আমি ‘অসুরের সুরলোকযাত্রা’ সিরিজ লিখতে শুরু করেছিলাম শুধুমাত্র হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সাথে পরিচিত হবার অভিজ্ঞতা লিখতে। পরে আমারও আগ্রহ বেড়েছে, পাঠকরা কয়েকজন অনুরোধ করেছেন। তাই পশ্চিমা শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শোনা শুরু করলাম এবং সেই অভিজ্ঞতাটিও যোগ করা শুরু করলাম। এর মধ্যে অনেক বিষয় আছে শ্রোতা হিসেবে যা দরকার নেই, কিন্তু লেখাটা পূর্ণ করার জন্য সেগুলো যুক্ত করছি। আপনারা পড়ে মতামত জানাবেন।
পশ্চিমা সঙ্গীত
পশ্চিমা সঙ্গীত শুধু সঙ্গীত নয়, এর সাথে ইউরোপ ও আমেরিকার সামাজিক, রাজনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের প্রতিফলনও উঠে এসেছে। প্রথমে আর্ট মিউজিক দিয়ে শুরু করা যাক। আর্ট মিউজিক মানে পশ্চিমের শাস্ত্রীয় সঙ্গীত।
১. আর্ট মিউজিক বা পশ্চিমা শাস্ত্রীয় সঙ্গীত (Western Classical Music)
আর্ট মিউজিক বলতে সেই সঙ্গীতকে বোঝায় যা নির্দিষ্ট তাত্ত্বিক কাঠামো, লিখিত স্বরলিপি (Score) এবং দীর্ঘ অনুশীলনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি মূলত ইউরোপীয় উচ্চবিত্ত এবং গির্জার পৃষ্ঠপোষকতায় বিকশিত হয়েছিল।
ক. মধ্যযুগীয় সঙ্গীত (Medieval: ৫০০ – ১৪০০)
রোমান ক্যাথলিক চার্চের উপাসনা থেকে এর জন্ম। শুরুতে এটি ছিল ‘মনোফোনিক’ (একস্বরবিশিষ্ট), যাকে ‘গ্রিগোরিয়ান চ্যান্ট’ বলা হতো। এতে কোনো বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হতো না, কেবল পুরুষ কণ্ঠে প্রার্থনা গাওয়া হতো। পরবর্তীকালে ‘পলিফোনি’ বা বহুস্বরের ধারণা যুক্ত হতে শুরু করে।
খ. রেনেসাঁ যুগ (Renaissance: ১৪০০ – ১৬০০)
এই যুগ ইউরোপের নবজাগরণ এবং মানবতাবাদের উত্থানের সময়। এই যুগে সঙ্গীতের ওপর গির্জার কঠোর নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল হয়। বাদ্যযন্ত্রের স্বতন্ত্র ব্যবহার বাড়তে থাকে। ‘মাদ্রিগাল’ (Madrigal) নামক এক ধরনের ধর্মনিরপেক্ষ গানের প্রচলন হয়। সুরের মধ্যে ভারসাম্য এবং মিষ্টি সুরের সমন্বয় এই যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
গ. বারোক যুগ (Baroque: ১৬০০ – ১৭৫০)
রাজকীয় জাঁকজমক প্রদর্শন এবং চার্চের কাউন্টার-রিফরমেশন আন্দোলনের মাধ্যমে এই যুগের সুচনা হয়। এই যুগটি ছিল অত্যন্ত অলঙ্কৃত (Ornamental) সুরের। এই সময়েই অপেরা (Opera) এবং কনসার্টো (Concerto) এর মতো বড় কাঠামোর জন্ম হয়। বাদ্যযন্ত্র হিসেবে হার্পসিকর্ড (পিয়ানোর পূর্বসূরি) এবং ভায়োলিন পরিবারের প্রাধান্য তৈরি হয়। জোহান সেবাস্টিয়ান বাখ এই যুগের শ্রেষ্ঠ রূপকার।
ঘ. ধ্রুপদী যুগ (Classical Era: ১৭৫০ – ১৮২০)
