শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের প্রশাসন” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের প্রশাসন” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮) ।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে “বাংলাদেশের প্রশাসন” খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

  • মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়নে ডিজিটাইজ ব্যবস্থা চালু।
  • বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৪০৬টি মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং ২ হাজার ৬৮৩টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ৫৮২টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৯৩.৮৪ শতাংশ।
  • ২২১টি দ্বি-পাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। ৮১টি নীতিমালা, কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা অনুমোদিত হয়।
  • বিভিন্ন দপ্তরে ৭৬৭টি নতুন পদ সৃজন করা হয়। নবসৃষ্ট ‘সালথা উপজেলার জন্য ৩ ক্যাটাগরির তিনটি নতুন পদ সৃজন ।
  • প্রতিবছর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদৎবার্ষিকী জাতীয় শোক দিবস হিসেবে সারাদেশে যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়।
  • ৮৫ জন বরেণ্য ব্যক্তি ও ৬টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রদান। পুরস্কারের মান ১ লক্ষ টাকা থেকে ৩ লক্ষ টাকায় উন্নীত করা হয়। ২০১৭ সালে ১৫ জন বরেণ্য ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়।
  • বর্তমানে স্বাধীনতা পুরস্কার হিসেবে ১৮ ক্যারেট মানের স্বর্ণ নির্মিত প্রতিটি ৫০ গ্রাম ওজন বিশিষ্ট একটি পদক, ৩ লক্ষ টাকা এবং একটি সম্মাননা প্রদান করা হয়।
  • ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবিস্মরণীয় অবদানের জন্য বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতার নিদর্শনস্বরূপ ‘বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা’ (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়।
  • মান্যবর সৌদি প্রিন্স আল ওয়ালিদ বিন তালাল বিন আবদুল আজিজ আল সৌদকে ১০ জুন ২০১২-এ ‘বাংলাদেশ মৈত্রী’ পদক প্রদান করা হয়।
  • বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৬ জন সম্মানিত বিদেশী বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা। এবং ৩১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ১২টি প্রতিষ্ঠানকে ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ প্রদান করা হয়।
  •  “একুশে পদক’-এর অর্থের পরিমাণ ৪০ হাজার টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকায় উন্নীত করা হয়।
  • ‘বেগম রোকেয়া পদক’-এর অর্থের পরিমান ৩০ হাজার টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকায় উন্নীত করা হয়।
  • ক ন্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৬৭টি বৈঠক অনুষ্ঠিত না। এসব বৈঠকে ১,৮১৮টি জন্য প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
  • অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১৪২টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকে ৩৭৪টি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
  • শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পুনর্গঠন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পুনর্গঠন করে জননিরাপত্তা বিভাগ ও সুরক্ষা সেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে পুনর্গঠন করে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ গঠন করা হয়।
  • দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং জনগণকে রেলপথে যাতায়াতে যথাযথ সেবা প্রদানের লক্ষ্যে রেলপথ বিভাগকে পুনর্গঠন করে রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন এবং কার্যতালিকা নির্ধারণ করা হয়।
  • যোগাযোগ মন্ত্রণালয়-এর নাম পরিবর্তন করে ‘সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন সড়ক বিভাগের নাম পরিবর্তন করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ | করা হয়।
  • Ministry of Science and Information & Communication Technology-এর অধীনে Science & Technology Division এবং Information & Communicati Technology Division নামে দুটি বিভাগ গঠন এবং কার্যবন্টন নির্ধারণ করা হয়।
  • সরকারি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় সময়োচিতভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে Science & Technology Division Information & Communication Technology Division-কে পুনর্গঠন করে Ministry of Science and Technology এবং Ministry of Information and Communication Technology গঠন এবং কার্যতালিকা নির্ধারণ করা হয়।
  • খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে (ক) খানা বিভাগ এবং (খ) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রাণ বিভাগ নামে দুটি বিভাগ গঠন এবং কার্যকটন নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত বিভাগ দুটিকে যথাক্রমে (১) খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং (২) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ওরা মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করা হয়।
  • আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে (ক) আইন ও বিচার বিভাগ এবং (খ) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ নামে দুটি বিভাগ গঠন এবং কার্যবন্টন নির্ধারণ করা হয় ।

