Breaking News :

সঙ্গীতের রীতি/ধারা (Music Genre) সূচি

সকল সঙ্গীতের রীতি/ধারা

 

আমাদের মাটির গান:

আমাদের মাটির বা দেশের রয়েছে প্রচুর গান ও গানের ধারা। বহু কবি, সুরকার যুগে যুগে তৈরি করে গেছেন অসখ্য গান। সেসব গান কিছু সঙ্গীতের ধারায় পড়েছে আবার তারা সঙ্গীতের ধারা ধরে তারা তৈরি করেছেন সেই গানগুলো। এরকম কিছু ধারার সাথে প্রথমে পরিচিত হওয়া যাক।

জারি গান :

জারি গান বাংলাদেশের এক প্রকারের ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীতরীতি। ফার্সি জারি শব্দের অর্থ শোক। মুহাররম মাসে কারবালার বিয়োগান্তক কাহিনীর স্মরণে মূলত এই গানের উদ্ভব। ১৭শ শতক থেকে বাংলায় এই গানের ধারা শুরু হয়। রচনা, তথ্যসূত্র ও সম্পাদনা : সাইমন জাকারিয়া, বাংলাদেশের লোকনাটক : বিষয় ও আঙ্গিক-বৈচিত্র্য, (ঢাকা : বাংলা একাডেমী, ২০০৮)। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের জারি গান বিষয়ক আর্টিকেল।

 

সারি গান :

সারি গান আবহমান বাংলার লোকসঙ্গীত। শ্রমিক ও কর্মজীবীদের মাঝে বিশেষ জনপ্রিয় হওয়ায় সারি গান ‘শ্রম-সঙ্গীত’ বা ‘কর্ম-সঙ্গীত’ নামেও পরিচিত। ছাদ পেটানোর সময় এ গান গাওয়া হয় বলে এঁকে ছাদ পেটানোর গান ও বলা হয়। সারি গান নৌকার মাঝি-মাল্লাদের সঙ্গেই বেশি যায়। নৌকার মাঝি, কর্মজীবী ও শ্রমিকরা দলবদ্ধভাবে বা সারিবদ্ধভাবে কাজের তালে তালে শ্রম লাঘব করার জন্য এ গান থেকে থাকে। এ জন্যই এ গানের নাম হয়েছে ‘সারি গান’। খেটে খাওয়া মানুষদের কাছে এ গানের এক বিশেষ মহত্ত্ব রয়েছে। কারণ এ গানের মাঝে শ্রমিকরা কাজের উদ্যম ও শক্তি ফিরে পায়। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের সারি গান বিষয়ক আর্টিকেল।

গম্ভীরা :

গম্ভীরা বাংলার লোকসঙ্গীতের অন্যতম একটি ধারা। বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও পশ্চিমবঙ্গের মালদহ অঞ্চলে গম্ভীরার প্রচলন রয়েছে। গম্ভীরা দলবদ্ধভাবে গাওয়া হয়। এটি বর্ণনামূলক গান। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা অঞ্চলের গম্ভীরার মুখ্য চরিত্রে নানা-নাতি খুব জনপ্রিয়। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের গম্ভীরা গান বিষয়ক আর্টিকেল।

 

ভাটিয়ালি :

ভাটিয়ালী বাংলাদেশের ভাটি অঞ্চলের জনপ্রিয় গান। বিশেষ করে নদ-নদী পূর্ণ ময়মনসিংহ অঞ্চলের ব্রহ্মপুত্র নদের উত্তর-পূর্ব দিকের অঞ্চলগুলোতেই ভাটিয়ালী গানের মূল সৃষ্টি, চর্চাস্থল এবং সেখানে এ গানের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। বাউলদের মতে ভাটিয়ালী গান হলো তাদের প্রকৃতিতত্ত্ব ভাগের গান।[১] ভাটিয়ালী গানের মূল বৈশিষ্টা হলো এ গানগুলো রচিত হয় মূলত মাঝি, নৌকা, দাড়, গুন ইত্যাদি বিষয়ে। সাথে থাকে গ্রামীণ জীবন, গ্রামীণ নারীর প্রেমপ্রীতি, ভালবাসা, বিরহ, আকুলতা ইত্যাদির সম্মিলন। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের ভাটিয়ালি গান বিষয়ক আর্টিকেল।