ইউরোপীয় এনলাইটেনমেন্ট বা জ্ঞানদীপ্তি আন্দোলনের মাধ্যমে এই যুগের সুচনা। বারোক যুগের জটিলতা কমিয়ে এই যুগে স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা এবং ভারসাম্যের ওপর জোর দেওয়া হয়। এই সময়েই সিম্ফনি (Symphony) এবং স্ট্রিং কোয়ার্টেট (String quartet) এর আধুনিক রূপ প্রতিষ্ঠিত হয়। হেইডন, মোৎসার্ট এবং বিটোফেন এই যুগের তিন স্তম্ভ। পিয়ানো এই সময়ে মূল কিবোর্ড ইনস্ট্রুমেন্ট হিসেবে জায়গা করে নেয়।
ঙ. রোমান্টিক যুগ (Romantic Era: ১৮২০ – ১৯০০)
শিল্প বিপ্লবের প্রতিক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বোধ এই যুগের জন্ম দেয়। এই যুগে সঙ্গীত কাঠামো থেকে বেরিয়ে আবেগের বহিঃপ্রকাশে বেশি মনোযোগী হয়। অর্কেস্ট্রার আকার বিশাল করা হয়। জাতীয়তাবাদ এই যুগের সঙ্গীতের একটি বড় অনুষঙ্গ ছিল। চাইকোভস্কি, শোপ্যাঁ এবং ভাগনারের মতো সুরকাররা সুরের মাধ্যমে গল্প বলার (Program Music) প্রথা জনপ্রিয় করেন।
চ. আধুনিক ও সমকালীন (২০ শতক – বর্তমান)
বিশ্বযুদ্ধ, বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি এবং প্রথা ভাঙার প্রবণতা সাধারণ মানুষের জন্য যে সঙ্গীত তার খোলনলচে বদলে দিয়েছে। ১৯০০ সালের পর সঙ্গীত তার প্রচলিত ‘স্কেল’ বা ‘কি’ (Key) হারিয়ে ফেলে, যাকে ‘অ্যাটোনালিটি’ বলা হয়। ইগর স্ট্রাভিনস্কির মতো সুরকাররা ছন্দ এবং তাল নিয়ে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। এর পরে আসে ‘মিনিমালিজম’, যেখানে খুব সাধারণ কিছু সুর বারবার বাজিয়ে একটি আবহ তৈরি করা হয় (যেমন: ফিলিপ গ্লাস)।
অপেরা এবং ভোকাল আর্ট (Opera and Vocal Arts)
পশ্চিমা সঙ্গীতে কণ্ঠস্বরের ব্যবহার কেবল গায়কীতে সীমাবদ্ধ নয়, এটি একটি নাট্যিক শিল্পও বটে। ১৬০০ সালের দিকে ইতালির ফ্লোরেন্সে গ্রিক ট্র্যাজেডি পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টা থেকে অপেরার জন্ম। অপেরায় গান গাওয়ার নির্দিষ্ট কিছু ধরণ থাকে, যেমন- Aria (একক গান যেখানে আবেগ প্রকাশ পায়) এবং Recitative (সুর করে কথা বলা যা গল্পকে এগিয়ে নেয়)। কণ্ঠের উচ্চতা এবং সক্ষমতা অনুযায়ী গায়কদের ‘সোপ্রানো’, ‘অল্টো’, ‘টেনর’ এবং ‘বাস’—এই চার ভাগে ভাগ করা হয়।
আধুনিক পশ্চিমা পপ সঙ্গীতের ভিত্তি (Foundation of Modern Pop)
১৯ শতকের শেষভাগ থেকে আর্ট মিউজিকের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গীত বা ‘ফোক’ ঐতিহ্যের সংমিশ্রণে নতুন কিছু ধারার জন্ম হয়, যা আধুনিক পপ এবং রক সঙ্গীতের ভিত্তি তৈরি করে।
ক. ব্লুজ (Blues)
১৯ শতকের শেষভাগে আমেরিকার আফ্রিকান-আমেরিকান ক্রীতদাসদের দীর্ঘশ্বাস ও কাজের গান থেকে এর জন্ম। ১২-বারের একটি নির্দিষ্ট কর্ড প্রগ্রেশন (12-bar blues) এবং দুঃখবোধের প্রকাশ এর মূল। এটিই পরবর্তীকালে রক অ্যান্ড রোল এবং জ্যাজ সঙ্গীতের জন্মদাত্রী হিসেবে কাজ করে।