 

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে "বাংলাদেশের প্রশাসন" খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা, ৯ জুলাই ২০১৮

 

  • অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ গঠন এবং কার্যকটন নির্ধারণ করা হয়। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নাম পরিবর্তন করে প্রতিষ্ঠ বিভাগ নামকরণ এবং কার্যতালিকা সংশোধন করা হয়।
  • পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধানে পরিসংখ্যান বিভাগ গঠন এবং কার্যবন্টন নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তী পর্যায়ে পরিসংখ্যান বিভাগের নাম পরিবর্তন করে পরিসংখ্যান বিভাগ (Statistics and Informatics Division) নামকরণ করা হয় এবং কার্যতালিকা সংশোধন করা
  • ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়’ এবং ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়’-কে একীভূত করে ‘ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়” পুনর্গঠন করা হয়। এই মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ’ এবং ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ’ নামে দুটি বিভাগ গঠন এবং বিভাগ দুটির কার্যতালিকা নির্ধারণ করা হয়
  • বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার সকল পুরুষ কর্মকর্তা মার্চ-নভেম্বর সময়ে আনুষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতা ব্যতিরেকে স্যুট-টাই পরিধান না করে অফিসে প্যান্ট, শার্ট (অর্থ/পুরাহাতা) পরিধান করার আদেশ জারি করা হয়।
  • মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কার্যক্রমে গতিশীলতা বৃদ্ধিতে অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসনিক সংস্কার ও বাস্তবায়ন) পদটি মানোন্নয়নের মাধ্যমে সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) পদ হিসেবে সুজন করা হয়। সমন্বয় ও সংস্কার ইউনিটের জন্য যুগ্মসচিবের দুইটি উপসচিবের দুইটি, সিনিয়র সহকারী সচিবের চারটি এবং একান্ত সচিবের (সিনিয়ার সহকারী সচিব) একটি পদ সুজন এবং ৬২টি সহায়ক পদ সৃষ্টি করা হয়।

 

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে "বাংলাদেশের প্রশাসন" খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০১৮-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০১৮

 

  • জেলা প্রশাসক সম্মেলন এবং বিভাগীয় কমিশনার সমানতা নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক সম্মেলনে গৃহীত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ সম্পর্কিত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন ১৩ শতাংশের অধিকে উন্নীত হয় এবং বিভাগীয় কমিশনার সমন্বয় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ১০০ শতাংশ।
  • প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেম স্থাপন করা হয়। ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে মাঠপ্রশাসনের সাথে সমন্বয় সাধন করা হয়।
  • নাটোরের উত্তরা গণভবন জনসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
  • আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১০ম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে মহাসড়ক সংলগ্ন বাজারসমূহ মহাসড়ক হতে নিরাপদ দূরত্বে স্থানান্তর এবং মহাসড়কের পার্শ্বে বাজার স্থাপন প্রতিরোধকল্পে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়।
  •  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বাস্তবায়নাধীন ‘ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট অব ফিল্ড এডমিনিস্ট্রেশন” শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় ৬৬টি ব্যাচে সর্বমোট ১,৫১১ জন মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা (জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক / অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), সহকারী কমিশনার)-কে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এ ছাড়া ঢাকা, সিলেট, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী এবং মামনসিংহসহ ৬টি বিভাগীয় শহরে বিভিন্ন বিষাভিত্তিক মোট ৬টি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
  • অপরাধ প্রবণতা হ্রাস ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ প্রণয়ন এর তফসিলে ৯৭টি আইন সংযোজন করা হয়। মোবাইল কোর্ট মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়। বিভিন্ন আইনে ৫,৭০৮ জন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেটকে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়।
  • ৩.৪১,৭১১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। দায়েরকৃত মামলার 89 হাজার ২৮৭টি এবং আদায়কৃত জরিমানার পরিমাণ ২৩২ কোটি ৩ লক্ষ টাকার অধিক। জানুয়ারি ২০১১ থেকে জুন ২০১৭ পর্যন্ত যৌন হয়রানি বন্ধে দেশব্যাপী ৭ হাজার ৮৬৯টি মোবাইল কোর্টে ৫ হাজার ৮৮২ জনকে শাস্তি প্রদান এবং ৮৪ লক্ষ ২৭ হাজার ৩৬০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

