ঋ’ বর্ণটির ব্যবহার আজ আমাদের আধুনিক নাগরিক জীবনে কেবল ব্যাংকের ‘ঋণ’ শব্দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। প্রকৃতির যে গভীর আধ্যাত্মিক সংযোগ ছিল, সেই ‘ঋষি’ও নেই, আর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঋতুর সেই সম্পূর্ণ বৈচিত্র্যময় রূপটিও আজ আর নেই। খাতা-কলমে আজও রয়েছে ঋতু বা মৌসুম—বছরের একটি খণ্ডবিশেষ, যা স্থানীয় আবহাওয়ার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে ভাগ করা হয়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে বসন্ত, গ্রীষ্ম, শরৎ ও শীত—এই চারটি প্রধান ঋতু দেখা গেলেও, বাংলার বুক জুড়ে রয়েছে ষড়ঋতুর আনাগোনা।
প্রকৃতির এই বৈচিত্র্য যতটুকু অবশিষ্ট আছে, তার পূর্ণ অনুভব সংগীত ছাড়া সম্ভব নয়। রাগ সংগীতের অন্যতম ভিত্তিই হলো ঋতু ও প্রকৃতির রূপান্তরকে সুরে ধরা। প্রকৃতির সাথে হৃদয়ের এই মেলবন্ধন পূর্ণ করতে আমরা সাজিয়েছি ঋতুগানের এই সূচি।
নিচের ঋতু ভিত্তিক গান (ঋতুগান) এর একটা আর্টিকেল তালিকা দেয়া হল:
ঋতুগান কেবল বিনোদন নয়, এটি প্রকৃতির ছন্দের সাথে নিজের নাড়ির টান খুঁজে পাওয়ার একটি উপায়। প্রতিটি ঋতুর নিজস্ব রাগ বা গান যখন আমরা শুনি, তখন আমরা কেবল শব্দ শুনি না, বরং সেই ঋতুর হাওয়া, গন্ধ ও মেজাজকে নিজের ভেতরে অনুভব করি। আমাদের এই তালিকায় থাকা গান ও রাগগুলো আপনার ঋতু-পরিক্রমাকে আরও সুরেলা করে তুলবে।