 

ভাওয়াইয়া :

ভাওয়াইয়া মূলত বাংলাদেশের রংপুর এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গে ও আসামের গোয়ালপাড়ায় প্রচলিত এক প্রকার পল্লীগীতি। এসকল গানের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এ গানগুলোতে স্থানীয় সংস্কৃতি, জনপদের জীবনযাত্রা, তাদের কর্মক্ষেত্র, পারিবারিক ঘটনাবলী ইত্যাদির সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের ভাওয়াইয়া গান বিষয়ক আর্টিকেল।

 

ধামাইল:

ধামাইল গান ও ধামাইল নাচ সিলেট অঞ্চলে প্রচলিত একজাতীয় কাহিনী সম্বলিত নৃত্যগীত যা এই অঞ্চলের লোকসাহিত্যের একটি অংশ। যে কোন মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানেই এই গীত-নৃত্য পরিবেশনা স্বাভাবিক বিষয় হলেও বর্তমানে সাধারণতঃ সনাতন ধর্মীদের বিয়ের অনুষ্ঠানেই এর অধিক প্রচলন দেখা যায়। রাধারমণ দত্ত কর্তৃক এই গান সর্বাধিক প্রচারিত ও প্রচলিত হওয়ায় তাঁকেই এর স্রষ্টা বলে গণ্য করা হয়। তবে প্রতাপরঞ্জন তালুকদারের প্রণীত ধামাইল গানও হাওরাঞ্চলে প্রচুর জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর রচিত ধামাইল গান ‘প্রতাপ-বান্ধা’ হিসেবে সমধিক পরিচিত। ধামাইল গানের উদ্ভব ও বিকাশ নিয়ে বাংলা একাডেমি থেকে বেরিয়েছে লোকসংস্কৃতি গবেষক সুমনকুমার দাশের সম্পাদনায় ‘বাংলাদেশের ধামাইল গান’ বইটি। এতে প্রায় ১০০০ ধামাইল গানের পাশাপাশি ধামাইল গানের জন্ম, বিকাশ, বিস্তৃতি ও গীতিকারদের পরিচিতি এবং বেশ কিছু আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের ধামাইল বিষয়ক আর্টিকেল।

 

বোলান গান:

বোলান গান বা বোলান হল প্রধানত পশ্চিমবঙ্গের লোকগান তথা বাংলার এক প্রাচীন লোকগান। বোলান গান বাংলার লোকস্কৃতির একট অনন্য অবদান। এক সময় বীরভূম, নদিয়া, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ এলাকায় বোলান গান প্রচলিত ছিল। বিশিষ্ট লোক সংস্কৃতি গবেষক ওয়াকিল আহমেদ তাঁর ‘বাংলার লোকস্কৃতি’ বইতে লিখেছেন, বোলান গান বাঁধা হয় পালার আকারে। এতে লঘু, গুরু উভয় বিষয়েরই স্থান আছে। গুরু বিষয় খণ্ডগীতি, আর লঘু বিষয় রঙপাঁচালি নামে পরিচিত।এখানে একটি দল যখন গায়, অন্য দল ধুয়া দেয়। এ ভাবেই এগিয়ে চলে বোলান। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলার বেশির ভাগ লোকোগান, যেমন- ভাদু, আলকাপ প্রভৃতি লোকশিল্পের মতোই বোলানের ঐতিহ্যও ফিকে হয়ে এসেছে। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের বোলান গান বিষয়ক আর্টিকেল।

 

চট্‌কা গান:

