কবি ইমরুল কায়েস এর শের -শায়েরি -কাব্য । অসুরের সুরলোকযাত্রা সিরিজ

ইসলাম-পূর্ব সময়ে আরবি সাহিত্যের আকাশে ইমরুল কায়েস (৪৯৬ – ৫৪০ বা ৫৪৪) ছিলেন এক দেদীপ্যমান নক্ষত্র। দক্ষিণ আরবের বিখ্যাত রাজকীয় কিন্দাহ গোত্রের রাজবংশে জন্মগ্রহণ করা এই কবিকে প্রাক-ইসলামী আরবি কাব্যের শ্রেষ্ঠ কারিগর ও ‘কাব্য-সম্রাট’ বলা হয়। প্রাক-ইসলামী আরবি কাব্যের প্রথাগত শৈলী, রূপক ব্যবহার এবং কাসিদার গতানুগতিক কাঠামো ভেঙে নতুন কাব্যরীতি চালিকা করার ক্ষেত্রে তাঁর অনন্য অবদানের জন্যই মূলত তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

কবি ইমরুল কায়েস বা ইমর্ আল ক্বাইস

 

কবি ইমরুল কায়েস বা ইমর্ আল ক্বাইস

 

কয়েস কাসিদা ও গজলের প্রথাগত নিয়ম ভেঙে আরবি কবিতায় ‘আতলাল’ (প্রেমিকার পরিত্যক্ত বাসস্থানের স্মৃতিতে রোদন) এবং ‘তশবীব’ (প্রেমাস্পদের শারীরিক ও মানসিক সৌন্দর্যের চিত্রায়ণ)-এর মতো কাব্যিক ধারার প্রকৃত প্রবক্তা বা পথিকৃৎ ছিলেন তিনি। তাঁর বিখ্যাত মুআল্লাকা (যা কাবার দেয়ালে ঝুলানো বিখ্যাত সাতটি মুআল্লাকার মধ্যে অন্যতম প্রধান ও প্রাচীন হিসেবে স্বীকৃত) এর শুরুতেই পাওয়া যায় সেই অমর পঙ্ক্তি—”ক্বিফা নাসবি মিন ধিকরা হাবিবিন ওয়া মঞ্জিলিন…” (দাঁড়াও, আমরা দুজনে কেঁদে নিই প্রেমিকার স্মৃতি ও বসতি স্মরণে…)।

প্রাচীন আরবের বালুকাময় মরুভূমি, ঝোড়ো রাত, দ্রুতগামী ঘোড়ার ক্ষিপ্রতা আর প্রেমিকার বিরহকে তিনি যেভাবে গজলের ভঙ্গিতে তুলির আঁচড়ের মতো এঁকেছেন, তা এক কথায় অদ্ভুত। তাঁর কাব্যিক ছন্দের মাধুর্য এবং প্রখর রূপক বর্ণনা আমি এ যুগের মানুষ হলে মুগ্ধ করেছিল।

কবির বিচার অবশ্যই হবে কেবল তাঁর কাব্যের আলোতে। তবে তাঁর সৃষ্টিকে আরও ভাল বুঝতে হলে তাঁর জীবনের ইতিহাসও জানার প্রয়োজন রয়েছে। ইমরুল কায়েসের ব্যক্তিগত জীবন এবং নীতিগত অবস্থান বেশ ভাবনার উদ্রেক করে। রাজকীয় বিলাসে বেড়ে উঠেও তিনি যৌবনে দায়িত্বজ্ঞানহীন, মদ্যপ ও ভবঘুরে জীবন বেছে নিয়েছিলেন। স্বগোত্রের নারীদের নিয়ে অনভিপ্রেত কবিতা চয়ন করে পরিবারের জন্য লজ্জা বয়ে এনেছিলেন। সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য ফুটে ওঠে তাঁর পিতার হত্যাকাণ্ডের সংবাদ শোনার মুহূর্তটিতে। পাটোয়ারী বন্ধুদের সাথে মদ্যপানে মগ্ন থাকা অবস্থায় যখন বাবার মৃত্যুর খবর আসে, তখন তাঁর মুখ থেকে বেরিয়ে এসেছিল সেই ঐতিহাসিক উক্তি: “اليوم خمر وغداً أمر” (আজকের দিন সুরা পানের, আর কালকের দিন কঠোর কর্মের!)।