খ. জ্যাজ (Jazz)
২০ শতকের শুরুতে নিউ অরলিন্স, আমেরিকা। এটি আফ্রিকান তালের সাথে ইউরোপীয় হারমোনির সংমিশ্রণ। জ্যাজের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ইম্প্রোভাইজেশন (Improvisation) বা তাৎক্ষণিক সুর তৈরি। স্যাক্সোফোন এবং ট্রাম্পেট এই ধারার প্রধান বাদ্যযন্ত্র।
রক অ্যান্ড রোল এবং রক মিউজিক (Rock & Roll and Rock)
আর্ট মিউজিক যখন কনসার্ট হলে সীমাবদ্ধ হতে শুরু করে, তখন প্রযুক্তির উন্নয়ন (রেডিও, ভিনাইল রেকর্ড) সাধারণ মানুষের কাছে নতুন ধরনের সুর পৌঁছে দেয়। এখান থেকেই জন্ম নেয় আধুনিক ‘পপুলার মিউজিক’ বা পপ।
১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে আমেরিকায় ব্লুজ, কান্ট্রি এবং গসপেল সঙ্গীতের সংমিশ্রণে এই ধারার জন্ম। মূলত আফ্রিকান-আমেরিকান রিদম অ্যান্ড ব্লুজ যখন শ্বেতাঙ্গ শ্রোতাদের কাছে পৌঁছায়, তখন এটি ‘রক অ্যান্ড রোল’ নামে পরিচিতি পায়।
রক অ্যান্ড রোল (Rock & Roll): এর মূল ভিত্তি ছিল ইলেকট্রিক গিটার, ড্রাম কিট এবং ডাবল বাস। গতিশীল এবং নৃত্যযোগ্য তাল এর প্রধান বৈশিষ্ট্য (যেমন: এলভিস প্রেসলি)।
রক (Rock): ১৯৬০-এর দশকে এটি কেবল বিনোদন থেকে সামাজিক ও রাজনৈতিক বার্তার বাহক হয়ে ওঠে। বিটলস (The Beatles) এবং রোলিং স্টোনস এর মাধ্যমে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
সাব-জনরা:
হার্ড রক (Hard Rock): বিকৃত বা ডিসটোর্টেড ইলেকট্রিক গিটারের শব্দ এবং উচ্চৈঃস্বরে ড্রামের ব্যবহার।
হেভি মেটাল (Heavy Metal): সত্তরের দশকে জন্ম নেওয়া এই ধারাটি আরও আক্রমণাত্মক, অন্ধকার এবং উচ্চ শব্দযুক্ত (যেমন: লেড জেপেলিন, ব্ল্যাক সাবাথ)।
পাঙ্ক রক (Punk Rock): সত্তর দশকের শেষভাগে জন্ম নেওয়া এই ধারাটি জটিল সুরের বদলে সংক্ষিপ্ত এবং সরাসরি বিদ্রোহী বা রাজনৈতিক বার্তার ওপর জোর দেয়।
অল্টারনেটিভ রক (Alternative Rock): নব্বইয়ের দশকে গ্রাঞ্জ (Grunge) মিউজিকের মাধ্যমে এর উত্থান। এটি মূলধারার রকের চেয়ে কিছুটা অন্তর্মুখী (যেমন: নির্ভানা)।
পপ মিউজিক (Pop Music)
১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকে রক অ্যান্ড রোল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি সহজবোধ্য এবং বাণিজ্যিক ধারা হিসেবে পপ সঙ্গীতের উদ্ভব। ‘পপ’ শব্দটি ‘পপুলার’ থেকে এসেছে।
পপ সঙ্গীতের মূল লক্ষ্য হলো ক্যাচি (Catchy) সুর এবং সহজ লিরিক যা সাধারণ শ্রোতা সহজেই মনে রাখতে পারে। এটি সাধারণত ৩ থেকে ৪ মিনিটের একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর (Verse-Chorus-Verse) মধ্যে থাকে।