চট্‌কা গান উত্তরবঙ্গে প্রচলিত এক ধরণের লোকগীতি যা আসলে ভাটিয়ালি না ভাওয়াইয়া গানের অধপতিত বা অপভ্রংস রূপ। ভারতের কোচবিহার জেলা ও বাংলাদেশের রংপুর জেলায় এই গানের জন্ম। চট্‌কা মূলত তাল প্রধান সুরে রচিত। হালকা তাল ও ছন্দে পরিবেশন করা হয়। এই গানে লঘু তাল এবং জলদ লয় ব্যবহার করা হয়। সেই কারণে দরিয়া গানের মতো প্রলম্বিত সুরের বিন্যাসের ধীরস্থির ভাব পাওয়া যায় না। চটকা ভাওয়াইয়াতে বিশেষ ঢং-এর দোতরার বাদনশৈলী পাওয়া যায়। দৈনন্দিন জীবনের নিতান্ত সাধারণ বিষয় এই গানের উপজীব্য। এই গানের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগত কারণে সাধারণত উত্তর বাংলার শিল্পী ছাড়া এ গানের সুরসংযোজনা সম্ভব হয় না। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের চটকা গান বিষয়ক আর্টিকেল।

কবিগান:

কবিগান বাংলা লোকসংগীতের একটি বিশেষ ধারা। এই ধারায় লোককবিরা প্রতিযোগিতামূলক গানের আসরে অংশগ্রহণ করে থাকেন। গায়ককে কবি হতে হয়। তিনি মুখে মুখে পদ রচনা করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সুরারোপ করে গেয়ে থাকেন। কবিগান পরিবেশনকারীদের বলা হয় কবিয়াল। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের কবিগান বিষয়ক আর্টিকেল।

আমাদের মরমী কবিদের গান:

লালন সাইজির গান:

লালন (জন্ম: ১৭৭৪ – মৃত্যু: ১৭ অক্টোবর, ১৮৯০) ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন বাঙালি; যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরিচিত। তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক। তিনি অসংখ্য গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। লালনকে বাউল গানের অগ্রদূতদের অন্যতম একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার গানের মাধ্যমেই উনিশ শতকে বাউল গান বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তাকে ‘বাউল সম্রাট’ হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। লালন ছিলেন একজন মানবতাবাদী। যিনি ধর্ম, বর্ণ, গোত্রসহ সকল প্রকার জাতিগত বিভেদ থেকে সরে এসে মানবতাকে সর্বোচ্চ স্থান দিয়েছিলেন। অসাম্প্রদায়িক এই মনোভাব থেকেই তিনি তার গান রচনা করেছেন। তার গান ও দর্শন যুগে যুগে প্রভাবিত করেছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ও অ্যালেন গিন্সবার্গের মতো বহু খ্যাতনামা কবি, সাহিত্যিক, দার্শনিক, বুদ্ধিজীবীসহ অসংখ্য মানুষকে। তার গানগুলো মূলত বাউল গান হলেও বাউল সম্প্রদায় ছাড়াও যুগে যুগে বহু সঙ্গীতশিল্পীর কণ্ঠে লালনের এই গানসমূহ উচ্চারিত হয়েছে। গান্ধীরও ২৫ বছর আগে, ভারত উপমহাদেশে সর্বপ্রথম, তাকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। তার গানই “লালন গীতি”।  এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “লালন গীতি” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

হাসন রাজার গান:

অহিদুর রেজা বা দেওয়ান হাসন রাজা চৌধুরী (ছদ্মনাম) (২১ ডিসেম্বর ১৮৫৪ – ৬ ডিসেম্বর ১৯২২;[১] ৭ পৌষ ১২৬১ – ২২ অগ্রহায়ণ ১৩২৯ বঙ্গাব্দ) বাংলাদেশের একজন মরমী কবি এবং বাউল শিল্পী। তাঁর প্রকৃত নাম দেওয়ান হাসন রাজা। মরমী সাধনা বাংলাদেশে দর্শনচেতনার সাথে সঙ্গীতের এক অসামান্য সংযোগ ঘটিয়েছে। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মতে লালন শাহ্‌ এর প্রধান পথিকৃৎ। এর পাশাপাশি নাম করতে হয় ইবরাহীম তশ্না দুদ্দু শাহ্‌, পাঞ্জ শাহ্‌, পাগলা কানাই, রাধারমণ দত্ত, আরকুম শাহ্‌, শিতালং শাহ, জালাল খাঁ এবং আরো অনেকে। তবে দর্শনচেতনার নিরিখে লালনের পর যে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ নামটি আসে, তা হাসন রাজার। তার গানই “হাসন রাজার গান”। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “হাসন রাজার গান” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

