অসুরের সুরলোকযাত্রা সিরিজ সূচি [ গান খেকো ]

অসুরের সুরলোকযাত্রা (শুরুতে যার নাম ছিল ‘গানখেকো’) সিরিজে আপনাকে স্বাগত জানাই। এটি যেহেতু আমার ব্যক্তিগত সঙ্গীত-যাত্রার দিনলিপি, তাই নিজের কিছু কথা দিয়েই শুরু করি।

ভীষণ রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারে জন্ম হওয়ার কারণে গান-বাজনা শোনা বা চর্চায় এক ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছিল। আমাদের পরিবার সুফি ধারার অনুসারী হলেও, পরবর্তী সময়ে পরিবারের কিছু মুরুব্বির ওপর ওহাবি মতাদর্শের প্রভাব পড়ায় সেই সুযোগ আরও সংকুচিত হয়ে আসে। তবে যে কাজে বাধা আসে, মন তো সেদিকেই বেশি টানে—বিশেষ করে বেড়ে ওঠার দিনগুলোতে। এভাবেই প্রথাগত শিক্ষার বাইরে নানা ধরনের গান শোনার প্রতি আমার প্রবল ঝোঁক তৈরি হয়, যদিও কোনোদিন তা শেখা হয়ে ওঠেনি।

অসুরের সুরলোকযাত্রা – গান খেকো সিরিজের সূচি

 

খুব অল্প বয়সে কর্মজীবনে প্রবেশ করায় প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ায় যেমন গুরুত্ব কমে গিয়েছিল, তেমনি নিবিষ্ট মনে নিয়মিত গান শোনাও অনেকটা অনিয়মিত হয়ে পড়ে। এরপর ক্রমশ পেশাগত জীবনের লড়াইয়ে গান, বাজনা, শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি সচেতন মনোযোগ দেওয়ার মতো ফুরসত মেলেনি।

জীবনের প্রথম পেশাদার ইনিংস (চাকরি) শেষ করার পর পুনরায় নিজের দিকে তাকানোর অবসর মিলল। তখনই প্রথম আবিষ্কার করলাম, কতটা ‘গণ্ডমূর্খ’ থেকে জীবনের অনেকটা সময় পার করে দিয়েছি। আর অজ্ঞতা যেহেতু অতি-আত্মবিশ্বাস ও মিথ্যে গর্বের জন্ম দেয়, তাই এতদিন নিজেকে প্রকৃত শিক্ষিত করার প্রয়োজনীয়তাও বোধ করিনি। প্রথম ইনিংসের অবসরে নিজের সামনে যখন নিজে দাঁড়ালাম, তখন ভুলগুলো হাড়ে হাড়ে টের পেলাম। সেখান থেকেই শুরু হলো নিজেকে মেরামতের এক নতুন যাত্রা—আত্মপরিচয়, ইতিহাস, রাজনীতি, শিল্প ও সংস্কৃতির মেরামত।

এই আত্মশুদ্ধির প্রক্রিয়ায় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত যখন আমার হৃদয়ে নাড়া দিল, ততদিনে তা গলায় তোলার বয়স পেরিয়ে গেছে। নতুন ব্যস্ততা, সামাজিক ও পারিবারিক দায়-দায়িত্ব—সব মিলিয়ে সঙ্গীতকে কণ্ঠে বা যন্ত্রে ধারণ করার সুযোগ আর নেই। কিন্তু এ এক অদ্ভুত নেশা, যা থেকে চাইলেই আরোগ্য লাভ করা যায় না। ক্রমে সঙ্গীতচর্চা আমার কাছে ‘গরিবের ঘোড়া রোগে’র মতো হয়ে দাঁড়াল। গানের কারিগরি দিক তেমন বুঝি না ঠিকই, তবে সারাদিন গান শুনি, গান ‘খাই’ আর স্বপ্নেও যেন গানই দেখি।

গানের প্রেমে পড়ে কেউ কম্পোজার হয়, কেউ গায়ক হয়, কেউ হয় বাদক কিংবা সমালোচক। আমি বুঝলাম—আমাকে দিয়ে এর কোনোটাই হবে না। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম আমি কেবলই ‘শ্রোতা’ হব। সেই মানসিকতা নিয়েই পড়াশোনা শুরু করলাম। ভেবেছিলাম সহজ কাজ (বওয়া কাম (sitting job)), সহজেই পারব। কিছু দিনেই বুঝলাম—ভালো শ্রোতা হয়ে ওঠা চাট্টিখানি কথা নয়।