এরপরে আবার বিপরিতে যাত্র। যিনি যৌবনজুড়ে নিজের পিতার সম্মান ও অনুশাসনকে অবজ্ঞা করে বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়ালেন, তিনিই আবার বাবার রক্তের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে পুরো আরব উপদ্বীপে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ছড়িয়ে দিলেন। এই যে জীবনের চরম দায়িত্বহীনতা থেকে মুহূর্তের মধ্যে নির্মম প্রতিশোধস্পৃহায় রূপ নেওয়া—এই মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তরটি এক বিরাট প্রশ্ন তৈরি করে। তবে জীবনের এই নানা বৈপরীত্য সত্ত্বেও, কাব্যজগতে ইমরুল কায়েসের স্থান অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর কাব্যপ্রতিভার ভূয়সী প্রশংসা করে তাঁকে “আশ-শুয়ারা” বা কবিদের সর্দার হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। বিজন মরুভূমিতে প্রেমিকাকে স্মরণ করে চোখের জল ফেলা কিংবা কায়সার বা সিজারের দরবারে সাহায্য চেয়ে ঘুরতে ঘুরতে বিষাক্ত পোশাকের যন্ত্রণায় আঙ্কারার মাটিতে প্রাণ ত্যাগ করা—ইমরুল কায়েসের জীবনটি নিজেই যেন একটি ট্র্যাজিক মহাকাব্য।

রাজকীয় শৈশব ও যাযাবর জীবন

ইমরুল কায়েস নাজদের রাজপরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা হুযর ইবনে আল-হারিছ ছিলেন আসাদ ও গাতাফান গোত্রের শাসক এবং মাতা ফাতিমা বিনতে রাবিয়া ছিলেন তাগলিব গোত্রের বিখ্যাত বীর কুলাইব ও মুহালহিলের বোন। ছোটবেলা থেকেই তিনি কাব্যচর্চায় প্রচণ্ড অনুরাগী ছিলেন। কিন্তু তৎকালীন রাজকীয় প্রথা অনুযায়ী একজন রাজপুত্রের কবি হওয়া বা কাব্য সাধনায় ডুবে থাকা ছিল মর্যাদাহানিকর। তাঁর অতিরিক্ত মদ্যপান, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং রাজপরিবারের নারীদের (বিশেষ করে তাঁর চাচাতো বোন উনাইযা) নিয়ে রসাত্মক কবিতা রচনার কারণে পিতা হুযর ক্রুদ্ধ হয়ে তাঁকে রাজপ্রাসাদ থেকে বিতাড়িত করেন।

গৃহহীন ইমরুল কায়েস তখন আরবের একদল যাযাবর ও ভবঘুরে (সালিক) যুবকদের সাথে যোগ দেন। তাঁরা মরুভূমিতে ঘুরে বেড়াতেন, শিকার করতেন এবং পানের আসর বসাতেন। এই যাযাবর জীবনই তাঁর কাব্যিক মানস গঠনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিল, কারণ মরুভূমির রূঢ় প্রকৃতি, পশুপাখি এবং মুক্ত বিহঙ্গের জীবন তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন।

পিতার হত্যাকাণ্ড ও প্রতিশোধের শপথ

ইমরুল কায়েসের জীবনের মোড় ঘুরে যায় যখন আসাদ গোত্রের বিদ্রোহীরা তাঁর পিতাকে হত্যা করে। এই সংবাদ যখন তাঁর কাছে পৌঁছায়, তিনি তখন বন্ধুদের সাথে পাশা খেলায় মগ্ন ছিলেন। সংবাদ শুনে তিনি খেলা থামাননি; খেলা শেষ করে উঠে দাঁড়িয়ে মদ্যপান ও নারীসঙ্গ ত্যাগ করার চিরন্তন শপথ নেন। পিতার হত্যার প্রতিশোধ নিতে তিনি বকর ও তাগলিব গোত্রের সমর্থন আদায় করেন এবং আসাদ গোত্রের ওপর ভয়াবহ আক্রমণ চালান। পরবর্তীতে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মিত্র গোত্রগুলো তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করে। একক চেষ্টায় পরাজয় ও একাকীত্বের মুখে পড়ে তিনি সহায়তার আশায় দক্ষিণ আরবের ইয়েমেন থেকে শুরু করে সিরিয়ার গাসসানি রাজাদের দরবার পর্যন্ত ঘুরে বেড়ান। রাজনৈতিক মিত্রতার এই ব্যর্থতা তাঁর জীবনের ট্র্যাজেডিকে আরও ঘনীভূত করেছিল।

