ভাবছিলাম, ‘ঋ’ বর্ণটার কথা। আজকাল আমাদের এই যান্ত্রিক নাগরিক জীবনে ‘ঋ’ শব্দটার দেখা মেলে কেবল ব্যাংকের ‘ঋণ’ শোধ করার মেসেজে! আর কোথাও এর খোঁজ নেই। আজকাল তো আর ‘ঋষি’দের কাল নেই, আর যদি ভুল করে কোনো ঋষি চলেও আসেন, এই সমাজ তাঁকে পাত্তা দেবে বলে মনে হয় না। ওদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কায় প্রকৃতির সেই চেনা ‘ঋতু’রা নিজেদের রূপ বদলে ফেলেছে। তবুও খাতা-কলমে আমাদের ক্যালেন্ডারে আজও ঋতু বা মৌসুমেরা টিকে আছে—বছরের একেকটা খণ্ড, যা গায়ের হাওয়া আর আকাশের রঙ দেখে চেনা যায়। দুনিয়ার বাকি দেশগুলো চার ঋতুতেই খুশি, কিন্তু আমাদের এই বাংলার বুকে আজও লুকিয়ে-চুরিয়ে হলেও ছয়টা ঋতুরই আনাগোনা।
প্রকৃতির এই যে খামখেয়ালি রূপ, এর আসল ম্যাজিকটা কিন্তু গান ছাড়া একদমই অধরা। আমাদের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তো মূল ভিত্তিই দাঁড়িয়ে আছে ঋতু আর প্রকৃতির এই রঙ বদলের ওপর। তাই প্রকৃতির সাথে মনের এই নাড়ির টানটাকে সুরের সুতোয় বাঁধতে চলুন আমরা ঋতুগানের আসর সাঁজাই।
নিচের ঋতু ভিত্তিক গান (ঋতুগান) এর একটা আর্টিকেল তালিকা দেয়া হল:
ঋতুগান তো আসলে কেবল কানে শোনার বিনোদন নয়; এটা প্রকৃতির ছন্দের সাথে নিজের ভেতরের ছটফটানিকে মিলিয়ে নেওয়ার একটা সুযোগ। ঋতুর সেই স্বাদটা পুর্ণভাবে নিতে প্রতিটি ঋতু জন্য একটি করে তালিকা তৈরি করে দিলাম। এই তালিকার গানগুলো আশা করি আপনার চারপাশের চেনা প্রকৃতিকে আরও একটু সুরেলা করে তুলবে।