শাহ আব্দুল করিমের গান:

শাহ আবদুল করিম (ইংরেজি: Shah Abdul Karim, ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯১৬ – ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৯) হলেন বাংলা বাউলগানের একজন কিংবদন্তি শিল্পী। সুনামগঞ্জের কালনী নদীর তীরে বেড়ে উঠা শাহ আব্দুল করিমের গান ভাটি অঞ্চলে জনপ্রিয় হলেও শহরের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায় তার মৃত্যুর কয়েক বছর আগে। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি প্রায় পাঁচ শতাধিক গান লিখেছেন। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “শাহ আবদুল করিমের গান” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

রাধারমণ দত্তের গান:

রাধারমণ দত্ত, বা, রাধারমণ দত্ত পুরকায়স্থ (১৮৩৩ – ১৯১৫) হলেন একজন বাংলা সাহিত্যিক, সাধক কবি, বৈঞ্চব বাউল, ধামালি নৃত্য-এর প্রবর্তক। সংগীতানুরাগীদের কাছে তিনি রাধারমণ বলেই সমাধিক পরিচিত। বাংলা লোকসংগীতের পুরোধা লোককবি রাধারমণ দত্ত। তার রচিত ধামাইল গান সিলেট ও ভারতের বাঙ্গালীদের কাছে পরম আদরের ধন। রাধা রমন নিজের মেধা ও দর্শনকে কাজে লাগিয়ে মানুষের মনে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। কৃষ্ণ বিরহের আকূতি আর না-পাওয়ার ব্যথা কিংবা সব পেয়েও না-পাওয়ার কষ্ট তাকে সাধকে পরিণত করেছে। তিনি দেহতত্ত্ব, ভক্তিমূলক, অনুরাগ, প্রেম, ভজন, ধামাইলসহ নানা ধরণের কয়েক হাজার গান রচনা করেছেন। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “রাধারমণ দত্তের গান” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

পঞ্চকবির গান:

বাংলা সঙ্গীত জগতে সুর ও বাণীমাধুর্যে এখনও শ্রেষ্ঠ যাঁদের গান তাঁরা হলেন রবীন্দ্রনাথ, দ্বিজেন্দ্রলাল, রজনীকান্ত, অতুলপ্রসাদ ও নজরুল। এদের পঞ্চকবি কবী বলা হয়। বাংলা গানের এই পঞ্চকের জন্ম উনবিংশ শতকে আর লালন ও বিকাশ বিংশ শতাব্দীতে। প্রায় কাছাকাছি সময়ে (১৮৬১-১৮৯৯সাল) পঞ্চকবির আগমন। প্রায় সমকালীন এই পঞ্চ গীতিকবির গান যেমন সমকালে (১৮৭৫-১৯৪২সাল পর্যন্ত), তেমনি পরবর্তীকালেও বাংলা গানের ঐতিহ্যকে আরও বেশি ঐশ্বর্যমণ্ডিত করেছে। বিশেষভাবে বলতে গেলে বাঙালির সৃজনশীলতা বিকাশে এই পাঁচজন গীতিকবি বিশেষ অবদান রেখেছেন। এদের গানকে পঞ্চকবির গান বলে।

 

রবীন্দ্রনাথের গান:

রবীন্দ্রসংগীত হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ও সুরারোপিত গান। বাংলা সংগীতের জগতে এই গানগুলি একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থানের অধিকারী। রবীন্দ্রনাথের জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ও আমার সোনার বাংলা গানদুটি যথাক্রমে ভারত ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত। এছাড়া ভারতের জাতীয় স্তোত্র বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বন্দে মাতরম্‌ গানটিতে রবীন্দ্রনাথই সুরারোপ করেছিলেন। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “রবীন্দ্রসঙ্গীত” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

ডি এল রয় এর গান:

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৯ জুলাই ১৮৬৩ – ১৭ মে ১৯১৩) ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি, নাট্যকার ও সংগীতস্রষ্টা। তিনি ডি. এল. রায় নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি প্রায় ৫০০ গান রচনা করেন। এই গানগুলি বাংলা সংগীত জগতে দ্বিজেন্দ্রগীতি নামে পরিচিত। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “দ্বিজেন্দ্রগীতি ” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

