বাংলাদেশে আর বড় শিল্পী, উন্নত গান-বাজনা হবে না ! | অসুরের সুরলোকযাত্রা সিরিজ

আমরা কি আসলেই চাই আমাদের দেশের গান বাজনা উন্নত হোক? | অসুরের সুরলোকযাত্রা সিরিজ

আমার কথাটির বিপরীতে কিছু বলার আগে উত্তর দিন তো—কোন বাংলাদেশে বড় শিল্পী হবে বা উন্নত গান-বাজনা হবে? আমরা কি আসলেই …

Read more

শ্রী হনুমানের TA Bill

শ্রী হনুমানের TA Bill

শ্রী হনুমানের TA Bill নিয়ে মুল লেখাটা বিখ্যাত হিন্দি লেখক হরিশঙ্কর পারসাই’র [ Harishankar Parsai ]। ভালো লাগায় একটা অনুবাদ …

Read more

ভারত ছাড় ভাষন – মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী

ভারত ছাড় ভাষন – মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট “ভারত ছাড়ো” আন্দোলনের ডাক দেন, যা ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের …

Read more

সহি ক্বিরাআত ছাড়া কুরআন বুঝবেন না : কথাটা কতটা সত্য বা বাস্তব সম্মত?

কুরআন বুঝতে সহি ক্বিরাআতের দক্ষতা জরুরী

একজন সাধারণ মুসলিম যখন নিজে কুরআন পড়তে ও বুঝতে চান, তখন প্রথমেই যে যুক্তিটি তার পথে বাধা হিসেবে দাঁড় করানো …

Read more

ডিজিটাল বাংলাদেশ: কীভাবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে শেখ হাসিনার অবিচল যাত্রাকে

বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেননি, তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত এক সমৃদ্ধ …

Read more

বিএনপি-জামাত যুগের স্মৃতিচারণ: যখন বিদ্যুৎ বিভ্রাটই ছিল স্বাভাবিক

২০০৫ সালে বাংলাদেশের এক শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছিল, কিভাবে বিএনপি-জামায়াত-এ-ইসলামী জোট সরকার দেশের বিদ্যুৎ খাতকে …

Read more

পেশা, ধর্ম ও লিঙ্গবৈষম্যমূলক গালি: বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও আমাদের রাজনৈতিক শিষ্টাচার

রাজনীতিতে মতভেদ থাকবে, আদর্শিক লড়াই থাকবে, এমনকি তীব্র শত্রুতাও থাকতে পারে; কিন্তু তাই বলে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে কারও পেশা, দারিদ্র্য, ধর্ম কিংবা লিঙ্গকে খাটো করে গালি দেওয়া কি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথে যায়? এটি কি একজন প্রকৃত আত্মমর্যাদাশীল রাজনৈতিক কর্মীর কাজ হতে পারে?

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর সারাটি জীবন উৎসর্গ করেছিলেন এই বাংলার সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। অধিকারবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনোই কোনো পেশা, ধর্ম বা লিঙ্গকে ছোট করে কাউকে তাচ্ছিল্য করেননি।

“ড্রাইভারের বাচ্চা”, “হেল্পারের জাত” কিংবা “ফকিন্নির বাচ্চা”—এমন কুরুচিপূর্ণ শব্দচয়ন বঙ্গবন্ধুর অভিধানে ছিল না। বরং তিনি রিকশাচালক থেকে শুরু করে সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত মেহনতি মানুষটিকেও পরম মমতায় বুকে জড়িয়ে ধরেছেন, তাঁদের ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেছেন। আজ যাঁরা নিজেদের বঙ্গবন্ধুর সৈনিক বা অনুসারী বলে দাবি করেন, তাঁদের মুখে কি এই ধরনের সামন্তবাদী ও বিদ্বেষপূর্ণ ভাষা মানায়?

আমাদের মনে রাখতে হবে, অশালীন ও দম্ভপূর্ণ ভাষা কেবল তাঁদেরই মানায়, যাঁরা নিজেদের ‘এলিট’ বা শাসক মনে করে—যাঁদের রাজনীতি ছিল সাধারণ মানুষকে প্রজা ভাবার। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখবেন, এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ ভাষা ছিল ফকা চৌধুরী (সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বাবা) বা তাঁদের মতো স্বৈরাচারী ও সামন্ততান্ত্রিক মানসিকতার উত্তরসূরিদের; এটি কখনোই আওয়ামী লীগের আদর্শিক ভাষা হতে পারে না।

পরিস্থিতি যতই উত্তপ্ত হোক বা প্রতিপক্ষ যত বড়ই শত্রু হোক—কারও পেশা, জাত-পাত, ধর্ম বা জেন্ডারকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে গালি দেওয়া চরম রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের লক্ষণ।

আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্মই হয়েছিল কৃষক, শ্রমিক, মজুর এবং প্রান্তিক মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই থেকে। তথাকথিত ড্রইংরুমের ‘ভদ্রলোক’ বা সুবিধাবাদী সুশীল সমাজ নয়, বরং রোদ-বৃষ্টিতে পোড়া খেটে খাওয়া এই মানুষগুলোই দলটির মূল ভিত্তি এবং প্রধান চালিকাশক্তি। আজ হয়তো আধুনিকতার বাহ্যিক চাকচিক্যে সেটা সবসময় দৃশ্যমান হয় না, কিন্তু এই শ্রেণী-পেশার মানুষগুলোকে অপমান করা মানে দলের আত্মাকেই অপমান করা।

তাই আসুন, মুখে বঙ্গবন্ধুর নাম নেওয়ার আগে তাঁর জীবনাচরণ ও শিষ্টাচারকে হৃদয়ে ধারণ করি। রাজনৈতিক বিরোধ থাকবে, কিন্তু শালীনতা যেন হারিয়ে না যায়। ঘৃণা বা বিদ্বেষ ছড়ানো নয়, বরং মানুষের মানবিক মর্যাদাই হোক আমাদের রাজনীতির মূল ভাষা।

বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার তুলনা করা উচিত নয়

বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার তুলনা করা অনুচিত। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি বহু গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করেছে এবং ক্রমাগত অগ্রসর হচ্ছে। …

Read more