৮০-র দশকে এমটিভি (MTV) এর আগমনে পপ মিউজিক একটি দৃশ্যমান শিল্পে (Visual Art) পরিণত হয়। মাইকেল জ্যাকসন এবং ম্যাডোনা এই ধারার সংজ্ঞায়ন করেন। বর্তমানে পপ সঙ্গীতে সিন্থেসাইজার এবং অটো-টিউনের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
হিপ-হপ এবং র্যাপ (Hip-Hop and Rap)
১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে নিউ ইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কস এলাকার আফ্রিকান-আমেরিকান এবং লাতিন আমেরিকান তরুণদের হাত ধরে এর জন্ম। হিপ-হপ কেবল সঙ্গীত নয়, এটি একটি সংস্কৃতি যার চারটি মূল স্তম্ভ রয়েছে: এমসিং (Rapping), ডিজেয়িং, ব্রেকড্যান্সিং এবং গ্রাফিতি।
র্যাপ (Rap) মানে ছন্দের সাথে তাল মিলিয়ে দ্রুত কথা বলা বা কবিতা আবৃত্তি করার প্রক্রিয়া। এটি ড্রাম মেশিন বা স্যাম্পলিং করা বিটের ওপর ভিত্তি করে পরিবেশিত হয়। আশির দশকের ‘ওল্ড স্কুল’ থেকে নব্বইয়ের দশকের ‘গ্যাংস্টা র্যাপ’ হয়ে বর্তমানের ‘ট্র্যাপ’ (Trap) মিউজিক পর্যন্ত এর ব্যাপ্তি। বর্তমানে এটি বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক সঙ্গীত ধারা।
রিদম অ্যান্ড ব্লুজ এবং সোল (R&B and Soul)
১৯৪০-এর দশকে ব্লুজ থেকে আরএনবি (R&B) এবং চার্চ মিউজিক থেকে সোল (Soul) এর জন্ম। এটি মূলত আবেগপ্রবণ গায়কী এবং ধর্মীয় সঙ্গীতের (Gospel) তালের সংমিশ্রণ।
কনটেম্পোরারি আরএনবি (Contemporary R&B):
আশির দশকের পর থেকে আরএনবি-তে হিপ-হপ এবং পপ উপাদানের সংমিশ্রণ ঘটে। এর বৈশিষ্ট্য হলো মসৃণ সুর এবং কণ্ঠশিল্পীর ভোকাল রেঞ্জ বা কারুকার্যের প্রদর্শন।
কান্ট্রি মিউজিক (Country Music)
১৯২০-এর দশকে আমেরিকার দক্ষিণ অঞ্চলের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর লোকসঙ্গীত এবং আইরিশ/স্কটিশ অভিবাসীদের সুরের সংমিশ্রণে এর জন্ম।
গিটার, ফিডল (এক ধরণের বেহালা) এবং হারমোনিকা এর প্রধান বাদ্যযন্ত্র। এর লিরিক সাধারণত যাপিত জীবনের গল্প, প্রেম এবং বিরহকেন্দ্রিক হয়।
ইলেকট্রনিক ডান্স মিউজিক (Electronic Dance Music – EDM)
১৯৭০-এর দশকের ডিসকো এবং জার্মানির ইলেকট্রনিক ব্যান্ড ‘ক্রাফটওয়ার্ক’ এর নিরীক্ষা থেকে এর সূত্রপাত। সম্পূর্ণ কম্পিউটারের সফটওয়্যার বা সিন্থেসাইজার দিয়ে তৈরি এই সঙ্গীত মূলত ক্লাব এবং উৎসবের জন্য তৈরি।
হাউস মিউজিক (House): আশির দশকে শিকাগোতে জন্ম। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে ড্রাম বিট (Four-on-the-floor)।
টেকনো (Techno): ডেট্রয়েটে জন্ম নেওয়া এই ধারাটি অনেকটা যান্ত্রিক এবং পুনরাবৃত্তিমূলক (Repetitive) ছন্দের।
ট্রান্স (Trance): নব্বইয়ের দশকে জার্মানিতে বিকশিত। এটি উচ্চ গতিসম্পন্ন এবং শ্রোতাকে এক ধরণের আচ্ছন্ন বা ‘হিপনোটিক’ অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