অতুলপ্রসাদ এর গান:

বাংলা ভাষা সাহিত্যে ও সঙ্গীতের এক অতি পরিচিত নাম অতুল প্রসাদ সেন। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, গীতিকার ও গায়ক। বাংলাভাষীদের নিকট অতুল প্রসাদ সেন প্রধানত একজন সঙ্গীতজ্ঞ ও সুরকার হিসেবেই পরিচিত। তাঁর গানগুলি মূলত স্বদেশি সঙ্গীত, ভক্তিগীতি ও প্রেমের গান; এই তিন ধারায় বিভক্ত। তবে তাঁর ব্যক্তি জীবনের বেদনা সকল ধরনের গানেই কম-বেশি প্রভাব ফেলেছে। এজন্য তাঁর অধিকাংশ গানই হয়ে উঠেছে করুণ-রস প্রধান। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “অতুলপ্রসাদের গান” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

রজনীকান্ত এর গান:

রজনীকান্ত সেন (২৬ জুলাই, ১৮৬৫ – ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯১০) প্রখ্যাত কবি, গীতিকার এবং সুরকার হিসেবে বাঙালি শিক্ষা-সংস্কৃতিতে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের সমসাময়িক এই গীতিকারের গানগুলো খুবই জনপ্রিয়। ঈশ্বরের আরাধনায় ভক্তিমূলক ও দেশের প্রতি গভীর মমত্ববোধ বা স্বদেশ প্রেমই তাঁর গানের প্রধান বৈশিষ্ট্য ও উপজীব্য বিষয়। রজনীকান্তের গান কান্তগীতি নামে পরিচিত। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “কান্তগীতি” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

নজরুলের গান:

নজরুলগীতি বা নজরুল সঙ্গীত বাংলাভাষার অন্যতম প্রধান কবি ও সংগীতজ্ঞ কাজী নজরুল ইসলাম লিখিত গান। তাঁর সীমিত কর্মজীবনে তিনি ৩,০০০-এরও বেশি গান রচনা করেছেন। পৃথিবীর কোনো ভাষায় একক হাতে এত বেশি সংখ্যক গান রচনার উদাহরণ নেই। এসকল গানের বড় একটি অংশ তাঁরই সুরারোপিত। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “নজরুলগীতি” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

অন্যান্য গান:

হামদ্:

হামদ্ হল আল্লাহ তাআলার প্রশংসা করে যে কোন ভাষায় গাওয়া সঙ্গীত, গজল বা গান। প্রচলিত রীতিতে এটি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাদ্যবিহীন হয়ে থাকে। পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে সীমিত মাত্রার বাদ্যেরও ব্যবহার হয়ে থাকে। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “হামদ্” বিষয়ক আর্টিকেল।

নাত:

একপ্রকারের কবিতা/গান যা রাসূল মুহাম্মদ (সা) এর প্রশংসা করে লেখা হয়। দক্ষিণ এশিয়ায় এই প্রচলন জনপ্রিয়। বাংলা, উর্দু, ফারসি ইত্যাদি ভাষায় নাত লেখা হয়। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “নাত” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বড়ুচণ্ডীদাস নামক জনৈক মধ্যযুগীয় কবি রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রণয়কথা বিষয়ক একটি আখ্যানকাব্য। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে অযত্নরক্ষিত অবস্থায় এই কাব্যের একটি পুথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে তাঁরই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ নামে পুথিটি প্রকাশিত হয়। যদিও কারও কারও মতে মূল গ্রন্থটির নাম ছিল ‘শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ’। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” বিষয়ক আর্টিকেল।

কীর্তন:

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ছাড়াও বহু বহু রকম ধরনের ভক্তিগীতি রয়েছে। কীর্তন মূলত কোন দেব-দেবীর নাম, গুণাবলী বা কীর্তিকাহিনী সম্বন্ধিত গান। দেব-দেবীর ক্ষেত্রে মূলত দুই প্রকারের কীর্তন হয় – নাম সঙ্কীর্তন, লীলা সঙ্কীর্তন। রাজার মহিমা-কীর্তন করলে তাকে বলে যশোগাথা বা জয়গান। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “কীর্তন” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