 

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে "বাংলাদেশের প্রশাসন" খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
স্বাধীনতা পুরন ২০১৪ বিন অনুষ্ঠানে পুরস্কার মহণকারীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওসমানী মিলনান, ২৫ মার্চ ২০১৪

 

  • মোবাইল কোর্টের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং দক্ষতার সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করে সহজে এবং স্বল্প সময়ে বিচারিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ই-মোবাইল কোর্ট সিস্টেম চালু করা হয়। এ লক্ষ্যে দেশের ৬৪ জেলার সকল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রসিকিউটরদের ই-মোবাইল কোর্ট সিস্টেম ব্যবহারের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ই-মোবাইল কোর্ট সিস্টেমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
  •  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তাবধানে ২৫,০০০ সরকারি দপ্তরের ওয়েবসাইটের সমন্বয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম জাতীয় তথ্য বাতায়ন নির্মিত হয় যা ২০১৫ সালে WSIS (The World Summit on the Information Society) পুরস্কারে ভূষিত হয়।
  • সেবা কার্যক্রমে গতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ, দপ্তর/সংস্থা ও মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহে ই-ফাইলিং কার্যক্রম শুরু করা হয়।
  • তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় নাগরিক সেবা পৌঁছে দেও সারাদেশের ৪.৫৪৭টি ইউনিয়ন, ৩২৫টি পৌরসভা ও বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড পর্যায়ে ৪০টি ডিজিটাল সেন্টার চালু করা হয়।
  • ২০১৬-১৭ অর্থ-বছর পর্যন্ত বিভিন্ন দপ্তরের ২,৪৮৮ জন কর্মকর্তাকে নাগরিক সেবায় উদ্ভাবন বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে প্রায় ৫৩৫টি উদ্ভাবনী উদ্যোগের বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলমান আছে।
  • সরকারি দপ্তরসমূহে সোশ্যাল মিডিয়ার প্লাটফর্ম ব্যবহার করে নাগরিকগণের সাথে সেবা প্রদানকারীর সরাসরি উন্মুক্ত যোগাযোগ স্থাপনের ব্যবস্থা চালু করা হয়। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ হতে ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৬’ জারি করা হয়।
  • “ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট অব কেবিনেট ডিভিশন’ শীর্ষক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। দুর্নীতি বিরোধী একটি ব্যবহারিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়: জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’ গ্রহন করা হয়।
  • মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার)-এর নেতৃত্বে ‘হাতীয় শুদ্ধাচার বাস্তবায়ন ইউনিট’ গঠন করা হয়।
  • প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের অাচার চর্চার উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা, ২০১৭’ প্রণয়ন করা হয়।
  • সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৪-১৫ অর্থ-বছর হতে সরকারি কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।
  • ২০১৫-১৬ অর্থ-বছরে মন্ত্রণালয়/বিভাগের পাশাপাশি আওতাধীন দপ্তর/সংস্থা এবং বিভাগীয় পর্যায় বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়িত হয়। ২০১৬-১৭ অর্থ-বছরে মন্ত্রণালয়/বিভাগের পাশাপাশি আওতাধীন দপ্তর/সংস্থা, বিভাগীয় পর্যায় এবং মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়সমূহের সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হন।
  •  সরকারি দপ্তরের প্রতিশ্রুত সেবা, সেবা প্রদান পদ্ধতি এবং সেবা ও পণ্যের মান সম্পর্কে নাগরিকের অবস্থায় প্রশমনের নিমিত্তে অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা ( Grievance Redress System GRS) পদ্ধতি চালু করা হয়।
  • Improving Public Administration and Services Delivery through E-Solutions: [Improving GRS (Output-3)’ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে অনলাইনভিত্তিক অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (www.gr.gov.bd করা হয়।
  • মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা সংক্রান্ত পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশল পরিকল্পনা এবং তিন বছর মেয়াদি বাস্তবায়ন কর্ম-পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়।
  • সংস্থার সেবা সমবে সেরা সমান প্রতিক্রিতি (সিটিজেনস চার্টার) প্রণয়ন করা হয়। সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতির ফরম্যাটের বিভিন্ন কলাম পূরণের সুবিধার্থে সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি (সিটিজেন চার্টার) প্রণাম সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৭ প্রণয়ন করা হয়।
  • ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন প্রণীত হয় । সব সরকারি অফিসে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯-এর ধারা ১০ অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আপিল কর্তৃপক্ষ নিয়োগ করা হয়। এবং তা জয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
  • ৬৪টি জেলার জেলা প্রশাসককে তথ্য অধিকার বিষয়ক জেলা উপদেষ্টা কমিটি (DAC) গঠন করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। নির্দেশনা মোতাবেক সকল জেলায় ইতোমধ্যে
    কমিটি গঠিত হয়েছে এবং কমিটির সভাও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
  • মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে দেশের ৬৪ জেলায় জেলা-ব্রান্ডিং কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। জেলা ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ হতে জেলা-ব্রাজিং কৌশল জারি করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