বাইজান্টাইন যাত্রা ও করুণ পরিণতি

পিতার রাজ্য পুনরুদ্ধার ও প্রতিশোধের শেষ চেষ্টা হিসেবে তিনি রোমান বা বাইজান্টাইন ইম্পেরিয়ালের সম্রাট জাস্টিনিয়ানের (Justinian I) দরবারে কন্সটান্টিনোপলে যান। সম্রাট তাঁকে সাদরে গ্রহণ করেন এবং সাহায্যের আশ্বাস দেন। তবে ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, এক গোপন ষড়যন্ত্র বা রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হয়ে সম্রাট তাঁকে একটি বিষাক্ত পোশাক (রেশমি আলখাল্লা) উপহার হিসেবে পাঠান। অন্য বর্ণনামতে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এক চর্মরোগে ভুগছিলেন। কন্সটান্টিনোপল থেকে ফেরার পথে আনুমানিক ৫৪০-৫৬৫ খ্রিষ্টাব্দের কোনো এক সময়ে আধুনিক তুরস্কের আঙ্কারার কাছে এই চর্মরোগে (বা বিষাক্ত পোশাকের ক্রিয়ায়) শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ কারণেই ইতিহাসে তাঁকে ‘যুল-কুরুহ’ (ক্ষতবিক্ষত দেহের অধিকারী) বলা হয়। জীবনের শেষ সময়ে চর্মরোগ কিংবা বিষাক্ত পোশাকের প্রতিক্রিয়ায় তাঁর পুরো শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাওয়ায় এই নাম দেওয়া হয়। মৃত্যুর পূর্বে তাঁর এই সুদূর বাইজান্টাইন যাত্রা আরব সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য ঐতিহাসিক ঘটনার মর্যাদা পায়।

সাহিত্যিক অবদান

আরবি সাহিত্যের ইতিহাসে ইমরুল কায়েসকে বলা হয় “আমীরু শায়রা ফিল জাহিলিয়্যা” (জাহেলি যুগের কবিদের রাজপুত্র)। তাঁর কবিতা কেবল অনুভূতির প্রকাশ ছিল না, বরং তাতে তৎকালীন ভৌগোলিক পরিবেশ, মরুভূমির ঝড়, রাতের বর্ণনা এবং ঘোড়ার পেশিবহুল অবয়বের এমন নিখুঁত বিবরণ ছিল যা পরবর্তী যুগের কবিদের জন্য আদর্শ হয়ে দাঁড়ায়। উদাহরণস্বরূপ, তাঁর কাব্যে দাকুল, হাওমাল, তুদিহ ও মাকরাতের মতো আরবের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের নাম উঠে এসেছে।

অনেক গবেষক ভুলবশত মনে করেন তিনি নাজদের “মিরা” (Mrat) নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তবে ঐতিহাসিক সত্য হলো, তিনি দক্ষিণ আরবের কিন্দাহ ও নাজদের মূল ভূখণ্ডে বেড়ে এসেছিলেন; “মিরা” শহরটি মূলত বনু তামিম গোত্রের ‘ইমরুল কায়েস বিন যায়েদ’ নামক অন্য এক ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত, যা কবি ইমরুল কায়েস নন। নামের এই সমতার কারণে অনেকে এই ঐতিহাসিক বিভ্রান্তির শিকার হন।

তার কিছু সৃষ্টি চলুন দেখে নেই:

عربي: قِفَا نَبْكِ مِنْ ذِكْرَى حَبِيْبٍ وَمَنْزِلِ / بِسِقْطِ اللِّوَى بَيْنَ الدَّخُوْلِ فَحَوْمَلِ

Roman: Qifā nabki min dhikrā ḥabībin wa manzili / Bi siqṭil-liwā baynad-Dakhūli fa Ḥawmali

বাংলা: থামো, এসো আমরা অশ্রু বিসর্জন দিই প্রিয়তমা এবং তাঁর সেই পরিত্যক্ত গৃহের স্মৃতিতে; যা দাখুল ও হাওমালের মধ্যবর্তী বালুকা প্রাচীরের বাঁকে অবস্থিত।

عربي: وَلَيْلٍ كَمَوْجِ الْبَحْرِ أَرْخَى سُدُوْلَهُ / عَلَيَّ بِأَنْوَاعِ الْهُمُوْمِ لِيَبْتَلِي

Roman: Wa laylin ka mawjil-baḥri arkhā sudūlahū / ‘Alayya bi anwā’il-humūmi li yabtalī

বাংলা: আঃ, সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গের মতো এই ঘোর অন্ধকার রাত! আমাকে নানা দুশ্চিন্তা ও কষ্টের সমুদ্রে ডুবিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার জন্যই যেন সে তার কালো পর্দা নামিয়ে দিয়েছে।

عربي: مِكَرٍّ مِفَرٍّ مُقْبِلٍ مُدْبِرٍ مَعًا / كَجُلْمُوْدِ صَخْرٍ حَطَّهُ السَّيْلُ مِنْ عَلِ

Roman: Mikarrin mifarrin muqbilin mudbirin ma’an / Ka julmūdi ṣakhrin ḥaṭṭahus-saylu min ‘ali

বাংলা: (আমার ঘোড়াটি) আক্রমণাত্মক, পলায়নে দ্রুত, একাধারে সামনে ও পেছনে ধাবমান; যেন পাহাড়ের চূড়া থেকে প্রবল ঢলে ভেসে আসা বিশাল কোনো পাথরখণ্ড!