অলস এবং ফাঁকিবাজ হলেও জীবনে হেরে যাওয়ার অভ্যাস খুব বেশি নেই। কোনো না কোনো একটা রাস্তা ঠিকই বের করে নিতাম। তাই ভাবতে লাগলাম কোন রাস্তায় বের হওয়া যায়। একটা দুই নম্বরি বুদ্ধি বের করলাম। শুনেছিলাম—কোনো বিষয় বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সে বিষয়ে একটি বই লিখে ফেলা! কিন্তু আমি যেখানে সপ্তকই ঠিকমতো চিনি না, সেখানে সংগীত বিষয়ে বই লেখার ঝুঁকি নেওয়াটা ঠিক হবে না। তাই অনেক ভাবনা-চিন্তা করে ঠিক করলাম, শ্রোতাদের জন্য একটা চোথা লিখব; অনেকটা “পপি গাইড টাইপ” (পপি গাইড আমাদের সময় খারাপ ছাত্রদের কোনোভাবে পাস করে যাওয়ার একটা গাইড সিরিজ ছিল)।

চোথার শিরোনাম দিলাম – “গান খেকো”। পরে যেটার নাম হয়েছে “অসুরের সুরলোকযাত্রা”।

বিষয়বস্তু – কিভাবে হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শোনা, বোঝা যায় এবং মজা নেয়া যায়।

এখনও আমি একজন শিক্ষানবিশ শ্রোতা। “গানখেকো” সেই যাত্রাপথের নোটখাতা। চরম উত্তেজিত হয়ে, তাৎক্ষণিক অনুভব থেকে, অনেক ভুলভাল আত্মবিশ্বাসের সাথে লিখে ফেলছি। পরে কিছু বুঝতে পেরে কেটেকুটে ঠিক করছি; বাকি ভুলগুলো আমার জ্ঞানের অভাবে থেকেই গেছে।

আমি বিশ্বাস করি—যারা কোনোদিন গান শেখেননি, অথচ শাস্ত্রীয় সংগীতের স্বাদ নেবার খায়েশ রাখেন, তাদের যন্ত্রণাটা আমি বুঝি। অর্থাৎ, সেই ‘কানার হাতি দেখা’র স্ট্রাগলটা আমি জানি। আমার মতো সেইসব অন্ধদের জন্যই নোটগুলো শেয়ার করার সাহস করলাম। এই “অসুরের সুরলোকযাত্রা” সিরিজ শাস্ত্রীয় সংগীতে বিজ্ঞ কারো উপকারে আসবে না।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—নিজের মুরোদের প্রতি আস্থা রেখেই বলছি, এতে যেহেতু অনেক ভুল আছে, তাই কোনো ভুল দেখলে ধরিয়ে দিলে আনন্দে লাউঘণ্ট হয়ে যাব, যারপরনাই কৃতজ্ঞ থাকব।

“অসুরের সুরলোকযাত্রা”র সূচিটা গতানুগতিক রাখিনি। এই আর্টিকেলটিই এই সিরিজের সূচি। বাকি আর্টিকেলগুলো এই আর্টিকেলের টেক্সটেই লিংক করা। সেখান থেকে প্রাসঙ্গিক আর্টিকেলের আরও লিংক গেছে। আপনার বিস্তারিত পড়তে ইচ্ছে হলে লিংকে ক্লিক করতে হবে।

গান খেকো সিরিজের সূচি

তো? শুরু করা যাক …

ছোটবেলা থেকে আমার মতো আপনাদেরও হয়তো অনেক রকম গান-বাজনা শোনা হয়েছে—টেপে, রেডিওতে, টেলিভিশনে বা অনুষ্ঠানে। কিছু শখ করে, আর কিছু এমনিতেই চারপাশ থেকে কানে ঢুকে পড়েছে। এর জন্য বিশেষ কোনো খাটুনি করতে হয়নি।

আমাদের প্রজন্মের বেশিরভাগ মানুষ খুব পছন্দ হয়ে যাওয়া গানগুলো বারবার শোনার লোভে বড়জোর লিস্ট বানিয়ে রেকর্ড করানোর শ্রম দিত (এখন তো সেটা লাগে না)। তবে সেগুলোর স্বাদ নেবার জন্য আলাদা কোনো শিক্ষা নিতে হয়নি; এমনিতেই হজম হতো।

কিন্তু এই শাস্ত্রীয় সংগীতের জগতে এসে শুনলাম, এর পুরো মজা নিতে গেলে গানটা বুঝে শুনতে হবে। শুধু কথার অর্থ বোঝা নয়, গানের রূপ-রস বোঝার জন্য আরও অনেক কিছু বোঝা চাই। তার জন্য খেটেখুটে নিজের মন, কান, মনন ও জ্ঞান-বুদ্ধিকে ‘শেপ আপ’ (shape up) করতে হবে। এক কথায়, গান শোনাটা রীতিমতো শিখতে হবে।

শুরুতেই বেয়াড়া মন প্রশ্ন করে বসল:-
– দুনিয়ায় এত্ত গান থাকতে এত ঝামেলা করে  শাস্ত্রীয় সঙ্গীত কেন শুনবো?
– কান দিয়ে গান শোনা ছাড়া, গান বোঝার জন্য আলাদা আয়োজন আর পরিশ্রমই বা কেন করবো?