  • বর্তমান সরকার দক্ষ, সেবামুখী, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা করে তা করছে।
  • বিপিএটিসির প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় বিপিএটিসির সামগ্রিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সেবা প্রদানের সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

 

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রশাসন খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
বিপিএটিসি আয়োজিত পি-৬০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষন কোর্সের সমাপন অনুষ্ঠানে বকনা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার, ৩১ মার্চ ২০১৬।

 

  • বিপিএটিসির আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্সের ভৌত অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
  • বিসিএস প্রশাসন একাডেমি ভবন সম্প্রসারণ এবং প্রশিক্ষণ সুবিধাদিসহ একাডেমির
    সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে ।
  • কুমিল্লা সার্কিট হাউজের আবাসিক সুবিধা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ৩৭টি জেলায় সার্কিট হাউজের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজ চলমান রয়েছে। • মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর আধুনিকায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
  • রংপুর বিভাগে নতুন প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ করে এই বিভাগের কমিশনারের কার্যালয়সহ ১১টি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় কার্যালয় একই ভবনে স্থাপন করা হবে।
  • গণকর্মচারী এবং তাঁদের পরিবারবর্গের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৫০ শয্যাবিশিষ্ট উন্নত ও আধুনিক সকল সুবিধা সংবলিত ১৬ তলা ভিত্তির উপর নতুন ভবনে ৪ তলা বিশিষ্ট সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে।
  • জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সকল সরকারি আদেশ অনলাইনে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত ওয়েবসাইট হালনাগাদ করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি আধুনিকায়ন করা হয়েছে।
  • সরকারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনপ্রশাসনে কর্মরত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত ২১৫২টি অভিযোগের মধ্যে ২১৪৫টি অভিযোগ নিষ্পত্তি
    করা হয়েছে।
  • ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত এ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভাগ এবং দপ্তরে চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ৫০৪,৮৬৫টি পদ সৃজনে সম্মতি প্রদান করা হয়েছে।
  • বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে জনবল নিয়োগ: ৯টি বিসিএস (২৮তম থেকে ৩৬তম পর্যন্ত) পরীক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাভাবে ২৪,৩৮০ জনকে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। ৩৭তম বিসিএসে ১,৩১৪ জনকে চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
  • সকল সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে অপূরণকৃত পদসমূহ সাধারণ প্রার্থী দ্বারা পূরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
  • জানুয়ারি ২০০৯ হতে জুন ২০১৮ পর্যন্ত সময়ে সর্বমোট ১০,২৪৪ জন কর্মকর্তা বৈদেশিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। যার মধ্যে ৮,১৬৩ জন স্বল্পমেয়াদী এবং ২,০৮১ দীর্ঘ মেয়া অর্থাৎ ডিপ্লোমা/মাস্টার্স/পিএইচডি কোর্সে অংশগ্রহণ করেছেন।
  • ২০০৯ (জুলাই হতে) ২০১৮ পর্যন্ত সচিব পদে ১৮২ জন, অতিরিক্ত সচিব পদে ৮৩৯ জন, যুগ্মসচিব পদে ১,০৯৮ জন, উপসচিব পদে ১,৭৪০ জন এবং সিনিয়র সহকারী সচিব পদে ১৪০৬ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি প্রদান। এছাড়াও অন্যান্য ক্যাডারের গ্রেড-১ পদে ৯৩ জন, গ্রেড-২ পদে ৩৮৯ জন, গ্রেড-৩ পদে ১,৪৩৪ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে।
  • মামলাসংক্রান্ত ৩৮৯টি বিভাগীয় মামলায় ৫২ গুরুপ এবং ১১৪ জন কর্মচারীকে লঘুদণ্ড প্রদান করা হয়।
  • ২০৫টি সিডান কার, ৭১২টি জীপ, ২৮টি ইঞ্জিন, ৩৯টি কেবিন ক্রুজার, ১১২টি মাইক্রোবাস, ০৩টি মিনিবাস, ২৮টি স্পীডবোট, ৭৭টি মোটর সাইকেল, ১৩৬টি ডাবল কেবিন পিক-আপ, ২৬টি ইঞ্জিন, ০১টি এ্যাম্বুলেন্স এবং ৩০টি বিএমডব্লিউ কার জন্য করা হয়েছে।
  • জনপ্রশাসন পদক নীতিমালা, ২০১৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০১৬ সাল হতে প্রতিবছর। ২৩ জুলাই জনপ্রশাসন পদক প্রদান করা হচ্ছে।
  • ১.২৪২টি পেনশন ও আনুভাষিক মঞ্জুরি প্রদান করা হয়েছে।
  • বেসামরিক প্রশাসনে চাকরিরত অবস্থায় কোন সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীর মৃত্যুবরণ করলে তার পরিবারকে আট লক্ষ টাকা এবং গুরুতর আহত হয়ে স্থায়ী অক্ষমতাজনিত কারণে সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীকে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদান প্রদান করা হচ্ছে।
  • গণকর্মচারীদের অবসর গ্রহণের বয়স উনষাট বছর এবং মুক্তিযোদ্ধা গণকর্মচারীদের অবসর গ্রহণের বয়স ঘাট বছর করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতীত) শীর্ষক কর্মসূচি