মাইজভান্ডারী গান:

মাইজভান্ডারী গান মাইজভান্ডারী ধারার অনুসারীদের গাওয়া মরমী গান। এ ধারার প্রবর্তক গাউছুল আযম হযরত মাওলানা সৈয়দ আহমদুল্লাহ মাইজভান্ডারী (ক.) এবং গাউছুল আযম হযরত মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারি প্রকাশ: বাবা ভান্ডারি (ক.)। একশ বছরের ও আগে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলায় এ ধারার উদ্ভব হয়। আজ পর্য্যন্ত শতাধিক ভক্ত কবি হাজারের ও বেশি গান রচনা করেছেন। রমেশ শীল, আব্দুল জব্বার শাহ্ মিমনগরী, আবদুল হাদি, বজলুল করিম, আবদুল গফুর হালী, মনমোহন দত্ত, মাহাবুব উল আলম প্রমুখ মাইজভান্ডারী গান রচনা করে সুনাম অর্জন করেন। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “মাইজভান্ডারী গান” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

আগমনী গান:

আগমনী গান মূলত শরতের আগমন বিশেষ করে দেবী দুর্গার আগমনের আগে গাওয়া/শোনা হয়। একসময় শারদ প্রাতে বাঙালীর ঘরে ঘরে বাজত শিপ্রা বসু , পঙ্কজ মল্লিক , দীপেন মুখার্জি , রাম কুমার চট্টোপাধ্যায় , পূর্ণ দাস বাউল -দের আগমনী গানের রেকর্ডিং গুলো। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “আগমনী গান” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

দেশের ও রাজনীতির গান:

দেশপ্রেম ও রাজনীতি থেকে তৈরি হয়েছে অসংখ্য গান। বিভিন্ন কবি, সঙ্গীতকার তাদের দেশপ্রেমের প্রকাশ করেছেন গানের মধ্য দিয়ে। দেশপ্রেমের সাধারণ গানের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের মুখে তৈরি হয়েছে বহু কালজয়ী গান, শক্তি যুগিয়েছে শত বাধার মধ্যে লক্ষ্য অর্জনের রাস্তায় অনড় থাকতে। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম, স্বাধীনতা যুদ্ধ ও স্বাধীনতার অবিসংবাদিত নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কেন্দ্র দেশি বিদেশি গীতিকার, সুরকাররা অসংখ্য সঙ্গীত তৈরি করেছেন যা আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “দেশের ও রাজনীতির গান” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

বাংলাদেশি ফিল্মে/ছায়াছবির গান :

ফিল্ম বা ছায়াছবির গান যেকোনো দেশের সঙ্গীত ভাণ্ডারের সবচেয়ে বড় উৎসের একটি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও তার বিকল্প নয়। আমাদের দেশে বহু ক্ষণজন্মা গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত আয়োজক, শিল্পীরা মিলে বাংলা ছায়াছবির জন্য অনবদ্য সব সঙ্গীত রত্ন তৈরি করে গেছেন। এদেশের মানুষ হিসেবে আমাদের সে সম্পর্কে ধারণা থাকা দরকার। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “বাংলাদেশি ফিল্মে/ছায়াছবির গান” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

আধুনিক গান:

বাংলা সঙ্গীত ভাণ্ডারের অন্যতম বড় আরেকটি উৎস ধারার নাম আধুনিক বাংলা গান। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের আধুনিক বাংলা গান আমাদের শুধুমাত্র সঙ্গীত পিপাসাই মেটায়নি, নতুন রুচিও তৈরি করেছে। বহু ক্ষণজন্মা গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত আয়োজক, শিল্পীরা মিলে আধুনিক বাংলা গানের আকাশকে অসংখ্য উজ্জ্বল তারকাখচিত করে দিয়ে গেছেন। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “বাংলাদেশি ফিল্মে/ছায়াছবির গান” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

হিন্দি ফিল্মের গান:

