেশিয়া সফর

সৌদি রাজার ইন্দোনেশিয়া সফর : সালাফি ইসলামের সোর্স কোড থেকে, সতের শতকে ওহাবী ইসলাম ভার্সন ২.০ রিলিজ করার পরে, ফরেন এক্সপোর্টে সৌদি আরব সবচেয়ে বেশি ব্যর্থ হয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মুসলিমদের দেশ ইন্দোনেশিয়াতে। ৭৮ ভাগ মুসলিম আর মাত্র ৩% হিন্দুর দেশ হয়েও ইন্দোনেশিয়ার টাকায় শ্রী গণেশের ছবি!

সৌদি রাজার ইন্দোনেশিয়া সফর, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যা রয়েছে যে দেশে সেই ইন্দোনেশিয়ার নোটে রয়েছে দেবতা গণেশের ছবি।
তারচেয়ে বড় খবর হচ্ছে- তাদের সরকারি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোর মধ্যে গণেশের সিম্বল!
আজও তারা বলে বেড়ায় সংস্কৃতির সাথে দ্বীনকে মেশাবো না। ডাইভারসিটির মধ্যে তারা একতা খোঁজে।
এরকম বহু বৈপরীত্য যেটা ওহাবী ইসলামের সাথে কোন ভাবেই কম্প্যাটিবল না। এক সিস্টেমে চালাতে চাইলে সিস্টেম ক্র্যাশ করার সম্ভাবনা।
সৌদি আরব চেষ্টা কম করেনি। ২০০+ জৌলুশপুর্ন মসজিদ, ১০০+ মাদ্রাসা সহ বহু সালাফি-ওহাবী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফান্ডিং করেছি, সৌদি আরবি ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র খুলেছে।

কিন্তু সফলতা খুব একটা আসেনি। সংস্কৃতির আরবাইজেশনে কোন বড় আন্দোলন হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক জঙ্গি মার্কেটেও ইন্দোনেশিয়ার কন্ট্রিবিউশন খুবই সামান্য।

এবার সৌদি রাজার আমন্ত্রণ উপলক্ষে পুরনো ওহাবী-সালাফি প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন ফান্ডিং পেয়েছে। পাশাপাশি অনেক গুলো নতুন প্রতিষ্ঠানকে ফান্ডিং কমিটমেন্ট দেয়া হয়েছে।

ওহাবী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা কেউকেউ মনে করছেন এ যাত্রা খুবই ফলপ্রসূ হয়েছে। তারা খুব দ্রুত পঞ্চশিলা (ধর্ম বিষয়ে রাষ্ট্রের মূলনীতি) পরিবর্তনের জন্য রাষ্ট্রের সাথে তার কথা বার্তা শুরু করতে পারবেন।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ওহাবী স্কুলের গ্রাজুয়েটদের নিয় চিন্তিত, কারণ তাদের অনেকেই “খিলাফত” এর ফ্যান।
তাই সব ঠিকমতো চললে আশা করা যায় ইন্দোনেশিয়া আগামী দুই দশকের মধ্যে আন্তর্জাতিক জঙ্গি বাজারে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জঙ্গি রপ্তানিতে অবদান রাখতে পারবে।

[ সৌদি রাজার ইন্দোনেশিয়া সফর]