  • সমতলে বসবাসরত – मান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে বাস্তবায়নাধীন বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ইত্যাদি কার্যক্রমের পাশাপাশি সমতলের ক্ষুদ্র মৃ-গোষ্ঠীদের জন্য ১১০.০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৫০০টি বৃহৎ আকারের আরবর্ধনমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
  • গত ৪টি অর্থ বছরে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত ২,০৪৭ জন হার/ ছাত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে মোট ৫কোটি টাকার শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
  • দেশের ৪৬টি উপজেলায় ৪৬টি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
  • সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন ট্রেড ভিত্তিক প্রশিক্ষণের জন্য ৫ কোটি টাকা বায়ে একটি বৃহৎ আকারের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে ।
  • কমলগঞ্জ ও রায়গঞ্জের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের জন্য ২টি মিনি বাস প্রদান করা হয়েছে।
  • ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করা হয়েছে।
  • ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ৯ মাসে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ১২৮২টি শিল্প প্রকল্পের নিবন্ধন প্রদান করা হয়েছে।
  • বাণিজ্যিক, শিল্প কারখানায় বৈদ্যুতিক সংযোগ ৪২৮ দিনের স্থলে ২৮ দিনের মধ্যে নেওয়া হয়েছে ।

 

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রশাসন খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)
সমতল ভূমিতে বসবাসরত ক্ষুদ্রানীদের মধ্যে শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নুর ২০১৬

 

  • বাণিজ্যিক ও শিল্প কারখানার ভবন নির্মাণে রাজউক ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুমতিপত্র ৩৫৯ দিনের স্থলে ৬০ দিনে দেওয়া হচ্ছে।
  • ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সুরক্ষা সংক্রান্ত সূচকে আইনের ৬টি ধারার পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে।