হিন্দি ফিল্ম বা ছায়াছবি এই উপমহাদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছে। হিন্দি ভাষাভাষীদের বাইরেও এর প্রভাব সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে কমবেশি পড়েছে। সেই সঙ্গীত সম্পর্কেও আমাদের কিছুটা ধারণা থাকা দরকার। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “হিন্দি ফিল্মের গান” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

উপশাস্ত্রীয় ও অন্যদেশের স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গীত:

গজল:

গজল এ ধরনের উর্দু কবিতা, বা জোড়া দেয়া কবিতার সমগ্র। এই কবিতাগুলো যখন সুর মিশিয়ে গাওয়া শুরু হলো, তখন সেই গানের নামও হল গজল। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের গজল বিষয়ক আর্টিকেল।

 

হরি:

হোরি উপশাস্ত্রীয় সঙ্গীতের একটি ধারা। এটি মূলত উত্তর প্রদেশ ও বিহারে জনপ্রিয়। এটা প্রথমে শুনলে কিছু কিছুটা ঠুমরীর মতো মনে হতে পারে। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত পরিবেশনের শেষে, লাইট কিছু পরিবেশনের জায়গায় কোন কোন শিল্পী ঠুমরীর বদলে হোরি গেয়ে থাকেন। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের হরি বিষয়ক আর্টিকেল।

 

টপ্পা:

 

ঠুমরি:

ঠুমরি (কেউ কেউ ঠুংরি বলেন, কেন বলেন জানি না) হিন্দুস্থানি উপশাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং জনপ্রিয় ধারা। লোকে বলে শত বছর আছে লাখনও এর শেষ নবাব ওয়জিদ আলি শাহ যিনি “আখতার পিয়া” নামেও পরিচিত ছিলেন, তিনিই প্রথম ঠুমরির এই গায়নরীতির স্থাপনা করেন। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের ঠুমরী বিষয়ক আর্টিকেল।

উত্তর ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত রীতি:

হিন্দুস্থানি শান্ত্রীয় সঙ্গীতের পরিবেশনা

 

ধ্রপদ:

এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “ধ্রুপদ” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

খেয়াল

এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “খেয়াল” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

তারানা

এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “তারানা” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

দক্ষিণ ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত  রীতি :

 

কম্পোজিশন:

দক্ষিণ ভারতীয় সঙ্গীতের শিক্ষা ও পরিবেশনা মূলত কম্পোজিশনের মাধ্যমে হয়। কম্পোজিশনের মধ্যেই রাগের জটিল কারুকার্য সংযুক্ত করা হয়, পাশাপাশি ফ্রি ইমপ্রোভাইজেশনের সুযোগও থাকে। কম্পোজিশন তৈরি হয় লিরিক বা সাহিত্য দিয়ে তৈরি “গীতম” এবং স্বর দিয়ে তৈরি “জাতিস্বরম” বা “স্বরাজাতি”র সমন্বয়ে। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “কার্নাটিক কম্পোজিশন ” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

রাগা আলাপনা :

হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের আলাপরে মতো। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “রাগা আলাপনা” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

নিরভাল :

একমাত্র ইমপ্রোভাইজেশন যেখানে মেলডি, তাল ও লিরিক এক সাথে পেশ হয়। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “নিরভাল” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

কল্পনাসুরাম :

এই রীতিকে সুরকল্পনাও বলে। এটা কিছুটা নিরভাল এর মতো সুর ও তালের সাথে গাওয়া হয়। তবে গাওয়া হয় স্বরের নাম ধরে, মুখড়ায় ফেরার আগে লিরিক/সাহিত্যের সাহায্য নেয়া হয়। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “কল্পনাসুরাম” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

তানাম:

“রাগাম তানাম পাল্লাবী” কম্পোজিশন গাইবার সময় রাগ বিস্তারের পরে “তানাম” তরে দেখিয়ে পল্লবীতে যেতে হয়। তানম সচরাচর ” নাম, তাম, আম, তানাম” ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করে গাওয়া হয়। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “তানাম” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

রাগাম তানাম পাল্লাবী :

