হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে বীতাত বাদ্য ঘরানা (Bowed Instrument Gharana) | অসুরের সুরলোকযাত্রা সিরিজ
হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সংগীতের বিস্তৃত পরিসরে বীতাত বাদ্য (Bowed Instruments) একটি বিশেষ ও সূক্ষ্ম অধ্যায়। ‘বীতাত’ বলতে মূলত সেই সব তন্ত্রী …
“অসুরের সুরলোকযাত্রা” (Asurer Suralok Jatra) — সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর-এর একটি ভাবনামূলক ও অনুসন্ধানধর্মী সিরিজ, যেখানে তিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের জগতে তাঁর ব্যক্তিগত প্রবেশযাত্রা লিপিবদ্ধ করেছেন। শুরুতে এটি “গান খেকো” নামে পরিকল্পিত হলেও, পরে এটি একটি বৃহত্তর প্রয়াসে পরিণত হয়—যেখানে শাস্ত্রীয় সংগীতের বিস্তৃত ও অনেক সময় ভীতিজনক জগতকে কৌতূহলী শ্রোতাদের কাছে সহজবোধ্য করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। শুরুতে এর আওতা শুধুমাত্র হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরে বিস্তৃত হয়ে সব রকমের সঙ্গীতের দিকে গিয়েছে।
এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা একাডেমিক গ্রন্থ নয়; বরং এক জন শ্রোতার ডায়েরির মতো—যেখানে খোলামেলা ভাবে উঠে এসেছে আবিষ্কার, বিভ্রান্তি, মুগ্ধতা এবং ধীরে ধীরে বোঝার অভিজ্ঞতা। একজন দেরিতে শুরু করা শিক্ষার্থী ও নিবেদিত শ্রোতা হিসেবে লেখক নিজের অভিজ্ঞতা থেকে ব্যাখ্যা করেছেন—কীভাবে আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াও ধীরে ধীরে হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সংগীত শোনা, চেনা এবং উপভোগ করা সম্ভব।
এই সিরিজজুড়ে তিনি রাগ, তাল, ঘরানা, সংগীতের বিভিন্ন ধারা এবং শ্রবণ-পদ্ধতির মতো মৌলিক বিষয়গুলোর সঙ্গে পাঠককে পরিচয় করিয়ে দেন। পাশাপাশি তিনি শেয়ার করেন নানা গল্প, উল্লেখযোগ্য তথ্য এবং নিজের সংগীতভ্রমণের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। তাঁর উদ্দেশ্য প্রচলিত অর্থে শাস্ত্রীয় সংগীত শেখানো নয়; বরং বিশেষ করে নতুন শ্রোতাদের এমনভাবে পথ দেখানো, যাতে তারা মনোযোগী শ্রোতা হিসেবে গড়ে উঠতে পারে এবং এই শিল্পের গভীর সৌন্দর্য উপলব্ধি করতে শেখে।
সারসংক্ষেপে, “অসুরের সুরলোকযাত্রা” একদিকে যেমন একটি ব্যক্তিগত সংগীত-তীর্থযাত্রা, তেমনি অন্যদিকে এটি এক শ্রোতার পথনির্দেশিকা—যা পাঠককে আমন্ত্রণ জানায় সংগীতের সমৃদ্ধ জগতে নিজের যাত্রা শুরু করার জন্য।
হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সংগীতের বিস্তৃত পরিসরে বীতাত বাদ্য (Bowed Instruments) একটি বিশেষ ও সূক্ষ্ম অধ্যায়। ‘বীতাত’ বলতে মূলত সেই সব তন্ত্রী …
হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সংগীতে “তত বাদ্য” বা তন্ত্রী বাদ্যধারা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাচীন সংগীতধারা। “তত” শব্দের অর্থ তার বা তন্ত্রী—অর্থাৎ …
হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের বিস্তৃত জগতে যদি এমন কোনো গায়নধারা খুঁজতে হয় যা একই সঙ্গে শাস্ত্র, কল্পনা, আবেগ এবং শিল্পীর ব্যক্তিত্ব—সবকিছুকে …
হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের বিশাল ভাণ্ডারে ‘সাদরা’ (Sadra) একটি স্বতন্ত্র এবং আভিজাত্যপূর্ণ গায়নশৈলী, যা মূলত ধ্রুপদ ও খেয়াল—এই দুই প্রধান ধারার …
হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের আসরে এমন এক মুহূর্ত আসে, যখন শব্দ তার অর্থ হারায়, কিন্তু সুর ও ছন্দ নতুন অর্থ তৈরি …
ধ্রুপদে নওহারবাণী তার দ্রুত চলন, স্বরের লম্ফন এবং বৈচিত্র্যময় অলংকারের জন্য সংগীতজগতে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ঐতিহাসিক পটভূমি …
ধ্রুপদে খণ্ডারবাণী তার বীরত্বব্যঞ্জক প্রকাশ, কণ্ঠের জোর এবং যন্ত্রের মতো সূক্ষ্ম কারুকার্যের জন্য শাস্ত্রীয় সংগীতে এক অনন্য স্থান দখল করে …
হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রতিটি গায়নশৈলীই নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও সৌন্দর্যে অনন্য। তবে সেই বহুমাত্রিক জগতের ভেতরে ‘চতুরঙ্গ’ এক বিশেষ শিল্পরূপ—যেখানে সংগীতের …
হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের বিস্তৃত আকাশে যেখানে ধ্রুপদ তার গাম্ভীর্য এবং খেয়াল তার ভাবপ্রবণতা নিয়ে এক উচ্চাঙ্গ অবস্থানে বিরাজ করে, সেখানে …
ধ্রুপদ সংগীতের চারটি প্রধান গায়নশৈলী বা ‘বাণী’র মধ্যে ‘গওহারবাণী’ (Gauharbani) অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং প্রাচীনতম হিসেবে স্বীকৃত। এই বাণীটি মূলত সম্রাট …