ডাবস্টেপ (Dubstep): যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ লন্ডনে ২০০০-এর দশকের শুরুতে জন্ম। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ‘বেস ড্রপ’ (Bass Drop) এবং শক্তিশালী ও অমসৃণ বেস লাইন।
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা সঙ্গীত
পশ্চিমা সঙ্গীত আজ আর ভৌগোলিক সীমায় আবদ্ধ নেই। স্ট্রিমিং এবং ডিজিটাল টেকনোলজির কারণে বাংলাদেশের একজন শ্রোতাও এখন একই সাথে মোৎসার্টের সিম্ফনি এবং সমসাময়িক ইডিএম-এর সাথে সংযুক্ত। প্রতিটি ধারার নিজস্ব বিবর্তন এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট রয়েছে, যা একে অন্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
রেফারেন্স:
- A History of Western Music – J. Peter Burkholder, Donald Jay Grout, and Claude V. Palisca: এটি পশ্চিমা শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সবচেয়ে স্বীকৃত এবং বিস্তারিত ইতিহাস গ্রন্থ।
- The Symphony: A Listener’s Guide – Michael Steinberg: বিভিন্ন যুগের বিখ্যাত সিম্ফনিগুলোর কাঠামো এবং প্রেক্ষাপট বোঝার জন্য এটি একটি অনন্য গাইড।
- The Rest is Noise: Listening to the Twentieth Century – Alex Ross: ২০ শতকের আধুনিক সিম্ফনি এবং শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বিবর্তন সম্পর্কে জানতে এটি সেরা উৎস।
- Grove Music Online (Oxford Music Online): সঙ্গীতের জগতের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং একাডেমিক এনসাইক্লোপিডিয়া। সিম্ফনির উৎপত্তি ও বিবর্তন সম্পর্কে এখানে অত্যন্ত গভীর গবেষণা লব্ধ তথ্য পাওয়া যায়।
- Encyclopaedia Britannica (Symphony section): সিম্ফনির সংজ্ঞা, এর মুভমেন্টগুলোর বিন্যাস এবং ধ্রুপদী যুগের প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার জন্য।
- The Norton Introduction to Music History: মিউজিক স্টুডেন্টদের জন্য এটি একটি প্রধান রেফারেন্স।
- The Morgan Library & Museum (Music Manuscripts): এখানে বিটোফেন, মোৎসার্ট এবং মাহলারের মূল সিম্ফনি পাণ্ডুলিপি বা ‘স্কোর’ সংরক্ষিত আছে।
- BBC Radio 3 – Discovering Music: তাদের আর্কাইভে বিভিন্ন সিম্ফনির বিশদ ব্যাখ্যা এবং গঠনগত বিশ্লেষণ (Analysis) পাওয়া যায়।
- জোসেফ হেইডন (Joseph Haydn): তাকে ‘সিম্ফনির জনক’ বলা হয় কারণ তিনি এর চার-মুভমেন্ট বিশিষ্ট কাঠামোটি চূড়ান্ত করেছিলেন।
- বিটোফেনের ‘Eroica’ (3rd Symphony): এটি সিম্ফনির দৈর্ঘ্য এবং আবেগীয় গভীরতা বাড়ানোর প্রথম বড় রেফারেন্স।
- The Billboard Book of Top 40 Hits, The Rolling Stone History of Rock & Roll এবং International Association for the Study of Popular Music (IASPM) এর আর্কাইভ ব্যবহার করা হয়েছে।