পিপিপি কর্তৃপক্ষ

২০০৮-০৯ হতে ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অর্জন

  • পিপিপি এর আওতায়া ১৪৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং হাই-টেক পার্ক কালিয়াকৈর ব্লক ২.৩৫৫ প্রকল্প দুইটির বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরুর জন্য বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
  • পিপিপি কর্তৃপক্ষের পাইপ লাইনে বাস্তবায়নাধীন ৪৭টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সেখানে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
  • পিপিপি প্রকল্পে বিভিন্ন ধরনের সরকারি আর্থিক সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সহজীকরণের লক্ষ্যে Guadeline for Viability Cap Fund (VGE) for PPP, ২০১২ এবং Guideline for PPPTAF. 2012. Scheme for PPPTAF. 2012 অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা হয়েছে।
  • পিপিপি আইন, ২০১৫ এর গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
  • পিপিপি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে বেসরকারি অংশীদার নির্বাচন প্রতিমা নির্ধারণে Procurement Guideline for PPP Projects, ২০১৮ জারি করা হয়।
  • ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ হ করা।
  • জিটুজি চুক্তির ভিত্তিতে পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি পলিসি প্রণয়ন করা হয়েছে এ পলিসির আওতার জাপানের সাথে ৮টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন।
    এনজিও বিষয়ক ব্যুরো
  • এনজিও বিষয়ক ব্যুরো হতে ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত ৪৬, ১২২.০৭ কোটি টাকার ৯,৮৩৩টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। উষ্ণ সময়ে ৪২,৮০৫.৩২ কোটি টাকার বৈদেশিক অনুদান ছাড় করা হয়েছে।
  • The Foreign Donations (Voluntary Activities) Regulation Ordinance, ১৯৭৮ এবং The Foreign Contribution (Regulation Ordinance) [১৯৮২] এ দুটো আইন একত্রিত করে একটি সহজে প্রয়োগযোগ্য আইন ‘বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন আইন, ২০১৬’ কার্যকর হয়েছে।
  • এনজিওসমূহের নিবন্ধন, নিবন্ধন নবায়ন, নাম পরিবর্তন, গঠনতন্ত্র পরিবর্তন, ডুপ্লিকেট সমন প্রদান ইত্যাদি খাত থেকে ১০,৮,৫৩১.৫১৩ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করা হয়াছে। সেবা সহজিকরণের আওতায় বর্তমানে ব্যুরো কর্তৃক এফ ডি- পরিনাকরণ/ অনুমোদনের প্রচলিত ১৩টি ধাপ থেকে কমিয়ে ৮টি ধাপে আনা হয়েছে।।

বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল গভর্নরস বোর্ডের নির্বাহী সেল

  • ২০১১- জুন ২০১৭ পর্যন্ত কেইপিজেড প্রায় ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করেছে এবং প্রায় ১৯ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
  • বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল গভর্নরস বোর্ড কর্তৃক বেসরকারি ইপিজেডে শিল্প কারখানা স্থাপনের নীতিমালা ইস্যু করা হয়েছে।
  • বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল গভর্নরস বোর্ড কর্তৃক বেসরকারি ইপিজেডে বিদেশী নাগরিকদের ওয়ার্ক পারমিট প্রদান বিষয়ক নীতিমালা ইস্যু করা হয়েছে ।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের অর্জন

  • খুলনা বিভাগের ১০টি জেলা ভিক্ষুকমুক্ত হয়েছে। দেশে ভিক্ষুকের সংখ্যা প্রায় ১,৯২,৫৭২ জন। তন্মধ্যে ২৯,১৮৩ জনকে পুর্নবাসন করা হয়েছে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরের কর্ম-পরিকল্পনা

  • ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে কেইপিজেড ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করবে।
  • আরও ২০টি জেলা ‘ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’ এর মাধ্যমে ভিক্ষুকমুক্তকরণ করা হবে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়:

