জামায়াত শিবির তরিকার ইসলাম যদি এত ভাল, তবে ফল এত বিষাক্ত কেন?

জামায়াত শিবির তরিকার ইসলাম যদি এত ভাল, তবে ফল এত বিষাক্ত কেন?

ভারতবর্ষে আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছে কালেমা বয়ে এনেছিল কারা?
কাদের হাত ধরে মুসলমান হয়েছিলো এদেশের অধিকাংশ মানুষ?

সেই – অলি, আউলিয়া, পীর, ফকিররা জয় করেছিল – মানুষ।
বসেছিল মানুষের হৃদয়ে।
নিজেদের উন্নত চরিত্র দিয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করেছিলো।
ভালবাসা দিয়ে, প্রেম দিয়ে, মমত্ব দিয়ে – সবাইকে আপন করে নিয়েছিলো।
তাদের চরিত্রের কারণে, আদর্শের কারণে – সকল ধর্মের মানুষ তাদেরকে হৃদয়ে ধারণ করেছে।
হজরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতী (রহ:) সকল ধর্মের মানুষের কাছে হয়ে উঠেছিলেন – গরিবে নেওয়াজ।

এসব অর্জনের জন্য –
তাদের কি কোনদিন অস্ত্র ধরতে হয়েছে?
মানুষ হত্যা করতে হয়েছে?
রাষ্ট্রক্ষমতায় বসতে হয়েছে?
নিজেদের অর্থনীতি তৈরি করতে হয়েছে?
অথচ – তারাই সবচেয়ে বেশি মানুষকে ইসলাম কবুল করাতে পেরেছিলেন।

আজকের জামাত-শিবিরে এবং তাদের উত্তরসূরি (আলেমবাদী – সালাফি, ওহাবিরা) নিজেদেরকে ইসলামের ত্রাণকর্তা দাবী করে।
কিন্তু তারা কয়জন মানুষকে ইসলামের দিকে টানতে পেরেছে?
কয়জন মানুষ বংশপরম্পরায় মুসলিম ছাড়া, নতুন করে ইসলাম কবুল করেছে?

অথচ জামাতিরা ধর্মের নামে –
বারবার অস্ত্র ধরেছে।
মানুষ হত্যা করেছে।
রাষ্ট্রক্ষমতায় বসতে চেষ্টা করেছে।
নিজেদের অর্থনীতি তৈরি করতে চেয়েছে।
কিন্তু – বিধর্মীদের ইসলাম গ্রহণ করায় তাদের অবদান ১% ও না।
বরং ইসলামের অনুসারীদের অসংখ্য ভাবে বিভক্ত করাতে, তাদের অবদান সবচেয়ে বেশি।

এসব আলেম নামের লোকগুলো – এর নামে ফতোয়া দেয়, ওকে মুরতাদ বলে, তাকে নাস্তিক বলে।
ধর্মের নামে লোকের মধ্যে শত্রুতার জন্ম দেয়। অকারণে বিভক্ত করে।
ওরা ইসলামকে ক্রমশ – শান্তির ধর্ম থেকে, সন্ত্রাসের ধর্ম হিসেবে বদলে দিয়েছে।

আমার মত মূর্খ মানুষের সামান্য প্রশ্ন:

জামাত-শিবির তরিকার ইসলাম যদি এত ভাল, তবে ফল এত বিষাক্ত কেন?

আরও পড়ুন:

Leave a Comment