ব্লগ পড়তে গিয়ে আপনাদের মনে হতে পারে- আমার মতো তথ্য প্রযুক্তির কাঠখোট্টা পেশার একজন মানুষ কিভাবে জড়িয়ে গেল এই সুরের মায়ায়! সেই গল্প লিখেছিলাম বেঙ্গল মিউজিক ফেস্টিভ্যাল উপলক্ষে প্রকাশিত চার-বেলা চারদিক পত্রিকায়,  কান পেতে রই”  – শিরোনামে।

সঙ্গীতের মজা নিতে থিওরি জানাটা জরুরী নয়। কিন্তু আমার জানতে ইচ্ছে হয়েছিল বলে সেগুলোর উত্তর আমার খেরোখাতা থেকে তুলে দিলাম:-

 

এ পর্যায়ে আপনার মনে হতে পারে- শাস্ত্রীয় সঙ্গীত মানে বহু রকম ঢঙ্গে গাওয়া গান বা বহু যন্ত্রের বাজনা শুনি। আসলে এর মধ্যে কমন বস্তুটা কি? শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শোনা মানে আসলে কি শোনা। সেই প্রশ্নের উত্তরের জন্য দেখুন কি শুনবো আর্টিকেলটি।

তবে যেকোনো যাত্রার প্রস্তুতি থাকা ভাল। তাতে যাত্রা সহজ আর আরামদায়ক হয়। তাই চলুন শোনার প্রস্ততি  আর্টিকেলটি একটু পড়ে নেই।

সঙ্গীত রেকর্ড বা সরাসরি শুনতে পারেন। তবে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত পরিবেশনের কিছু ধারা থাকে। প্রতিটি গাইয়ে বা বাদক একটি ক্রমে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এই ক্রমটি তার ঘরানা, শিক্ষা, নিজস্বতা, মেজাজ, অডিয়েন্স এবং মাধ্যমের উপরে নির্ভর করে। সেটার জন্য পড়া যেতে পারে –  হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের পরিবেশনা‘র বেসিক বিষয়গুলো।

এতদুর পর্যন্ত যখন এসেছেন, তখন আশা করছি আপনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শুনতে চান।
আর শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শোনার জন্য এর ব্যাকরনের সাধারন জ্ঞান হলে সুবিধা হয়। তাই  রাগের ব্যাকরণ বা শাস্ত্র সূচি যুক্ত করলাম।
যেখানে – নাদ, স্বর-সুর, শ্রুতি, সপ্তক এর পরিচিতি আছে। তাল, ঠেকা এবং লয়  এর বেসিক আলোচনাও যুক্ত আছে।
এর পাশাপাশি  স্বরলিপি পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কে একটা ধারনা নিলে পরের রাগের নোটগুলো পড়তে সুবিধা হবে।

এসব সম্পর্কে ধারনা হবার পর যাওয়া যাক রাগ এর কাছে।
প্রথমে  রাগ শাস্ত্র সূচি  থেকে রাগের প্রাথমিক ধারনা নিয়ে তারপরে একে একে রাগ গুলোর সাথে পরিচয় হওয়া যাবে।

আমি যে রাগগুলো শুনে কিছুটা বুঝেছি, সেটা সহজে বোঝার মতো কিছু নোট করি। একটি সুচি তৈরি করে সেটার সাথে ওই রাগ চোথা গুলোর লিংক করে দিলাম। দেখতে পারেন- সকল রাগের নোটের সূচি  (এই সুচি সাথে যুক্ত আছে রাগের নোটগুলো। একে একে রাগের নোট যোগ হবে)। রাগের পরিবার ভিত্তিক/রাগ অঙ্গ ভিত্তিক গ্রুপ। ঠাট ভিত্তিক রাগের গ্রুপ। সময় ভিত্তিক রাগের গ্রুপ। একটি ঋতু ভিত্তিক রাগ গানের সূচি । রাগের রস ভিত্তিক গ্রুপ। সকল প্রচলিত-অপ্রচলিত রাগের একটি তালিকা