কনসার্টে গাইবার ফুল কম্পোজিশন। কল্পনাসুরাম ধরে রাগ বিস্তারের পরে তানাম করে পল্লবীতে যাওয়া হয়। পল্লাবী নিরভাল এর মতো একটি লিরিক/সাহিত্য নিয়ে সুনিদ্রিষ্ট তালের মধ্যে ইমপ্রোভাইজ করে বানানো হয়। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “রাগাম তানাম পাল্লাবী” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

তানি আভার্তানাম :

এটি মূলত তালবাদ্য (মৃদাঙ্গাম, পাখোয়াজ ইত্যাদি) পরিবেশন রীতি। এটাতে মূলত লয়ের উপরে বাদ্যকরের দক্ষতা দেখাবার জায়গা। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “তানি আভার্তানাম” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

গীতম:

গীতম ছোট কম্পোজিশন। এটি দিয়ে শিক্ষার্থীদের তালাম বা তালের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এক্ষেত্রে সচরাচর দ্রুত তালের প্রতি বিটে একটি করে স্বর থাকে। এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “গীতম” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

ভার্নাম:

ভার্নাম এক ধরনের কম্পোজিশন, যা রাগের মুল ফিচারগুলো দিয়ে কম্পোজ করা হয়। ভার্নাম কে দক্ষিণের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ফাউন্ডেশন বলা হয়। এটা শুরুতে ওয়ার্মআপ আইটেমম হিসেবে গাওয়া বাজানো হয়। ভার্নাম ভারতনাট্যম কনসার্টের মুল পিস হিসেবেও গাওয়া/বাজানো হয়। এটা মুলত ৪ বিটের আকশারাম এ দ্রুত লয়ে গাওয়া/বাজানো হয়। ভার্নাম দুই ধরনের। নামভার্নাম ও পাদাভার্নাম।  ভার্নাম গঠিত হয় পল্লবী, অনুপল্লবী ও চিট্টাই সুয়ারাম- পুর্বঅঙ্গে আর চারানাম ও মুকাথাই/ইত্তুগাড়া সুয়ারাম- উত্তর অঙ্গে দিয়ে। এটির কম্পোজিশন নির্ধারিত এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “ভার্নাম” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

কীর্তি বা কীর্তানামাস:

এটি র্দীঘ কম্পোজিশন। যেখানে পল্লবী, অনুপল্লবী ও চারানামা দিয়ে তৈরি। পল্লবীকে আমাদের গানের স্থায়ী, অনুপল্লবী অন্তরার সাথে তুলনা করা যায়। এটির কম্পোজিশন নির্ধারিত এই  সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই সিরিজের “কীর্তি বা কীর্তানামাস” বিষয়ক আর্টিকেল।

 

পশ্চিমা সঙ্গীত  রীতি :

আর্ট মিউজিক (পশ্চিমা শাস্ত্রীয় সঙ্গীত)

পুলকা

রক

হিপ-হপ

ব্লুজ

জ্যাজ

কান্ট্রি

 

আন্দালুসিয়ান শাস্ত্রীয় সঙ্গীত (৯ম শতক):

কর্ডোবা খিলাফতের সময়ে এই সঙ্গীতরীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আরবের সঙ্গীত ধারার একটি ধারা এটি।

 

জাপানি রাজ দরবারের সঙ্গীত (গাগাকু)

 

কোরীয় রাজ দরবারের সঙ্গীত (সুজেকিওন)

 

আজারবাইজানি মুঘম (৯ম-১০ম শতক)

 

কম্বোডিয়ার অনুষ্ঠান সঙ্গীত (আধুনিক)

চীনা সঙ্গীত

ইন্দোনেশিয়ান শাস্ত্রীয় সঙ্গীত (গামেলান)

অটোমান শাস্ত্রীয় সঙ্গীত (তুর্কি)

পার্সিয়ান সঙ্গীত (ইরান)

স্কটিশ পিবারচ (বিগ মিউজিক)

পার্সিয়ান ফোক সঙ্গীত
পার্সিয়ান শাস্ত্রী সঙ্গীত

 

Read Previous

ধামাইল

Read Next

সে কি অভিসার !!! আহা !!