عربي: الْيَوْمَ خَمْرٌ وَغَدًا أَمْرٌ / لاَ صَحْوَ الْيَوْمَ وَلاَ سُكْرَ غَدًا

Roman: Al-yawma khamrun wa ghadan amrun / Lā ṣaḥwal-yawma wa lā sukra ghadan

বাংলা: আজকের দিনটি সুরা পানের, আর কালকের দিনটি হবে কঠিন কর্মের! আজ কোনো সচেতনতা নেই, আর কালকে কোনো মাতলামি থাকবে না।

عربي: أَيَا جَارَتَا إِنَّ المَزَارَ قَرِيْبٌ / وَإِنِّيَ مُقِيْمٌ مَا إِقَامَ عَسِيْبُ

Roman: Ayā jāratā innal-mazāra qarībun / Wa innī muqīmun mā iqāma ‘Asību

বাংলা: হে আমার পার্শ্ববর্তী কবরবাসী নারী! আমাদের মিলনস্থল তো আজ বড্ড কাছে; আমি তো এই আসীব পর্বতের মতোই এখানে চিরদিনের জন্য থিতু হয়ে গেলাম।

عربي: بَكَى صَاحِبِي لَمَّا رَأَى الدَّرْبَ دُوْنَهُ / وَأَيْقَنَ أَنَّا لاَحِقَانِ بِقَيْصَرَا

Roman: Bakā ṣāḥibī lammā ra’ād-darba dُnāhū / Wa ayqana annā lāḥiqāni bi Qayṣarā

বাংলা: আমার সঙ্গী কেঁদে ফেলল যখন সে দেখল সুদীর্ঘ অজানা পথ সামনে পড়ে আছে, আর সে নিশ্চিত বুঝল যে আমরা সিজারের (কায়সার) দরবারেই উপস্থিত হতে যাচ্ছি।

عربي: تَرَى بَعَرَ الأرْآمِ فِي عَرَصَاتِهَا / وَقِيْعَانِهَا كَأنَّهُ حَبُّ فُلْفُلِ

Roman: Tarā ba’aral-ar’āmi fī ‘araṣātihā / Wa qī’anihā ka annahu ḥabbu fulfuli

বাংলা: তুমি দেখতে পাবে তার প্রাঙ্গণ ও নিচু ভূমিগুলোতে বন্য হরিণের বিষ্ঠা ছড়িয়ে আছে, যা দেখতে একদম গোল মরিচের দানার মতো!

عربي: وُقُوْفًا بِهَا صَحْبِي عَلَيَّ مَطِيَّهُمْ / يَقُوْلُونَ لاَ تَهْلِكْ أَسَىً وَتَجَمَّلِ

Roman: Wuqūfan bihā ṣaḥbī ‘alayya maṭiyyahum / Yaqūlūna lā tahlik asan wa tajammali

বাংলা: আমার সঙ্গীরা তাদের উটগুলোকে আমার চারপাশে থামিয়ে দাঁড়াল এবং বলতে লাগল, “দুঃখে ভেঙে পড়ে নিজেকে ধ্বংস করো না, বরং ধৈর্য ধরো ও সংযত হও।”

عربي: وَإِنَّ شِفَائِي عَبْرَةٌ مُهْرَاقَةٌ / فَهَلْ عِنْدَ رَسْمٍ دَارِسٍ مِنْ مُعَوَّلِ

Roman: Wa inna shifā’ī ‘abratun muhrāqatun / Fa hal ‘inda rasmin dārisin min mu’awwali

বাংলা: আমার সমস্ত দুঃখ ও অসুস্থতার একমাত্র নিরাময় হলো ঝরে পড়া চোখের জল! তবে কি এই ধ্বংসপ্রাপ্ত চিহ্নের কাছে সান্ত্বনা পাওয়ার কোনো উপায় আছে?

১০

عربي: أَلَا أَيُّهَا اللَّيْلُ الطَّوِيلُ أَلَا انْجَلِي / بِصُبْحٍ وَمَا الإِصْبَاحُ مِنْكَ بِأَمْثَلِ

Roman: Alā ayyuhal-laylu-ṭ-ṭawīlu alā anjali / Bi ṣubḥin wa mā l-iṣbāhu minka bi amthali

বাংলা: হে দীর্ঘ অন্ধকার রাত! তুমি কি ভোর নিয়ে কেটে যাবে না? যদিও সকাল বেলাটি তোমার চেয়ে খুব একটা বেশি আরামদায়ক বা শ্রেয় হবে না।