এছাড়া শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে বিভিন্ন ধারায় গানবাজনা হয়।
আমার শোনা রীতি/ধারা (Genre) থেকে কিছু বেছে দিলাম –  উত্তর ভারতীয়/হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের রীতি/ধারা  নোটে।

শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে ঘরানা একটি গুরুত্বপুর্ন বিষয়।  সঙ্গীতের ঘরানা  সূচিতে যুক্ত করা হয়েছে ঘরানা বিষয়ক আলোচনা, বিভিন্ন নামকরা ঘরানার পরিচিতি, বিভিন্ন রিসোর্সের লিংক।

আমি মিউজিক থেরাপি বা সুরচিকিৎসা এখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি। তবে পড়তে গিয়ে যেসব তথ্য কমবেশি পেয়েছি সেগুলো সুরচিকিৎসা সূচি শিরোনামে যুক্ত করলাম।

আপনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জগতে ঢুকলে পড়লে বিভিন্ন শিল্পী ও সঙ্গীতকার সম্পর্কে জানতে ইচ্ছে হবে।
জানতে ইচ্ছে হবে বিভিন্ন – সুরকার, গীতিকার, বাদ্যকর, কণ্ঠশিল্পী এবং তাদের কাজ সম্পর্কে। এদের সম্পর্কে যা শুনেছি-পড়েছি টুকে রাখার চেষ্টা করেছি। সেই নোটগুলোর তালিকা চাইলে ঘুরে আসতে পারেন – প্রিয় শিল্পী সূচি

প্রিয় গানের বাণী জমানোর একসময় শখ ছিল। কিন্তু বারবার সেসব খাতা হারিয়ে গিয়েছে। এখন চেষ্টা করছি ওয়েবে যে প্রিয় গানের বাণী /কালাম /বান্দিশ এর একটা সংগ্রহশালা তৈরির।

শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জগতের ওস্তাদ পণ্ডিতদের গল্পগুলো দারুণ মজার বিষয়। গানের পাশাপাশি দারুণ মনযোগ দিয়ে পড়েছি সেসব গল্প। এটার একটা সংগ্রহের চেষ্টা রয়েছে- গানের টুকরো গপ্পো সেকশনে।

গান শোনা শেখার যাত্রা শুরু করার পর থেকে বহু বই, নোট, ওয়েব রেফারেন্স দেখা হয়েছে।
আপনাদেরও কাজে লাগতে পারে ভেবে সেটার একটা পাতা তৈরি করে নিয়মিত আপডেটের চেষ্টা করবো- গান খেকো রেফারেন্স নামে।

 

এই সিরিজটি ভেবেছিলাম শুধুমাত্র শাস্ত্রীয় সঙ্গীতেই সীমাবদ্ধ রাখতে পারবো। কিন্তু শ্রোতা আগ্রহে এই সিরিজিটি লোকগীতি সহ অন্যন্য গান, গানের কথা, ব্যখ্যা যুক্ত করতে হচ্ছে। তাই সেগেুলোর কিছু যুক্ত করা যাক:

 

*** আর একটি বিষয়। সবচেয়ে জরুরী বিষয়। এটা কমপ্লিট কোন গাইড বই না। এটা খেরোখাতার লেখা। বেশিরভাগই অসম্পূর্ণ। যখন সমই পাই তখন একটু করে জুড়তে থাকি।

ঘোষনা [ Declaimer ]:এই সিরিজে শিল্পীদের নাম উল্লেখের ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ–কনিষ্ঠ বা অন্য কোনো ধরনের ক্রম অনুসরণ করা হয়নি। শিল্পীদের সেরা রেকর্ড নয়; বরং ইউটিউবে যে ট্র্যাকটি খুঁজে পাওয়া গেছে, সেটিই এখানে যুক্ত করা হয়েছে। লেখায় উল্লেখিত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত যে সব উৎস থেকে সংগৃহীত হয়েছে, সেগুলোর রেফারেন্স ব্লগের বিভিন্ন স্থানে দেওয়া আছে। শোনা বা পড়ার উৎসভেদে তথ্যের কিছু ভিন্নতা থাকতে পারে। এছাড়া টাইপ করার কারণে কিছু ভুলও থেকে যেতে পারে। পাঠক এ ধরনের বিষয়গুলো উল্লেখ করে সাহায্য করলে কৃতজ্ঞ থাকব।

*** এই আর্টিকেলটির উন্নয়ন কাজ চলমান ……। আবারো আসার আমন্ত্রণ রইলো।

 

আরও দেখুন:

সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর এর সঙ্গীত নিয়ে বাইরে প্রকাশিত অন্যান্য লেখা :

Leave a Comment