  • সরকারি কর্ম কমিশনের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়ন। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতার অবসান।
  • সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ২৮ তম, ২৯তম, ৩০ অব্দ, ৩১তম ৩২তম, ৩৩তম, ৩৪তম, ৩৫তম, ৩৬তম এবং ৩৭তম, ৩৮তম এবং ৩৯তম বিসিএস পরীক্ষার অর্থাৎ ১২টি বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। অন্যবো ২৮তম, ২৯তম, ৩০তম, ৩১তম ৩২তম, ৩৩তম, ৩৪তম, ৩৫তম, ৩৬তম এবং ৩৭তম ১০টি বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত বিসিএস এর বিভিন্ন ক্যাভারে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়:
  • সরকারি কর্ম কমিশনের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়ন। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতার অবসান।
  • সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ২৮ তম, ২৯তম, ৩০ অব্দ, ৩১তম ৩২তম, ৩৩তম, ৩৪তম, ৩৫তম, ৩৬তম এবং ৩৭তম, ৩৮তম এবং ৩৯তম বিসিএস পরীক্ষার অর্থাৎ ১২টি বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। অন্যবো ২৮তম, ২৯তম, ৩০তম, ৩১তম ৩২তম, ৩৩তম, ৩৪তম, ৩৫তম, ৩৬তম এবং ৩৭তম ১০টি বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত বিসিএস এর বিভিন্ন ক্যাভারে ২৬,৫৯২ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
  • ৩৮তম বিসিএস এর লিখিত পরীক্ষা চলমান রয়েছে। বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের ৩৯তম বিশেষ বিসিএস এর MCQ Type ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ০৬.০৯.২০১৮ প্রকাশিত হয়েছে।
  • ৪০তম সাধারণ বিসিএস-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারের ১,৯১৯টি পদের তালিকা পাওয়া গেছে। ৪০তম বিসিএস-এর বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। প্রতি বছর বিসিএস পরীক্ষার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ায় এখন নিয়মিত বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
  • সাম্প্রতিককালে (২০০৯-২০১৮) সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক ক্যাডার ও নন-ক্যাডার পদে সুপারিশকৃত কর্মকর্তার সংখ্যা নিম্নরূপ:
  • বর্তমান কমিশন ২০১২ সাল থেকে ৩৩তম বিসিএস হতে সামগ্রিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ডিজিটালাইজড অনলাইনে আবেদনপত্র জমাদান ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে। পরবর্তীতে ৩৪তম, ৩৫তম, ৩৬তম ৩৭তম, ৩৮তম এবং ৩৯তম বিসিএস এর আবেদনপত্র অনলাইনে গ্রহণ করা হয়েছে।
  • পূর্বে একটি বিসিএস-এর নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ধ করতে যেখানে তিন থেকে সাড়ে তিন বছর সময় লাগত বর্তমানে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষা কার্যক্রম ১ বছর ৮ মাসে সজ্জা করা সম্ভব হয়েছে।
  • নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা হ্রাসের মাধ্যমে ঢাকার প্রত্যাশী প্রার্থীদের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কমিশন সচেষ্ট রয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে প্রতিটি বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সার্বিক নিয়োগ কার্যক্রম এক বছরের মধ্যে সম্পন্নের লক্ষ্যে কমিশন নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিএনপি-জামায়াত সরকার এবং বর্তমান সরকার আমলে সরকারী কর্ম কমিশন কর্তৃক ক্যাডার ও নন-ক্যাডার পদে সুপারিশকৃত কর্মকর্তার সংখ্যা

 

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রশাসন খাতে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দশ বছর (২০০৯-২০১৮)

 

  • লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার পর উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সুপারিশ প্রণয়ন প্রক্রিয়া বর্তমানে কম্পিউটারের সহযোগিতায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে করা হয়।
  • ফলাফল প্রণয়নে ব্যয়িত সময় হ্রাস করে ৭-১০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য পদবন কার্যক্রম ম্যানুয়াল পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল পদ্ধতিতে করার বিষয়ে বর্তমান কমিশন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
  • বিসিএস ক্যাডার পদের ফলাফল প্রস্তুতের জন্য CADS Cadre Distribution Software) এবং নন ক্যাডার পদের ফলাফল প্রস্তুতের জন্য উয়ানিত মার্চ ইঞ্জিন (Search Engine) সফটওয়ার এর মাধ্যমে পাশাপাশি দ্রুত সময়ে নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভ। ान নামে দীর্ঘসূত্রিতা হ্রাস করতে কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখছে।
  • বিসিএস ক্যাডার পদের জন্য ত নিসিএস পরীক্ষার এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ পরীক্ষার দ্রুত সময়ে সম্পন্নের জন্য বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল প্রণয়নের জন্য Result Processing Room (Cadre) এ Real Processing Room (Non-cadre) নামে দুটো digitalized seperate কক্ষ নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে গোপনীয়তা ও পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নিয়োগ পরীক্ষাসমূহের ফলাফল প্রদান প্রতিনা দ্রুত সম্পন্নপূর্বক স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রকাশ করার কারণে নিয়োগের ক্ষেত্রে দীবিকা হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে।
  •  সরকারি কর্ম কমিশনের নিজস্ব website (www.bpsc.gov.bd) – বিসিএস পরীক্ষা, নন-আতাৰ পৰীক্ষা, বিভাগীয় পরীক্ষা, সিনিয়র স্কেল পদোন্নতি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট বিধিমালা, নীতিমালা, নির্দেশনা, সিলেবাস, পরীক্ষা পদ্ধতি, বিজ্ঞাপন, প্রেস বিজ্ঞপ্তি ফলা যাবতীয় তথ্য আপলোড থাকে যা যথাযথভাবে প্রতিনিয়ত আপগ্রেড করা হয়।
  • প্রতিটি নিয়োগ পরীক্ষার সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য-নির্দেশনা প্রার্থী প্রতি মুহুর্তে website থেকে সংগ্রহ করতে পারেন।
  • বিসিএস পরীক্ষাসহ নন-ক্যাডার পদের আবেদনপত্র, পুলিশ প্রত্যয়ন ফরম, ছাড়পত্রের নমুনাসমূহ website থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। ২০১২ न তথ্য অধিকার আইন, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বিষয়ক সেবাসমূহ কমিশনের website সংগ্রহ করতে পারেন।
  • পূর্বে প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের বিধান ছিল না। বর্তমানে প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের বিধান সংযোজন করা হয়েছে। পূর্বে তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিধান ছিল না। বর্তমানে তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিধান সংযোজন করা হয়েছে।
  • ৩৮তম বিসিএস থেকে দু’জন পরীক্ষকের মাধ্যমে উত্তরপত্র মূল্যায়ন পদ্ধতি কার্যকর হবে।
  • বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বাংলা ভার্সনের পাশাপাশি ইংরেজি ভার্সনে প্রশ্ন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ। ৩৮তম বিসিএস থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর।
  • ৭টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত বিসিএস পরীক্ষাসমূহ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর এবং ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকদের আলোয়ক করে পুলিশ প্রশাসন এবং অন্যান্য সংস্থার ব্যক্তিদের নিয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ছা কমিটি গঠন করা হয়েছে। ফলে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনা এবং পরীক্ষার সময় প্রার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা বিভাগীয় শহরে অবস্থিত কেন্দ্রসমূহে তাত্ক্ষণিকভাবে সমাধান করে প্রার্থীদের সেবা প্রদান সম্ভব
  • নিয়োগ পরীক্ষার আবেদনপত্র অনলাইনে জমা প্রদানকালীন সময়ে কমিশন কর্তৃক একটি হোডেস্ক গঠন করে থাকে। অনলাইনে আবেদনপত্র জমাদানকালে কোন বিষয়ে প্রার্থীদের আম্পায়তা থাকলে বিজ্ঞাপনে প্রদত্ত নম্বরে ফোন করে প্রার্থপিশ হোয়ডেড-এর নিকট হতে ফরম পূরণে সেবা গ্রহণ করে থাকে।
  • কমিশনের একটি facebook একাউন্ট রয়েছে। উরু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রার্থী কর্তৃক প্রদত্ত মতামতসমূহ কমিশন গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে থাকে। প্রয়ো ক্ষেত্রে সেবাপ্রত্যাশী প্রার্থীদের স্বার্থসংশ্রি বিষয়ে নিধি বিধানের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।